রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫ | ৭ বৈশাখ ১৪৩২
Dhaka Prokash

পৌরসভার বর্জ্যে দুর্ভোগের শিকার হাজারো মানুষ!

মাদারীপুর পৌরসভার দৈনিক প্রায় ৩৫ টন বর্জ্য ফেলার জন্য নিজেস্ব কোন ভাগার বা ডাম্পিং স্টেশন নেই। এ কারণে গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে পৌরসভার সমস্ত বর্জ্য মস্তফাপুর ইউনিয়নের বড়মেহের এলাকার ঢাকা-বরিশাল মাহসড়কের পাশেই ফেলা হচ্ছে। এতে ওই এলাকার অন্তত ৫ শতাধিক পরিবার রোজ দুর্গন্ধ সহ্য করে বসবাস করছেন। একই সঙ্গে পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীদেরও দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে।

এদিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনার বিশাল স্তূপ গড়ে ওঠায় প্রায় ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। গত ১ বছরে এই এলাকায় তিন জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা বলছেন, ময়লার স্তূপে পেট্রোল দিয়ে পোড়ালে পুরো সড়ক ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। ফলে মোটরসাইকেল আরোহীরা সামনে চোখে দেখতে না পেয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হন।

মাদারীপুর পৌরসভা সূত্রে জানায়, প্রতিদিন পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৩৫ টন বর্জ্য হয়। বিপুল পরিমান এই বর্জ্য ফেলার জন্য পৌরসভার নিজেস্ব জমি না থাকায় ভাগার বা ডাম্পিং স্টেশন করা সম্ভব হয়নি। গত পাঁচ বছর আগে মাদারীপুর শহরে প্রবেশমুখ শেখ হাসিনা মহাসড়কের খাগদী বাসস্ট্যান্ড এলাকা ফেলা হত পৌরসভার সমস্ত বর্জ্য। দুর্গন্ধ চারপাশ ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় লোকজনের চাপের মুখে পড়ে পৌর মেয়র।

বছর দুই পড়ে খাগদী এলাকায় ময়লা ফেলা বন্ধ করে পৌর এলাকার পাশ্ববর্তী খোয়াজপুর ইউনিয়নের পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় একটি খোলা জায়গায় দুই বছরের জন্য দুই লাখ টাকায় ভাড়া নেয় পৌরসভা। কিন্তু দুই মাস ময়লা-আবর্জনা ফেলার পর সেখানেও ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন পৌর মেয়রকে বাঁধা দিলে চাপের মুখে ওই স্থানেও পৌরসভার বর্জ্য ফেলা বন্ধ হয়ে যায়।

সবশেষ গত দুই বছর ধরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মস্তফাপুর ইউনিয়নের বড়মেহের এলাকায় পৌর মেয়র খালিদ হোসেনের নিজস্ব তিন একর জমির কিছু অংশে ময়লা ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে মহাসড়কের দুইশ মিটার অংশ ঘেঁষে পৌরসভার বর্জ্য রোজ ফেলা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে বড়মেহের এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ২৪ ফুট চওড়ার মধ্যে দেড় থেকে দুই ফুট চলে গেছে ময়লার দখলে। মহাসড়কের দুইশ মিটার অংশ নাকে-মুখে হাত চেপে, নিঃশ্বাস বন্ধ করেও পথচারী বা যাত্রীরা পারাপার হচ্ছেন। দুর্গন্ধ বাতাসের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছেন চারিপাশের বাসা বাড়িতে। বিশাল ময়লা স্তূপে তীব্র দুর্গন্ধ থাকায় সবচে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন মস্তফাপুর ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তত পাঁচ শতাধিক পরিবার।

এ ছাড়াও ময়লার স্তূপের দক্ষিণ পাশেই রয়েছে একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানা। এখানে থাকা শিক্ষার্থীরা দুর্গন্ধ নাকে নিয়েই পড়ালেখা করতে হচ্ছে। এ স্তূপের দক্ষিণ পাশে দুটি মসজিদ, পশ্চিম পাড়ে বড় পুকুর পাড় মসজিদ ও উত্তর পাড়ে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

ময়লার স্তূপ থেকে ২০ মিটার দূরেই রাজমিস্ত্রি দেলোয়ার ব্যাপারী (৫৫) ও তার স্ত্রী নূর নাহার বেগম (৪৫) বসবাস করেন। দুবছরের বেশি সময় ধরে এই দুর্গন্ধ সহ্য করে আসছেন তিনি। দেলোয়ার ব্যাপারী ঢাকা প্রকাশকে বলেন, আমার জমিতে তিন জন ভারাটে ছিল। এখন একজনও নাই। দুর্গন্ধের যন্ত্রণায় সবাই চলে যায়। নিজের বাড়িঘর বিধায় আমরা অসহ্য যন্ত্রণা সয্যকরে এখানে টিকে আছি। রেহাই চাই আমরা। এখানে দূর থেকে আইসা কেউ একদিনও থাকতে পারবে না। আমাদের এই কষ্ট সবাই খালি দেহে কিন্তু কেউ তো আর ময়লাগুলা সরাইয়া নেয় না।

বড়মেহের এলাকার মো. জাহিদুল আলম বলেন, লোকালয়ের মধ্যে ময়লা ফেলা বন্ধ করতে আমরা এক বছর আগে ডিসি স্যারের (জেলা প্রশাসক) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোন লাভ হয় নাই। এলাকার লোকজন একবার পৌরসভার ময়লার গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়া দেয়। তবুও তারা এখানেই ময়লা ফেলে পুরো পরিবেশটা নষ্ট করে দিছে।

মস্তফাপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. হাবিব হাওলাদার ঢাকা প্রকাশকে বলেন, মাঝে মধ্যেই ময়লার ভাগারে পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। তখন ব্যস্ততম রাস্তাটি ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। আর এ সময় দুর্ঘটনা বেশি ঘটে। এ পর্যন্ত এখানে ৪ জন লোক দুর্ঘটনায় মারাই গেছে। আর ছোট-বড় দুর্ঘটনায় প্রতিদিনই কম বেশি ঘটে।

যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলায় মস্তফাপুর এলাকার শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানায় দুর্গন্ধের শিকার বাসিন্দারা। এ সম্পর্কে পৌরসভার চিকিৎসা কর্মকর্তা হরষিত বিশ্বাস ঢাকা প্রকাশকে বলেন, খোলা স্থানে বর্জ্য ফেলার ফলে ওই এলাকার মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য ঝুঁকির প্রভাব পড়ছে। পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। ওই এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে। এসবের কারণে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মস্তফাপুর এলাকা থেকে বর্জ্য ফেলা অতি শিগগিরি বন্ধ করার উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে।

মাদারীপুর পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহমদ ফিরোজ ইলিয়াস ঢাকা প্রকাশকে বলেন, পৌর বর্জ্য ফেলার জন্য আমাদের নিজেস্ব কোন জমি নাই। পৌরসভার মধ্যে ও আশেপাশে যেখানেই ময়লা ফালাই স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে সরে আসতে হচ্ছে। তাহলে পৌর ময়লা আমরা কোথায় ফেলবো? এ কারণ পৌর মেয়র তার নিজের ক্রয় করা জমিতে বাধ্য হয়ে ময়লা ফেলছে। যদিও সেটা ইউনিয়নের মধ্যে। সেখানের মানুষও দুর্গন্ধে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তারা প্রায়ই আমাদের ময়লার গাড়ি বাঁধা দেন।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে উত্তাল মুসলিম সমাজ, হায়দরাবাদে গণবিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হায়দরাবাদে শনিবার (২০ এপ্রিল) এক বিশাল গণবিক্ষোভের আয়োজন করে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড (AIMPLB)।

এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দেন সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM) দলের প্রধান এবং হায়দরাবাদের প্রভাবশালী মুসলিম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তিনি এই আইনকে “সংবিধানের মূল চেতনার বিরুদ্ধে” উল্লেখ করে বাতিলের জোর দাবি জানান।

“এই আইন আমাদের ধর্মীয় ও সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করছে। যতদিন না এটি বাতিল করা হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন চলবে,”— বলেন ওয়াইসি।

তিনি আরও জানান, ওয়াকফ বোর্ডে অ-মুসলিমদের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ সৃষ্টি করায় মুসলিম সমাজে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং তা মেনে নেওয়া যায় না।

সম্প্রতি পাস হওয়া ওয়াকফ সংশোধনী আইন অনুসারে, অ-মুসলিমদেরও ওয়াকফ বোর্ডের সদস্য করা সম্ভব হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই বিরোধের সূত্রপাত। এই আইনকে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় অধিকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন মুসলিম নেতারা।

এই ইস্যুতে ইতোমধ্যেই ভারতের সুপ্রিম কোর্টে একাধিক পিটিশন জমা পড়েছে। আদালতে সরকার জানিয়েছে, মে মাসে মামলার শুনানি না হওয়া পর্যন্ত অ-মুসলিমদের ওয়াকফ বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।

 

ছবি: সংগৃহীত

ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদ ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

বিরোধীদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও বিলটি ভারতের পার্লামেন্টের দুই কক্ষে পাস হয়েছে। আন্দোলন এখন হায়দরাবাদ ছাড়িয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।

টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানায়, মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের আহ্বানে এবং ওয়াইসির নেতৃত্বে এই আন্দোলন ক্রমেই সারা ভারতব্যাপী শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলনের রূপ নিচ্ছে।

ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ধর্মীয় এবং সাংবিধানিক অধিকার নিয়েও গভীর প্রশ্ন তুলেছে। এখন দেখার বিষয়, আদালতের রায়ে এবং গণআন্দোলনের চাপে সরকার কী পদক্ষেপ নেয়।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

Header Ad
Header Ad

ফকিরাপুলে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ফকিরাপুলে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। রোববার (২০ এপ্রিল) বেলা পৌনে ১২টার দিকে গরম পানির গলির একটি বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধরা হলেন- কুলসুম আক্তার (২৫), রিয়াজ হোসেন (২১), কামরুন্নেসা রোজিনা (৪৫)। তাদের সবার বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুরা উপজেলায়। বর্তমানে ফকিরাপুল এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী ইব্রাহিম খলিল বলেন, আজ দুপুরের দিকে রান্না করার সময় বিস্ফোরণে আহত হন তারা। পরে আমরা প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসি। বর্তমানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, আজ দুপুরের দিকে ফকিরাপুল থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারীসহ তিনজনকে বার্ন ইউনিটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে। দগ্ধের পরিমাণ পরে জানাবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।

Header Ad
Header Ad

আল-আকসা ভেঙে মন্দির স্থাপনের পরিকল্পনা ফাঁস, ফিলিস্তিনের সতর্কবার্তা

ছবি: সংগৃহীত

মুসলিম বিশ্বের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদ ভেঙে সেখানে ইহুদি মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ বসতিস্থাপনকারীরা। হিব্রু ভাষার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এ নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করছে তারা। বিষয়টি সামনে আসতেই ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র ও প্রবাসী মন্ত্রণালয় এ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

শনিবার (১৯ এপ্রিল) এক্স প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে ফিলিস্তিনি মন্ত্রণালয় জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার আহ্বান জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, এ পরিকল্পনাকে তারা ইসলামিক এবং খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর বিরুদ্ধে এক ধরনের ‘পদ্ধতিগত উসকানি’ হিসেবে দেখছে।

জেরুজালেমের ‘স্ট্যাটাস কু’ অনুযায়ী, আল-আকসা প্রাঙ্গণে অমুসলিমদের প্রার্থনা নিষিদ্ধ হলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে ইহুদিদের প্রবেশ এবং ধর্মীয় কার্যক্রম বেড়েছে। এখন তারা সেখানে থার্ড টেম্পল নির্মাণের পরিকল্পনা করছে, যা অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা ছড়াতে পারে।

এদিকে, গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার ভোর থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে অন্তত ৬৪ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের অধিকাংশই গাজা সিটি ও উত্তর গাজার বাসিন্দা। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) বর্তমানে রাফা শহরের কাছে ঘাঁটি গেড়ে সামরিক তৎপরতা চালাচ্ছে।

হামাস জানিয়ে দিয়েছে, তারা আর কোনও অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়। সংগঠনের সিনিয়র নেতা খলিল আল-হায়া শুক্রবার এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, তারা একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির ভিত্তিতেই আলোচনা করতে চায়, যার আওতায় গাজা যুদ্ধের অবসান, ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি এবং গাজার পুনর্গঠন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি সরকার নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে আংশিক চুক্তিগুলো ব্যবহার করছে এবং সব জিম্মিকে বলি দিতে প্রস্তুত।

ইতোমধ্যে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত দেড় বছরে নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫১ হাজার এবং আহতের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজারে পৌঁছেছে। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে, কারণ অনেকেই এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে।

এই অব্যাহত মানবিক সংকটে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ বাড়ছে, তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনও সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না।

সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে উত্তাল মুসলিম সমাজ, হায়দরাবাদে গণবিক্ষোভ
ফকিরাপুলে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ
আল-আকসা ভেঙে মন্দির স্থাপনের পরিকল্পনা ফাঁস, ফিলিস্তিনের সতর্কবার্তা
শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গণহত্যার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে ১৩৮ মিলিয়ন ডলার দেবে চীন : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
আইপিএলে অভিষেক ম্যাচেই তিন রেকর্ড গড়লেন ১৪ বছরের বৈভব সূর্যবংশী
৩ মে ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক হেফাজতে ইসলামের
আজ স্বামীর প্রশংসা করার দিন
ইসরায়েলি অভিনেত্রী থাকায় নিষিদ্ধ হলো সিনেমা
রাজধানীর ডেমরা ও মিরপুরে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বিএনপি
যশোরের শার্শায় অস্ত্রসহ দুই ছিনতাইকারী আটক
জুলাই-আগস্ট গণহত্যা: ট্রাইব্যুনালে সালমান, আনিসুল, দীপু মনি, পলকসহ ১৯ জন
বিচার ব্যবস্থাকে আরও সহজ করতে হবে: আইন উপদেষ্টা
হাতিরঝিলে যুবদল নেতার ওপর হামলা, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে
আপিল বিভাগে নতুন দুই বিচারপতিকে সংবর্ধনা
বিয়ের আসরে কনের বেশে শাশুড়ি, থানায় হাজির বর
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ, রাস্তায় হাজারো মানুষ
সিলেট টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
সারা দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়বে তাপমাত্রাও