রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১০ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সাকিব বেকসুর খালাস!

আবারও বেকসুর খালাস পেলেন বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বিসিবির অনুমতি না নিয়ে বেআইনিভাবে তিনি বিশ্বব্যাপী অনলাইন জুয়া খেলার প্রতিষ্ঠান বেটউইনারের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বেটউইনার নিউজের সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন সাকিব। তার এই চুক্তি যেমন একদিকে ছিল বাংলাদেশের আইনের পরিপন্থি, তেমনি আবার বিসিবির নিয়ম ভঙ্গও। কিন্তু আজ বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ নিয়ে কোনও কথাই হয়নি! পেয়ে গেলেন বেকসুর খালাস। এর আগেও তিনি একধিকবার বিসিবির আইন ভঙ্গ করলেও কোন রকম সাজার মুখোমুখি হতে হয়নি!

বিসিবির নিয়ম ভঙ্গ করার চেয়েও বেশি সামনে চলে আসে বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি। দেশব্যাপী তুমুল সমালেচানার ঝড় উঠে। বিসিবিও শক্ত অবস্থান নেয়। হুশিয়ার উচ্চারন করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সরাসরি ঘোষণা দেন সাকিবকে হয় বেটউইনার ছাড়তে হবে, নতুবা ক্রিকেট ছাড়তে হবে। বুদ্ধিমান সাকিব নতি স্বীকার করেন। সর্ম্পকচ্ছেদ করেন বেটউইনারের সঙ্গে। এর মাঝে অবশ্য অবশ্য বেটউইনার ব্যাপক পরিচিতি পেয়ে যায় বাংলাদেশে। সাকিবকে ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর করার মাধ্যমে তাদের প্রতিষ্ঠানের যে প্রচারনার প্রয়োজন ছিল তা তারা মাত্র এক পক্ষকালেই পেয়ে যায়। বাংলাদেশের মানুষকে জুয়া খেলার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সাকিবও আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে যান।

এ রকম একটি নীতি বহির্ভুত কজা করার পর বিসিবি সাকিবের বিপক্ষে কোন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো তাকে অধিনায়ক করে এশিয়া কাপে পাঠানো হয়। সাকিবের বিপক্ষে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করার পক্ষে বিসিবি সে সময় যুক্তি দেখিয়েছিল, সে চুক্তি বাতিল করেছে এবং ভুল বুঝতে পেরেছে। না বুঝেও করেছে বলে বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারপরও কথা থেকে গিয়েছিল। তা ছিল বিসিবির অনুমতি না দিয়ে চুক্তি করা।

বিসিবির আইনে আছে কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করার আগে একজন ক্রিকেটারকে অবশ্যই বিসিবির অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু সাকিব এ ক্ষেত্রে তা করেননি। এই অনুমতি না নিয়ে তিনি আরেক দফা আইন ভঙ্গ করেছিলেন। বেটউইনার ইস্যুতে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের বাসায় সাকিবের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ‘বিসিবির অনুমতি না নিয়ে চুক্তি করে যে আইন ভঙ্গ করেছেন, তা বিসিবির পরবর্তি সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ প্রায় দেড়মাস পরে বিসিবির সেই সভা হয়েছে আজকে। কিন্তু এতো বড় একটি ঘটনা আজকের সভার এজেন্ডায়ই ছিল না। এমন কি বিবিধেও আলোচনা হয়নি। তার মানে সাকিবকে আরও একবার বিসিবি ছাড় দিল। খালাস দিল। এ রকম খালাস তিনি অতীতে অনেকবার পেয়েছেন। আর পেতে পেতে নিজেকে ‘ড্যামকেয়ার’ করে তুলেছেন। পাত্তা দিচ্ছেন না বিসিবিকেও! তিনি যেটা চাইছেন, সেটিই হচ্ছে!

এ ব্যাপারে বিসিবির পরিচালক ওবেদ নিজামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অবাক হয়ে জানতে চান সাকিবের আবার কি ইস্যু?’ বিষয়টি মনে করে দিলে তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে পরে আর কোনও কথা বলতে রাজি হননি।’ ক্রিকেট অপরেশনস কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসে বলেন, ‘আজকে এটি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিবির এক পরিচালক বলেন, ‘এক সাকিবকে নিয়ে আর কতো কথা বলা যায়। তার কর্মকান্ডে খুবই বিরক্ত, বিব্রত।’

এমপি/এএস

Header Ad
Header Ad

আহতদের চিকিৎসা বন্ধে ‘নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজ’ শেখ হাসিনার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে গিয়ে তাদের চিকিৎসা বন্ধ রাখতে ও ছাড়পত্র না দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমনই এক প্রমাণ প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম।

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আদালতে পূর্বনির্ধারিত শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন অফিসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, "আমরা রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) পরিদর্শনে গিয়ে জানতে পারি, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার আগে একবার হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তখন তিনি চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ‘নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজ’—অর্থাৎ আহতদের চিকিৎসা না দিতে এবং কাউকে ছাড়পত্র না দিতে নির্দেশ দেন।"

তিনি আরও বলেন, "এই নির্দেশের কথা আহত রোগী, তাদের স্বজন এবং হাসপাতালের চিকিৎসকরাও আমাদের জানিয়েছেন। আমরা এর তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি এবং আদালতে তা উপস্থাপন করেছি।"

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর জানান, "জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের মৃতদেহ সুরতহাল করতে দেওয়া হয়নি, ডেথ সার্টিফিকেটেও গুলিবিদ্ধ হওয়ার তথ্য লুকানো হয়েছে। অনেকের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট বা জ্বরের কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকি আন্দোলনে শহীদদের লাশ দাফন করতে গেলে পুলিশের হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাদের পরিবারকে।"

তিনি বলেন, "আদালত জানতে চেয়েছেন, শহীদদের সুরতহাল প্রতিবেদন বা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট কেন নেই। আমরা আদালতকে জানিয়েছি, সে সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, দ্রুত লাশ দাফনে বাধ্য করা হয়েছিল। ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন তৈরি করা সম্ভব হয়নি।"

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, "শেখ হাসিনার নির্মমতার এসব প্রমাণ যাচাই-বাছাই ও ফরেনসিক বিশ্লেষণের পর মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার প্রমাণ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।"

এই মামলার তদন্ত ও বিচারকাজ চলমান রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রসিকিউটর।

Header Ad
Header Ad

এস আলম পরিবারের ৮,১৩৩ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ৮ হাজার ১৩৩ কোটি ৫৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা মূল্যের শেয়ার ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে সংস্থাটির উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক আদালতে শেয়ার অবরুদ্ধের আবেদন করেন, যা শুনানি শেষে মঞ্জুর করা হয়।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তিনি ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করেছেন এবং দেশ-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়েছেন।

এছাড়া, বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা এসব অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে এসব সম্পদ স্থানান্তর হয়ে গেলে তা উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়বে।

ফলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ এবং সরকারের অনুকূলে রাখার স্বার্থে শেয়ারগুলোর পাশাপাশি সেগুলো থেকে উদ্ভূত মুনাফা, আয় ইত্যাদি জরুরি ভিত্তিতে ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলে দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

থাকবে না সরকারি ছুটি

২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ পালনের ঘোষণা

পিলখানা হত্যাকাণ্ড। ছবি: সংগৃহীত

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে আজই প্রজ্ঞাপন জারি হবে। এ বছর থেকে দিবসটি পালন করা হবে। তবে এ দিনে থাকবে না সরকারি ছুটি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের এমন বক্তব্যের কিছু সময় পরই ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করা হয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

আহতদের চিকিৎসা বন্ধে ‘নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজ’ শেখ হাসিনার নির্দেশ
এস আলম পরিবারের ৮,১৩৩ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ
২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ পালনের ঘোষণা
প্রথমবার বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি বাণিজ্য চালু
৪ ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর, জানা গেল নাম
পুলিশ প্রজাতন্ত্রের স্বাধীন কর্মচারী, কোনো দলের নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ধর্ষণের প্রতিবাদে আসাদ গেটে ছাত্র-জনতার সড়ক অবরোধ
স্ত্রীর সামনে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
দুই ফুসফুসেই নিউমোনিয়া, পোপ ফ্রান্সিসের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’
সংস্কার কমিশনের সুপারিশ: জুনেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন
নওগাঁয় রাতে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি
প্রযোজনায় নাম লেখালেন বুবলি  
চোখে লাল কাপড় বেধে ঢাকার উদ্দেশ্যে কুয়েটের ৮০ শিক্ষার্থী  
বিয়ে বাড়িতে গান বাজানোর জেরে বাসর ঘরে হামলা  
আজ দুবাইয়ে ভারত-পাকিস্তান মহারণ  
মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার  
দুপুরের মধ্যে ১৪ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস  
সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে যা জানালো র‍্যাব  
এ বছরই মধ্যে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন : দুদু  
জিম্মিদের ফেরত পেয়েও ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দিল না ইসরাইল