বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সিইসি হলেন সাবেক সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল

প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল। শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য চার কমিশনার নিয়োগ দেন। এর মধ্য দিয়ে গঠিত হলো নতুন নির্বাচন কমিশন।

চারজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা হলেন-অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম রাশিদা সুলতানা, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবীব খান, সাবেক সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর এবং সাবেক সিনিয়র সচিব মো. আনিছুর রহমান।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এর সঙ্গে সাক্ষাত করে চূড়ান্ত দশ জনের তালিকা জমা দেয় অনুসন্ধান কমিটি।

আরও পড়ুন:  সিইসি ও ইসি হতে পারেন যারা

সেই দশজন থেকে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার জন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। এবারই প্রথম আইন অনুযায়ী ইসি গঠন হলো।

গত ২৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে আইন পাসের পর ইসি গঠনে যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর পাঁচ সদস্য হলেন হাইকোর্টের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক।

এই কমিটি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নাম দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। ব্যক্তিপর্যায়েও নাম আহ্বান করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩২২ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করে কমিটি। এরপরও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে আরও কিছু নামের প্রস্তাব আসে। সব নাম কাটছাঁট করে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে অনুসন্ধান কমিটি। চূড়ান্ত তালিকা হতে সিইসি পদে সাবেক এক সচিবই আসছেন এমনটাই আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দক্ষতার সঙ্গে ধর্ম, আইন ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে প্রথমে সংসদ সচিবালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেখানে যোগ দেননি। পরে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যোগ দেন। ২০১৬ সালে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে অবসরে যান। কাজী হাবিবুল আউয়ালের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে।

 উল্লেখ্য এর আগে ‘সিইসি ও ইসি হতে পারেন যারা’-শিরোনামে ঢাকাপ্রকাশ খবর প্রকাশ করে।  

সংক্ষিপ্ত বৃত্তান্ত:

কাজী হাবিবুল আউয়াল মুন্সেফ হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর নানা পদ পেরিয়ে সচিব হিসেবে অবসর নেওয়ার পর এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন। ৬৬ বছর বয়সী হাবিবুল আউয়াল পাঁচ বছর আগে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন। এরপর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে শিক্ষকতা করছিলেন তিনি। হাবিবুল আউয়ালের পৈত্রিক ভিটা চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দীপে হলেও তার জন্ম কুমিল্লায়, বাবার চাকরি সূত্রে। হাবিবুল আউয়ালের বাবা কাজী আবদুল আউয়াল কারা বিভাগের কর্মকর্তা ছিলেন। ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার বাদী ছিলেন তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) আবদুল আউয়াল। হাবিবুল আউয়াল ১৯৭২ সালে খুলনার সেন্ট জোসেফ’স হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন তিনি। বিসিএস ১৯৮১ ব্যাচের এই কর্মকর্তা সরকারি চাকরি শুরু করেন মুনসেফ (সহকারী জজ) হিসেবে। ১৯৯৭ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদোন্নতি পান।

কাজী হাবিবুল আউয়াল ২০০০ সালের ডিসেম্বরে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব হন হাবিবুল আউয়াল। ২০০৪ সালে হন অতিরিক্ত সচিব। ২০০৭ সালে পদোন্নতি পেয়ে একই মন্ত্রণালয়ের সচিব হন তিনি। সচিব হওয়ার পর ২০০৯ সালে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আইন মন্ত্রণালয়েই ছিলেন হাবিবুল আউয়াল। বিচার বিভাগের এই কর্মকর্তার আইন সচিব হিসেবে নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করে ২০১০ সালে রায় দেয় আদালত। আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে হাবিবুল আউয়ালের নিয়োগের সময় নীতিমালা মানা না হওয়ায় আদালত তার নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করে। আইন সচিব থাকা অবস্থায় বিধিবহির্ভূতভাবে দুই বিচারককে অবসরে পাঠানো নিয়েও জটিলতায় জড়িয়েছিলেন হাবিবুল আউয়াল। সংসদীয় কমিটি এজন্য তাকে তলব করলে তিনি ওই ঘটনার দায় মাথায় নিয়ে ক্ষমাও চান। ওই সব ঘটনার পর ২০১০ সালে এপ্রিলে ধর্ম সচিব করা হয় হাবিবুল আউয়ালকে। পরে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব করা হয়। ২০১৪ সালে সেখান থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব করে পাঠানো হয় তাকে। ওই বছরই পদোন্নতি পেয়ে জ্যেষ্ঠ সচিব হন তিনি। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে অবসরে যাওয়ার কথা ছিল হাবিবুল আউয়ালের। কিন্তু পিআরএল বাতিল করে তাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব হিসেবে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০১৬ সালে আরও এক বছর বাড়ানো হয় চুক্তির মেয়াদ। এরপর ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকেই জ্যেষ্ঠ সচিব হিসেবে ২০১৭ সালে অবসরে যান তিনি। তিন মেয়ের জনক হাবিবুল আউয়ালের স্ত্রীর নাম সাহানা আক্তার খানম।

 

এসএম/

Header Ad
Header Ad

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি

বক্তব্য রাখছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ছাত্রশিবিরকে আমরা দেখেছি তারা ছাত্রলীগের পদ নিয়েছে এবং হলে আরাম আয়েশে জীবনযাপন করেছে। তাদের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য সাধারণ শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের এই দায়-দায়িত্ব কে বহন করবে?

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য ফরম বিতরণ ও নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রশিবিরকে উদ্দেশ্যে করে ছাত্রদল সভাপতি বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করবেন তাদের ক্যাম্পাস কমিটিগুলো হয় দুই-তিন-পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট। এখন আমরা তাদের প্রশ্ন করতে চাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কী আপনাদের মাত্র ১৫ জন নেতাকর্মী? তিতুমীর কলেজে আপনাদের দুইজন নেতাকর্মী? কিন্তু তারা এর কোনো উত্তর দিতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, তাদের সে ধরনের নৈতিক সৎ সাহস নেই। ছাত্রদলের মতো নৈতিক সৎ সাহস নেই বলেই তারা এখনো গুপ্ত রয়েছে। তারা তাদের আদর্শ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবে তাতে সমস্যা নাই তবে তাদেরকে স্পষ্ট করতে হবে তারা গণতন্ত্র চায় নাকি ইসলাম কায়েম করতে চায়। তাদের অস্পষ্টার কারণেই তারা এখনো গুপ্ত সংগঠন হিসেবে বিরাজমান।’

তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আবরার ফাহাদকে হৃদয়ে ধারণ করে। কিন্তু তাকে নিয়েও নানাভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি সংগঠন। তারা ছাত্রদলের মানবিক, ধৈর্য ও সহনশীল ছাত্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করতে পারে না। এ কারণে তারা ষড়যন্ত্রকারী রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ৫ আগস্টের পর ক্যাম্পাসগুলোতে শোডাউন ও আধিপত্যবাদের রাজনীতির কবর রচনা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদলের এসব ভালো কাজের জন্য তারা গুপ্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া বলেন, ‘ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে কাজ করেছে। ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক ধারা চলমান রাখা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতেও ছাত্রদল তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তাই আমি তরুণ শিক্ষার্থীদের আহ্বান করতে চাই, যারা শিক্ষার্থী বান্ধব এবং গণতান্ত্রিক ধারার ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে চান তারা অবশ্যই ছাত্রদলের পতাকা তলে চলে আসবেন। আপনাদের প্রতিক্ষায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আপনাদের সাথে নিয়েই আমরা আগামীর সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবো।’

অনুষ্ঠানে জাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, জাবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফফান আলী প্রমুখ।

Header Ad
Header Ad

ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে মিশু আলি (২৪) ও আকিব আল হাসান (২৩) নামে দুই সমন্বয়ক আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

ঢাবি শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম জানান, নতুন ছাত্র সংগঠনের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মধুর ক্যান্টিনে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে মিশু আলি ও আকিব আল হাসানকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সাত কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, নতুন কমিটিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব কম রাখা হয়েছে এবং তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মিশু আলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং আকিব আল হাসান মাস্টার্স প্রিন্টিং অ্যান্ড স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

তবে কারা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘর্ষে আহত দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সদস্য সচিব জাহিদ আহসান, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র আশরেফা খাতুন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সদস্য সচিব মহির আলম, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে একাংশের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং নানা স্লোগান দেন। একপর্যায়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে পড়ে নতুন ছাত্র সংগঠনটি ৮ সদস্যের পরিবর্তে ১২ সদস্যের কমিটি প্রকাশ করে।

জানা যায়, সংগঠনের সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার যখন দল ঘোষণা করছিলেন, তখন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে বাগবিতণ্ডা হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং সংঘর্ষে আহত দুই সমন্বয়ককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে সংগঠনের সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম বলেন, "কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Header Ad
Header Ad

নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাবি কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সাবেক সমন্বয়কদের নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’। সংগঠনটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু বাকের মজুমদার, আর সদস্য সচিব হয়েছেন জাহিদ আহসান।

আরও পড়ুন: ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের নাম ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ও ঢাবির কমিটি প্রকাশ করা হয়। সংগঠনটি শিক্ষা, ঐক্য, মুক্তি এই তিন মূলনীতিকে ধারণ করে গঠিত হয়েছে। ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আশরেফা খাতুন।

 

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে আহ্বায়ক হয়েছেন আব্দুল কাদের এবং সদস্য সচিব হয়েছেন মহির আলম। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

 

‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ ঢাবি কমিটির নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে, চলতি মাসের ১৭ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার। সংগঠনটির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে— "স্টুডেন্টস ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট"।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত