শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সাঁতারের সুবিধা-অসুবিধা

১. আপনি কী প্রতিদিন নিয়মিতভাবে সাঁতার কাটার পরিকল্পনা করছেন? অন্য যেকোনো শরীরচর্চা যেমন জিমে কাটানো, সাইক্লিং, দৌড়ানোর মধ্যে সাঁতারই হলো একমাত্র ব্যায়াম যেখানে পুরো শরীর কাজ করে।

২. বায়ো-মেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নামের একটি গবেষণা গ্রন্থের মতে, টানা আট সপ্তাহের সাঁতার কাটা অবিশ্বাস্য উন্নয়ন করে মানব শরীরের, যেখানে অ্যাথলেটদের মতো শারিরীক দৃঢ়তা তৈরি শুরু হয়, হৃদযন্ত্রের পেশিগুলোর সংকোচন কমে, শরীরের নানা অংশ এমনকি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশেরও উন্নয়ন ঘটে।

৩. সব ধরণের হৃদরোগ কমে। সাঁতার কাটা মানুষের জন্য খুবই উপকারী।

৪. সাঁতারের ফলে মানুষের চুল কালো হয়।

৫. শরীরের কোঁচকানো চামড়া দূর হয়।

৬. পায়ের আঙুলগুলোর ও পায়ের পেশির দৃঢ়তা বাড়ে।

৭. সাঁতারের ফলে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকে।

৮. মানব শরীরের ক্লান্তি দূর হয়।

৯. খিুঁচুনির মতো রোগগুলোর বিপক্ষে সাঁতার প্রাকৃতিক ওষুধ।

১০. রোদের উত্তাপ থেকে বাঁচার প্রাকৃতিক পন্থা।

১১. হিটস্ট্রোক থেকেও মানুষকে বাঁচায়।

১২. মানুষের ক্লান্তি ও গ্লানি দূর করতে সাঁতারের কোনো জুড়ি নেই।

১৩. সাঁতার খুব প্রশান্তিময় কাজ।

১৪. তারপরও সুইমিং পুলের পানিতে সাঁতরানোর বিপদ আছে। কোনো মানুষ যখন সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন, তখন সেখানে ক্লোরিন মেশানো থাকে। কেননা, অনেক ধরণের জীবাণুকে মারতে হয়। সেগুলোর মধ্যে আছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়াসহ নানা ধরণের অনুজীব। এই ক্লোরিনময় পানি মানুষের চুলের জন্য খুব ক্ষতিকর। মাথার চুল ভেঙে যাবার প্রধান কারণ হয়।

১৫. চুলকে কোঁকড়া করে দেয়।

১৬. আপনার যদি হালকা রঙের চুল হয়, ফলে মাথার চুলের রং ক্লোরিন মেশানো পানিতে সাঁতারের ফলে বদলে যায়।

১৭. ফলে কাউকে যদি ক্লোরিন মেশানো পানি নিয়মিত সাঁতার কাটতে হয়, তাহলে তাকে অবশ্যই সাঁতরানোর আগে ও পরে চুল আঁচরাতে হবে। তাতে তিনি বাঁচবেন চুলের ক্ষয় ও কোঁচকানো থেকে।

১৮. নিয়মিত সাঁতরানো মানুষদের চুলে দুগন্ধ হয়-এটি নিয়মিত। কেননা তারা ক্লোরিন মেশানো পানিতে নামেন। ফলে নিয়ম মেনে সাঁতরাতে হবে।

১৯. মানুষের গাঁটের ব্যাথা দূর করা এবং বিভিন্ন সংযোগস্থলগুলোকে স্বাভাবিক ও ভালো রাখায় সাঁতারের অত্যন্ত সুনাম রয়েছে।

২০. পুরো শরীরকে সাঁতার শক্তিশালী করে।

২১. মানব দেহের রক্তনালীগুলোকে অত্যন্ত ভালো এবং ব্যাপকভাবে শক্তিশালী করে তোলে।

২২. তবে অতিরিক্ত মাত্রায় সাঁতারের ফলে রক্তনালীগুলো আঘাতপ্রাপ্তও হতে পারে।

২৩. গবেষণার মাধ্যমে আরো জানা গিয়েছে, সাঁতারের ফলে হাঁটুর প্রদাহ কমে।

২৪. আবার যারা বেশি সাঁতার কাটেন বিশেষত যারা ব্যাকস্ট্রোক করেন, তাদের হাঁটুর প্রদাহ বাড়ে।

২৫. যাদের ক্লোরিনযুক্ত পানিতে দীর্ঘক্ষণ কাটাতে হয়, তাদের শরীরের চামড়া কুঁচকে যেতে শুরু করতে পারে। ফলে অনেকটা সময় সুইমিং পুলের ক্লোরিন মেশানো পানিতে না থাকাই ভালো।

২৬. পানি অন্য কোনো মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করলে মানুষের শরীরে আরেকজনের কাছ থেকে জীবাণু প্রবেশেরও ঝুঁকি তৈরি হয়। এই সমস্যাটি হয় যখন কোনো সুইমিং পুলে ক্লোরিন ও হাইড্রোকাবনের মাত্রা ঠিক থাকে না, তখন এই রোগগুলোতে আক্রান্ত হবার সমস্যা তৈরি হয়।

২৭. কোনো পুকুর বা সুইমিং পুল ক্ষমতার চেয়ে বেশি লোক ব্যবহার করলেও অন্যদের কাছ থেকে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি তৈরি হয়।

২৮. আবার কোনো প্রাকৃতিক পুকুর স্বাস্থ্যসম্মত না হলে মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হতে থাকেন।

২৯. কান এভাবে বেশি আক্রান্ত হয়। আবার মানুষ বেশিক্ষণ পুলে থাকলে তিনি এই উপায়ে রোগাক্রান্ত হয়ে যান। কেননা জীবাণুগুলো সহজে ও দ্রুত কানের মাধ্যমে মানব দেহে প্রবেশ করে। ফলে কানে ব্যথা হয় সবার আগে। ফলে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হয়।

ওএফএস (ইংরেজি থেকে অনুবাদ)।

Header Ad
Header Ad

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। এ সময় থাই মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পৌঁছান এবং সম্মেলনের পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক।

এ ছাড়া আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ