সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫ | ৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিজয়ের মাস শুরু আজ

আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদ আর দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই ডিসেম্বর মাসেই স্বাধীন বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের পতাকা উড়ে।

বিজয়ের এই মাস আসলেই বাঙালি উৎসবে মেতে উঠে। প্রতিবছরের মত এই বছরও পুরো ডিসেম্বর মাস জুড়ে থাকবে নানা আয়োজন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। এটি বাঙালির শ্রেষ্ট অর্জন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র স্বাধীনতাসংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বপ্নের সফল সমাপ্তি ঘটে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে। ১৬ ডিসেম্বর আসে গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয়।

এরমধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। জাতি হিসেবে বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে। অর্জন করে নিজস্ব ভূখণ্ড আর লাল সবুজ পতাকা। ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয়ের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর।

বাঙালির হাজার বছরের এই স্বপ্নপূরণ করতে গিয়ে মাত্র নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রাণ ঝরে ৩০ লাখ তরতাজা প্রাণের। অনেক মায়ের বুক খালি হয়ে যায়। কেউ হারিয়েছেন স্বামী, কেউবা সন্তান। দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয় আনন্দের পাশাপাশি ডিসেম্বর মাসকে বেদনা বিধুরও করে তুলেছিল।

১৬ ডিসেম্বর বিজয় আসার পূর্ব মুহেুর্তে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর, আল-শামসদের সহযোগিতায় পাকহানাদার বাহিনী স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে হত্যা করে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান শিক্ষক, সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবীদের। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের আর দ্বিতীয়টি নেই।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ আর ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর জল, স্থল আর আকাশপথে সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের খবর চারদিক থেকে ভেসে আসতে থাকে। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। যেখান থেকে ৭ মার্চ স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বলে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, সেখানেই পরাজয়ের দলিলে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজি। যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

তার আগে বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাক বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং তাঁর ডাকে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারপর থেকে চলে দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র জনযুদ্ধ।

মহান এ বিজয়ের মাস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ এবং মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন আগামীকাল ১ ডিসেম্বর দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করবে। এ উপলক্ষে তারা সকাল ৯টায় মিরপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ ও প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। এ ছাড়া সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

এনএইচবি/এএস

Header Ad
Header Ad

দাবি পূরণের আশ্বাস, ধর্মঘট প্রত্যাহার করল রেলওয়ের রানিং স্টাফরা

ছবি: সংগৃহীত

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন রেলওয়ের রানিং স্টাফরা। আগামী ২৩ মার্চের মধ্যে তাদের দাবি পূরণের আশ্বাসে সোমবার দুপুরে এ ঘোষণা দেন তারা।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে রানিং স্টাফরা তাদের কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। রেলওয়ের অস্থায়ী শ্রমিকরা গত কয়েক মাস ধরে বেতন ভাতা পাচ্ছেন না, যা তাদের কর্মবিরতির মূল কারণ ছিল।

বৈঠক শেষে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, অস্থায়ী শ্রমিকদের বেতন ভাতার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুমোদন হয়ে গেছে, তবে কিছু পদ্ধতিগত কারণে দেরি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘যাত্রীদের দুর্ভোগে ফেলতে এমন কোনো কর্মসূচি গ্রহণযোগ্য নয়।’’

এছাড়া শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রতিমাসে ১০ তারিখের মধ্যে বেতন প্রদান করার দাবি জানানো হলে, সচিব সেই দাবি মেনে নেন।

Header Ad
Header Ad

বহু জেল খেটেছি আর খাটতে চাই না: মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, এ দেশের মানুষ বহু জেলজুলুম সহ্য করেছে। আমরাও বহু জেল খেটেছি। আর জেল খাটতে চাই না।

রোববার বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শাখা আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য।

তিনি বলেন, দেশটাতে বহু বছর পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও দেশের মানুষের কষ্টে শান্তি এসেছে। দয়া করে দেশটাকে অশান্তির দিকে ঠেলে দেবেন না।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা চাই নির্বাচনের জন্য যতটুকু সংস্কার দরকার, ততটুকু করে নির্বাচন দিন। নির্বাচনের পর যেই ক্ষমতায় আসুক, তাকে আমরা সালাম দিয়ে মেনে নেব। কোনো অনির্বাচিত সরকারের, ব্যক্তির কোনো কথা আমরা মেনে নেব না।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নিয়ে বহু কথা শুনেছি। আমরা কোনো কিছু বিশ্বাস করতে চাই না। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, ড. ইউনূস যে কথা বলেছেন তার কথা রাখবেন। আশা করছি ডিসেম্বরের মধ্যে একটা নির্বাচন পাব।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডা. মিলন হলে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিলে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

Header Ad
Header Ad

ডিভোর্স হয়নি, আমরা এখনো স্বামী–স্ত্রী: সায়রা বানু

এ আর রহমান ও সায়রা বানু। ছবি: সংগৃহীত

অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমানের অসুস্থতার খবরের মধ্যেই সায়রা বানু ভক্তদের জন্য একটি চমক দিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক অডিও বার্তায় জানান, তাকে যেন ‘প্রাক্তন স্ত্রী’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া না হয়।

সায়রা বানু তার ভয়েস নোটে বলেন, ‘‘আসসালামু আলাইকুম। আমি এ আর রহমানের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। শুনেছি, তার বুকে ব্যথা ছিল এবং তিনি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করিয়েছেন। আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি এখন সুস্থ রয়েছেন।’’

তিনি আরও জানান, ‘‘আমি সবার উদ্দেশে বলতে চাই, আমরা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তালাকপ্রাপ্ত নই, আমরা এখনো স্বামী–স্ত্রী। গত দুই বছর ধরে আমি ভালো বোধ করছিলাম না, তাই আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যাতে তার ওপর বাড়তি চাপ না পড়ে। কিন্তু দয়া করে আমাকে ‘এক্স–ওয়াইফ’ বলবেন না। আমরা শুধু আলাদা থাকছি, তবে আমার দোয়া সব সময় তার সঙ্গে রয়েছে।’’

এ আর রহমান ও সায়রা বানু। ছবি: সংগৃহীত

এ আর রহমানের মুখপাত্রও জানান, সংগীত পরিচালক অসুস্থ অনুভব করায় তিনি হাসপাতালে চেকআপে গিয়েছিলেন। চিকিৎসকরা বলেন, রোজা রাখার কারণে পানিশূন্যতায় ভুগছিলেন, যা তার অসুস্থতার মূল কারণ ছিল।

গত বছর এ আর রহমান ও সায়রা বানু বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন, তবে তারা তিন সন্তানের মা-বাবা হিসেবে একসঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দাবি পূরণের আশ্বাস, ধর্মঘট প্রত্যাহার করল রেলওয়ের রানিং স্টাফরা
বহু জেল খেটেছি আর খাটতে চাই না: মির্জা আব্বাস
ডিভোর্স হয়নি, আমরা এখনো স্বামী–স্ত্রী: সায়রা বানু
সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন গাজী জসীম উদ্দিন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, তদন্তে শিক্ষার্থীদের পাঁচ দাবি
হামজা এখন বাংলাদেশে  
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ কাঠামো প্রত্যাখ্যান করে তিতুমীর শিক্ষার্থীদের হুঁশিয়ারি  
কর্মবিরতি প্রত্যাহার, দেড় ঘণ্টা পর মেট্রোরেলের টিকিট ব্যবস্থা চালু  
মিরপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন  
ফারাজ করিম ও ফারহান করিমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা  
সাড়ে ১১টায় সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন হামজা  
ইয়েমেনে নিহত বেড়ে ৫৩, হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের  
কর্মবিরতিতে মেট্রোরেল কর্মীরা, বিনা টিকিটে ভ্রমণ করছে যাত্রীরা
ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়
‘স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজ হবে না’ খবরটি সত্য নয়
যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দেওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল
ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের মেয়েকে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ‘সোনিয়ার’ প্রতারণা, টাকা ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
চুয়াডাঙ্গায় সার বীজ মনিটরিং কমিটির  সভা অনুষ্ঠিত
বিএনপি ক্ষমতায় এলে সব অন্যায়-জুলুমের বিচার নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান