শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বরিশাল বিভাগে ১ হাজার ৭৭৬ মণ্ডপে দুর্গাপূজা

শরৎ পা দিয়েছে মধ্য বয়সে। তবে তার আগেই মৃদুমন্দ হাওয়ার দোলা লেগেছে কাশবনে। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ আশ্বিনের প্রথম দিন। ভ্রাদ্রের শেষ দিকেই ফুটতে শুরু করেছে কাশফুল। দোল খাচ্ছে বাতাসে। ঢলে পড়ছে এ ওর গায়ে। এদিকে প্রাতস্নাতা শিউলিরাও জানান দিচ্ছে শারদ আসছে। শারদের আমন্ত্রণের বার্তাতেই রয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবী দুর্গার আবাহনের হাতছানি। 

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পুরোদমে। প্রতিমা নির্মাণের জন্য ব্যস্ত সময় পর করেছেন মৃৎশিল্পীরা। অনেক মন্দিরে প্রতিমা তৈরির প্রথম ধাপের কাজ সমাপ্তও হয়েছে। তার মধ্যে অনেকে আবার ব্যস্ত সময় পার করছে মন্দির-আঙিনা সাজাতে। তবে এ বছর পূজা উদযাপন পরিষদ থেকে সব মন্দিরের জন্য মহালয়ার আয়োজন স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত এবং প্রতিটি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২৬ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঢাকাপ্রকাশ-এর জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বরিশাল বিভাগে ৬ জেলার ৪২টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৭৬৬টি মণ্ডপে পূজা হবে। ইতোমধ্যে মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মন্দির কমিটি ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী মানিক মুখার্জী ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘বরিশাল জেলায় এ বছর মোট ৬০০ মন্দিরে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। তার মধ্যে বরিশাল মহানগরীতে ৪৫টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল জেলায় নতুন ১১টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্র থেকে পাঠানো ২৬ দফার নির্দেশনা সব মন্দির ও পূজা কমিটির কাছে পাঠানোর কাজ চলছে। এই নির্দেশনা মেনেই সবাইকে পূজা উদযাপন করার অনুরোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রত্যেক মন্দিরে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে প্রত্যেক মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবকের তালিকা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।' পুলিশ সদস্যরা যখন থাকবেন না, তখন তারাই মন্দির আঙিনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন বলে জানান তিনি।

বরগুনা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোকন কর্মকার ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘এবার সব মিলিয়ে জেলায় ১৬১টি মণ্ডপ নির্মাণ হচ্ছে। এর মধ্যে বরগুনা সদর উপজেলায় ৩১, পাথরঘাটা ৫০, আমতলী ১৪, বামনা ১৭, বেতাগীতে ৩৭ এবং তালতলী উপজেলায় ১২টি পূজা মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে।’

ঝালকাঠির পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ডা. অসীম কুমার সাহা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ৭২, রাজাপুর ৫২, নলছিটি ২২ এবং কাঁঠালিয়া উপজেলায় ২২টিসহ মোট ১৬৮ মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।’

পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি গৌরঙ্গ চন্দ্র দে ঢাকাপ্রকাশ-কে জানান, ‘শ্রী শ্রী শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ বছর জেলার ৭টি উপজেলায় মোট ৫৩৬ টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।'

ভোলা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘ শারদীয় দুর্গা উৎসব ২০২২-এ ভোলায় মোট ১১৬টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।’

এ ছাড়া পটুয়াখালী জেলায় মোট ১৮৫টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। মণ্ডপগুলোতে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকাপ্রকাশের-এর পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

এদিকে ২৬ দফার নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে মণ্ডপকেন্দ্রিক ‘শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি’ গঠন, গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো করা এবং প্রতিমা বির্সজনে শোভাযাত্রা পরিহার করতে হবে। অন্যদিকে পূজামণ্ডপে অগ্নি-নিরাপত্তাসহ অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা, যেকোনো প্রয়োজনে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়ার কথা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

হিন্দু রীতি অনুযায়ী, মহালয়া, বোধন আর সন্ধিপূজা- এই তিন পর্ব মিলে অনুষ্ঠিত হয় দুর্গোৎসব। সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম দিন হয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। আশ্বিন মাসের এই শুক্লপক্ষকে বলা হয় দেবীপক্ষ। দেবীপক্ষের শুরু হয় যে অমাবস্যায়, সেই দিনটিকে বলা হয় মহালয়া। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, সেদিন ‘কন্যারূপে’ মর্ত্যে আসেন দেবী দুর্গা।

এসএন

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০

ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বদরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার ও দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক জন নিহত এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার এবং বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম মানিকের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি শহরের ঢেউটিন ব্যবসায়ী জাহিদুল হক জোয়ারদার এবং দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবুর মধ্যে দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া দ্বন্দ্বকে ঘিরে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়।

জানা গেছে, দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবু দাবি করেন, জাহিদুলের দোকান ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ভাড়াটিয়া জাহিদুলের দাবি, তার চুক্তি ২০২৮ সাল পর্যন্ত বৈধ এবং তিনি দোকান ছাড়বেন, যদি জামানত হিসেবে দেওয়া ৩৫ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু দোকান মালিক সেই অর্থ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার সন্ধ্যায় দোকানঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে ইশতিয়াক বাবুর অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

এর প্রতিবাদে শনিবার শহিদুল ইসলাম মানিকের নেতৃত্বে শহিদ মিনার এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। কিন্তু মানববন্ধন চলাকালে মোহাম্মদ আলী সরকারের অনুসারীরা হামলা চালিয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন ও মাইক ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান জানান, “পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।”

 

Header Ad
Header Ad

গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী

ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতার প্রতীক ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

তিনি বলেছেন, “জয় বাংলা কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্লোগান নয়—এটা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্লোগান। গত ২৫ বছরে আমি একবারও ‘জয় বাংলা’ বলিনি। কিন্তু আজ শপথ করে বলছি, এখন থেকে আমি ‘জয় বাংলা’ বলব।”

গত শুক্রবার (৫ এপ্রিল) রাতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামে পিতামাতা ময়েজউদ্দিন ও আনোয়ারা সিদ্দিকার কবর জিয়ারতের সময় স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, “বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে আজকের দালান-কোঠা, ঘরবাড়ি কিছুই হতো না। দুর্ভাগ্যের বিষয়, আজ অনেকেই সেই স্বাধীনতাকে স্বীকার করতে চায় না। কেউ কেউ হাসিনা সরকারের পতনকে স্বাধীনতার পতন মনে করে—না, এটা কোনোভাবেই স্বাধীনতার পতন নয়।”

তিনি আরও বলেন, “যারা বিপ্লব ঘটিয়েছেন, স্বাধীনতা না থাকলে তারা তা পারতেন না। আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। তারা যদি সঠিকভাবে পথ চলত, তবে মানুষ তাদের বহু বছর মনে রাখত। কিন্তু আজ তারা স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বঙ্গবন্ধুকে মানে না, জিয়াউর রহমানকেও মানে না, এমনকি আমাদের কাউকেও স্বীকার করে না। এটা ভালো লক্ষণ নয়।”

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বঙ্গবীরের স্ত্রী নাছরিন সিদ্দিকী, ভাই মুরাদ সিদ্দিকীর স্ত্রী নিহার সিদ্দিকীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’