শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

অব্যক্ত ভালোবাসা

ঘড়িতে সময় ভোর সাড়ে ৬টা। মোবাইলের রিংটোনে ঘুম ভাঙলো রবিনের। সচরাচর ৯টার আগে উঠে না সে। চোখ কচলাতে কচলাতে আধো ঘুমে ফোন রিসিভ করল। হ্যালো বলতেই ভেসে উঠলো অতি পরিচিত এক আওয়াজ। চেনা সেই সুর। নাম্বার দেখে রীতিমতো চমকে গেছে রবিন।

বহুদিন পর রিয়ার ফোন। ওপাশ থেকে আওয়াজ এল, ‘কেমন আছ? রবিন।’ হঠাৎই রবিনের চোখের কোনায় দু’ফোটা জ্বল এসে জমা হলো। চোখ মুছে বলল, ‘ভালো আছি। তুমি ভালো?’ তারপর বেশ কিছুক্ষণ কথা চলল।

ঘুম পুরোই ভেঙে গেল রবিনের। ঘুম আসছেনা আর। মনে পড়ছে রিয়ার কথা। সেই পুরোনো দিনের কথা। রবিন কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে গেল সোনালি অতীতে। রিয়াকে প্রচণ্ড ভালোবাসতো রবিন তবে কখনো ভালোবাসি বলে উঠা হয়নি।

রবিন আর রিয়া। পরিচয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রায় বছর খানেক পর। কথাবার্তা শুরু ফেসবুক মেসেঞ্জারের সুবাদে। ক্লাস নোট দেওয়া নেওয়ার মাধ্যমে শুরু। এই স্বল্প পরিচয় যে এতদুর নিয়ে যাবে কেউ কখনো ভাবতেই পারেনি। একজনের আরেকজন ছাড়া যেন চলতই না। কেয়ারিং-শেয়ারিংয়ের কোনো কমতি ছিল না তাদের মধ্যে। অনেকে বলে থাকে প্রতিটা ছেলেই না কি তার মেয়ে বেস্ট ফ্রেন্ডের প্রেমে পরে। রবিন কথাটা বিশ্বাস না করলেও পরে মেনে নিয়েছে।

রিয়াকে প্রচণ্ড রকম ভালোবেসে ফেলেছিল রবিন। তবে ভালোবাসাটুকু শুধু মনেই ছিল। প্রকাশ করেনি হারানোর ভয়ে। রবিন শুধু অপলক দৃষ্টিতে চেয়েই থাকতো রিয়ার দিকে।

ডিপার্টমেন্টে রবিন আর রিয়াকে চেনেনা এমন কেউ নেই। তাদের সম্পর্ক টম এন্ড জেরির মত। সারাক্ষণ খোঁচাখুঁচি, ঝগড়া। তাদের দু’জনেরই ক্লাসে ভালো পার্ফর্মেন্স। বরাবরই সিজিপিএ ভালো। তাই আর শিক্ষকদেরও নজরের বাইরে পরত না।

ক্লাসে এক বেঞ্চে বসে মারামারি, খোঁচাখুঁচি। মাঝে মাঝে স্যারের নজরে পড়লে দাঁড় করিয়ে রাখতো পুরো ক্লাস। তবুও ক্লাসে খোঁচাখুঁচি বন্ধ হয় না তাদের। ক্লাস শেষেই আড্ডা ডায়না চত্বরে। বিকেল হলেই মফিজ লেকে ঘুরতে যাওয়া। সন্ধায় রিয়াকে হলে পৌঁছে দিয়ে জিয়া মোড়ে বন্ধুদের সাথে চায়ের আড্ডায় মিলিত হওয়া। এভাবেই কেটে যাচ্ছিল রবিন আর রিয়ার সময়গুলো।

ভালোই চলছিল। হঠাৎ সম্পর্কে নেমে এল কালো ছায়া। রাকিব সন্দেহ করতো রবিন আর রিয়া প্রেম করে। রাকিব রিয়ার বয় ফ্রেন্ড। সে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো। রবিন আর রিয়ার এরকম সম্পর্ক রাকিব মেনে নিতে পারেনি। সন্দেহ করতো সবসময় ওরা প্রেম করে কি না।

রিয়ার আশপাশের বন্ধু-বান্ধবীদের জিজ্ঞেস করত ওদের মধ্যে সম্পর্ক কী, প্রেম করে না কি ইত্যাদি ইত্যাদি। রিয়া কোনো ছেলের সাথে মিশলেই তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠত রাকিব। ধীরে ধীরে বেড়েই চলল রাকিবের সন্দেহের পাহাড়।

রিয়া শুরুর দিকে তার বয়ফ্রেন্ডের সন্দেহের কথা লুকালেও হঠাৎ একদিন রবিনকে বলেই ফেলল। রিয়া বলল, ‘রবিন শোন, তোর সাথে মনে হয় আর তেমন যোগাযোগ হবে না।’ রবিনের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। সে রিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কি বলিস তুই! বুঝে বলছিস?’ রিয়া তখন আস্তে আস্তে খুলে বলল সব।

রবিন সেদিন হাসিমুখে রিয়ার কাছ থেকে বিদায় নিলেও ধাক্কা সামলাতে পারেনি। রিয়ার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছন্ন হওয়ায় ভেঙে পড়ে। এদিকে সেমিস্টার ফাইনাল দরজায় কড়া নাড়ছে।

ধীরে ধীরে তাদের দুরত্ব বাড়ল। কিছুদিন পড়েই রবিন অসুস্থ হয়ে পড়ল। খাওয়া দাওয়ায় অনিয়ম, অবহেলা। শরীরের প্রতিও যত্ন নেই। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শুরু হলো সেমিস্টার ফাইনাল।

পরীক্ষার তেমন কোনো প্রস্তুতিই নেই রবিনের। বাসায় কী জবাব দেবে রেজাল্ট খারাপ হলে। এ চিন্তায় আর পড়াশোনা হচ্ছেনা। পরীক্ষা চলছে। চাপ বাড়ছে। মোটামুটি প্রিপারেশন নিয়ে প্রথম পরীক্ষায় অংশ নিল। পরিক্ষা শেষ। পরীক্ষা শেষে সাধারণত সবাই টেনশন ফ্রি হয়। রবিনের ঘটল উল্টো। পরীক্ষা চরম খারাপ হয়েছে তার। বাড়িতে কী জবাব দেবে?

কথায় আছে সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করেনা। রবিনের জন্যও সময় থমকে দাঁড়ায়নি। ধীরে ধীরে রবিন সুস্থ হয়ে উঠল। তবে রিয়াকে কোনভাবেই ভুলতে পারছেনা। কেটে গেল বাকি আরো দু’টি বছর। গ্রাজুয়েশন শেষ তাদের। এখন দৌড়ানোর পালা চাকরির বাজারে। কয়েকজন বন্ধু মিলে ঢাকা শহরে একটা বাসা ভাড়া নিল রবিন। সেখান থেকেই চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা রবিন। পরিবারের বড় সন্তান। টিউশনি করে নিজের খরচ চালায়। দেশে চাকরি সোনার হরিণ। সরকারি চাকরি তো আরও বিশাল ব্যাপার। ভাইভার পর ভাইভা দিয়েই যাচ্ছে। চাকরি হচ্ছেনা। টেনশন বাড়ছে। আর কতদিন বাবার টাকায় চলবে।

রবিনের আইটি সেক্টরে হাত পাঁকা। চাকরি না পেয়ে আর সাত পাঁচ না ভেবে আউটসোর্সিং শেখা শুরু করল। অল্প সময়েই রপ্ত করে ফেলল। শুরুতে বেশি টাকা আয় না হলেও ধীরে ধীরে আয় বাড়ল। আউটসোর্সিংয়ে রবিন এখন মাসপ্রতি প্রায় লাখখানেক টাকা আয় করে। বাড়িতেও টাকা পাঠায়।

ভাড়া বাসা ছেড়ে ফ্ল্যাটে উঠল রবিন। এখনো মাঝেমধ্যেই রিয়ার কথা ভাবে। ভাবে সোনালী অতীতের কথা। কোথায় আছে, কেমন আছে। রিয়া শুধু কল্পনায়ই থেকে গেল। প্রণয় ছিল, পরিনয় আর হয়ে উঠল না। রবিনের অব্যক্ত ভালোবাসা এভাবেই বেচে রইল তার মনে। রিয়াকে কখনো বলেনি ‘ভালোবাসি’।

এসএ/

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা