রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘সরকার নৃশংসতার সব সীমা অতিক্রম করেছে’

ফাইল ফটো

বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা আওয়ামী লীগের জন্য একটা কলঙ্কের তিলক চিহিৃত হয়ে থাকবে বলে মনে করছে গণতন্ত্র মঞ্চ।

জোটের নেতারা বলেন, বিএনপির ১০ তারিখের সমাবেশকে বন্ধ করতে সরকার তার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। একইসঙ্গে সরকার তার অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য দমন-নীপিড়ন করে সন্ত্রাসের পথ বেচে নিয়েছে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য বর্তমান সরকার নৃশংসতার সব সীমা অতিক্রম করেছে। পুলিশ ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে বিরোধী দলের নিরীহ নেতা-কর্মীদের উপর সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশকে কেন্ত্র করে গতকালের তাদের উপর নৃশংস হামলা চালিয়ে সরকার ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুণ বাগিছা নাগরির ঐক্যের অফিসের পাশে একটি মিলায়নতে এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের নেতারা এসব কথা বলেন।

সমাবেশ আমাদের সাংবিধানিক অধিকার বলে উল্লেখ করে মান্না বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব সেই সভা, সমাবেশের নিরাপত্তা দেওয়া। অথচ স্বৈরাচারী সরকার তার পেটোয়া বাহিনী তার দলীয় ক্যাডারদের সঙ্গে জনগণের উপর হামলা করছে। আমরা হুঁশিয়ারি করে বলতে চাই, প্রতিটি আঘাত, হত্যার বিচার করা হবে।

দেশের এই মহা সংকটময় মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে দায়িত্বশীর ও মানবিক আচারণ জনগণ প্রত্যাশা করে ও উল্লেখ করে মান্না।

বিএনপির নেতা-কর্মীদের উপর গুলি করে হত্যা, নৃশংস হামলা, বিএনপি এবং গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার, সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্দোলন শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজ করে গণতন্ত্র মঞ্চ।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের প্রতি গণতন্ত্র মঞ্চ সমর্থন জানাচ্ছে বলে জানান মান্না।

বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক খেলা হবে বলে আগ্রাসী এবং আক্রমনাত্মক রাজনীতি তৎপরতা শুরু করেছে, গতকাল কোনো উস্কানি ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেভাবে হামলা, আক্রমণ, লুট করা হয়েছে, মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এটা সরকার এবং সরকারি দলের খেলার অংশ হিসেবে হয়েছে। আমরা এই ঘটনাকে পরিকল্পতি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস হিসেবে আখ্যায়িত করছি।

তিনি আরও বলেন, সরকার যে ভয় পেয়েছে, সেটাকে গণ আতঙ্কে পরিণত করেছে। বিএনপির অফিসে গতকালের হামলা জনগণের মধ্যে ভয় ধরিয়ে দেওয়া জন্য করেছে। সমাবেশের তিন আগে এই হামলা প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ দল হিসেবে এবং সরকারও এতটাই দেওলিয়া হয়ে গেছে একটি রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ সমাবেশকেও তারা মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাখে না।

রাজনৈতিক ও নৈতিভাবে বিরোধী দলের অফিসে যেভাবে হামলা করেছে তা ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের জন্য একটা কলঙ্কের তিলক চিহিৃত হয়ে থাকবে। আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই-এই হামলা-আক্রমণ বন্ধ করতে হবে। সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন সংকট সমধানের রাজনীতি দরকার সরকার সেই পথে না হেঁটে অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য দমন করে সন্ত্রাসের যে নীতি গ্রহণ করেছে, দেশটাকে বিপদের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, বিএনপির অফিসের সামনে পুলিশ হামলা করে দুইজনকে হত্যা করেছে। আবার টেলিভিশনে মিথ্যা করছে, কার গুলিতে মারা গেছে? তারা নাকি শুধু মাত্র রাবার বুলেট মেরেছে। তাহলে এই লোক গুলো কীভাবে মারা গেল? পুলিশ সঙ্গে প্রাইভেট বাহিনীও যুক্ত হয়ে গুলি করছে। জার্সি পরে গুলি করছে গতকাল আমরা দেখেছি।

তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল একজন বিএনপির নেত্রী তার ছেলে ছেড়ে দেওয়ার জন্য আর্তনাদ করেছে, সেটা পর্যন্ত তারা শুনছে না। এই রকম একটা ভয়াবহ অমানবিক পরিস্থিতি সরকার তৈরি করেছে।’

বিএনপি এবং গণতন্ত্র মঞ্চ সামনে যুগপৎভাবে শীঘ্রই লড়াই শুরু করতে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করে সাকি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ৬৯ এবং ৭১ তৈরি করেছে। মানুষ লড়ছে আগামী দিনেও ঐক্যবদ্ধভাবে লড়বে।

বিএনপির ১০ তারিখের সমাবেশকে বন্ধ করতে সরকার তার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে বলে দাবি করেন সাকি।

বর্তমান রাজনৈতিক নিরসরে জন্য রাজনৈতিক ঐক্যমত তৈরির আহ্বান জানান গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নরুল হক নুর। তিনি বলেন, আর যদি পুলিশ দিয়ে রাষ্ট্র চালাতে চান, তাহলে প্রধানমন্ত্রীকে বলব আপনি পদত্যাগ করে, পুলিশ প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। আজকে এই দেশকে একটি পুলিশী রাষ্ট্রে কায়েম করেছেন।

পুলিশের একটি জোনের ডিসি একটি রাজনৈতিক দলের মহাসচিব সঙ্গে শিষ্টাচার বজায় রেখে কথা বলছেন না বলেও দাবি করেন নুর। তিন বলেন, আপনারা দেখেছেন কীভাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পুলিশের জুনিয়র অফিসাররা পেছন থেকে ধাক্কা দিচ্ছেন। সিনিয়র নেতাদের সম্মান দিচ্ছেন না। এভাবে দেশ চলতে পারে না। আমরা বেঁচে থাকতে এভাবে দেশ চলতে দেব না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেএসডির সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এমএইচ/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার