শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫ | ৪ বৈশাখ ১৪৩২
Dhaka Prokash

উদ্বোধনের ৪ বছরেও চালু হয়নি হাসপাতাল

জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ না হওয়ায় উদ্বোধনের চার বছরেও চালু হয়নি ২৫০ শয্যার বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল।

জেলা চিকিৎসা বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনবল ও চিকিৎসা সামগ্রী চেয়ে একাধিকবার চিঠি চালাচালি করেও কোনো সাড়া মিলছে না। বরং জনবল নিয়োগ নিয়ে অধিদপ্তর ও মন্ত্রনালয়ের টানাটানিতেই এ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রায় এক তৃতীয়াংশ জনবল সঙ্কট নিয়ে জীর্ণ ভবনে ১০০ শয্যার বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে জেলার ১২ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চলছে।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রের তথ্যমতে, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫০ শয্যার বরগুনা জেনারেল হাসপাতালটিকে ১৯৯৭ সালে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। প্রায় দুই যুগ পর ২০১০ সালে হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে নতুন ভবনটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিপ্তরের বরগুনা কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০১৩ সালে বরগুনা গণপূর্ত বিভাগ ৩১ কোটি ৩১ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৭ টাকা ব্যয়ে সাত তলা ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে। ৩০ মাসের মধ্যে ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করে ভবন হস্তান্তরের কথা থাকলেও ৯ বছর পরে ২০২১ সালের জুন মাসে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তর বরগুনা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এই ভবন হস্তান্তর করেন। কিন্তু জনবল নিয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ না করায় ২৫০ শয্যার কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ মোট ২৫১টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্ত উদ্বোধনের চার বছরেও এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুই হয়নি। বরং নিয়োগ কারা দেবেন এ নিয়ে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে টানাটানি চলছে। ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এ বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক মো. হাসানুর রহমান ঝন্টু বলেন, ১০০ শয্যার হাসপাতালের দুই তৃতীয়াংশ জনবল নেই। এটা নিয়েও আমরা আন্দোলন করেছি। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের তদারকির অভাব ও ঠিকাদারের গাফেলতির কারণে ৩০ মাসের কাজ ৯ বছরে শেষ করে ২৫০ শয্যার হাসপাতালের ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল উদ্ধোধনের পরও চার বছর শেষ। এখন আবার মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর জনবল নিয়োগ নিয়ে টানাটানি করছে। স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সেবা খাতে যদি এমন অবস্থা থাকে তবে আমরা দুর্ভাগা ছাড়া কিছুই নই। এই জটিলতা নিরসন করে দ্রুত হাসপাতালটি চালু করা এখন আমাদের দাবি।

এ প্রসঙ্গে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সোহরাব উদ্দীন খান বলেন, ১০০ শয্যার হাসপাতালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ৪৩ জন চিকিৎসক থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে এখানে মাত্র ১১ জন কর্মরত আছেন। এরা হলেন-তত্ত্বাবধায়ক, একজন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও), হোমিও চিকিৎসক, ৪ জন চিকিৎসা কর্মকর্তা, সার্জারি ও অ্যানেসথেসিয়া, গাইনি ও অর্থোপেডিকস বিভাগের ৪ জন জুনিয়র কনসালট্যান্ট। এ নিয়ে আমরা জেলার ১২ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম এক প্রকার চালিয়ে নিচ্ছি। লোকবল নিয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বরাদ্দ না হওয়ায় আমরা ২৫০ শয্যার ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করতে পারছি না।

এ ব্যাপারে বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মো. ফজলুল হক বলেন, জনবল নিয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ না করায় আমরা নতুন ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করতে পারছি না।

জনবল নিয়োগ নিয়ে জটিলতা প্রসঙ্গে সিভিল সার্জন জানান, নিয়োগ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে জটিলতা চলছে। অধিপ্তর ও মন্ত্রণালয় উভয়েই জনবল নিয়োগ দিতে চায়। মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের টানাটানির কারণে দীর্ঘ সূত্রিতার সৃষ্টি হওয়ায় হাসপাতালটি আমরা চালু করতে পারছি না।

এসআইএইচ

Header Ad
Header Ad

সৌদি আরব-মরক্কো থেকে ৪৬৬ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার

ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদি আরব ও মরক্কো থেকে ৭০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানি করবে সরকার। এর মধ্যে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার এবং ৩০ হাজার টন টিএসপি সার রয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৪৬৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে সৌদি আরবের মা’আদেন কোম্পানির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় ৫ম লটের ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এ চালানে ব্যয় হবে ৩০৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, যা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) বাস্তবায়ন করবে। প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের দাম পড়বে ৬২২ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।

এছাড়া, মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস কোম্পানির সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৫ম লটের ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। এ চালানে ব্যয় হবে ১৬২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন টিএসপি সারের দাম ধরা হয়েছে ৪৪৫ মার্কিন ডলার।

দুইটি চালান মিলিয়ে মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৪৬৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

Header Ad
Header Ad

গাইবান্ধায় মাদক মামলায় ৩ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৫৯০ গ্রাম হিরোইন উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৩ যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আতিকুর রহমান এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার শ্রীমন্তপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে সোহেল রানা (৪১), একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৩৭) ও আসাদুল ইসলাম (৩২)।

দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনেই গ্রেফতারের পর থেকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে ছিলেন। রায়ের আগে দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

এছাড়া খালাস পাওয়া দুই আসামি হলেন, শ্রীমন্তপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও আনারুল ইসলাম (৪০)। তারা দুইজন জামিনে ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম প্রামাণিক জানান, ৫৯০ গ্রাম হিরোইন উদ্ধারের মামলায় আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক আজ এ রায় দেন।

মামলার বরাত দিয়ে জেলা জজ আদালতের স্টোনে মো. সাইদুর রহমান জানান, ২০২১ সালে ১৬ই জুলাই গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদক বেচাকেনার উদ্দেশে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার শ্রীমন্তপুর গ্রামের ট্রাক চালক সোহেল রানা, আবুল কালাম আজাদ, আসাদুল ইসলাম, শফিকুল ও আনারুল একটি ট্রাকসহ অবস্থান করেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের পেট্রোল পাম্পের সামনে থাকা ট্রাকটি তল্লাশি করে তাদের আটক করে গাইবান্ধা র‍্যাব-৩ এর সদস্যরা।

এসময় ট্রাকের ক্যাবিনে থাকা পলিথিনে মোড়ানো দুটি প্যাকেটে থাকা ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ৫৯০ গ্রাম হিরোইন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে তদন্ত শেষে ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুইজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।

Header Ad
Header Ad

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ রাষ্ট্রীয় অতিথি যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ছবি: সংগৃহীত

পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা অনুসন্ধানে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচের সঙ্গে সাক্ষাতে এলে প্রধান উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘কিছু বাধা আছে। আমাদের সেগুলো অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার উপায় খুঁজে বের করতে হবে।’

অতীতের কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব বালুচ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর উপায় খুঁজে বের করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব অধিকারে বিশাল আন্ত আঞ্চলিক বাজার রয়েছে। আমাদের এটি ব্যবহার করা উচিত। আমরা প্রতিবার বাস মিস করতে পারি না। দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে নিয়মিত বিটুবি (ব্যবসা থেকে ব্যবসা) মিথস্ক্রিয়া এবং সব স্তরে সফর বিনিময়ের প্রয়োজন।’

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় ব্যাবসায়িক চেম্বার এফপিসিসিআইয়ের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে এবং এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আশা করেন, ‘এপ্রিলের শেষে দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারের আসন্ন সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করবে।’

তিনি সর্বদা সার্কের কাঠামোর মধ্যে পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক পছন্দ করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক স্থবির হয়ে পড়ায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে একে অপরকে মিস করে চলেছি। আমাদের বাধাগুলো অতিক্রম করতে হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পাশাপাশি নিউইয়র্কে এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কায়রোতে ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে তার সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতিতে এই সাক্ষাতের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সার্ক, ওআইসি এবং ডি-৮-এর মতো বহুপক্ষীয় ও আঞ্চলিক ফোরামে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।

এ সময় এসডিজিবিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৫ বছরের মধ্যে প্রথম পাকিস্তানি পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে বাংলাদেশ সফর করছেন আমনা বেলুচ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সৌদি আরব-মরক্কো থেকে ৪৬৬ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার
গাইবান্ধায় মাদক মামলায় ৩ যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা
তোপের মুখে ওয়াক্‌ফ আইন স্থগিত করল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
নিজেকে বরিশাল সিটির মেয়র ঘোষণার দাবিতে মামলা করলেন ফয়জুল করীম
ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিমদের ‘পূর্ণ নিরাপত্তা’ নিশ্চিতের আহ্বান বাংলাদেশের
টাঙ্গাইলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্র সচিব ও পরীক্ষার্থীসহ আটক ৬
৭১ এর গণহত‍্যার জন‍্য ক্ষমা ও সম্পদ ফেরত দেয়া নিয়ে আলোচনায় সম্মত পাকিস্তান
এবার স্ত্রী রিয়া মনিকে তালাকের ঘোষণা দিলেন হিরো আলম
সাবেক এমপি বাহারের জমি-বাড়ি জব্দ, ২৯টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো ধরণের বাণিজ্যযুদ্ধে জড়াতে চায় না ভারত
বিজ্ঞানীদের সফলতা: ইমপ্লান্ট নয়, নতুন করে গজাবে ক্ষয়ে যাওয়া দাঁত!
নওগাঁয় বাসায় ঢুকে তরুণকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
বাংলাদেশের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে: পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব
অবশেষে আসছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন-৫’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ? জেনে নিন ১০টি কার্যকর সমাধান
সংস্কারের নাম উচ্চারণের আগেই খালেদা জিয়া ভিশন ২০৩০ দিয়েছেন: বিএনপি
১ মে থেকে ডিম-মুরগি উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা, ১০ দফা দাবি পোল্ট্রি খামারিদের
গাজায় এক মাসে গৃহহীন প্রায় ৫ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ