রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ভোলার অধিকাংশ ফার্মেসির নেই লাইসেন্স-ফার্মাসিস্ট, নির্বাক প্রশাসন

ভোলায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই যত্রতত্র ভাবে গড়ে উঠেছে নিষিদ্ধ ওষুধসহ ওষুধের দোকান । ওষুধের মান এবং দাম নিয়ে সংশয় বোধ করছেন ক্রেতারা। একাধিক ফার্মেসির মালিক ওষুধ বিক্রি করছে কোম্পানির নাম জানার উপরে কিন্তু তারা ওষুধের জেনেটিক নাম, ডোজ ও ইন্ডিকেশন জানেন না । এক ওষুধ বিক্রেতাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল "এজিথ" কি? সে এজিথ একমি কোম্পানির ওষুধ বলেই জানালেন । এজিথ কোন জেনারেশনের প্রডাক্ট, জেনেটিক নাম, ডোজ বা ইন্ডিকেশন কিছুই না জানলেও তার দোকানে এসব ওষুধ বিক্রি চলছে বেশ ধুমধামে। তাকে জানতে চাওয়া হয়েছিল পিপিআই কি ? সে জানান এটিও একমি কোম্পানির গ্যাসের ওষুধ, পিপিআই কিসের সংক্ষিপ্ত রুপ বা এর পূর্ণ রুপ কি? তাও জানেন না এই ফার্মেসির মালিক । নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ ড্রাগ লাইসেন্স, কেমিস্ট ও ফার্মাসিস্ট সনদপত্র ছাড়াই চলছে দেদারসে ওষুধ ব্যবসা । সরকারি রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াও এন্টিবায়োটিক ওষুধসহ সব ধরনের ওষুধ বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এমন কি মুদি দোকানেও মিলছে চতুর্থ জেনারেশনের এন্টিবায়োটিক ওষুধ।

ওষুধ প্রশাসনের কোনও রকম নজরদারি না থাকায় আইনের তোয়াক্কা না করে ভোলার আনাচে কানাচে, গ্রামের চিপায় চাপায় এমনকি মাছঘাট বা খেঁয়া ঘাটেও গড়ে উঠেছে ওষুধের দোকান। এসব দোকানেও রয়েছে ট্রাইজন, সেফুক্লেভের মতো হাই এন্টিবায়োটিক ওষুধ। কিন্ত বিক্রেতা শুধু নামই জানেন, উপাদান কি, ডোজ কত, কার্যকারিতা কি কিছুই জানেন না তারা । নিজেকে ডাঃ হিসেবে জাহির করার জন্য প্রেসক্রিপশন ও লিখেন অনেকে ।

আবার অনেক ফার্মেসিতে কেমিস্ট বা ফার্মাসিস্ট না থাকলেও সব ধরনের রোগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে নির্বিঘ্নে । কোন কোন ফার্মেসিতে দেখা যায় আরএমপি, এলএমএএফ এর সনদ সাঁটানো রয়েছে। তবে তাদের কেউ যানেন না আরএমপি, এলএমএএফ এর পূর্ণরুপ কি। এসব দোকানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও মহিলাদের গর্ভপাতের ওষুধও। এতে করে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে ক্রেতা সাধারণ ।

এভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ওষুধ প্রশাসনের উদাসীনতাই প্রধান কারণ বলে মনে করেন সুশীল সমাজ । বর্তমানে কিচু ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে অনেক দোকানেই পূর্বের মূল্য কেটে নতুন দাম সংযুক্ত করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, ফার্মেসি ব্যবসা করার জন্য বাধ্যতামূলক হচ্ছে, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে ড্রাগ লাইসেন্স নেওয়া এবং প্রত্যেক ফার্মেসিতে একজন সনদপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট থাকা। অথচ ভোলা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় রয়েছে ১৫ শতাধিক ওষুধের দোকান। এর মধ্যে অধিকাংশ ফার্মেসিতে নেই ড্রাগ লাইসেন্স কিংবা সনদপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট। এদের অনেকের বিরুদ্ধে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন রোগের স্পর্শকাতর ওষুধ বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে। তবে উপজেলার বিভিন্ন ফার্মেসিতে মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভোলা জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে।

জেলার ওষুধ তত্ত্বাবধায়কের সূত্র মতে, অ্যালোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক ও ইউনানি মিলে ভোলায় প্রায় ২২০ থেকে ২৩০টি দোকানে ড্রাগ লাইসেন্স আছে। তিনি ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, যার ফার্মাসিস্ট ট্রেনিং আছে ওষুধ তিনিই বিক্রি করতে পারবে এবং যিনি ড্রাগ লাইসেন্স পেয়েছেন। ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়া ওষুধের ব্যবসা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনগতভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোলা সদরস্থ ও উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে গড়ে উঠেছে অবৈধ ফার্মেসি ব্যবসা। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ক্রেতাদের এন্টিবায়োটিকসহ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট অবাধে বিক্রি করা হচ্ছে।

একই চিত্র দেখা যায় জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে গড়ে ওঠা ফার্মেসিগুলোতেও।

ভোলার নতুন বাজারস্থ ভোলা ফার্মেসি, বিসমিল্লা ফার্মেসির মালিক ইব্রাহিম জানান, আমাদের ওষুধের দোকানে সব সময় ফার্মাস্টি থাকে এবং রেজির্স্টাট চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়েটিক ওষুধ দেওয়া হয় না।

নামপ্রকাশ না করার শর্তে এক ফার্মেসির মালিক বলেন, ‘ড্রাগ লাইসেন্স পাওয়াটা অনেক কঠিন ব্যাপার। তাই লাইসেন্সের জন্য আবেদন করিনি। শুনেছি, আবেদন করলে নানা অজুহাতে অফিসের লোকজন টাকা-পয়সা চায়। এ ছাড়া লাইসেন্স ছাড়াই তো ওষুধ বিক্রয় করছি,কোনও সমস্যা তো হচ্ছে না। ওষুধ প্রশাসনের লোকজন এদিকে আসে না আর যদি কখনও আসে তখন এক ব্যবস্থা হবেই ।

কি ব্যবস্থা হতে পারে?-এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এসব এখন সিস্টেমে বোঝেন না !’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ভোলা জেলায় কর্তব্যরত ড্রাগ সুপার ইব্রাহিমকে ফোন করলে সে প্রতিবারই তার শরীর অসুস্থ জানিয়ে লাইনচ্যুত করে দেন ।

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কে এম সফিকুজ্জামানকে একাধিক বার কল করলে তিনিও কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এসআইএইচ

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার