শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ১২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

পরদিন চরের কয়েকজন মিলে ওদেরকে বশিরহাট শরণার্থী ক্যাম্পে পৌঁছে দেয়। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় ত্রাণ হিসেবে কিছু খাদ্যদ্রব্য পায় ওরা। এসব খেয়ে তিন-চার দিন কেটে যায়। কোনো অসুবিধা হয়না। তবে দিনগুলো বেশ কষ্টে কাটে। তখন তাদের কষ্ট দেখে মানা ক্যাম্পে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় স্থানীয় লোকেরা। একটা বাসে করে তাদেরকে ট্রেন স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। বীথিকা তার মা ও ভাইদের ভিড়ের মধ্যে ঠেলাঠেলি করে ট্রেনে ওঠায়। কিন্তু ওর বাবা উঠতে পারেনা। দিশেহারা হয়ে যাই সবাই। বীথিকা নিজে চোখের পানি মোছে। ভাইয়েরা কাঁদতে শুরু করে। বিথীকা বলে, আমরা পরের স্টেশনে নেমে যাব।

– ঠিক বলেছিস।

পরের স্টেশনে ট্রেন থামলে বিথীকা সবাইকে নিয়ে নেমে পড়ে। ট্রেন স্টেশন ছেড়ে চলে গেলে বিথীকা মা-ভাইদের নিয়ে স্টেশন মাস্টারের রুমে যায়। স্টেশন মাস্টার ওদের দিকে তাকিয়ে বিব্রত হয়ে জিজ্ঞেস করে, কি ব্যাপার কি হয়েছে আপনাদের?

– আমরা ভীষণ বিপদে পড়েছি।

– কি হয়েছে?

– আমারা মুক্তিযুদ্ধের শরণার্থী। আমাদেরকে ক্যাম্প থেকে ট্রেনে উঠিয়ে অন্য ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছিল। ভিড়ের ঠেলাঠেলিতে আমার বাবা ট্রেনে উঠতে পারেনি।

– ঠিক আছে আপনারা বাইরে গিয়ে বসুন। আমি আগের স্টেশন মাস্টারকে ফোন করে দিচ্ছি। পরের ট্রেনে তুলে দেবে তাকে।

সবাই মিলে বাইরে এসে স্টেশনের বেঞ্চে বসে। একজন কাছে এসে বলে, শুনলাম আপনারা শরণার্থী। এখানে বিস্কুট আর কলা আছে। নিন, খেতে থাকুন।

বিথীকা হাত বাড়িয়ে ঠোঙাটা নেয়। বয়সী মানুষটিকে প্রণাম করে। তারপর সবাই মিলে কলা বিস্কটু খায়। বাকিটা বাবার জন্য রেখে দেয়। বেশ কিছুক্ষণ পরে দেখতে পায় ষ্টেশনে ট্রেন ঢুকছে। সবাই মিলে ওখানে দাঁড়িয়ে খেয়াল করে যাত্রীদের। দেখতে পায় নেমে আসছে হরেন্দ্রনাথ। বিথীকা তিন ভাইকে বলে, তোরা দৌড় দিয়ে বাবার কাছে যা। আমাদের কাছে নিয়ে আয়।

– না, না বাবাকে আনব কেন? আমরাতো বাবার সঙ্গে যাব। বাবা এখানে কি করবে?
– মায়ারাণী বলে, হ্যাঁ তাই। চল আমরা এগিয়ে যাই। ট্রেনে উঠব।

সবাই মিলে এগিয়ে গেলে হরেন্দ্রনাথ সবাইকে নিয়ে ট্রেনে উঠে যায়। যারা ওদের নিয়ে যাচ্ছিল তারা ওদেরকে মানা ক্যাম্পের কাছে নামায়। চারদিকে তাকিয়ে মুগ্ধ হয়ে যায় বিথীকা। পাহাড় ও হ্রদ পরিবেষ্টিত মানা ক্যাম্প। ওদিকে তাকালে দৃষ্টি ফেরানো যায়না। হরেন্দ্রনাথ ও মায়ারাণীও মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। ওখানেই ঠাঁই হয় তাদের। বাসস্থানটিও চমৎকার। চারদিকে বাঁশের চাঁচের বেড়া এবং উপরে টিনের চাল। বাকি যারা ছিল, তাদের অনেকের ঠাঁই হয় তাঁবুর নিচে। এই ক্যাম্পে শিশুখাদ্য সরবরাহে কোনো ত্রুটি রাখেনি ভারত সরকার। শিশুদের জন্য গুড়া দুধের ব্যবস্থা ছিল। প্রত্যেককে বিশেষ কার্ড দেয়া হয়েছিল খাদ্যসহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী পাওয়ার জন্য।

সবাই খুব হাসিখুশিভাবে দিন কাটাত। শরণার্থী হওয়ার দুঃখ নিয়ে কষ্ট ছিল না। এমন সুন্দর প্রকৃতির মাঝে সুন্দর সময়ের মহিমায় দারুণ সময় কেটে যায় বিথীকার পরিবারের। ছোট তিন ভাই সারা দিন এদিক-ওদিকে দৌড়াদৌড়ি করে। কেউ ওদের বাধা দেয়না। বিথীকা মাকে বলে, এমন জায়গা কি ওরা আর জীবনে পাবে গো মা। বাধা না দেয়াই ভালো! খেলুক ওরা।

– যদি হারিয়ে যায়?

– না গো মা হারাবেনা। ওদের আমি সবসময় পথ চেনাই।

– আচ্ছা যা, তুই ওদের সঙ্গে থাকিস।

– আমি ওদের দিকে সবসময় খেয়াল রাখি।

– আচ্ছা, ভালো করিস।

মানা ক্যাম্পে চারমাস কেটে যায়। একদিন মায়ারাণীর প্রসব ব্যথা ওঠে। অল্প সময়ের মধ্যে সন্তান জন্মগ্রহণ করে। বাচ্চাটিকে দেখাশোনা করে পাশের ঘরের এক নারী। বাচ্চাটি জন্ম নেয়ার পর থেকে কাঁদেনি। চোখও ঠিকমতো খুলছে না। খুব ক্ষীণভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস পড়ছে। অনেকেই মনে করে বাচ্চাটি বাঁচবে না।

বিথীকা ঘরে নেই। ও শরণার্থী কার্ড দেখিয়ে ত্রাণসামগ্রী আনার জন্য বাজারে গেছে। হরেন্দ্রনাথ বাইরে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। ঘরের ভেতরে দু’তিনজন মহিলার নানা কথায় মন খারাপ হয়ে যায়। দরজায় দাঁড়িয়ে মাথা ঢুকিয়ে জিজ্ঞেস করে, কেমন আছে আমার ছেলে?
একজন নারী বলে, মনে হয় বাচ্চাটি মরে গেছে। কান্নাকাটি নেই, চোখও খোলেনা।

হরেন্দ্রনাথ চোখের জল মুছে বলে, এখন কি করব আমরা।

একজন নারী বলে, বাচ্চার মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি। ঘরের নতুন মাটির হাঁড়িতে করে ওকে হ্রদে ভাসিয়ে দেব। আমি এখন নিয়ে যাব। সাদা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে নেব হাঁড়ি।

হরেন্দ্রনাথ মাথা সোজা করে দাঁড়িয়ে যায়। আর কোনো কথা বলেনা।

যে নারী হাঁড়িতে ভরেছে বাচ্চাকে, সে হাঁড়ি নিয়ে বেরিয়ে যায়। হরেন্দ্রনাথ হাত বাড়িয়ে বলে, আমি ওকে একবার বুকে নিতে চাই।

সেই নারী হাঁড়ি এগিয়ে দেয়। হরেন্দ্রনাথ কিছুক্ষণ বুকে জড়িয়ে ধরে রাখে হাঁড়ি। দুচোখ বেয়ে জল গড়ায় অবিরত ধারায়। একসময় দাঁড়িয়ে থাকা নারী হাঁড়িটা টেনে নেয়। দ্রুত পায়ে হেঁটে হ্রদের কাছে গিয়ে হাঁড়িটা ভাসিয়ে দেয় জলে। তখন পর্যন্ত বাচ্চাটির কোনো সাড়াশব্দ নেই। কিছুক্ষণ পরে বিথীকা ফিরে এলে জানতে পারে ওর ভাইকে হ্রদে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে। কারো সঙ্গে কোনো কথা না বলে হ্রদের দিকে ছুটে যায় বিথীকা। সাদা কাপড়ে মোড়ানো হাঁটিটা বেশ খানিকটা ভেসে গেছে। বিথীকার মাথা ঝিমঝিমিয়ে ওঠে। কোনো কিছু চিন্তা না করে ও হ্রদের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সাঁতার দিয়ে এগোতে থাকে। ছোটবেলাতেই সাঁতার কাটা শিখেছিল। এই চমৎকার হ্রদে সাঁতার কাটতে দারুণ লাগছে। বেশ কিছুক্ষণ সাঁতার কেটে হাঁড়িটা নিয়ে ফিরে আসে পাড়ে।

হাঁড়ির ভেতর থেকে ভাইকে বের করে বুকে জড়িয়ে ধরে। মাঝে মাঝে নিজের ভেজা কাপড় থেকে ওকে হাতে ধরে রাখে, যেন ভেজা কাপড় থেকে ওর ঠান্ডা না লাগে। ওর বুকে কান লাগিয়ে শুনেছে হার্টের মৃদু শব্দ। নিঃশ্বাসও ভেসে আসছে মৃদু স্বরে, কিন্তু চোখ বন্ধ। বিথীকা উত্তেজনা বোধ করে। দুহাতে ধরে রেখে ছোট ভাইকে নিয়ে দ্রুত হেঁটে আসে। ভেজা কাপড়ে ছপছপ করে শরীর, কিন্তু ভাইয়ের গায়ে পানি লাগতে দেয়না। ক্যাম্পে চলে আসে দ্রুতগতিতে। চারপাশে মানুষ জমে যায়। মৃত ছেলেটিকে ও ফিরেয়ে এনেছে দেখে মানুষজন ভিড় করে ওদের ঘরের সামনে।

কেউ কেউ বলে, ওকে আমার কাছে দাও।

– খবরদার না। ওকে আমি কারো কাছে দেবনা।

– তোমার কাপড় তো ভেজা।

– আমি ওকে কীভাবে ধরেছি দেখেন না? ভেজা কাপড় ওর গায়ে লাগাই না। আমিতো ওকে অনেক দূর থেকে তুলে এনেছি। ওর শ্বাস পড়ছে। বুক ধুকধুক করছে। ও চোখ খুলছে না বটে। কেউ যদি ওকে আমার কাছ থেকে জোর করে নিয়ে যেতে চায় তাহলে আমি দায়ের কোপে তার মাথা দুভাগ করে ফেলব।

– হয়েছে যা, আর ভ্যাকভ্যাক করতে হবে না। ঘরে চলে যা।

বিথীকা কারো দিকে না তাকিয়ে ঘরে চলে আসে। মায়ারাণী চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বলে, স্বাধীনতা, স্বাধীনতা– আমার স্বাধীনতাকে তুই ঘরে এনেছিস মা।

– মাগো ওকে দুধ খাওয়াতে হবে। জন্মের পর থেকে ওর মুখে কিছুই যায়নি।

– আমি ওকে দুধ খাওয়াবো দে, আমার বুকে দে।

– নাগো মা, ও দুধ টেনে খেতে পারবেনা এখন। তুমি এই গ্লাসে দুধ চেপে নাও, আমি ওকে আস্তে আস্তে খাওয়াব।

– কীভাবে খাওয়াবি?

– দুধে তুলা ভিজিয়ে ওকে দেব। ও আস্তে আস্তে চুষে খাবে

(চলবে)

এসএ/

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

 

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত