রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

খেজুর রসের মিষ্টি স্বাদে একদিন

 

ষড় ঋতুর বাংলাদেশে বিভিন্ন ঋতু প্রকৃতিতে নানা রূপ নিয়ে হাজির হয়। বর্ষার বৃষ্টি ও বসন্তের ফুলের সমারোহ কে না ভালোবাসে? অন্যদিকে হেমন্তের নবান্ন উৎসব আর শীতের খেজুর রস প্রত্যেকের মনকে করে আন্দোলিত। এখন প্রায় হেমন্তের শেষ।

শীতের বাকি মাত্র কয়েকদিন। তবে উত্তরাঞ্চলে এরই মধ্যে শীত পড়ে গেছে। দেখা মিলছে কুয়াশার। কুয়াশার চাদর ভেদ করে সকালের মিষ্টি রোদ এই প্রকৃতিকে যেন আরও সৌন্দর্যে রাঙিয়ে তুলছে। সবুজ ঘাসের ডগায়, গাছের পাতায় জমতে শুরু করেছে শিশির কণা। অন্যদিকে চাষিরা সূর্যের ঘুম না ভাঙতেই চলে যাচ্ছেন খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে। গ্রামীণ মেঠোপথের দুই পাশে বা ফসলের মাঠের আইলে বেড়ে ওঠা খেজুর গাছ থেকে চাষি খেজুর রসের হাঁড়ি সংগ্রহ করে আনেন। এরপর সেই হাড়ি থেকে রস বড় একটি ড্রামে ছাকনি দিয়ে রসটাকে পরিষ্কার করে নেন। কেউ কেউ এই রস কলসিতে ভরে শহরে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করেন। আবার কেউ কেউ রস থেকে গুড় তৈরি করেন। দেশে খেজুরের পাটালি গুড়ের চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক।

তেমনি এক হেমন্তের ভোরে কয়েক বন্ধু মিয়েলে আমরা বেরিয়েছি খেজুর রস খেতে। কয়েক দিন আগেই আমার বন্ধুকে এই পরিকল্পনার কথা জানাই। এরপর রাজশাহী কাছেই বানেশ্বরের তাতারপুরে চলে যাই আমরা।

শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টা। বন্ধু সামিউলের ফোন। কোনো মতে কল রিসিভ করতেই বলে উঠল 'তাড়াতাড়ি উঠ। খেজুর রস খেতে যেতে হবে। রেডি হয়ে রাস্তায় আয়।'

তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি। লেপের মধ্যে থেকে বের হতেও ইচ্ছে করে না। এদিকে আমি কখনো খেজুর রস খাইনি। তাই সেটা নিয়ে বেশি কৌতুহলও আছে। কেমন খেতে খেজুর রস আর রস থেকে কীভাবে গুড় বানায়? লেপের আরাম আর অলসতা ঝেড়ে ফেলে চটপট তৈরি হয়ে নিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল গেট পেরিয়ে শুরু রাস্তায় পায়ে হাঁটা। ভোরের ঘোলাটে ভাব তখনো কাটেনি। রাস্তার ধারে বৈদ্যুতিক বাতিগুলো জ্বলছে।

কিছু দূর যেতেই আমার সঙ্গে যুক্ত হলো সামিউল, পারভেজ ও রায়হান। তারা তিনজনই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী। বিনোদপুর পৌঁছে কিছুক্ষণ বাসের জন্য দাঁড়িয়ে থাকলাম। বাস না পেয়ে লেগুনায় উঠলাম। বানেশ্বর পৌঁছে একটা ভ্যান নিয়ে হৃদয় ভাইয়ের (খেজুর রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করেন) বাড়ি তাতারপুর রওনা। বাড়ি পৌঁছে হৃদয় ভাইকে পেলাম না। এর আগেই তিনি খেজুর রস সংগ্রহে চলে গেছেন। হৃদয়ে ভাইয়ের মা আমাদের বসতে বললেন। আমরা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম। এরপর হৃদয় ভাই দুইটি বড় ড্রামে করে খেজুর রস সংগ্রহ করে নিয়ে এলেন। পরে বাড়ির পাশে কিছু খেজুর গাছ থেকে আমরাও গেলাম রস সংগ্রহে। এই প্রথম আমরা গাছ থেকে খেজুর রস সংগ্রহ করি। অনেক ভালো লাগা এই মহূর্ত।

হৃদয় ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে জানলাম, তিনি তিন বছর ধরে খেজুর রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির কাজে যুক্ত হয়েছেন। এর আগে তার বাবা এই কাজ করতেন। তিনি এই গুড় অনলাইনে বিক্রি করেন।

তার মা( হৃদয়ের মা) জানান, হৃদয়ের বাবা গাছ থেকে পড়ে গিয়ে এখন অসুস্থ। তাই গাছ থেকে রস সংগ্রহের কাজ ছেলেই করেন। তাদের প্রায় ২০-২৫টি খেজুর গাছ আছে। যেগুলো হৃদয়ের বাবা নিজেই লাগিয়েছেন।

প্রথমবারের মতো খেজুরের রস খেলাম। সেসময় আমাদের অনুভূতি ছিল অন্যরকম। আমার আর ধৈর্য সইছে না। আমি খেজুর রস প্রথম খাচ্ছি। আমি অভিভূত। রস খেতে খেতে পারভেজ শুধু একটি কথাই বলল 'অসাধারণ'। আর কোনো কথা বলতে পারল না। অন্য দিকে সামিউল ও রায়হানের ও একি অবস্থা। শীতের সকালে ঠান্ডা আবহাওয়ায় খেজুর রস খেতে কী যে ভালো লাগে রস খেয়ে তা বুঝলাম।

দেখলাম রস থেকে কীভাবে গুড় বানায়। চুলোর কাছে বসে হৃদয় ভাইয়ের বাবা তাপ দিচ্ছেন আর তার মা রসটাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বলতে গেলে রস থেকে গুড় তৈরির কারিগর হৃদয়ের মা ও বাবাই। মনে মনে ভাবছিলাম এমন সুন্দর সকাল যেখানে পাওয়া যায় সেখানে থেকে গেলেই আরও ভালো লাগত। প্রকৃতির সৌন্দর্য, শীতের সকালের মিষ্টি রস জীবনকে যেন পরিতৃপ্ত করে তোলে। কিন্তু সেটা সম্ভব নয় চলে আসতে হবে।

আসার সময় রসের দাম দিতে গেলে হৃদয় ভাই নারাজ হন। বলেন এরজন্য কোনো টাকা দিতে হবে না। আমরা আবাক হলাম! অনেক বলার পরেও যখন আমরা মূল্য দিতে ব্যর্থ হলাম। কী করা যায়, ভেবে তখন রস থেকে তৈরি করা পাটালি গুড় কিনলাম। সেই গুড়ের স্বাদও অসাধারণ। এখনো মুখে লেগে আছে সেই স্বাদ। রস ও গুড়ের স্বাদ এবং হৃদয় ভাইয়ের আতিথেয়তা আমাদের মুগ্ধ করে। এরপর বিদাই জানিয়ে চলে আসি আমাদের দ্বিতীয় বাড়ি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এসএন

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫