বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

খাঁচা

রাতের বেলা সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন সে ছাঁদ থেকে টুকটাক খাবার সংগ্রহ করে—এই তার অপরাধ। খাবার বলতে তেমন কিছুই না—একটা দুটো কচি সসা, দুটো লাউয়ের ডগা, মিষ্টি কুমড়োর নবীন ফুল—এই সব। নিজের জন্য যতটুকু পারে ছাঁদে বসেই ইচ্ছে মতো খেয়ে নেয় সে। কেননা বাসায় ফিরে অনেক কাজ থাকে তার। দুধের বাচ্চাটাকে স্তন্য দিতে হয়। মরদটা গোস্বা করে থাকে—তার মান ভাঙাতে হয়। বাসায় বসে সে বাচ্চাগুলোকে পাহাড়া দেয়। বিড়াল আর সাপদের থেকে নিরাপদ রাখতে সেও খুব খাটে; সতর্ক থাকে। সে জন্য স্পেশাল কিছু নিতেই হয়। ছোটবোন পোয়াতী সতীনটাও আজকাল আর খাবারের সন্ধানে বেরোতে পারে না। তার জন্যেও কিছু নিয়ে যেতে হয়।

অবশ্য আগে ওরা কেউ বাসার ছাঁদে আসতো না। নিচে থেকেই প্রয়োজনীয় খাবার সংগ্রহ করতো। ছাঁদ থেকে জানালার কার্নিস বেয়ে লাফিয়ে সোজা সজনে গাছটায় উপরে পড়তো। তারপর গাছ বেয়ে সদলবলে নিচে নেমে ড্রেনের ধার দিয়ে কিছুক্ষণ এগোলেই সম্ভু কাকার লন্ড্রির দোকান। পাশেই হরিদার টি স্টল। এখানেই কাকারা ওদের জন্য খাবার স্টোর করে রাখতো—বিস্কুটের ভাঙ্গা টুকরো, পঁচা পাউরুটি, কলা, লাড্ডুর অংশবিশেষ এইসব। ভোরে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়ে যাওয়ার আগেই ওরা ওখানে পৌঁছে যেতো। তারপর সবাই মিলে ভোজনের উৎসব শেষে বাসায় ফিরতো। ভালোই চলছিল উৎসবমুখর এই জীবন। ছেলেপুলে নিয়ে বেশ আরামেই দিন কাটছিল। তারপর হঠাৎ এই ছন্দপতন।

সেদিন ছিল শুক্রবার। হঠাৎ দেখা গেলো সকালবেলাটায় দুজন লোক সজনে গাছটার গোড়া খুঁড়ছে। একটু পরেই সজনে গাছটা হুড়মুড় করে পড়ে গেলো। সকাল পেরিয়ে দুপুর হতেই সম্ভুকাকার লন্ড্রীর দোকান, হরিকাকার চায়ের দোকান উধাও! এখন ওখানটাই একটা দশতলা প্রজেক্ট হবে। নিচেয় শোরুম আর উপরে বাসাবাড়ি-ফ্লাট!

ভাবতে ভাবতে নিকট অতীতের কথা মনে হতেই বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো। সেবার আম্ফান ঝড়ে বাবা মা মারা যাওয়ার পর এই সজনে গাছের ডালেই তো প্রথম পরিচয় হয় মরদটার সাথে। এই তো সেদিন ছোট বোনটাকে নিয়ে মরদটার সাথে সে সংসার শুরু করলো।

ছোটবোনটা এখন সতীন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী; অংশীদার। মরদটার ভাগ দিতে হয়। সে সব অবশ্য মেনে নিয়েছে সে। মনকে শান্তনা দেয়, মরদটাতো তাকে ছেড়ে চলেও যেতে পারতো—কিন্তু যায় নি তো; তার ঘরেই আছে। প্রফেসর সাহেবের বাসার শয়তান মাগীটা চেষ্টার তো কম করে নি মরদটাকে ভাগানোর। দুবোনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাগীটা পারে নি; হার মানে। তাছাড়া এমন পায়ের উপর পা তুলে কাঠানোর সুযোগ কয়টা ধেঁড়ে জীবনে পায়? দুই বোনের এক মরদ তো মানুষের মধ্যেও দেখা যায়।

নানাবিধ ভাবনা চিন্তা বন্দিনীর মাথায় ঘুরপাক খায়। ঘরে দু'দিনের দুধের বাচ্চাটা রয়েছে। ছোটবোন সতীনটাও পোয়াতি। মরদের কথা না হয় বাদই দিলাম। এখন ওদের খাবারের জোগাড় কী করে হবে?

হাটখোলা বাজারটাও তো অনেক দূরে। তাছাড়া অত দূরে যাওয়াটাও বেশ ঝুকিপূর্ণ। পৌরসভার কাউন্সিলর তোফাজ্জেলের বাসার মেচি বিড়ালটা একটা ঘাতক; অসভ্য জানোয়ার। আমরা কি তোদের কোনো ক্ষতি করেছি কখনো; যে দেখলেই তেড়ে আসিস। ধরে ধরে মারিস। সাহেব তোদের দুধ কলা দিয়ে পোষে ঠিক আছে। তাই বলে কি, সাহেবদের মন রক্ষায় তোদের নিরীহ প্রাণি হত্যা করতে হবে? আমাদের কোনো সাহেব বিবি ওমন দুধ কলা দিয়ে পুষলেও আমরা তোদের মতো ওমন হন্তারক হতাম না!

গৃহস্বামীটি কবি মানুষ। আত্মভোলা। গৃহিনী মহাশয়া ডাক্তার। তবে তাঁরা এতটা প্রতিশোধ পরায়ণ হবে একদমই ভাবনায় আসে নি কখনো। বাবাগো, তোমাদের তো টাকা-পয়সার তেমন অভাব নেই! তবে এত কৃপণতা কেন তোমাদের? ইঁদুরেরা না হয় শসা গাছের দুটো ডগা আর একটা কচি শসাই খেয়েছে তাতে কি তোমরা ফতুর হয়ে গেছো! ঠিক মতো বাজার ঘাটও তোমরা করো না যে রান্নাঘরে ঢুকে একটু আধটু কাটাকুটি খেয়ে আসবো। পাশের বাসার প্রফেসর সাহেব বাজার থেকে কত সবজি বাজার করে আনে—মিষ্টি কুমড়ো, লাউ, টমেটো, ঝিঙে, লাউয়ের ডগা কত কি! অথচ তোমরা দুজন বাইরেই যেতে চাও না। শুধু বাসার ছাঁদ নিয়ে পড়ে থাকো। কে যে তোমাদের ছাঁদ বাগানের ধারণা দিলো! ছাঁদে লাউ, মিষ্টি কুমড়ো, বেগুন, সসা, টমেটো সব চাষ করা যায়। প্রথম প্রথম তোমাদের এসব কাজ খুবই আপত্তিকর মনে হলেও পরে মনে হলো—না, এসব তো তোমরা আমাদের জন্যই করছো। আমরা য়াঁরা নিরাপত্তার খাতিরে ছাঁদবাসী তাদের খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে তোমরা এত ভালো একটা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছো—ভাবতেই বেশ গর্ব হয়েছিল। অবশ্য এসব বুঝতেও বেশ সময় লেগেছিল। তারপর একদিন দেখা গেল ব্যাপারটা আসলে তা না। একদিন বেগুন গাছ লাগাতে লাগাতে কবি ডাক্তার ম্যামকে বলছেন, বাঁচতে হলে আমাদের কীটনাশকমুক্ত সবজিই খেতে হবে। বাজারের সব সবজিতেইতো কীটনাশক। এখন থেকে ছাঁদে নিজেরাই বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করবো। দু'জনের ব্যাপক উৎসাহ দেখে বেশ ভালো লাগলো।

অনেকক্ষণ খাঁচায় বন্দি থেকে এই সব ভাবতে ভাবতে তার মধ্যে ঝিমুনির ভাব আসে। ঝিমুনির মধ্যেই গতকালের কথা মনে হয়—ছাঁদ থেকে পেট পুরে খেয়ে নিয়ে খুশী মনে বাসায় ফিরে দেখে সকলেই অঘোরে ঘুমোচ্ছো। সকালে বাচ্চা দুটো একটু বেশী দুধ খেয়ে ফেলেছিল। অনেক সময় ঘুমোবে। পোয়াতী সতীনটা প্রতিবেশী নানীর বাড়িতে গেছে ঝাঁড়ফুক নিতে! মরদটা পিট পিট করে তাকাচ্ছে। কুই কুই করে কাছে ডাকতেই খুশী মনে সে মরদের পাশে শুয়ে পড়ে।

 

ডিএসএস/ 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী