বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

পদ্মা সেতুর সার্কাস চলছে: রিজভী

বিএন‌পির সি‌নিয়র যুগ্ম মহাস‌চিব রুহুল ক‌বির রিজভী ব‌লে‌ছেন, 'আমরা অনেক সার্কাস দেখেছি, বা শুনেছি। আমাদের দেশেও অনেক রকম সার্কাস আছে। এখন একটা সার্কাস চলছে-সেটা হল পদ্মা সেতুর সার্কাস। কি ঘটছে, সরকারের কাছ থেকে কত কথা।'

তিনি বলেন, 'পদ্মা নদীর উপরে একটা সেতু তো আ‌গেই হয়েছে। তার নাম লালন সেতু, এই সেতু খালেদা জিয়ার আমলে হয়েছে কই তখন তো আমরা এতো হইচই করি নাই। আর তারা রেড অ্যালার্ট জারি করার মত অবস্থা করেছে। তা‌দের নেতা-কর্মীদেরকে সতর্ক থাকতে বলেছে। অথচ শেখ হাসিনা কি জানে? সম্প্রতি এই বাজেটের কারণে এদেশের মধ্যম ও নিম্ন আয়ের মানুষ আধাবেলা খায়, আধাবেলা না খেয়ে থাকে। মনে করেছে পদ্মা সেতু দেখ‌লে সবকিছু ভুলে যাবে। শিক্ষিত বেকারত্বের হার দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচাইতে বেশি বাংলাদেশে। এটা শুধু করোনার কারনে হয় নাই । তার আগে থেকেই এই ভয়ংকর বেকারত্ব।'

মঙ্গলবার ১৪ জুন নয়াপল্টন বিএন‌পির কেন্দ্রীয় কার্যাল‌য়ের নিচ তলায় জিয়া প‌রিষ‌দের উ‌দ্যো‌গে খা‌লেদা জিয়ার রোগ মু‌ক্তি ও সুস্থতা কামনায় এক দোয়া মাহ‌ফি‌লে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

রিজভী ব‌লেন, 'সারাদেশের জনগণের যি‌নি সমর্থন ধন্য ছিলেন, যার হাতে এখন শাসনব্যবস্থা থাকার কথা তাকে বন্দি করেছে। বন্দী করেছে কারা? যারা অবৈধ পন্থায় ক্ষমতায়ন আছে তারা। নিশি রাতে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আছে। সকল অন্যায় অবৈধ পন্থায় যারা ক্ষমতায় আছে তারা। অর্থাৎ সাধারণ জনগণ সমর্থন ধন্য নেত্রী, সুষ্ঠু ভোট হলে তিনি ক্ষমতায় থাকতেন তিনি বন্দী। আর যারা অন্যায় অবিচার রাতের ভোট দিনে করেছে, গুম খুন এমন কোন অবৈধ পন্থা নাই যে তারা ব্যবহার করে নাই এমন একজন নেত্রীর নেতৃত্বে সরকার ক্ষমতায় তারা নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে।'

তিনি বলেন, 'দস্যুরা কাদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করে? সমাজের ভদ্র মানুষের সন্তানদেরকে ধরে নিয়ে যায় তারপরে তাদের বাবা-মার কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করে। শেখ হাসিনা তাই করছেন। শীর্ষ সন্ত্রাসী, দস্যুরা যেভাবে মুক্তিপণ আদায় করে শেখ হাসিনা সেই ভাবে খালেদা জিয়াকে বন্দি করে দেশের সকল জনগণকে জিম্মি করে অবৈধ ভোট করছে ক্ষমতায় থেকে।'

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বলেন, 'শেখ হাসিনা আপনি কি এটা জানেন? আপনার আত্মীয়-স্বজন নেতা-কর্মীরা প্রতিবছর হাজার লক্ষ কোটি টাকার বিদেশে পাচার করছে। এই কারণেই মুদ্রাস্ফীতি। আপনি কিন্তু প্রকারান্তরে সেটা স্বীকার করেছেন। আপনি বলেছেন টাকা যদি ফেরত নিয়ে এসে বিনিয়োগ করা হয় তাহলে তাকে ধরা হবে না। অথচ বিএনপি লোক কবরে থাকলে মামলা হয়। হজ্জে থাকলেও মামলা হয়। তারা টাকা পাচার করবে আর আপনি ধরবেন না এটা হয় না। সুতরাং আপনার লোকই টাকা পাচার করেছে বলেই আপনি এই ঘোষণা দিয়েছেন। এর থেকে আপনি মুখ লুকাবেন কোথায়?'

তিনি বলেন, টাকা পাচার, দুর্বৃত্তায়নের কারণে মূল্যস্ফীতি এই কারনেই মাধ্যম ও স্বল্প আয়ের মানুষদের জীবন যাপন করা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তারা চোখে অন্ধকার দেখছে। ওই অন্ধকার ভেদ করে আপনার পদ্মা সেতু দেখবে কি করে? কারণ তার পেটে যে খোদা, তার চোখে যে অন্ধকার গোলক ধাঁধা, এই গোলকধাঁধা ভেদ করে আপনার পদ্মা সেতুতে হাজার ভোল্টের বাল্ভ লাগলেও তা তারা দেখতে পাবে না।
এই সরকার সকল সরকারি অফিস গুলোকে আওয়ামী লীগের কার্যালয় বানিয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছিলাম এই নির্বাচন কমিশন হচ্ছে আওয়ামী লীগের কিচেন কমিশন। এটা আবার প্রমাণিত হলো এরা আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মতো কাজ করছে। এই কারণেই আওয়ামী লীগের অধীনে সকল নির্বাচন বিএনপি প্রত্যাখ্যান করেছে।

'কুমিল্লার সিটি নির্বাচন বিএনপি প্রত্যাখ্যান করেছে। ওই এলাকার একজন সংসদ সদস্য নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে নির্বাচনের প্রচারণা চালাচ্ছে। সেটা নিয়ে অভিযোগ জানালে নির্বাচন কমিশন বলেছে একজন সম্মানিত ব্যক্তি কে কি টেনে হিঁচড়ে বের করা যায়। এতেই বোঝা যায় এই নির্বাচন কমিশন শেখ হাসিনার একেবারে রান্নাঘরের কমিশন। আওয়ামী লীগ ভোট ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই করবে আর নির্বাচন কমিশন পাহারা দিবে সেই দায়িত্ব নিয়েছে তারা। এই কারণেই বিএনপি আওয়ামী লীগের অধীনে সকল নির্বাচন প্রত্যাখান করেছে। কারণ শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।'

রিজভী বলেন, 'খালেদা জিয়া কত দুর্যোগ মোকাবেলা করে আজীবন জনগণের পাশে রয়েছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় শেখ হাসিনা মুচলেকা দিয়ে বিদেশে চলে গিয়ে ছিলেন। কিন্তু খালেদা জিয়া যায়নি, এদেশের জনগণের জন্য। এটা তার বৈশিষ্ট্য ইতিহাস-ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্যকে অতিক্রম করে খালেদা জিয়া কখনো নতজানু হননি।'

'খালেদা জিয়া এক ভয়ঙ্কর অসুস্থতার মধ্য দিয়ে দিন অতিক্রম করছেন। অথচ হাজী সেলিমের মত একজন সংসদ সদস্য যার সাজা হয়েছে তিনি যান বিদেশে চিকিৎসা নিতে। আর একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতার ঘোষকের সহধর্মিনী তিনি চিকিৎসার অভাবে ধুকছেন। আমরা আল্লাহর কাছে তার সুস্থতা কামনা করছি।'

 

এমএইচ/

Header Ad
Header Ad

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি

বক্তব্য রাখছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ছাত্রশিবিরকে আমরা দেখেছি তারা ছাত্রলীগের পদ নিয়েছে এবং হলে আরাম আয়েশে জীবনযাপন করেছে। তাদের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য সাধারণ শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের এই দায়-দায়িত্ব কে বহন করবে?

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য ফরম বিতরণ ও নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রশিবিরকে উদ্দেশ্যে করে ছাত্রদল সভাপতি বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করবেন তাদের ক্যাম্পাস কমিটিগুলো হয় দুই-তিন-পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট। এখন আমরা তাদের প্রশ্ন করতে চাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কী আপনাদের মাত্র ১৫ জন নেতাকর্মী? তিতুমীর কলেজে আপনাদের দুইজন নেতাকর্মী? কিন্তু তারা এর কোনো উত্তর দিতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, তাদের সে ধরনের নৈতিক সৎ সাহস নেই। ছাত্রদলের মতো নৈতিক সৎ সাহস নেই বলেই তারা এখনো গুপ্ত রয়েছে। তারা তাদের আদর্শ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবে তাতে সমস্যা নাই তবে তাদেরকে স্পষ্ট করতে হবে তারা গণতন্ত্র চায় নাকি ইসলাম কায়েম করতে চায়। তাদের অস্পষ্টার কারণেই তারা এখনো গুপ্ত সংগঠন হিসেবে বিরাজমান।’

তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আবরার ফাহাদকে হৃদয়ে ধারণ করে। কিন্তু তাকে নিয়েও নানাভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি সংগঠন। তারা ছাত্রদলের মানবিক, ধৈর্য ও সহনশীল ছাত্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করতে পারে না। এ কারণে তারা ষড়যন্ত্রকারী রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ৫ আগস্টের পর ক্যাম্পাসগুলোতে শোডাউন ও আধিপত্যবাদের রাজনীতির কবর রচনা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদলের এসব ভালো কাজের জন্য তারা গুপ্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া বলেন, ‘ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে কাজ করেছে। ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক ধারা চলমান রাখা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতেও ছাত্রদল তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তাই আমি তরুণ শিক্ষার্থীদের আহ্বান করতে চাই, যারা শিক্ষার্থী বান্ধব এবং গণতান্ত্রিক ধারার ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে চান তারা অবশ্যই ছাত্রদলের পতাকা তলে চলে আসবেন। আপনাদের প্রতিক্ষায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আপনাদের সাথে নিয়েই আমরা আগামীর সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবো।’

অনুষ্ঠানে জাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, জাবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফফান আলী প্রমুখ।

Header Ad
Header Ad

ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে মিশু আলি (২৪) ও আকিব আল হাসান (২৩) নামে দুই সমন্বয়ক আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

ঢাবি শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম জানান, নতুন ছাত্র সংগঠনের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মধুর ক্যান্টিনে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে মিশু আলি ও আকিব আল হাসানকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সাত কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, নতুন কমিটিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব কম রাখা হয়েছে এবং তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মিশু আলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং আকিব আল হাসান মাস্টার্স প্রিন্টিং অ্যান্ড স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

তবে কারা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘর্ষে আহত দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সদস্য সচিব জাহিদ আহসান, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র আশরেফা খাতুন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সদস্য সচিব মহির আলম, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে একাংশের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং নানা স্লোগান দেন। একপর্যায়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে পড়ে নতুন ছাত্র সংগঠনটি ৮ সদস্যের পরিবর্তে ১২ সদস্যের কমিটি প্রকাশ করে।

জানা যায়, সংগঠনের সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার যখন দল ঘোষণা করছিলেন, তখন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে বাগবিতণ্ডা হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং সংঘর্ষে আহত দুই সমন্বয়ককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে সংগঠনের সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম বলেন, "কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Header Ad
Header Ad

নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাবি কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সাবেক সমন্বয়কদের নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’। সংগঠনটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু বাকের মজুমদার, আর সদস্য সচিব হয়েছেন জাহিদ আহসান।

আরও পড়ুন: ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের নাম ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ও ঢাবির কমিটি প্রকাশ করা হয়। সংগঠনটি শিক্ষা, ঐক্য, মুক্তি এই তিন মূলনীতিকে ধারণ করে গঠিত হয়েছে। ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আশরেফা খাতুন।

 

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে আহ্বায়ক হয়েছেন আব্দুল কাদের এবং সদস্য সচিব হয়েছেন মহির আলম। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

 

‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ ঢাবি কমিটির নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে, চলতি মাসের ১৭ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার। সংগঠনটির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে— "স্টুডেন্টস ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট"।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত