বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

একুশ শতকের কৃষি ও রাজনীতি

কৃষকের মাঠে মাঠে এখন পাকা ধানের গন্ধ। পাকা ধানের গন্ধের চাইতে কৃষকের কাছে সুখকর সংবাদ আর কি হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে আরো কয়েকটি এমন সুখের সংবাদে ফেসবুক সয়লাব হয়ে আছে সেটা হল ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেশের দরিদ্র কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তুলে দিচ্ছে।

আশা জাগানিয়া এ খবরে আমরা আশাবাদী হতেই পারি। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় এই যে, যে কৃষক ধান উৎপাদন করছে সেই কৃষকের ধান কাটার আর্থিক সামর্থ্য থাকছে না। কেন থাকছে না নেই এটা ভাববার বিষয়। কৃষির অতি যান্ত্রিকিকরণ, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমুল্য নিশ্চিত না হওয়া, উৎপাদন কৌশলের বিবর্তন, কৃষি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসুত্রিতা ইত্যাদি কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যে খাতগুলোর সমস্যা আজও সমাধান হয়নি বলতে গেলে অবহেলিত সেগুলোর মধ্যে কৃষি খাত অন্যতম। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য অনিশ্চিত, মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপটে কৃষি পণ্য বিপণন এর ক্ষেত্রে জমে থাকা সমস্যা, উত্তরাঞ্চলে উৎপাদন মৌসুমে হিমাগারের অভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া আলু কৃষির বড় সমস্যাগুলোর অন্যতম।

উল্টো ধনি ব্যবসায়ীরা ব্যক্তিগত উদ্দ্যেগে তৈরি হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করে পাঁচ গুণ লাভ ঘরে তুললেও কৃষক সেই মূল্য ভরা মৌসুমে পায় না। যে হারে কৃষি পণ্য উৎপাদনের উপকরণের দাম বেড়েছে ধানের দাম সেভাবে বাড়েনি কিন্তু সরকার গত মাসে মজুদ ঘাটতি দেখিয়ে ইউরিয়া সার কেজিপ্রতি ৫ টাকা হারে বাড়িয়েছে। অন্যান্য সারও কীটনাশক থেকে শুরু করে উৎপাদিত কৃষি উপকরণের দাম বেড়েছে জ্যামিতিক হারে। কৃষি প্রধান দেশ বাংলাদেশ, কৃষিই দেশের সমৃদ্ধির মূল কারণ। দীর্ঘদিন ধরে এই কৃষকই বাঁচিয়ে রেখেছে গরীব এই দেশটিকে। সমস্যা একটাই এই তথ্যটি যতটা কাগজে-কলমে ততটা বাস্তবে নেই।

প্রত্যেকটা কৃষি পণ্যের দাম গ্রাম থেকে শুরু করে রাজধানীতে মূল্য ব্যবধান প্রায় তিনগুণ। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন মোড়ে মোড়ে চাঁদা দিতেই তাদের এই পর্বত সমান ব্যবধান তৈরি হয় এতে তাদের আসলে করার কিছুই থাকে না। এই প্রচলিত সমস্যাটাও ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে চড় সমস্যা বলে অনেকেই মনে করে।

কৃষিতে বিগত তিন দশকের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দিক যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে সেটা যতটা না কৃষকের অনুকূলে ছিল তার চাইতে বেশি ছিল ব্যবসায়ীদের অনুকূলে। চাউলের দাম বেড়েছে দফায় দফায়। আমরা কি জানি এই দাম বাড়ার অতিরিক্ত অর্থ কৃষক কতটুকু পায়? তাদের ধানের দাম আদতে বেড়েছে কিনা?

১ কেজি সুগন্ধি ধান কৃষক সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। কৃষকের সেই ধান যখন চাউল হয়ে ভোক্তা পযার্য়ে পৌছায় তখন সেটার দাম বেড়ে দাঁড়ায় ১৫০ টাকা। এখানে বঞ্চিত, শোষিত কৃষক বরাবরের মত উপকৃত ব্যবসায়ীরা। সরকার সবসময়ই বলে আসছে সে কৃষি বান্ধব। সরকার কি জানে শতকরা ৪% হারে প্রণোদনার কৃষি ঋণ কয়জন কৃষক পায়। পেলেও সেই টাকা হাতে আসা পযর্ন্ত সংশ্লিষ্টদের কতটা তৈল মর্দন করতে হয়।
এভাবেই বিভিন্ন সময় কৃষকের উন্নতির নামের সরাসরি উন্নতি হয়েছে ব্যবসায়ীদের। বাংলাদেশের পাট, মাছ, সবজি, চিংড়ি, ফল রপ্তানির বাজার দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে, বিশ্বে নতুন বাজার সন্ধান করে রপ্তানি উদ্যোগ নেওয়ার দাবি কৃষকদের দীর্ঘদিনের। সরকার সেদিকে নজর দেয়নি কোন দিন। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বিক্রি হয় ভারতীয় সবজি । গত ২০১৯ সালে রাশিয়া বাংলাদেশ থেকে সাত থেকে আট লক্ষ টন আলু আমদানির ইচ্ছা পোষণ করলেও সরকার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কথা বলে সঠিক সময়ে সেটা করতে পারেনি। ঠিক একই ভাবে ২০১৭ সাল থেকে জাপান ও ইংল্যান্ড খিরশাপাতি আম আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করলেও ঝুলে আছে সে প্রক্রিয়া। সরকারি সিদ্ধান্ত থাকলেও বিগত তিন দশকে কোন সরকারই কৃষকেদের এই জমে থাকা সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসেনি। তথাপিও কৃষকদের উদ্ভাবনী শক্তির অবদানে বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশ কৃষি পণ্য উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে। ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপশি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে আমরা কম আয়তন নিয়েও আরো বেশি দূর এগোতে পারতাম তবু ও স্বাধীনতার ৫২ বছরে বিশ্ব দরবারে আমাদের কিছু সাফল্য সবার নজর কাড়ে। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফওএ, বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থমন্ত্রণালয়, ইউএসএ কৃষি বিভাগ ২০২১ সালে একটি আশাব্যঞ্জক পরিসংখ্যান তুলে ধরে সেখানে দেখানো হয় বিশ্বের বেশ কয়েকটি খাতে বাংলাদেশ বিশ্বে শ্রেষ্ঠতম অবস্থান ধরে রেখেছে। বাংলাদেশ সারা পৃথিবীতে ইলিশ উৎপাদনে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে, পাট উৎপাদনে অর্জন করেছে দ্বিতীয় অবস্থান। মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয়, আম উৎপাদনে অষ্টম, কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, ধান উৎপাদনের চতুর্থ, প্রবাসী-আয় অর্জনে অষ্টম। এখানে ভারত প্রথম, দ্বিতীয় আমরা, ভালো করেছি কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের কি আরো ভালো করার সুযোগ ছিল না! অবশ্যই ছিল, কিন্তু কেন সেটা হলো না।

ছাত্রলীগের কর্মীরা মাঠে ধান কাটার যে মিডিয়া কাভারেজ আমরা দেখি, দরিদ্র কৃষকের অর্থসাশ্রয় করার যে প্রচেষ্টা আমরা দেখি তার চাইতে বেশি জরুরী কৃষকের সকল জাতীয় সমস্যার সমাধান। এভাবে কৃষকের জমিতে ধান কাটার মায়াকান্না না করে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠা বেশি জরুরী। একুশ শতকে ভারত ও চায়নার কৃষির কাছাকাছি যেতে হলে এছাড়া আর কোন গত্যন্তর আছে কি? আর যদি আমরা সঠিক সময়ে সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে না পারি তাহলে উৎপাদনমুখি বিশ্বব্যবস্থায় আমরা দুর্ভিক্ষকে বরণ করে নিতে বাধ্য হবো। সবচেয়ে বড় কথা হলো বিশ্বায়নের এই যুগে কৃষিকে না বাঁচিয়ে বাঁচবো না আমরা, বাঁচবে না আমাদের রাজনীতি, অর্থনীতি কৃষি ও সংস্কৃতি।

 

 লেখক: প্রাবন্ধিক, গল্পকার ও শিক্ষা গবেষক

 

ডিএসএস/ 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী