শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

A Brief Biography of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman

Bangabandhu is known as the father of our nation. His full name is Shiekh Mujibur Rahman. However, after the independence of our country in 1971, Shiekh Mujibur Rahman was awarded ‘Bangabandhu’ which means friend of Bengal (Bangla). He dedicated his entire life to an independent, sovereign country named Bangladesh.

In 1920, Bangabandhu was born in the village of Tungipara under the Gopalganj subdivision (now district) in Faridpur district on 17 March 1920.

His father Sheikh Lutfar Rahman and his mother Sheikh Sayera Kahtun had four daughters and two sons. Sheikh Mujibur Rahman was their third child. His parents call him ‘Khoka’.

At the age of seven in 1927, Sheikh Mujib began his schooling at Gimadanga Primary School. Then at the age of nine, he was admitted to Gopalganj Public School. Sheikh Mujibur Rahman had an affinity toward sports and a special love for football. He was a talented football player and received many rewards for his outstanding performances.

In 1932/1933, Sheikh Mujibur Rahman married Sheikh Fazilatunnesa (Renu). Together they had two daughters, Sheikh Hasina and Sheikh Rehana, and three sons, Sheikh Kamal, Sheikh Jamal and Sheikh Russel.

In 1943, Bangabandhu became elected councillor from the All India Muslim League in Bengal. He served in this position till the partition of India in 1947. In 1947, Bangabandhu joined Huseyn Shaheed Suhrawardy’s move for a United Independent Bengal as a third free state along with India and Pakistan.

In 1948, Sheikh Mujibur Rahman was admitted to the Department of Law at the University of Dhaka. He founds the East Pakistan Muslim Students’ League, the first opposition student organization in Pakistan, on January 4.

In 1952, On January 26, then Prime Minister of Pakistan Khawaja Nazimuddin declared at a public meeting in the PaltanMaidan that Urdu would be the only state language of Pakistan. For that, the language movement on21 February 1952 happened to make Bangla a state language. Many students have died in that movement. Some of them are Abdus Salam, AbulBarkat, Rafiq Uddin Ahmed, Abdul Jabbar and Shafiur Rahman.

In 1966, Bangabandhu declared a 6-point demand. Six-point programme a charter of demands enunciated by the AWAMI for removing disparity between the two wings of Pakistan and to put an end to the internal colonial rule of West Pakistan in East Bengal.

In 1970, Awami League won the general election of 1970. But They can’t get any opportunities after winning the election. At that time, the president of West Pakistan Yahiya didn’t give them any opportunities after winning the vote.

 

And in 1971, many things occurred, the war took nine months to end. The war started in March and ended in December. Bangabandhu gave a historic speech on 7 March 1971.  And on 25 March, the Pakistani Invading force made a plan to kill many people at midnight. This was called the ‘Midnight Massacre’. And its code name was ‘Operation Searchlight’. Then on 26 March, Bangabandhu declared independence and then the war began. And again Pakistani invading forces make a plan to kill many geniuses and intel on his emergent people on 10-14 December. Name of Some martyred geniuses Mohammad Fazle Rabbe and Guhatakurta. Then finally, Bangladesh (Bengal) achieved victory on 16 December 1971.

 

 

BIAM Model School

Class# VI

Section # Meghna

Roll # 31

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা