শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রকাশকদের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস ফলপ্রসূ হবে

বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের মান নিয়ে আমার কোন সংশয় নেই। ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২২সালের এখন পর্যন্ত করোনার একটি সংক্রমণ সৃজনশীল প্রকাশনাতে খুব ভাল রকম একটি ছোবল দিয়েছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। এই ছোবলের কারণে অনেক প্রকাশকই ক্ষতিগ্রস্থ। তবে সোজা হয়ে দাঁড়াবার জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে। আশা ভরসার জায়গা থেকে ২০২১ সালের বইমেলাটি আমাদের হতাশ করেছে। ২০২২সালের বই মেলার জন্য প্রকাশকেরা আবারও বুকে আশা বেঁধেছিল। প্রথম দিকে একটু বিঘ্নিত হয়েছে। তারপর যাইহোক, ফেব্রুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ থেকে মেলা শুরু হলো। আজকে মেলার প্রথমদিন মেলার যে চেহারা দেখলাম, সেটি দুই তিন সপ্তাহের হোক বা আরও বেশি, আমার মনে হচ্ছে বইমেলা ভাল হবে। যদি তাই হয়, তবে করোনার ছোবল থেকে প্রকাশকদের ঘুরে দাঁড়ানোর যে প্রয়াস সেটি ফলপ্রসূ হবে।

প্রকাশকরা কিছুটা এগিয়ে যাবে। তবে করোনা মহামারি সৃজনশীল প্রকাশনাকে যে পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্থ করেছে সেটি কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে আরও দুই থেকে তিন বছর অথবা আরও বেশি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির বইমেলায় আমরা আশংকা করেছিলাম অনেকেই হয়তো অংশগ্রহণ করবে না। কিছুসংখ্যক যে পাইনি তা নয়, পাশাপাশি আমি সমিতির সভাপতি হিসেবে আমি দেখেছি, প্রচুর সংখ্যক দরখাস্ত এসেছে যারা নিজেদের আরও আপগ্রেটেড করতে চায়। অনেকেই প্যাভিলিয়ন পেতে চায়। নতুন করে ৬৩টি দরখাস্ত পেয়েছি, যারা নতুন করে বইমেলায় অংশগ্রহণ করতে চেয়ে আবেদন করেছে।

গত দেড় দুই দশক ধরে আমরা প্রবীণদের পাশাপাশি নতুন লেখক খুঁজে যাচ্ছি । নতুন লেখা নতুন লেখকের সন্ধান করছি প্রতিনিয়ত। একটি ভাল সংখ্যক নারী লেখক যেন থাকে। অধিক পরিমাণে তরুণ লেখক থাকে। সমসাময়িক উপন্যাস থাকে। প্রকাশকদের জায়গা থেকে আমরা আমাদের চেষ্টাটুকু করে যাচ্ছি। লেখার মানের দিক থেকে, লেখার পরিপক্কতার দিক থেকে, ভ্যারিয়েশনের দিক থেকে আমরা খুঁজে যাচ্ছি ভাল মান সম্পন্ন লেখক। আমি মনে করি, মান আপেক্ষিক বিষয়, যেটি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে পরিবর্তিত হয়। একটি লেখাকে কেউ বলবে মান সম্পন্ন আবার কেউ বলবে মান সম্পন্ন নয়।

আপনারা জানেন, রবীন্দ্রনাথের একটি লেখা কলেজে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কয়টি ভুল আছে বের করার জন্য। কাজেই রবীন্দ্রনাথকেও প্রশ্নবিদ্ধ হতে হয়েছিল।এখন আমরা বলি, বাংলা সাহিত্যকে উনি একটি জায়গায় পৌঁছে দিয়ে গেছেন। কাজেই পন্ডিতেরা তাদের মতো করে ভাববেন। আমরা আমাদের মানদণ্ডে যে বইটি প্রকাশের উপযোগী, সেই বইটি প্রকাশ করবো। লেখা সাহিত্যের মানের দিক থেকে কতটুকু উৎকর্ষ হতে পেরেছে বা পারেনি, এটি সময় বলে দিবে, গবেষকরা বলবেন, পাঠকদের চাহিদা কতটুকু পুরণ করতে পারলো কি পারলো না এ ব্যাপারে পাঠকরা যেমন বলতে পারে, একই সঙ্গে বই বিক্রির হিসাবটিতো প্রকাশকদের কাছে আছে।

বইমেলার সময়সীমা বৃদ্ধির একটি কথা শোনা যাচ্ছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি পজিটিভ দিক বলে আমি মনে করি। কারণ একটি দিন বাড়লে, সেদিন যদি দশটি বই বিক্রি হয়, সেটিতো সংখ্যায় বাড়লো। প্রকাশকরা সেটি আশা করছেন। প্রধানমন্ত্রীও আশ্বাস দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয় কি সিদ্ধান্ত আসে। আমি মনে করি একটি নির্দিস্ট সময় পর্যন্ত মেলার সময়সীমা বৃদ্ধি পাওয়া ভাল।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেছেন, আমাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও ব্যপকভাবে বাড়াতে হবে। আমরা বইকে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি আরও আগে। আমরা উপজেলা পর্যায়ে উদ্যোগ নিয়েছি। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ৬৪টি জেলায় একযোগে বইমেলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটিও প্রধানমন্ত্রী জানেন। কাজেই কজগুলি হচ্ছে আমাদের। আমি আশাবাদী মানুষ, হতাশ নই।


একথা সত্য, তথ্য প্রযুক্তি আমাদের শিশুদের কিছুটা বই বিমুখ করে ফেলেছে। এমনকি অভিভাবকরাও একথাটি বলছেন। শিশুরা মোবাইল স্মার্ট ফোনের দিকে ঝুঁকছে বেশি। আজকাল শিশুদের এক্সট্রা কারিকুলামের প্রতি তাদের কোন আগ্রহ নেই। অভিভাবকরা যখন বলে তখনতো আর কারোরই এ বিষয়ে কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না।

আমাদের প্রকাশনাটিকে সমৃদ্ধ করতে হবে। তা না হলে আমরা মেধা সম্পন্ন মানুষ তৈরি করতে পারবো না। জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে পারবো না। তাহলে মেধাসম্পন্ন জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ তৈরি করতে গেলে, আমাদের ভাল প্রকাশনা করতে হবে। ভাল প্রকাশনা করতে হলে প্রকাশনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষগুলিকে হতে হবে সৃজনশীল ভাল মানুষ। যারা সৃজনশীল মেধা সম্পন্ন তাদেরকে এই পেশায় আসতে হবে। যারা সৃজনশীল প্রকাশনার নামে কিছু জঞ্জাল সৃষ্টি করছে, তাদের এসব থেকে বিরত থাকতে হবে।

বাংলা একাডেমিতে প্রতিবছর অমর একুশে বইমেলার যে আয়োজন করা হয়, সেই আয়োজনকে ঢেলে সাজাতে হবে। এরকমভাবে প্রকাশনার মানসম্পন্ন, মানহীন, মৌসুমি, সবধরণের প্রকাশককে একসঙ্গে মিলিয়ে একটি বিশাল আয়তনের বইমেলা করার ফলে পাঠকদের বইমেলার প্রতি আগ্রহ দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। এত অধিক অংশগ্রহণে অধিক বই বের হচ্ছে। যদি নির্দিষ্ট সংখ্যক বই বের হতো, তবে মানসম্পন্ন বই বের হবে। পাঠকদেরও বই প্রকাশের সুযোগটা ভাল তৈরি হবে। সবকিছু মিলিয়ে এই পদ্ধতিকে কিছুটা সংস্কার করার দরকার আছে। সংস্কারটি আসলে সম্মিলিতভাবে করা দরকার। সেটি সরকারের পক্ষ থেকে যতটা না করা সম্ভব তার চেয়ে বেশি সম্ভব হচ্ছে নিজেরা পরিশুদ্ধ হওয়া। সৃজনশীল প্রকাশনাকে অন্য ব্যবসার সঙ্গে না মিলিয়ে একটি সৃস্টিশীল সেবামূলক ব্যবসা হিসেবে ধরে যারা এই কাজটি করার মন মানসিকতা সম্পন্ন তাদেরই কেবল এই পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া উচিত, অন্যদের নয়।

 

লেখক: প্রকাশক, সময় প্রকাশন

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী