রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

৫ বছরেও মিলেনি স্থলবন্দর ভূমি অধিগ্রহণের টাকা

প্রায় ৫ বছর আগে ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলেও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের গ্যাঁড়াকলে আটকে আছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে নির্মাণাধীন বাল্লা স্থলবন্দরের জন্য অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকদের টাকা। কবে টাকা পাবে কিংবা আদৌ পাবে কিনা- তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন ভুমির মালিকরা। ভূমি হারিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছে তারা। স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি- জেলা প্রশাসনকে সবকিছু বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে, জেলা প্রশাসন বলছে আইনী জটিলতা মানে একাধিক মামলা থাকার কারণে সবাইকে টাকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেদারাকোট নামক স্থানে নির্মিত হচ্ছে ‘বাল্লা স্থলবন্দর’। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়মুড়া এলাকার সাথে এ স্থলবন্দর দিয়ে সংযোগ স্থাপিত হবে। এই স্থলবন্দরের নির্মাণ কাজ প্রায় ৬০ ভাগ শেষ। অথচ এখনও সেখানকার অধিকৃত ভূমির মালিকদের জমির মূল্য দেয়া হয়নি। যে কারণে তাদেরকে এখন নির্মাণাধীন স্থলবন্দরের ভেতরে খুব কষ্টে বসবাস করতে হচ্ছে। তাদের ভবিষ্যতে কি আছে, এনিয়ে শংকা রয়েছে সেখানকার মানুষের মধ্যে। ভূমি মালিকরা তাদের অভিযোগ ও শংকার কথা জানান।

আমি খুব কষ্ট করে দিনমজুরী করে এ জায়গা ক্রয় করেছি। এখন সরকার যেহেতু জায়গা নিয়ে গেছে, আমরা সরকারের বাধ্য হয়ে জমি দিয়েছি। এখন যে পর্যায়ে আছি, থাকার কোন পরিবেশ নেই। ২-৩০০ লোক এখানে কাজ করে। আমরা এখন অসহায় অবস্থায় আছি। রাতে এত মানুষের ভীড়ে কোন নিরাপত্তা নেই। সরকারও কোন টাকা দিচ্ছে না। বলেন মরম আলী।

তিনি আরও বলেন, এখন কোথায় গিয়ে বাসস্থান করব প্রশ্ন করে বলেন, আমরা অসহায় মানুষ। কোথাও গেলে কোন গুরুত্ব পাই না। জেলা প্রশাসকের অফিসে গেলেও আমাদের কোন গুরুত্ব দেয় না। বলে আমাদের ভেজালের কারবার। আমি দিনমজুর মানুষ। একটা ঘর বানানোর তওফিকও নাই। সেখানের আরেকজন নারী বলেন, বলা হয়েছিল গাছের টাকা আলাদা দেবে। বাঁশের টাকা আলাদা দেবে। আমরা একটা টাকাও পাইনি। আমাদের মত অসহায় আর জগতে নাই। আমি চারটা বাচ্চা নিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়ছি। বলার মত না।

কেদারাকোট এলাকার খুর্শেদ আলীর ছেলে আবুল কালাম বলেন দীর্ঘদিন যাবত বন্দরের কাজ চলতাছে। বন্দরের ভেতরে আমাদের বাড়িঘর পড়ছে। আমাদের টাকা-পয়সা দিতেছে না। কেন যে দিচ্ছে না তারাই জানে। একটার পর একটা তারিখ দেয়। আমরা গেলে এই তারিখে না সামনের তারিখে আইসেন। এভাবে আমাদের ঘুরাচ্ছে। ডিসি অফিসে গিয়ে ঘুরছি। কিন্তু কবে যে আমাদের টাকা দেবে তা নির্দিষ্ট তারিখ দিচ্ছে না। আমাদের কাগজপত্র সম্পূর্ণ ঠিক আছে। বাড়িঘরও বন্দরের ভেতরে রয়েছে। কাগজ যার জায়গা তার, এভাবে আমাদের টাকা দিয়ে দিলেই হয়।

সরেজমিনে ঘুরে ও স্থলবন্দরের দায়িত্বে থাকা লোকজনে সাথে কথা বলে জানা যায়, স্থলবন্দরের চারদিকে দেয়াল ওঠে গেছে। দেয়ালের মধ্যে কিছু ফাঁকা জায়গা দিয়ে অধিগ্রহণকৃত ভূমির লোকজন যাতায়াত করেন। আর স্থলবন্দরের কাজ পুরোদমে চলছে। প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে দাবি করেছেন স্থলবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল খায়ের জানান, বাল্লা স্থলবন্দরের জমি অধিগ্রহণের কাজ ২০১৭ সাল থেকে শুরু করে। বিভিন্ন জটিলতা শেষে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়। অধিগ্রহণের পুরো টাকা হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও অর্ধিকৃত ভূমি মালিকদের সহায়তার জন্য স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, প্রজেক্ট ডিরেক্টর, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নিয়মিত যোগাযোগ করেছেন।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল খায়ের বলেন, প্রজেক্ট ডিরেক্টর মহোদয় বলেছেন আপনারা টাকা পেয়ে আস্তে-ধীরে যান। এখনই যেতে হবে না। যে জায়গায় কাজ হচ্ছে, সেখানকার বসতিগুলো অনেকে স্বেচ্ছায় চলে গেছেন। তারা খুশি মনে চলে গেছেন। যারা কিছু অংশ পেয়েছেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও প্রজেক্ট ডিরেক্টর মহোদয় তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে বলেছেন।

জেলা প্রশাসনের বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, প্রায় অর্ধশতাধিক ভূমি মালিকদের মধে ২/৩ জন টাকা পেয়েছেন। কয়েকদিনের মধ্যে আরো কয়েকজন পাবেন। বাকীগুলো মামলা-মোকদ্দমার জন্য পিছিয়ে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেন, আমরা দেয়ার চেষ্টা করছি। টাকা মজুদ আছে। আইনী জটিলতা মানে একাধিক মামলা থাকার কারণে সবাইকে টাকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। যারা মামলা নিষ্পত্তি করে কাগজপত্র নিয়ে আসবেন, তাদেরকে টাকা বুঝিয়ে দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের ত্রিপুরায় সীমান্ত সম্মেলনে একটি পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত-বাংলাদেশ সরকার। চুনারুঘাটের কেদারাকোট এলাকায় ১৩ একর জমির ওপর ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাল্লা স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরেজমিন পরিদর্শন করে নির্মাণকাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। প্রাথমিকভাবে স্থলবন্দর নির্মাণের জন্য ৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় দীর্ঘদিন আটকে থাকে। ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর বন্দর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার