বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

১৭ বছরে মাত্র একবার!

 

বিষয়টি অবাক করার মতোই। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের যাত্রা শুরু হয়েছে ২০০৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি নিউ জিল‌্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌্যাচ দিয়ে। অকল‌্যান্ডে সেই ম‌্যাচে অস্ট্রেলিয়া জয়ী হয়েছিল ৪৪ রানে। অস্ট্রেলিয়ার ৫ উইকেটে ২১৪ রানের জবাব দিতে নেমে নিউ জিল‌্যান্ড ২০ ওভার খেলে ১৭০ রানে অলআউট হয়েছিল। সময়ের পরিক্রমায় গত ১৭ বছরে ম‌্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৩টি । এর মাঝে বাংলাদেশ ম‌্যাচ খেলেছে ১৪৪টি। অথচ ইংল‌্যান্ডের বিপক্ষে ম‌্যাচ খেলেছে মাত্র একটি! তাও ১৬ বছল পর ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে। ম‌্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিল খুবই বাজেভাবে ৮ উইকেটে।

বাংলাদেশের জন‌্য খুবই বাজে বিশ্বকাপে আগে ব‌্যাট করে তারা ১২৪ রান করেছিল। ইংল‌্যান্ড সেই রান তাড়া করেছিল ৩৫ বলে ও ৮ উইকেট হাতে রেখে।

যেহেতু ম‌্যাচ খেলেছে একটি। তাই কোনো সিরিজ খেলা হয়নি। সেই খরা কাটিয়ে এবার তারা প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ‌্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছে প্রথম সিরিজ। তিন ম‌্যাচের সিরিজ শুরু হবে আগামীকাল ৯ মার্চ চট্টগ্রামে।

ইংল‌্যান্ডের বিপক্ষে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ না খেলার কারণ তাদের নাক উঁচু মনোভাব। দু্ই হাজার সালে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর ইংল‌্যান্ডে বিপক্ষে সিরিজ খেলেছে মাত্র পাঁচটি। এর মাঝে ২০০৩ সালে ইংল‌্যান্ড যখন প্রথম বাংলাদেশে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ খেলতে আসে, তখনো টি-টোয়েন্টি ম‌্যাচের প্রচলন শুরু হয়নি। পরের চারটির দুইটি বাংলাদেশে ও দুইটি ইংল‌্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সব সিরিজে ছিল না কোনো টি-টোয়েন্টি ম‌্যাচ।

ইংল‌্যান্ডের মতো নাক উঁচু মনোভাব অস্ট্রেলিয়ারও। এই দুইটি দেশই বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমবার বিরোধিতা করেছিল। পরের বছর তাদের সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট‌্যাটাস পায়। কিন্তু সেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ আতিথিয়েতা দিয়ে শুধুমাত্র একবার ৫ ম‌্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে। সেখানে আবার ইংল‌্যান্ড উদার ছিল না।

টেস্ট ম‌্যাচ খেলার ক্ষেত্রে আবার অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ইংল‌্যান্ড অনেক বেশি উদার। ইংল‌্যান্ড বাংলাদেশকে আতিথিয়েতা দিয়েছে দুইবার। খেলতে এসেছে তিনবার। সেখানে অস্ট্রেলিয়া একবার আতিথিয়েতা দিয়ে খেলতে এসেছে দুইবার। যেবারা তারা বাংলাদেশকে আতিথিয়েতা দিয়েছিল, সে বার তারা বাংলাদেশের খেলার ভেন‌্যু ঠিক করেছিল ডারউইন ও কেয়ার্নসের মতো অপিরিচিত ভেন‌্যুতে!

টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মাঝে একমাত্র ইংল‌্যান্ড ছাড়া আর কোনো দেশের বিপক্ষে বাংলাদেশ এভাবে একটি ম‌্যাচ খেলেনি। সবচেয়ে বেশি ২০টি ম‌্যাচ খেলেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ১৩টিতে জিতে হেরেছে ৭টিতে। এরপর বেশি ম‌্যাচ খেলেছে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৮টি। জয় মাত্র ২টিতে। হারের সংখ‌্যা ১৬টিতে। নিউ জিল‌্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছে ১৭টি ম‌্যাচ। ৩টিতে জিতে ১৪টিতে হেরেছে। উইন্ডিজের বিপক্ষে ১৬ ম‌্যাচ

খেলে জয় এসেছে ৫টিতে। পরাজয় ৯টিতে। ২টি ম‌্যাচ পরিত‌্যক্ত হয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছে ১৩টি। জয় এসেছে ৪টিতে। হার ৯টিতে। ১২টি ম‌্যাচ খেলেছে ভারতের বিপক্ষে। জয় পেয়েছে একটিতে। বাকি ১১টিতে হার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১০ ম‌্যাচ খেলে ৪টিতে জিতে ৬টিতে হেরেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম‌্যাচ খেলেছে ৯টিতে। জয় ৩টিতে। হার ৬টি। দক্ষিণ আফ্রিকার ৮ ম‌্যাচ খেলে সব কটিতে এসেছে হার। আয়ারল‌্যান্ডের বিপক্ষে ৫ ম‌্যাচ খেলে ৩টিতে জিতে ১টিতে হেরেছে। অপর ম‌্যাচে পরিত‌্যক্ত হয়েছে।

আইসিসির সহযোগি দেশগুলোর মাঝে সবচেয়ে বেশি ৪টি ম‌্যাচ খেলেছে নেদারল‌্যান্ডসের বিপক্ষে। একটি ম‌্যাচ বাংলাদেশ হেরেছি। বাকি সব কটিতে আছে জয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৩ ম‌্যাচ খেলে সব কটিতেই জয় পেয়েছে। ২টি করে ম‌্যাচ খেলেছে স্কটল‌্যান্ড ও ওমানের বিপক্ষে। ওমানের বিপক্ষে ২টি ম‌্যাচ জিতলেও স্কটল‌্যান্ডের কাছে ২টি ম‌্যাচেই হেরে যায় বাংলাদেশ। ইংল‌্যান্ড ছাড়া একটি করে ম‌্যাচ খেলেছে কেনিয়া, নেপাল, হংকং, পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে। এরমাঝে হংকংয়ের কাছে হেরে যায়। বাকি সবগুলোতে পেয়েছে জয়।

ওয়ানডে সিরিজ হাতছাড়া হলেও শেষ ম‌্যাচ দাপটের সঙ্গে জিতে বাংলাদেশ আছে ফুরফুরে মেজাজে। এবার পালা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। যদিও এই ফরম‌্যাটে বাংলাদেশের ভিত্তি মোটেই মজবুত নয়, নড়বড়ে। তারপরও ঘরের মাঠে খেলা বলে কথা। হোম গ্রাউন্ডের সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মতো দলকে কাবু করেছিল ৪-১ ব‌্যবধানে। নিউ জিল‌্যান্ডও বধ হয়েছিল ৩-২ ব‌্যবধানে। এবার যদি ইংল‌্যান্ডকে সেই সত্রে ফেলতে পারে, তাহলে বাংলাদেশকে অবজ্ঞা করার একটা জবাবও দেওয়া হয়ে যাবে!

এমপি/এসএন

 

Header Ad
Header Ad

ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে প্রশাসনের কোনো দ্বিধা নেই। তিনি বলেন, "আমরা নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, এটি 'জুলাই স্পিরিট'-এর প্রতি আমাদের কমিটমেন্ট।"

২৬ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাবি ভিসি জানান, ডাকসু নির্বাচনের জন্য তিনটি স্বাধীন কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রশাসন তাদের কাজে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। তিনি বলেন, "নির্বাচন কবে হবে, তা নির্ধারণ করবে এসব কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এতে কোনোভাবে নাক গলাচ্ছে না। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সচল রাখতে ডাকসু নির্বাচন প্রয়োজন।"

উপাচার্য জোর দিয়ে বলেন, "আমরা ডাকসু নির্বাচন করব কারণ এটি আমাদের গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিরিটকে সম্মান জানানো। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে নয়।"

তিনি আরও বলেন, "আমাকে ভয় দেখিয়ে কাজ করানো যাবে না। তবে আমি ভয় পাই।"

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা দীর্ঘ ২৮ বছর পর আয়োজিত হয়েছিল। এরপর থেকে পুনরায় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি

নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

আত্মপ্রকাশ হতে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন ছাত্রসংগঠনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে বিক্ষোভ করছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের দাবি সাবেক সমন্বয়ক রিফাত রশিদকে কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ না দেওয়ায় তারা বিক্ষোভ করছেন। এ ছাড়া তাদের দাবি উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিমে কমিটি না দেওয়ায় তারা বিদ্রোহ করেছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই, দিয়েছি তো রক্ত, আরও দিবো রক্ত, জাস্টিস জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস, রিফাত রশিদের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মঞ্জুরুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এখনও উত্তরার পূর্ব ও পশ্চিমে কমিটি দেয়া হয়নি। তারা এখন নতুন দল ঘোষণা করতে চাচ্ছেন। এটা অবশ্যই বৈষম্য।

বিক্ষোভকারী আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রিফাত রশিদের ভূমিকা আপনারা সবাই জানেন। তাকে বাদ দিয়ে যদি কোন কমিটি হয় তা কখনো আমাদের ম্যান্ডেট নিয়ে হতে পারে না।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

পুতুল নাচ গ্রাম-বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য নাচ। গানের তালে তালে ও বাদ্যযন্ত্রে সুরের মূর্ছনায় পুতুলের নৃত্য হয়। এটি গ্রামীণ জনপদে শিশু-কিশোর ও সর্বস্তরের মানুষের বিনোদনের মাধ্যম এবং পুতুল নাচ শিশুদের কাছে এক অন্যরকম উৎসবের মতো। এই পুতুল নাচ কালের আবর্তে আর আধুনিক সাংস্কৃতির আগ্রাসনে এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। মাঝে মধ্যে পহেলা বৈশাখ আর হাতেগোনা দু-একটি উৎসব ছাড়া পুতুল নাচ প্রদর্শিত হয় না।

সম্প্রতি গত ২৪ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের গোপালপুর সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় শিক্ষা পদক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিশুরা পুতুলের আদলে অসাধারণ নৃত্য প্রদর্শন করে। এতে পৌর শহরের সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী অংশ নেন। শিশুরা পায়ের আঙুলের সঙ্গে হাতে সুতো বেঁধে, মাথায় ঘুমটা দিয়ে ও গায়ে বাঙালিয়ানা পোশাক পরিধান করে গানের তালে তালে নাচ প্রদর্শন করে।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

এই মনোমুগ্ধকর পুতুলের আদলে নাচ উপস্থিত অতিথি ও অভিভাবকদের মুগ্ধ করে এবং তাদের মন জয় করে এই মানব পুতুল নাচ। সেই নাচের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা দেখে সুধীজনরা প্রশংসা করছেন। অনেকেই বলছেন পুতুলের আদলে শিশুদের এই নাচ নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পুতুল নাচের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। নাচের ভিডিওটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা তার ফেসবুকে শেয়ার করেন।

নৃত্য অংশ নেয়া তোহা, সূচী, হাবিবা, মীম, আরাধ্যা ও জীম বলেন- এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য অনেক আগে থেকে প্র্যাক্টিস শুরু করি। আমাদের স্কুলের সাবিনা ম্যাডামের সহযোগিতায় এই পুতুল নাচটি আমরা সুন্দরভাবে পুতুলের আদলে নাচতে পেরেছি। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তুহিন হোসেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম, রোকনুজ্জামান, সহকারী ইন্সট্রাক্টর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা আক্তার কলি বলেন- পুতুল নাচটা আমাদের গ্রাম-বাংলার এক প্রাচীন ঐতিহ্য। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন এই পুতুল নাচ আমাদের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম ছিল। আমরা যখন মেলায় যেতাম তখন এই পুতুল নাচ না দেখলে আমাদের মেলা দেখা সার্থক হতো না। এই ঐতিহ্যগুলো এখন আর গ্রাম-বাংলায় নেই। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে এই পুতুল নাচ উপস্থাপন করি।

তিনি আরও বলেন- পুতুল নাচটি বাংলার বুকে আবার ফিরিয়ে দিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মফিজুর রহমান জিন্নাহ স্যারের নির্দেশে আমাদের বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পুতুল নাচের উদ্যোগ নেই। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সহযোগিতা করে। এতে আমরা ফিরে পাই আমাদের হারিয়ে যাওয়া সাংস্কৃতি সম্পদকে। আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো যে পিছিয়ে নেই তা এই শিশু শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করে দিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত
‘শুধু রণাঙ্গণের যোদ্ধারাই হবেন মুক্তিযোদ্ধা, বাকিরা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’
স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্মেলন
৬ মাসে যেভাবে অর্থনীতি কামব্যাক করেছে সেটা মিরাকল: প্রেস সচিব
নতুন তথ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন মাহফুজ আলম
টাঙ্গাইলে শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি, বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষকসহ দুইজনকে মারধর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তিতে সম্মত ইউক্রেন  
ছোট অপরাধ বাড়লেও কমেছে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ  
নায়িকার মামলায় জাজের আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  
মধুর ক্যান্টিনে বিকেলে যাত্রা শুরু করবে সমন্বয়কদের নতুন ছাত্রসংগঠন