শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ১৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

মাকে একটা গ্লাস দেয় বিথীকা। একটা বালিশ ছিঁড়ে তুলা বের করে। ঘরে কলাপাতা ছিল। কলাপাতার উপর তুলা বিছিয়ে ওখানে ভাইকে রেখে সুন্দর করে মুড়িয়ে কোলে রাখে। পাশের ঘরের একজন মহিলা বিথীকাকে সহযোগিতা করে। মহিলা বালিশের পরিষ্কার তুলা ছিঁড়ে গ্লাসে রাখা মায়ের দুধে ভিজিয়ে বিথীকাকে দেয়। বিথীকা ভাইয়ের মুখে তুলোটা দিলেই ও চুষতে শুরু করে। চোখ বন্ধ ছিল। দুধ চোষার সঙ্গে সঙ্গে চোখ খোলে। ওর দিকে তাকিয়ে মায়ারাণী চিৎকার করে বলতে থাকে, আমার স্বাধীনতা, আমার স্বাধীনতা। মাগো তোকে আমি আশীর্বাদ করি। তুই ছেলেটাকে বাঁচিয়ে এনেছিস। আহারে, তুই হ্রদের জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে ওকে তুলে এনেছিস। তুই বিশ্বাস করিসনি যে মরে গেছে। হায় ভগবান!

– মা, কাঁদতে হবে না। চুপ করে শুয়ে থাক। তুমি তাড়াতাড়ি সুস্থ হও। একটানা পাঁচদিন এভাবে দুধ খাইয়ে বিথীকা ভাইকে আদর-যত্নে ভরিয়ে রাখে। শরণার্থী ক্যাম্পের সবার মুখে বিথীকার নাম। মৃত ভেবে যারা বাচ্চাটিকে হ্রদের জলে ভাসিয়ে দিয়েছিল তারা ক্যাম্প থেকে বের হয়না। নিশ্চুপ বসে থাকে। কিভাবে তারা এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিল ভেবে অবাক হয়। মাঝে মাঝে অন্য তিনভাই ওকে ঘিরে ধরে বসে থাকে। বিথীকা ওদের ছাড়া আর কাউকে ওর পাশে আসতে দেয়না। কেউ ঢোকার সাহস পায়না। সবাই মিলে ভাবে কত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল এই শরণার্থী ক্যাম্পে। সব ঘটনা স্মৃতি হয়ে বুক ভরে থাকে বিথীকার। ওর প্রশংসায় উজ্জ্বল হয়ে থাকে শরণার্থী ক্যাম্পের মানুষরা। এই দুঃসাহসী মেয়েটির দিকে তাকিয়ে সবাই বলে, এমন মেয়ে আমরা কখনো দেখিনি। বিথীকা প্রশংসায় আপ্লুত হয়না। ভাবে, ছোট্ট ভাইটিকে বাঁচিয়ে তুলেছি এটা আমার দায়িত্ব। এখন থেকে আমি চার ভাইয়ের বড় বোন। আমার জীবন ধন্য। শরণার্থী ক্যাম্পে জীবনযাপন অন্যরকম হয়ে যায়। মা ঠিকমতো সুস্থ হলে ও মুক্তিযুদ্ধের কাজ করবে। মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করবে। একটি শিশুকে বাঁচানোর জন্য ও হ্রদে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। নিজেই ডুবে যাবে কিনা সেটাও ওর মাথায় আসেনি। মুক্তিযুদ্ধে এভাবেই কাজ করতে হবে। অসুস্থ যোদ্ধাদের সুস্থ করে ফেরত পাঠাতে হবে যুদ্ধক্ষেত্রে। তবেই শরণার্থী জীবন হয়ে উঠবে যুদ্ধের জীবন। নিজের সঙ্গে কথা বলে উৎফুল্ল হয় বিথীকা। মায়ের কাছে এসে বসে। তিনভাই মায়ের পাশে বসে আছে। ছোট্ট ভাই মায়ের কোলে। ওকে ঢুকতে দেখে তিন ভাই নড়েচড়ে বসে ওকে জায়গা দেয়। ওর মা বলে, এই ছেলেটার একটা নাম ঠিক করতে হবে রে। এখন থেকে ওই নাম ধরে ওকে ডাকব আমরা।

– আমি ওর জন্য একটা নাম মনে মনে ঠিক করে রেখেছি।

– বল, আমাকে বল।

– ওর নাম হবে অসীম।

– সুন্দর, সুন্দর। সবাই মিলে হাততালি দেয়।

অমল বলে, আমার সঙ্গে ওর নামের মিল আছে। অমল আর অসীম আমরা দুই ভাই।

নিরঞ্জন হাততালি দিয়ে বলে, আমরা চার ভাই। চার ভাই।

কৃষ্ণপদ হাসতে হাসতে বলে, আমরা চার ভাই এক বোন। অসীম আমাদের মায়ের স্বাধীনতা। দেশ স্বাধীন হলে আমরা ওকে নিয়ে দেশে যাব। ও আমাদের জয় বাংলা।

সবাই মিলে হাসে। হাসতে হাসতে মুখর হয় শরণার্থী শিবিরের একটি ঘর। বাইরে থেকে হাসির শব্দ শুনতে পায় হরেন্দ্রনাথ। ছেলেমেয়ের উচ্ছ্বাস তাকে আপ্লুত করে। দ্রুত ঘরের দরজায় এসে দাঁড়ায়। দরজা ঠেলে ঢুকলে হাসির রেশ বেড়ে যায়।

কৃষ্ণপদ একলাফে উঠে দরজার কাছে এসে বলে, বাবা, এসো এসো। আমাদের জয় বাংলা তোমার জন্য হাত-পা নাড়ছে।

– তোরা কি ওকে জয় বাংরা ডাকবি নাকি?

বিথীকা বলে, জয় বাংলার সময়ের ছেলে বলে ওর পরিচয় হবে। ওর নাম রেখেছি অসীম।

– বাহ্, সুন্দর নাম। ওকে আমার কোলে দে। বাইরে থেকে ঘুরিয়ে আনি।

– নাগো, কয়দিনের ছেলে মাত্র। ওকে বাইরে নিওনা।

– ভয় পেয়োনা তুমি। ও হ্রদের জলে ঘরে আসা সাহসী ছেলে।

আবার হাসির শব্দ ওঠে। সবাই মিলে একসঙ্গে হাসতে থাকে। শরণার্থী শিবির এমন আনন্দের জায়গা হবে বড়রা কেউ ভাবতে পারেনি। ছেলেমেয়েদের দিকে তাকিয়ে বুক ভরে যায় হরেন্দ্রনাথের। এই শরণার্থী শিবিরে থেকে জীবনের বিপুল অনুভব তাকে আন্দোলিত করে। সামনে আসছে স্বাধীনতা। মুক্তিযুদ্ধের নানা খবরে উদ্বুদ্ধ হয়ে যায় দিনের রশি। ভারতের সহযোগিতা বিচিত্র সম্ভারে পূর্ণ করে রাখছে মুক্তিযুদ্ধকে।

প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বেশ অনেকটি শরণার্থী শিবির দেখে গেছেন। সবাইকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। সামনের বিশাল ছবি হরেন্দ্রনাথকে নানা দিগন্তে উদ্ভাসিত করে রাখে। হরেন্দ্রনাথ মনে মনে প্রণাম করে ইন্দিরা গান্ধীকে। হাসিতে নিজেকে উচ্ছ্বল করে তোলে। চারদিকে কেউ নাই। তাই জোরে জোরে বলে, মাগো, তোমাকে আমি মায়ের মতো শ্রদ্ধা করব পুরো জীবন ধরে। তুমি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধকে বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছ। মাগো, মাগো, তুমি আমার মা হয়ে থাকলে আজ থেকে–ইন্দিরা মা। একটু পরেই দেখতে পায় রাস্তার ধারে বসে এলাকার একজন ট্রানজিস্টারে খবর শুনছে।

হরেন্দ্রনাথকে হাঁটতে দেখে ডেকে বলে, ও শরণার্থী দাদা, এদিকে আসেন। বিবিসিতে আপনার জন্য খবর আছে। বসেন খবর শোনেন। তখন ভেসে আসে কন্ঠস্বর–পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর এবং সামরিক আইন প্রশাসক লেটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান যেসব শরণার্থী ভারতে পালিয়ে গেছেন, তাঁদের ঘরে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের আর সব নাগরিকের মতো তাঁরাও একইভাবে বসবাস করতে পারবেন। গভর্নরকে উদ্ধৃত করে রেডিও পাকিস্তাান জানিয়েছে, রাজনৈতিক নেতাসহ ছাত্র, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মচারী, সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রাক্ষাকারী সংস্থার সদস্যদের স্বদেশে স্বাগত জানানো হবে।

জেনারেল টিক্কা খান বলেছেন, সীমান্তে শরণার্থী অভ্যর্থনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে খাবার, আশ্রয়, চিকিৎসা ও যানবাহনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, পূর্ব পাকিস্তানে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। মিথ্যা ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণার প্রভাবিত হয়ে শরণার্থীরা দেশ ত্যাগ করেছেন এবং এখন অকারণে অপুষ্টি ও রোগে-শোকে ভুগছেন। বিবিসির কমনওয়েলথ সংবাদদাতা বলেছেন, জেনালেন টিক্কা খানের এই বিবৃতির যথার্থতা নিয়ে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা সন্দিহান। আমাদের প্রতিনিধি বলেন, পূর্ব পাকিস্তান ছেড়ে বিপুলসংখ্যক লোকের চলে আসায় পাকিস্তানে যে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তারই প্রতিক্রিয়ায় জেনারেল এই বক্তব্য দিয়েছেন।

(চলবে)

এসএ/

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত