শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

রেকর্ড ১ লাখ ৬৫ হাজার কর্মী নেবে দক্ষিণ কোরিয়া

কর্মী নেবে দক্ষিণ কোরিয়া। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মসংস্থান ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের জানিয়েছে, আগামী বছর প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার বিদেশি শ্রমিক নিবে দেশটি। দক্ষিণ কোরিয়ান সংবাদ মাধ্যম দি কোরিয়ান ইকোনমিক ডেইলি দেশটির কর্মসংস্থান ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানায়, দেশীয় শিল্পে ক্রমবর্ধমান শ্রমিকের ঘাটতি মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরিয়া আগামী বছর বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মী নিতে এ ভিসা দিবে।

সংবাদ মাধ্যম জানায়, দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছ। এ লক্ষ্যে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি নতুন এক লাখ ৬৫ হাজার কর্মী নেবে দেশটি।

জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে অপেশাদার কর্মীদের জন্য ই-৯ ভিসা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০০৪ সালে থেকে দেশটি ছোট এবং মাঝারি আকারের উদ্যোক্তাদের কর্মীর চাহিদা পূরণে এ ভিসা দিয়ে আসছে। যেসব খাতে কর্মী নিয়োগ করা হবে তার মধ্যে উৎপাদন শিল্পে ৯৫০০০ জন,কৃষি খাতে ১৬০০০ জন, নির্মাণ শিল্পে ৬০০০ জন, মৎস্য খাতে ১০০০০ জন,জাহাজ শিল্পে ৫০০০ জন, সেবা খাতে ১৩০০০ জন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ২০০০০ জনসহ সর্বমোট ১ লাখ ৬৫ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হবে নতুন বছরে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অফিসে গত ২১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সভায় জানায়, ১৬টি দেশের শ্রমিকদের জন্য অভিবাসী শ্রম নীতি নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে ২০২৪ সালে কোরিয়াতে অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের নীতি সমন্বয়ের অফিসের মন্ত্রী ব্যাং কি-সান জানান, "পরের বছর ই-৯ ভিসা ইস্যু বৃদ্ধির ফলে স্থানীয় কর্মীরা যেসব চাকরি ছেড়ে দিয়েছে বা শূন্যপদগুলো পূরণ হচ্ছে না, ওই সব পদে নতুন কর্মীরা সুযোগ পাবে"।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, ই-৯ ভিসার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াতে অভিবাসী শ্রমিকদের কোটা প্রতিবছর বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তার‌ই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালে ৫২০০০, ২০২২ সালে ৬৯ হাজার এবং সর্বশেষ ২০২৩ সালে ১ লাখ ২০ হাজার জন কর্মী প্রবেশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়াতে। ২০২৪ সাল থেকে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৬৫ হাজার রেকর্ড সংখ্যক কোটার মাধ্যমে কর্মীরা দক্ষিণ কোরিয়াতে যে সমস্ত নতুন অন্তর্ভুক্ত সেক্টরে চাকরি করতে পারবেন তার মধ্যে রেস্টুরেন্ট সেক্টর, কফিশপ, কনস্ট্রাকশন সেক্টর,সেবা খাত সহ বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট সেক্টর সমূহ উল্লেখযোগ্য।

Header Ad
Header Ad

সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা

বিমসটেক সম্মেলনে বক্তব্যকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করাই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের জনগণকে আশ্বস্ত করেছি- এবার আমাদের দায়িত্ব সম্পন্ন হলে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে, আমরা একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করবো।’

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধানগত অধিকার নিশ্চিত করতে, বিশেষ করে নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের জনগণ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন। তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সঙ্গত ও স্বাধীন সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, গত ১৫ বছরে আমাদের জনগণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্রমাগত তাদের অধিকার হারিয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবক্ষয় ঘটেছে এবং নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। এ দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের বিপুল প্রতিরোধ গড়ে ওঠে এবং প্রায় দুই হাজার নিরপরাধ মানুষ, যার মধ্যে ১১৮ জন শিশু, এই আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করেন। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ আবার নতুনভাবে জন্ম নেয়।

ড. ইউনূস জানান, সংস্কার পরিকল্পনার অন্যতম মূল ভিত্তি। অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা, সরকারি প্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন সংস্থা এবং সংবিধান সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, যা জনসাধারণের মালিকানা, জবাবদিহি ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দুর্নীতিবাজ ও স্বৈরাচারী শাসন থেকে বিদ্রোহের নেতৃত্বদানকারী এবং দেশকে মুক্তকারী ছাত্রনেতারা আমাকে আমাদের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। আমি জনগণের স্বার্থে দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছি।

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে পেরে আনন্দিত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিমসটেক অঞ্চলের আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এটিই আমার প্রথম সরাসরি আলাপচারিতা। ১৯৯৭ সালে থাইল্যান্ডে শুরু হওয়ার পর থেকে বিমসটেক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য থাইল্যান্ড সরকারের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। আমাদের আগমনের পর থেকে আমাকে এবং আমার প্রতিনিধিদলকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং আতিথেয়তা প্রদান করা হয়েছে তার জন্য আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। বিমসটেক সচিবালয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মহাসচিব, রাষ্ট্রদূত ইন্দ্র মণি পান্ডের প্রতিও আমার কৃতজ্ঞতা।

Header Ad
Header Ad

নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু

বক্তব্য রাখছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যে উদ্দেশ্য শহীদরা রক্ত দিয়েছে, সেই গণতন্ত্র একটি নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। কাজেই ভোটের অধিকারের প্রতিষ্ঠার যে দাবি, যেটি আমি মনে করি যৌক্তিক সময়েই এই সরকার প্রদক্ষেপ নিবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে দেশের জনগণ ভোট প্রয়োগ করবে এটিই আমাদের সকলের প্রত্যাশা।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এই সরকার ছাত্র জনতার আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কাজেই এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে ‘বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ’ উপলক্ষে আয়োজিত মিট দ্যা প্রেস এ তিনি এসব কথা বলেন।

টুকু বলেন, নির্বাচনের দাবি কিন্ত বাংলাদেশের আপামোড় জন সাধারণের। মানুষ ১৪, ১৮ এবং ২৪ সালে ভোট দিতে পারেনি। প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ নতুন ভোটার হওয়ার সত্বেও তাদের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। কাজেই সেই ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন এ দেশের মানুষ ও জনগণ করেছে।

বিএনপির এই নেতা এক প্রশ্নে জবাবে আরও বলেন, যারা ফ্যাসিবাদ তারা এই দেশ থেকে পালিয়ে বিভিন্নভাবে পাশ্ববর্তী দেশে থেকে এই দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্ন রকম উষ্কানীমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে যেভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে, সেভাবে এদের ষড়যন্ত্র আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিবো।

এ সময় জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আলী ইমাম তপন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১

ফাইল ছবি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গত ৭ দিনে ঢাকাসহ সারাদেশে ৩৪১ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য ও মাদক ব্যবসায়ী রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে দেশব্যাপী অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় একাধিক মামলার আসামি, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীসহ ৩৪১ জন অপরাধীকে।

আইএসপিআর আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ১৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৩টি গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, জাল নোট এবং নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এছাড়া, ঈদুল ফিতরের জন্য যাত্রীদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী গণপরিবহন টার্মিনাল ও স্টেশনগুলোতে টহল, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং কালোবাজারি রোধে কাজ করেছে। মহাসড়কে বিকল্প রুট, পার্কিং ব্যবস্থা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা ঈদের যাত্রাকে সহজ ও নিরাপদ করে তুলেছে।

এছাড়া, শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপনের ব্যবস্থা করেছে সেনাবাহিনী। চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ড রোধে রোবাস্ট টহল, চেকপোস্ট এবং বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে।

আইএসপিআর জনগণকে অনুরোধ করেছে, যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে কাছের সেনা ক্যাম্পে তথ্য দেওয়ার জন্য।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার