বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাংলাদেশের স্বস্তির দিন

বাংলাদেশের জন্য এক আতঙ্কের নাম দিনের শেষ শেসন। অতীতে এমন বহুবার দেখা গিয়েছে হয় প্রতিপক্ষ অলআউট হয়েছে, না হয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষন আগে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আর সেই সময়টুকু বাংলাদেশের জন্য হয়ে উঠত ভীবিষীকাময়। এক থেকে একাধিক উইকেটের পতন হতো। পাশে রান থাকতো খুবই অল্প। এইতো সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও এমনটি হয়েছে। কিন্তু এবার চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আর এমনটি হয়নি।

শ্রীলঙ্কাকে ৩৯৭ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ দল ১৯ ওভার খেলে দিন পার করেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭৬ রান সংগ্রহ করে। তামিম ইকবাল ৫৫ বলে চার চারে ৩৫ ও মাহমুদুল হাসান জয় ৬৬ বলে পাঁচ চারে ৩১ রানে অপরাজিত আছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে মাহমুদুল হাসান জয় উভয় ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। এবার তিনি বেশ সাবধানী। শ্রীরঙ্কার ইনিংসের চেয়ে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে আছে ৩২১ রানে। আর ফলোঅন এড়াতে হলে করতে হবে আরো ২৩ রান। হাতে আছে সব কটি উইকেটই। এর আগে শ্রীলঙ্কাকে নিজেদের টার্গেটের (চারশ রান) মাঝে ৩৯৭ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দিনটি বাংলাদেশের জন্য ছিল স্বস্তির।

চা বিরতির প্রায় এক ঘন্টায় এক সঙ্গে তিনটি লক্ষ্য পূরনের মাধ্যেমে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে শেষ করে বাংলাদেশ। প্রথম দিন শ্রীলঙ্কা চার উইকেটে ২৫৮ রান করার পর বাংলাদেশের টার্গেট ছিল চারশ রানের মাঝে আটকে রাখা। লঙ্কানদের টার্গেট ছিল পাঁচশ রান করা। এখানে বাংলাদেশের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। শ্রীলঙ্কাকে চারশ রান করতে দেয়নি। অলআউট করেছে ৩৯৭ রানে। দ্বিতীয়ত হলো ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে একেবারে তীরে গিয়ে তরি বেড়াতে দেয়া হয়নি অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে। তিনি আউটচ হয়েছেন ১৯৯ রানে। আর তাকে আউট করে ইনিংসে ষষ্ট উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং করেছেন ঘরের ছেলে প্রায় ১৫ মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে আসা নাঈম হাসান।

বাংলাদেশ নিজেদের টার্গেটের ভেতর লঙ্কানদের আটকে রাখতে পারলেও এত দূর আবার যাওয়ার কথা ছিল না সফরকারিদের। লাঞ্চের আগে-পরে ২১ বলে নয় রানের ব্যবধানে চার উইকেট তুলে নেয়ার পর লঙ্কানদের অলআউট হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। তখন তাদের রান ছিল আট উইকেটে ৩২৮। সেখান থেকে আরও ৭৯ রান যোগ হলেও তার চেয় বড় বিষয় ছিল পিচে সুপার গ্লুর মতো দুই ব্যাটসম্যান ম্যথিউস ও বিশ্ব ফার্নান্ডো জমে যাওয়া। রান করার চেয়ে টিকে থাকার দিকেই তারা ছিলেন বেশি মনযোগি। যে কারণে এই দুই জন লাঞ্চের তিন বল পর জুটি বেঁধে পুরো সেশনই কাটিয়ে দেন। রান করেন মাত্র ৪৭। চা বিরতির আগে শরিফুলের বলে বিশ্ব ফার্নান্ডোর হেলম্যাটে বল সরাসরি লাগলে তিনি চা বিরতির পর আর ব্যাটিং করতে আসেননি।

শেষ ব্যাটসম্যান আশিতা ফার্নান্ডো এসে ম্যাথিউসকে সময় দেওয়া শুরু করেন। তিনিও বিশ্ব ফার্নান্ডোর মতো উইকেটে জমে থাকেন। রান করার দিকে আগ্রহী ছিলেন না। যে কারণে জুটিতে ৫৩ বল খেলে রান যোগ হয় ১৫। আশিতা ফার্নান্ডো ২৭ বল খেলে মাত্র এক রান করে নাঈমের পঞ্চম শিকার হয়ে বিদায় নেওয়ার পর আবার ব্যাট করতে আসেন বিশ্ব ফার্নান্ডো। তিনি আসেন মূলত ম্যাথিউসকে সঙ্গ দিতে। ডাবল সেঞ্চুরি করার সুযোগ দিতে। ম্যাথিউসের রান তখন ১৯২। বিশ্ব ফার্নান্ডো শুধুই বল মোকাবিলা করে যান। কোনো রান করেননি। ম্যাথিউস পরিস্থিতি বুঝে নিজে স্টাইক ধরে রেখে ঝটপট ক্যারিয়ারের ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার দিকে মনযোগী হন। যে কারণে তিনি মারমুখি হয়ে উঠেন। তাইজুলকে ডাউন দ্যা উইকেটে এসে বাউন্ডারি মেরে ১৯২ থেকে ১৯৬ রানে পৌছে যান। এরপর এক রান নিয়ে স্টাইক ধরে রাখেন।

পরের ওভারের নাঈমের পঞ্চম বলে দুই রান নিয়ে পৌছে যান ১৯৯ রানে। পরের বলে স্লগ করে স্কয়ার লেগের উপর দিয়ে বাউন্ডারি মেরে ডাবল সেঞ্চুরি করতে গিয়ে সাকিবের হাতে ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয় ম্যাথউস আর শ্রীলঙ্কার ইনিংস। অপরপ্রান্তে বিশ্ব ফার্নান্ডো তখন ৮৪ বলে ১৭ রানে অপরাজিত। ১৯৯ আউট হওয়া ম্যাথিউস হলেন বিশ্ব ক্রিকেটে দ্বাদশ ব্যাটসম্যান। এর আগে একে একে আউট হয়েছেন পাকিস্তানের মোদাসসর নজর, ইউনিস খান ভারতের মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, লুকেশ রাহুল, অস্ট্রেলিয়ার ইলিয়ট, স্টিভ ওয়াহ, স্টিভেন স্মিথ,শ্রীলঙ্কার জয়াসুরিয়া, ইংল্যান্ডের আয়ান বেল, দক্ষিণ আফ্রিকার ডিন এলগার ও ডু প্লেসি।

ম্যাথিউস ক্যারিয়ারের সেরা (আগের সেরা অপরাজিত ২০০) স্কোর করতে না পারলেও নাঈম হাসান ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং করেন ১০৫ রানে ছয় উইকেট নিয়ে। তার আগের সেরা ছিল ৬১ রানে পাঁচ উইকেট। আট টেস্টের ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয়বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়া। সাকিব ৬০ রানে নেন তিন উইকেট। তাইজুল ১০৭ রানে নেন অপর উইকেট।

এমপি/এমএমএ/

 

 

Header Ad
Header Ad

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি

বক্তব্য রাখছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ছাত্রশিবিরকে আমরা দেখেছি তারা ছাত্রলীগের পদ নিয়েছে এবং হলে আরাম আয়েশে জীবনযাপন করেছে। তাদের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য সাধারণ শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের এই দায়-দায়িত্ব কে বহন করবে?

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য ফরম বিতরণ ও নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রশিবিরকে উদ্দেশ্যে করে ছাত্রদল সভাপতি বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করবেন তাদের ক্যাম্পাস কমিটিগুলো হয় দুই-তিন-পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট। এখন আমরা তাদের প্রশ্ন করতে চাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কী আপনাদের মাত্র ১৫ জন নেতাকর্মী? তিতুমীর কলেজে আপনাদের দুইজন নেতাকর্মী? কিন্তু তারা এর কোনো উত্তর দিতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, তাদের সে ধরনের নৈতিক সৎ সাহস নেই। ছাত্রদলের মতো নৈতিক সৎ সাহস নেই বলেই তারা এখনো গুপ্ত রয়েছে। তারা তাদের আদর্শ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবে তাতে সমস্যা নাই তবে তাদেরকে স্পষ্ট করতে হবে তারা গণতন্ত্র চায় নাকি ইসলাম কায়েম করতে চায়। তাদের অস্পষ্টার কারণেই তারা এখনো গুপ্ত সংগঠন হিসেবে বিরাজমান।’

তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আবরার ফাহাদকে হৃদয়ে ধারণ করে। কিন্তু তাকে নিয়েও নানাভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি সংগঠন। তারা ছাত্রদলের মানবিক, ধৈর্য ও সহনশীল ছাত্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করতে পারে না। এ কারণে তারা ষড়যন্ত্রকারী রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ৫ আগস্টের পর ক্যাম্পাসগুলোতে শোডাউন ও আধিপত্যবাদের রাজনীতির কবর রচনা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদলের এসব ভালো কাজের জন্য তারা গুপ্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া বলেন, ‘ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে কাজ করেছে। ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক ধারা চলমান রাখা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতেও ছাত্রদল তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তাই আমি তরুণ শিক্ষার্থীদের আহ্বান করতে চাই, যারা শিক্ষার্থী বান্ধব এবং গণতান্ত্রিক ধারার ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে চান তারা অবশ্যই ছাত্রদলের পতাকা তলে চলে আসবেন। আপনাদের প্রতিক্ষায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আপনাদের সাথে নিয়েই আমরা আগামীর সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবো।’

অনুষ্ঠানে জাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, জাবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফফান আলী প্রমুখ।

Header Ad
Header Ad

ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে মিশু আলি (২৪) ও আকিব আল হাসান (২৩) নামে দুই সমন্বয়ক আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

ঢাবি শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম জানান, নতুন ছাত্র সংগঠনের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মধুর ক্যান্টিনে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে মিশু আলি ও আকিব আল হাসানকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সাত কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, নতুন কমিটিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব কম রাখা হয়েছে এবং তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মিশু আলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং আকিব আল হাসান মাস্টার্স প্রিন্টিং অ্যান্ড স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

তবে কারা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘর্ষে আহত দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সদস্য সচিব জাহিদ আহসান, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র আশরেফা খাতুন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সদস্য সচিব মহির আলম, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে একাংশের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং নানা স্লোগান দেন। একপর্যায়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে পড়ে নতুন ছাত্র সংগঠনটি ৮ সদস্যের পরিবর্তে ১২ সদস্যের কমিটি প্রকাশ করে।

জানা যায়, সংগঠনের সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার যখন দল ঘোষণা করছিলেন, তখন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে বাগবিতণ্ডা হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং সংঘর্ষে আহত দুই সমন্বয়ককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে সংগঠনের সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম বলেন, "কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Header Ad
Header Ad

নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাবি কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সাবেক সমন্বয়কদের নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’। সংগঠনটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু বাকের মজুমদার, আর সদস্য সচিব হয়েছেন জাহিদ আহসান।

আরও পড়ুন: ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের নাম ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ও ঢাবির কমিটি প্রকাশ করা হয়। সংগঠনটি শিক্ষা, ঐক্য, মুক্তি এই তিন মূলনীতিকে ধারণ করে গঠিত হয়েছে। ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আশরেফা খাতুন।

 

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে আহ্বায়ক হয়েছেন আব্দুল কাদের এবং সদস্য সচিব হয়েছেন মহির আলম। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

 

‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ ঢাবি কমিটির নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে, চলতি মাসের ১৭ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার। সংগঠনটির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে— "স্টুডেন্টস ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট"।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত