শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার ভাঙ্গা-বরিশাল-কুয়াকাটা রেলপথ নিয়ে নতুন প্রস্তাব রেলের

ভাঙা-বরিশাল-কুয়াকাটা রেলপথ। ছবি:সংগৃহিত

বাংলাদেশ রেলওয়েতে বর্তমানে দুটি অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প চলমান। এর একটি পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, যার আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ। অন্যদিকে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। রেলপথ দুটির কোনোটিই এখনো বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যেতে পারেনি। তাছাড়া প্রকল্পগুলো অর্থনৈতিকভাবে কতটা লাভজনক হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদরা। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন করে আরেকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ভাঙ্গা থেকে বরিশাল ও পায়রা বন্দর হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪১ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা।

অর্থনীতির চলমান সংকটকালে প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা আদৌ আছে কি না, তা যাচাই করে দেখছে পরিকল্পনা কমিশন। দেশের অর্থনীতিবিদ ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই মুহূর্তে এমন একটি রেলপথ নির্মাণের প্রয়োজন নেই।

জানা গেছে, মেগা প্রকল্পটির ওপর একটি প্রাক-উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (পিডিপিপি) এরই মধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত দীর্ঘ ২১৫ কিলোমিটার নতুন রেলপথসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর নির্মাণকাল ধরা হয়েছে ২০২২-২৯ সাল পর্যন্ত। পিডিপিপিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যা ব্যয় হবে তার ৩২ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা নেয়া হবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছ থেকে ঋণ হিসেবে। বাকি ৯ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকা সরকারি তহবিল থেকে সরবরাহের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৈদেশিক সহায়তার সম্ভাব্য উৎস হিসেবে চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (সিএইচইসি) এবং চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশনের (সিআরডিসি) নাম উল্লেখ করা হয়েছে পিডিপিপিতে।

ভাঙ্গা-পায়রা রেলপথ নির্মাণে ২০১৬-১৮ সালে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বাস্তবায়ন করে রেলওয়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার দোহা, স্পেনের টিপসা ও বাংলাদেশের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিডিসির জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রতিষ্ঠান দিয়ে করানো এ সমীক্ষায় রেলের ব্যয় হয় ৪৩ কোটি টাকা। সমীক্ষায় বলা হয়, অর্থনৈতিকভাবে প্রকল্পটি অনেক মূল্যবান এবং এটি হবে একটি আকাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ। প্রকল্পটির ইকোনমিক ইন্টারনাল রেট অব রিটার্ন (ইআইআরআর) ধরা হয়েছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

পরিকল্পনা কমিশনে থাকা প্রকল্পটির পিডিপিপি যাচাই-বাছাইরের পর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজ শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পায়রা বন্দর এখনো পুরোদমে চালু হয়নি। আর ফরিদপুর-বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করার একটি প্রকল্প চলমান। তাই এখনই রেলের এ প্রকল্পের কতটা প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তা পর্যালোচনা করে দেখা হবে।’

বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে চলমান সবচেয়ে বড় প্রকল্পটি হলো ‘পদ্মা সেতু রেল সংযোগ’। এটি নির্মাণে সরকারের খরচ হচ্ছে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ২৬৭ কোটি ডলার বা ২১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এক্সিম ব্যাংক অব চায়না। প্রিফারেন্সিয়াল বায়ার্স ক্রেডিটের (পিবিসি) মাধ্যমে নেয়া এ ঋণের সুদহার ২ শতাংশ। গ্রেস পিরিয়ড ছয় বছর। রিপেমেন্ট পিরিয়ড ২০ বছর। ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে ২০২৫ সাল থেকে। সুদসহ প্রতি বছর গড়ে সাড়ে ১৩ কোটি ডলার বা প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এদিকে রেলপথটির ঢাকা-ভাঙ্গা অংশ আগামী ১০ অক্টোবর উদ্বোধনের কথা রয়েছে। যদিও পুরো প্রকল্পটি শেষ করতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সময় চেয়েছে রেলওয়ে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি ১৭০ কিলোমিটার রেলপথে ট্রেন পরিচালনা করে সরকারের যে পরিমাণ অর্থ আয় হবে, প্রকল্পটির জন্য গ্রহণ করা ঋণের কিস্তির তুলনায় তা নগণ্য। এর ফলে বাড়বে ঋণ-জিডিপির অনুপাত, যা এক সময় বাংলাদেশের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা বলছেন, ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ার পর রেলপথটি ‘আন্ডার ইউটিলাইজড’ থাকার একটা সম্ভাবনা আছে। অর্থাৎ রেলপথটি খুব বেশি ব্যবহৃত হবে না বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ১৮ হাজার কোটি টাকায় বাস্তবায়নাধীন চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন রেলপথটি আগামী অক্টোবরের শেষের দিকে উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। তবে এ রেলপথের অর্থনৈতিক সুফল নিয়েও শঙ্কার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যদিও বলছেন, দেশের সব জেলাকে রেলের আওতায় আনতে সরকারের প্রণীত মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। ভাঙ্গা-পায়রা রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কুয়াকাটার পর্যটক, বন্দর ব্যবহারকারী এবং আশপাশের সব জেলার মানুষ উপকৃত হবে। এ বিষয়ে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ধারাবাহিকভাবে রেলের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, সিগন্যাল ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বড় বড় সেতু নির্মাণের মতো কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। ভাঙ্গা-পায়রা রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগও এসব কার্যক্রমের অংশ।’ প্রকল্পটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করেন রেলপথমন্ত্রী।

 

 

 

Header Ad
Header Ad

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে গত ৩১ মার্চ। এবার শুরু হয়েছে ঈদুল আজহার অপেক্ষা, যা কোরবানির ঈদ নামেও পরিচিত।

এই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটি। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ২৭ মে সন্ধ্যায় হিজরি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জিলহজের চাঁদ দেখা যাবে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তবে ২৮ মে হবে জিলহজ মাসের প্রথম দিন, আর ৬ জুন মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে।

সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, ২৭ মে সকাল ৭টা ০২ মিনিটে আরব আমিরাতে চাঁদ উঠবে এবং সূর্যাস্তের ৩৮ মিনিট পর পর্যন্ত দৃশ্যমান থাকবে, যা খালি চোখে সহজেই দেখা যাবে।

যদি ২৭ মে চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে ৭ জুন ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

বাংলাদেশ সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ উদযাপন করে। সে হিসাবে, বাংলাদেশে ৭ অথবা ৮ জুন ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে।

ঈদুল আজহা মুসলিমদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) তার পুত্র ইসমাইল (আঃ)-কে কোরবানি দিতে প্রস্তুত হন। এটি ছিল আল্লাহর প্রতি তার চূড়ান্ত আনুগত্যের নিদর্শন। এরপর থেকে মুসলিমরা পশু কোরবানি করে এই দিনটি পালন করে আসছেন।

সূত্র: গালফ নিউজ

Header Ad
Header Ad

দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

ছবি: সংগৃহীত

চলতি এপ্রিলজুড়ে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় এবং কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অনুমোদিত বিভিন্ন আবহাওয়া মডেল ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু (৩৬-৩৭.৯°C) অথবা মাঝারি (৩৮-৩৯.৯°C) তাপপ্রবাহ এবং ১ থেকে ২টি তীব্র (৪০-৪১.৯°C) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া মাসজুড়ে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এপ্রিল মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকবে। তবে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হলে ওই অঞ্চলের নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, চলমান তাপপ্রবাহের পরিধি আজ থেকে আরও বাড়তে পারে। তবে ৫ বা ৬ এপ্রিল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে, যা তাপমাত্রা কিছুটা কমাতে সহায়ক হবে।

Header Ad
Header Ad

হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি

বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, প্রগতি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলে জানান মিশ্রি। তিনি বলেন, ভারত চায় বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে।

এছাড়া, মোদি পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কোনো বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। সীমান্ত সুরক্ষা, নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অবৈধ সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথাও আলোচনায় উঠে এসেছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা