রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

হিলিতে গোড়াপচা রোগে ঝরে পড়ছে পান

দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা হিলিতে পানের বরজে দেখা দিয়েছে গোড়াপচা রোগ। গাছের গোড়ায় পচন ধরে গাছ মরে ঝরে পড়ছে সব পান। পানের পাতাতেও পচন দেখা দিয়েছে। ওষধু দিয়ে কাজ না হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষিরা। উপায় না পেয়ে অনেকে পানের বরজ উঠিয়ে দেওয়া কথা ভাবছেন।

শষ্যভাণ্ডারখ্যাত দিনাজপুরের হিলিতে লাভজনক হওয়ায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠে পান চাষ। সীমান্তবর্তী ঘাসুরিয়া, ঘনশ্যামপুর ও মাধবপাড়া এলাকা পুরোপুরি এখন পান চাষাবাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক বা এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে লাভের আশায় অনেক বেকার যুবক পান চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। বর্তমানে ৪০ হেক্টর এলাকাজুড়ে ৩৫৬টি পানের বরজ গড়ে উঠেছে। যেখানে আগে ৩৭ হেক্টর জমিতে পানের বরজ ছিল। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হতো এই পান। কিন্তু আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব বিশেষ করে অনাবৃষ্টির কারণে পানের বরজে দেখা দিয়েছে গোড়াপচা ও পাতাপচা রোগ।

ঘাসুড়িয়া গ্রামের পান চাষি সুলতান মাহমুদ বলেন, এবারে পান চাষের একমাত্র সমস্যা হলো গোড়াপচা রোগ। যার কারণে লাইনকে লাইন পানের গাছ মরে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে অনেক গাছের পান পচে যাচ্ছে। এতে করে আমাদের পোষাচ্ছে না। আমার ১০ কাঠা জমির পানের বরজ থেকে আগে হয়তো ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পান বেচতাম এখন সেখানে ৫ হাজার টাকারও পান বিক্রি হচ্ছে না। এতে করে খৈল কেনা, শ্রমিকসহ অন্যান্য যে খরচ তা উঠছে না। এক বস্তা খৈলের দাম ২২০০ থেকে ২৪০০ টাকা মৌসুমে আমাদের বরজে খৈল লাগে ১০/১২ বস্তা কিন্তু বর্তমানে যে পান বিক্রি হচ্ছে তাতে করে ৩/৪ বস্তা খৈলের দাম উঠছে না। বর্তমানে পানের দাম যা আছে তাতে করে সমস্যা নেই কিন্তু ক্ষেত থেকে সেই হিসেবে আমাদের ঠিকমতো পান তো পাওয়া যাচ্ছে না। এর উপর যতটুকু পাওয়া যাচ্ছে পানে পচনের কারণে দাম কম পাওয়া যাচ্ছে।

পানচাষি শহিদুল ইসলাম বলেন, এবারে পানের বরজ মালিকদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পানের পচারি রোগ। মারাত্মক আকারে পানে পচারি রোগ ধরেছে। কোনো ওষুধ দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। গাছের গোড়ায় ঘায়ের মতো হচ্ছে ঠিক যেমন পুড়ে গেলে হয়, ওইরকম হয়ে ভিজে উঠছে আর কষানি পড়ছে। কিছুই থাকছে না এতে করে সব পানের গাছ উঠিয়ে ফেলে দিতে হচ্ছে। এবারে পান চাষ করে লাভ হচ্ছে না।

পানচাষি মিন্টু বলেন, এবারে পানের বরজে রোগের প্রকোপটা বেশি। গাছ মরে যাচ্ছে মাটি দিয়ে কোনো কাজ হচ্ছে না। গাছের গোড়ায় পচন ধরছে এতে গাছ মরে সাফ হয়ে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে গাছের পান পচে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া খরার কারণে গাছ বাড়ছে না। যার কারণে এবারে পানের বরজ মালিকদের অবস্থা খুব খারাপ।

অপর চাষি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, পানের গাছের গোড়ায় কালো দাগ ধরে গাছ মরে যাচ্ছে। এ ছাড়া গাছে খোকশার মতো পড়ছে। এতে করে এবারে পানচাষিদের মাথায় হাত। সর্বনাশ হওয়া ছাড়া আর তো কোনো উপায় দেখছি না। লাভের আশায় বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে পানের বরজ করেছিলাম। কিন্তু এখন যে অবস্থা তাতে করে ঋণ পরিশোধ করব কীভাবে আর অন্য কিছু করব কীভাবে। বাধ্য হয়ে পানের বরজ ভেঙে দিয়ে অন্য আবাদ করার সিন্ধান্ত নিয়েছি।

শ্রমিক ইয়াসিন আলী ও রমজান হোসেন বলেন, আমাদের এই অঞ্চলে ৩০০ পানের বরজ রয়েছে যেখানে প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক কাজ করেন। আগে আমাদের ভালো কাজ হতো কিন্তু এখন কাজকর্ম অনেকটা কমে গেছে। পানের বরজে পচারি ধরে মরে যাচ্ছে। গৃহস্থরা আর শ্রমিক খাটাতে পারছে না। যে দুয়েকটা বরজে কাজ হচ্ছে তাদের মালিক নিজেরাই কাজ করছেন শ্রমিক নিচ্ছেন না। যারা পানের বরজে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তাদের জন্য অসুবিধা হয়ে গেছে।

হাকিমপুর উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আরজেনা বেগম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু কিছু পানের বরজে পচন দেখা দিয়েছে। পচন রোগ প্রতিরোধে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণসহ সবধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাতে করে কৃষক ভাইয়েরা সঠিক সময়ে সঠিক ওষুধ প্রয়োগ করে ভালো ফল পান। পচনরোধে ট্রাইকো কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্ট মেলসার, অটোস্টিন, নাটিভো ওষুধ বেশ কার্যকরী। এসব ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছি। সেই মোতাবেক কৃষকরা এসব ওষুধ ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাচ্ছেন।

এসএন

Header Ad
Header Ad

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক রেলমন্ত্রী ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের পৈত্রিক বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বসুয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত হঠাৎ মুজিবুল হকের বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা বাড়ির নিচতলার কাঁচের জানালা, আসবাবপত্র, লেপ-তোশক ভাঙচুর করে এবং পরে অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়া বাড়ির বাইরে রাখা একটি মোটরসাইকেলেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হিলাল উদ্দিন বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমরা পুলিশের একটি দল ও যৌথবাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কে বা কারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে সাবেক মন্ত্রীর ভাতিজা তোফায়েল আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, “স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে।”

তবে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান, “আছরের নামাজের পরপরই ১৫-২০ জন যুবক মুজিবুল হকের বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা হঠাৎ করেই ভাঙচুর শুরু করে এবং কিছুক্ষণ পর চিৎকার করতে করতে বেরিয়ে যায়।”

উল্লেখ্য, মুজিবুল হক দীর্ঘদিন রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং চৌদ্দগ্রাম এলাকায় একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

Header Ad
Header Ad

পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস

অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

চলচ্চিত্র অঙ্গনের আলোচিত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ফের আলোচনায়। সম্প্রতি একটি ঈদ-পরবর্তী টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পরকীয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন এই ঢালিউড তারকা। অনুষ্ঠানের র‌্যাপিড ফায়ার পর্বে তিনি জানান, যদি তার হাতে সুপার পাওয়ার থাকতো, তাহলে পরকীয়া বন্ধে এমন আইন করতেন, যাতে দোষীদের দশজনের সামনে পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো।

অপু বিশ্বাস বলেন, "সমাজে এখন পরকীয়ার মাত্রা বেড়ে গেছে। অনেক মেয়ে জেনেও পরের স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন। এগুলো আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "অনেক নারী প্রলোভনে পড়ে পরকীয়ায় জড়াচ্ছেন। ফেসবুক, মেসেঞ্জারসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার এর পেছনে অন্যতম কারণ।"

 

অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

অনুষ্ঠানে নিজের ব্যক্তিগত এক অভ্যাসের কথা জানিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, “আমি মানুষকে খুব সহজে বিশ্বাস করি, মন খুলে সব কথা বলে ফেলি। এটা আমার একটি দুর্বলতা, যেটা পরিবর্তন করা দরকার।”

র‌্যাপিড ফায়ার পর্বে অন্যান্য তারকাদের সম্পর্কে মন্তব্য করতেও বলা হয় তাকে। শাকিব খানকে তিনি ‘সৃষ্টিশীল ও ব্যবসায়ী’, মৌসুমীকে ‘অ্যাডরেবল হট’ এবং আফরান নিশোকে ‘একটু দাম্ভিক’ বলে অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য, অপু বিশ্বাস এর আগেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে পরকীয়ার বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেছেন। সমাজে পারিবারিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি বরাবরই পরকীয়াকে দোষারোপ করে আসছেন।

Header Ad
Header Ad

বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার

ছবি: সংগৃহীত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দল পুনর্গঠনের উদ্যোগে শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিচ্ছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাধারায় দলকে গড়ে তুলতে কাজ করছেন। এ লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষিত, রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং ক্লিন ইমেজধারী তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে দলীয় প্রার্থী তালিকায় জনপ্রিয় তরুণ নেতাদের স্থান দেওয়া হবে। যদি দল রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে, তবে এ তরুণ নেতারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের পুনর্গঠনে বড় ভূমিকা রাখবেন। দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এমন নেতারা এবার গুরুত্ব হারাবেন এবং যারা দীর্ঘদিন দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন, বিশেষ করে যারা ওয়ান-ইলেভেন থেকে এখন পর্যন্ত নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যুগোপযোগী সংস্কারের জন্য তরুণ, দক্ষ ও শিক্ষিত নেতৃত্ব অপরিহার্য। একই কথা বলেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, যিনি জানান যে একদল পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিক ইতোমধ্যে ৩১ দফা বাস্তবায়নে তারেক রহমানের সঙ্গে কাজ করছেন।

ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও ফরিদপুর বিভাগের সম্ভাব্য তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের তালিকাও ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন, নিপুণ রায়, আফরোজা আব্বাস, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শামা ওবায়েদসহ অনেকে। তাদের দলের বিভিন্ন স্তরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে।

দলীয় নেতারা বলছেন, তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরার পর কারা তার সঙ্গে মিশন চালাবেন, সে ব্যাপারে এখনই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিএনপি মনে করছে, তরুণ ও মেধাবীদের সঙ্গে নিয়ে দলকে নতুন আঙ্গিকে গড়ে তুললে তা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক হবে।

দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল একথা স্পষ্ট করে বলেন, “ভবিষ্যৎ পৃথিবী তরুণ, শিক্ষিত ও মেধাবীদের। আমার ধারণা, দলীয় মনোনয়ন থেকে দলীয় পদ-পদবি—সব ক্ষেত্রেই তরুণদের প্রাধান্য থাকবে।”

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু