বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সরকার পতনের সাইরেন বাজতে শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমানে সরকার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অগ্নিমূল্য, অর্থ পাচার আর মহা দুর্নীতিতে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে যে সেটিকে আড়াল করার জন্যই দেশব্যাপী সন্ত্রাসের পরিকাঠামো তৈরি করেছে। আর এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রতিদিনই বিএনপি নেতা-কর্মীদের রক্ত ঝরছে। নিহত ও আহত হচ্ছেন অসংখ্য বিএনপি নেতা-কর্মী।

তিনি বলেন, বিএনপির কর্মসূচির কথা শুনলেই আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী প্রশাসন বিচলিত হয়ে পড়ে। মনে হয় তাদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপতে শুরু করেছে। গণতন্ত্রকে উচ্ছেদ করে অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে এ সরকার নানা ধরনের সর্বনাশা সহিংস পন্থা অবলম্বন করেছে। এমকি পবিত্র ঈদের আগে পরেও আওয়ামী সন্ত্রাসের বাড়বাড়ন্ত স্তিমিত হয়নি। প্রচণ্ডবেগে গণবিক্ষোভের বিস্ফোরণকে ঠেকানোর জন্যই দলীয় চেতনায় সাজানো প্রশাসন ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অবৈধ অস্ত্র দিয়ে মাঠে নামানো হয়েছে। তবে এই সরকারের পতনের সাইরেন বাজতে শুরু করেছে। জনগণের সম্মিলিত শক্তির কাছে এই সরকারের পতন এখন অতি সন্নিকটে।

শুক্রবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘পুলিশের কাছে অনুমতি নিয়ে বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির জন্য দোয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অথচ তাদের উপর পুলিশ যে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালায় তা নজিরবিহীন। পুলিশ এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা বিএনপির উদ্যোগে ধর্মীয় অনুষ্ঠানকেও বানচাল করতে সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। এই ঘটনায় সরকারের নৃশংস ফ্যাসিবাদের উগ্ররূপ প্রকাশ পেয়েছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহ জেলাধীন পাগলা উপজেলায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা এবং ৪০টি মোটরসাইকেল ভস্মিভূত করা এবং আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, তার মাতাসহ বিএনপি নেতাদের ওপর যে পৈশাচিক হামলা করা হয়েছে, তা বর্তমান অবৈধ সরকারের সন্ত্রাসনির্ভর অপরাজনীতির আরেকটি বর্ধিত প্রকাশ। রাজশাহীর বাগমারা ও ময়মনসিংহের পাগলার ঘটনা সরকারের পরিকল্পিত ও অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত।’

রাজশাহীর বাগমারার ভবানীগঞ্জে পুলিশী হামলা ও ময়মনসিংহের পাগলা থানায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমণের আবারও তীব্র ঘৃণা ও ধিক্কার জানাচ্ছি। অবিলম্বে জড়িত আওয়ামী দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির জোর দাবি জানান মির্জা ফখরুল।

এসএন

Header Ad
Header Ad

বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    

ছবিঃ সংগৃহীত

সাত বছর পর আবারও বর্ধিত সভা আয়োজন করছে বিএনপি। জাতীয় নির্বাচন, আন্দোলনের প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে দলটির এই গুরুত্বপূর্ণ সভা আজ জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল-সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করবেন।

সভায় দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং মহানগর ও জেলার সব থানা, উপজেলা, পৌর কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক অথবা আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ প্রায় ৪ হাজার নেতাকর্মী অংশ নেবেন। তৃণমূলের বক্তব্য শুনবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দেবেন নতুন বার্তা।

বর্ধিত সভা উপলক্ষে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবকে আহ্বায়ক করে ২৭ সদস্যের বাস্তবায়ন কমিটি এবং ছয়টি উপকমিটি (ব্যবস্থাপনা, অভ্যর্থনা, আপ্যায়ন, শৃঙ্খলা, মিডিয়া ও চিকিৎসা সেবা কমিটি) গঠন করা হয়েছে।
 
নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির এ বর্ধিত সভাকে ‘খুবই সময়োপযোগী’ বলে মনে করেন দলটির সিনিয়র নেতারা।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, এবারের সভায় মূলত চারটি ইস্যু গুরুত্ব পাবে। এগুলো হলো: ৫ আগস্টের পর দেশের চলমান পরিস্থিতি, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মিত্র দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখা।

এর আগে, ২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর লো মেরিডিয়ান হোটেলে বিএনপির বর্ধিত সভা ডেকেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এর চার দিন পর ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজা নিয়ে কারাগারে যান।

 

Header Ad
Header Ad

ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত

ছবিঃ সংগৃহীত

ভোরে রাজধানীর চারটি থানা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাজধানীর মিরপুর, দারুসসালাম, আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় দায়িত্বে অবহেলা করায় গুলশান থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোরের দিকে দায়িত্বে শিথিলতা দেখায়। এ সুযোগে সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা নানারকম অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করার চেষ্টা করে। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি, তারা যেন এ সময়েও সজাগ ও সতর্ক থাকে। গুলশান থানায় দায়িত্বে অবহেলা করায় একজন এসআই ও একজন কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণ যেন নির্বিঘ্নে ঘুমাতে পারেন ও নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ফোর্স ও টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

চলমান যৌথ অভিযান আর কতদিন চলবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হলে যৌথ অভিযান বন্ধ করা হবে। তবে অন্যান্য অভিযান চলমান থাকবে। তিনি আরও জানান, গতকাল গুলশান থানায় দায়িত্বে অবহেলা করায় একজন এসআই ও একজন কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

এর আগে উপদেষ্টা তার বারিধারাস্থ ডিওএইচএস এর বাসা থেকে বের হয়ে ইসিবি চত্বর, কালশী, পল্লবী, মিরপুর-১০ হয়ে মিরপুর থানায় পৌঁছান। পরিদর্শন শেষে সেখান থেকে মিরপুর-১ হয়ে দারুসসালাম থানায় যান। দারুসসালাম থানা থেকে টেকনিক্যাল মোড়, শ্যামলী হয়ে আদাবর থানা পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে মোহাম্মদপুর থানায় যান। মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শন শেষে ধানমন্ডি ২৭, সংসদ ভবন, বিজয় সরণি, মহাখালী, বনানী হয়ে বারিধারার বাসায় ফিরে আসেন।

থানাসমূহ পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা থানার অভ্যর্থনা কক্ষ, হাজতখানা-সহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা ঘুরে দেখেন। তিনি ডিউটি অফিসার-সহ কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন।

Header Ad
Header Ad

মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

ছবিঃ ঢাকাপ্রকাশ

রংপুরের মিঠাপুকুরে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন মাপে কম দিয়ে ক্রেতাদের ঠকানোর অভিযোগে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুর জেলা কার্যালয়ের সহযোগিতায় মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিকাশ চন্দ্র বর্মণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করেন।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ও দাহ্য পণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানে এই অভিযান চালানো হয়।

ইউএনও বিকাশ চন্দ্র বর্মণ জানান, মাপে কম দিয়ে ক্রেতাদের ঠকানোর অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মিঠাপুকুরের গড়ের মাথায় হাসনা পাম্প ফিলিং স্টেশনে ২০ হাজার, মোসলেম বাজার এলাকার রওশন ফিলিং স্টেশনে ৫০ হাজার ও শুকরারহাট এলাকার মন্ডল ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রত্যেকটি পাম্পে তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় পাম্প মালিককে এই জরিমানা করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক