বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাংলাদেশের ১০ উইকেট হার নতুন নয়!

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পথ চলা শুরু হয়েছে সেই দুই হাজার সাল থেকে। প্রথম টেস্ট খেলেছিল ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। সেই শুরু। এরপর দীর্ঘ পথ চলায় তারা খেলেছে ১৩২টি টেস্ট। কিন্তু বনেদি এই জায়গায় যতটুকু এগুনোর কথা ছিল বাংলাদেশ তা করতে পারেনি। বলা যায় এখনো ধুকছে। কী পরিমাণ ধুকছে তা ধারনা পাওয়া যায় পরিসংখ্যানের দিক চোখ বুলালে। জয় পেয়েছে মাত্র ১৬টিতে। যার অধিকাংশ দূর্বল জিম্বাবুয়ে আর উইন্ডিজরে বিপক্ষে। বড় দলের বিপক্ষে জয় বলতে সবেধন নীলমনি অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটি করে।

এই সব কিন্তু আবার বাংলাদেশের মানের উন্নতি ঘটায়নি তাৎক্ষণিক উল্লাস করার একটি উপলক্ষ এনে দিয়েছিল। যদিও বিসিবির পক্ষ থেকে এই সবকে খুবই বড় করে দেখা হয়েছিল। ক্রিকেটারদের পুরস্কৃত করা হয়েছিল। এই সব জয় যে বাংলাদেশের মানের কোনো উন্নতি ঘটাতে পারেনি তা ঢাকা টেস্টের পর দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন ঘরের মাঠে (শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় ছিল দেশের বাইরে) এই সব জয় (ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া) বাংলাদেশের ক্রিকেটের ক্ষতিই করেছে।

ডমিঙ্গোর এই কথা কিন্তু অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। ইংল্যান্ডকে হারানোর পর পরের চার টেস্টেই বাংলাদেশ হেরেছিল বড় ব্যবধানে। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে পরের আট ম্যাচের সাতটিতেই হেরেছিল। একটি টেস্ট ড্র করতে পেরেছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

বাংলাদেশ যে টেস্ট ক্রিকেটে কোনো উন্নতি করতে পারেনি তার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত নিউ জিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জেতার পরও তারা একইভাবে হেরে চলেছে। হারের সর্বশেষ নজির ছিল ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার কাছে ঢাকায় ১০ উইকেটে হার। হারের ব্যবধানই বলে দেয় সাদা পোষাকে বাংলাদেশের কী দুরাবস্থা চলছে। ২২ বছর পরও বাংলাদেশ ধুকছে, হারছে বড় ব্যবধানে।

১০ উইকেটে বাংলাদেশ প্রথম হেরেছিল সেই ২০০৬ সালে, যখন টেস্ট ক্রিকেটে পথচলা শুরু করেছে। প্রতিপক্ষ ছিল এই শ্রীলঙ্কাই। বগুড়ায় বাংলাদেশ দুই ইনিংসে করেছিল ২৩৪ ও ২০১ রান। শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ৪৩৫ রান করাতে তাদের সামনে টার্গেট ছিল ১১৯ রানের। দুই ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার মাঝেও হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন হাবিবুল বাশার। প্রথম ইনিংসে ৬৯ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৩ রান

বাংলাদেশ এরপর ১০ উইকেটে হার মেনেছিল ঢাকায় ২০১০ সালে ধোনির ভারতের কাছে। এবার বাংলাদেশ প্রথমে ইনিংসে ২৩৩ রান করে ব্যাটিং ব্যর্থতার মুখে পড়লেও দ্বিতীয় ইনিংসে তা কাটিয়ে উঠেছিল তামিম ইকবালের ১৫১ রানের ইনিংসে ভর করে ৩১২ রান সংগ্রহ করে। কিন্তু ভারত প্রথম ইনিংসে আট উইকেটে ৫৪৪ রান করলে তাদের সামনে টার্গেট ছিল মাত্র দুই রানের।

বাংলাদেশের এরপরের দুইটি হার ছিল উইন্ডিজের কাছে ২০১২ ও ২০১৪ সালে। প্রথমে খুলনায়, পরেরটি কিংস্টনে। এবার বাংলাদেশ ১০ উইকেটে হারলেও প্রথমে ইনিংসে ৩৮৭ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৭ রান করেছিল। যেখানে প্রথম ইনিংসে ছিল আবার দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যাট করেতে নেমে অভিষেকেই আবুল হোসেন রাজুর সেঞ্চুরি। ১১৩ রান করেছিলেন তিনি। একেতো ১০ নম্বারে নেমে সেঞ্চুরি। আবার অভিষেক ম্যাচ। এ রকম নজির টেস্ট ক্রিকেটে ছিল দ্বিতীয় নজির। ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার রেডি ডাফ। কিন্তু উইন্ডিজ স্যামুয়েলসের ২৬০ ও চন্দরপলের অপরাজিত ১৫০ রানের ইনিংসে ৯ উইকেটে ৬৪৮ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল। ফলে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন পড়েছিল ২৭ রানের।

বাংলাদেশ ১০ উইকেটে হারা ম্যাচগুলোর মাঝে একমাত্র কিংস্টন টেস্টে ফলোঅনে পড়েছিল। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য উতরে গিয়েছিল। প্রথম ইনিংসে ১৮২ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরিতে (১১৪) ৩১৪ রান করে। উইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ‍৭ উইকেটে ৪৮৪ রান করে ইনিংস ঘোষণার পর জয়ের জন্য ১৩ রানের দরকার ছিল।

এমপি/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনায় আহতদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা আহতদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নেন।

 

এ সময় ছাত্রদল নেতারা অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। নতুন ছাত্র সংগঠন গঠনের প্রক্রিয়ায় তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে এবং এর প্রতিবাদ করায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান তারা।

এর আগে, বিকেলে মধুর ক্যান্টিনে নতুন ছাত্র সংগঠনের ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মিশু আলি ও আকিব আল হাসানসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুইজনকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে এক পরিবারের ১২ জন সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, খাবারের সঙ্গে কেউ নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দিয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার রাতে কমলনগর উপজেলার চর ফলকন ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাহান মৃধার বাড়িতে রান্না করা হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহজাহান মৃধা (৭০), নুর ভানু (৬৫), পান্না আক্তার (২৭), আকলিমা বেগম (২০), আরমান হোসেন (১০), ইমরান হোসেন (৪), নুসরাত (৪), মরিয়ম (৪), পলি আক্তার (১৬), পিংকি বেগম (২৫) ও মো. নিশান (২৮)।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পলি আক্তার জানান, সন্ধ্যায় পরিবারের সবাই বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। ফিরে এসে রান্না করা হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। খাওয়ার পরপরই দুই শিশু বমি করলেও তখন বিষয়টি কেউ গুরুত্ব দেয়নি। পরে জ্ঞান ফিরে দেখেন, তারা হাসপাতালে। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে দুর্বৃত্তরা রান্না করা খাবারের সঙ্গে চেতনা নাশক মিশিয়ে দেয়। ওই খাবার খেয়ে পরিবারের তিনটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অচেতন হয়ে পড়েন। রাতে অন্য সদস্যরা বাড়ি ফিরে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে সবাইকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে ঘরে কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়েছে কিনা, তা তারা নিশ্চিত করতে পারেননি।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল জানান, শিশুসহ ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং খাবারের সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা

হামজা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ভারত ম্যাচের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি ৩৮ সদস্যের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে আগামী শুক্রবার শুরু হতে যাওয়া ক্যাম্পে ৩০ জন ফুটবলারকে ডেকেছেন কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা। ফলে ৮ জন ফুটবলার ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ পড়েছেন।

৩৮ জনের তালিকায় পাঁচজন গোলরক্ষক ছিলেন। নতুন তালিকায় দুই গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো ও সাকিব আল হাসান বাদ পড়েছেন। ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের সঙ্গে নামের মিল থাকায় আলোচনায় আসা মোহামেডানের দ্বিতীয় গোলরক্ষক সাকিবও জায়গা পাননি।

এবারই প্রথম ব্যতিক্রমভাবে ক্যাম্প শুরুর দুই সপ্তাহ আগে বড় প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছিল বাফুফে। নতুন ফুটবলাররা জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখলেও ক্যাম্পে সুযোগ না পাওয়ায় তারা হতাশ। এ নিয়ে জাতীয় দলের ম্যানেজার আমের খান বলেন, "কোচ বিচার-বিবেচনা করে এই তালিকা তৈরি করেছেন। বাদ পড়া ৮ জন বিকল্প হিসেবে থাকবেন। ইনজুরির কারণে প্রয়োজন হলে তাদের ডাকা হবে।"

আগামী শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে ২৮ জন ফুটবলার ক্যাম্পে যোগ দেবেন। পরদিন বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুশীলন শুরু হবে।

৫ মার্চ সৌদি সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। সৌদি আরবে প্রায় দুই সপ্তাহ অনুশীলন করবে দল এবং অন্তত একটি বা একাধিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের।

গত বছরও সৌদি ক্যাম্প করেছিল বাংলাদেশ। তখন সুদান দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল তারা। এবারও স্থানীয় ক্লাব বা অন্য কোনো দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩০ জনের প্রাথমিক তালিকায় রয়েছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবলার হামজা চৌধুরি ও ইতালিয়ান লিগের ফাহমিদুল।

বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমের খান জানান, হামজা ১৮ মার্চ বাংলাদেশে আসতে পারেন। সৌদি ক্যাম্প শেষে দলের সঙ্গে অনুশীলন করে ভারত ম্যাচ খেলবেন তিনি।

অন্যদিকে, ফাহমিদুল ইতালি থেকে সরাসরি সৌদি আরবে ক্যাম্পে যোগ দেবেন।

প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকা শেখ মোরসালিনের বিরুদ্ধে আজ যৌতুকের মামলা হয়েছে। তবে জাতীয় দলে তার অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন আমের খান।

তিনি বলেন, "এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়। বাফুফের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ এলে তখন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

৩০ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড:

গোলরক্ষক: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ।

ডিফেন্ডার: রহমত মিয়া, শাকিল হোসেন, ইসা ফয়সাল, তাজ উদ্দিন, কাজী তারিক রায়হান, তপু বর্মন, সাদ উদ্দিন, সুশান্ত ত্রিপুরা।

মিডফিল্ডার: মোহাম্মদ হৃদয়, পাপন সিং, সৈয়দ শাহ কাজেম কিরমানি, সোহেল রানা, সোহেল রানা জুনিয়র, চন্দন রায়, মজিবুর রহমান জনি, জামাল ভূঁইয়া, শেখ মোরসালিন, হামজা চৌধুরি।

ফরোয়ার্ড: ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, রাকিব হোসেন, শাহরিয়ার ইমন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আরিফ হোসেন, আল আমিন, পিয়াস আহমেদ নোভা, ফাহামেদুল ইসলাম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন