বরিশালের ৯ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে

বরিশাল বিভাগে গত তিন দিন ধরে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এতে খেটে খাওয়া মানুষের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে বৃষ্টিপাত আরও ২ দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন বরিশাল আবহাওয়া অফিস। বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে বরিশাল বিভাগের ৯ নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধা ৭টার দিকে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের মিটার গেজ রিডিংয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল নগরীসংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ০.৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে বিভাগের অন্যান্য নদীর মধ্যে ভোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ০.৫ সেন্টিমিটার, দৌলতখান (মেঘনা ও সুরমা) পয়েন্টে ০.৫৪ সেন্টিমিটার, ভোলা তজুমদ্দিন (সুরমা-মেঘনা) পয়েন্টে ০.৬৫ সেন্টিমিটার, ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানি ০.১৯ সেন্টিমিটার, পটুয়াখালীর মীর্জাগঞ্জসংলগ্ন বুড়িশ্বর ও পায়রা নদীর পানি ০.২৪ সেন্টিমিটার, বরগুনা বিষখালী নদীর পয়েন্টে ০.৩৩ সেন্টিমিটার, একই নদীর পাথরঘাটা পয়েন্টে ০.৬ সেন্টিমিটার, পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর পানি ০.১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং পিরোজপুরের কঁচা নদীর পানি ০.১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে বরিশাল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে স্থলভাগে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে ২৪ ঘণ্টা পর বৃষ্টিপাত কমে যাবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বরিশালে ৬০ দশমিক ০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
গত ৩ দিন ধরে বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে আছে। ফলে সড়কে বিভিন্ন যানবাহন এবং স্কুল-কলেজে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীসহ ওই সব সড়কে চলাচলকারী মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
এসজি
