শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : খাবারের মান বাড়েনি, দাম বেড়েছে

লেখা ও ছবি : আসাদুল্লাহ গালিব
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানের ভাসমান খাবারের দোকানগুলোর মালিকেরা ইচ্ছেমতো, লাগামহীনভাবে দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্র, ছাত্রীরা।

সরেজমিনে এই প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বর, সিলসিলা, স্টেশন বাজার ও জিয়া হলের সামনের দোকানগুলো ঘুরে খাবারের দামের তারতম্য জেনেছেন। এতে সাধারণ ছাত্র, ছাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে তার কাছে অভিযোগ করেছেন। তারা আরো অভিযোগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই বিষয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। আর কোনো খাবারেরই মান বাড়েনি দাম বাড়ার পরেও।

টুকিটাকি চত্বরের বিভিন্ন দোকানে ভাতের প্লেটের দাম ১৫ টাকা। বটতলার মিজানের দোকানে ১০ টাকা। টুকিটাকিতে দুটি পরটা আর এক প্লেট ভাজির দাম ২৪ টাকা। জিয়া হলের বাবুর দোকানে একই খাবারের দাম ১৫ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের স্টেশন বাজারে সিস্টেম মিল ২৫ টাকা, পাঁচ পদের সবজি দেওয়া হয়। তবে টুকিটাকিতে এই সিস্টেম ভাজিই আরো অনেক কম ভালো মানের খাবারে পাতলা ডাল, এক টুকরো বেগুন ভাজি আর আলু ভাজির পদে ৩৫ টাকা রাখা হয়। সিলসিলাতে এক প্লেট ভাতের দাম ১৫, অন্য জায়গাতে ১০ টাকা।

স্টেশন বাজার, জিয়া হলের সামনের দোকানগুলোতে একটি পুরি ও চপের দাম পাঁচ। সিলসলিা ও টুকিটাকিতে আট টাকা। কটি দোকানে খিুঁচড়ি মেলে ২০টা প্লেটে। তবে পরিমাণে খুব কম থাকে। এই যে দামের তারতম্য তাতে কোনো বিকার নেই প্রশাসনের। মান বাড়েনি কোথাও। তবে খাবার কিনে খাওয়ার সময় ছাত্র, ছাত্রী ও দোকানদার, কর্মচারীদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হচ্ছে।

ছাত্রদের পক্ষ থেকে মতামত চাইতে গেলে আইনের তৌফিক বলেছেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসের টুকিটাকি চত্বরের খাবারের দাম অন্যান্য জায়গার চেয়ে বেশি। এই জায়গা ও সিরাজি ভবনের সামনের দোকানদাররা বলেছেন, খাবারের জন্য উপকরণগুলোর দাম বড়েছে। তবে আমাদের মতে, তারা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ফায়দা লুটেছেন। আর বিশ্ববিদ্যালয় কোথাও কোনো খাবারের জন্য নির্ধারিত মূল্য তালিকা প্রদান করেননি। ফলে এই দাম বাড়া ও সেভাবে টাকা আদায় চলছে।’

‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোথাও কোনো মনিটরিং বা নজরদারির ব্যবস্থা চালু করেননি’-এই অভিযোগ করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার ছাত্র আশিকুল ইসলাম ধ্রুব। তিনি আরো বলেছেন, ‘অধ্যাপকরা নিয়মিত প্রশাসনিকভাবে দোকানগগুলোতে মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে দাম যেমন কমতো, তেমনি খাবারগুলোর মানও অনেক ভালো হতো। আমাদের সব কষ্ট দূর হতো।’

তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গিয়েছে, একবেলা ভালো ভাবে খেতে গেলে একজন ছাত্র ও ছাত্রীর ৫০ থেকে ৬০ টাকা খরচ হয়। মাসে ১৫শ টাকা। তিনবেলা থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা অন্তত দিতে হয় তাকে। এটি কোনোভাবেই সম্ভব হয় না কোনো ছাত্র, ছাত্রীর জন্য। ধ্রুব আরো জানিয়েছেন, ‌‘আমাদের কারো পরিবারেরই মাসের আয় বাড়েনি। রাজশাহীতে আয়ের অবস্থা ভালো নয়। ফলে আমাদের প্রায় সব ছাত্র, ছাত্রীরই বাড়তি কোনো রোজগার নেই।’

বিভিন্ন জায়গার দোকানদারদের সঙ্গে কথা বললে তারা হোটেল মালিক থেকে খুচরো দোকানদার পযন্ত একটি কথাই বলেছেন, আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ভর্তির সময়ে প্রদান করা খাবারের তালিকার নির্ধারিত দামে খাবার বিক্রি করছি। অনেকে জানিয়েছেন, তারা এই তালিকার চেয়েও কম দামে খাবার বিক্রি করছেন। রুটি ও পুরির দাম বাড়ানো হয়েছে বলেছেন। এর কারণ হলো বাজারে তেল, গ্যাসের মতো অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েছে। ফলে তারা দুই একটি টাকা করে খাবারের আইটেমপ্রতি দাম বাড়িয়েছেন জানিয়েছেন। তারা অঙ্গীকার করেছেন সবাই, বাজারে আমাদের ব্যবসা পণ্যগুলোর দাম কমলে আমরা কম দাম রাখবো। বাড়লে সেভাবে ছাত্র, ছাত্রীদের কাছ থেকে দাম বেশি রাখতে হয়।

কনজ্যুমার ইয়ুথ নামের ভোক্তাদের তরুণ সংঘের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি জেড এম. তৌহিদুর নূর প্রীতম বলেছেন, ‘আমরা এই বিষয়ে কাজ করে চলেছি। আমাদের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হকের সঙ্গে দেখা করেছি। স্যারকে লিখিতভাবে আমাদের পাঁচদফা দাবী জানিয়েছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচায প্রশাসন অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলামের সঙ্গে দেখা করবো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যেসব দোকান পরিচালিত হচ্ছে প্রশাসনের মাধ্যমে সেগুলোতে খাবারের মূল্য তালিকা সংযোজন ও সমন্বয়ের জন্য কাজ কবর। তাকে গিয়ে আমাদের প্রস্তাব জানাবো। কনজ্যুমার ইয়ুথ আশা করে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের খাবারের অনিয়ন্ত্রিত দামগুলো কমানো ও খাবারের মান বাড়াতে প্রশাসন শীঘ্রই কাজ শুরু করবেন।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক তার ক্যাম্পাসের ভাসমান দোকানগুলোতে খাবারের দামের হেরফের ও বাড়া নিয়ে বলেছেন, ‘এটি আমাদের নজরে আছে। প্রক্টরিয়াল বডি এর মধ্যে স্টেট দপ্তরকে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করেছে। খুব দ্রুত দোকানগুলোতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য তালিকা প্রয়োগ ও টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হবে। এরপরও খাবারের দাম কেউ বাড়ালে, খারাপ খাওয়ালে আমরা তুলে দেব, ব্যবস্থা নেব।’

ওএস।

 

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার