শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

লুটেরাদের বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিতে হবে: ইনু

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, একাত্তরের পরাজিত চিরশত্রু জামায়াত-বিএনপি বর্জন ও পরাজিত করার রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে সমানতালেই জনগণের দৈনন্দিন জীবনের দুঃখ-কষ্ট দূর করা, দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক অযৌক্তিক ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে বাজার সিন্ডিকেট দমন, দুর্নীতিবাজ, চাটার দল, লুটেরা, দলবাজী, ক্ষমতাবাজী বন্ধ, বৈষম্যের অবসান করতে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিতে হবে। সুশাসন ও সমাজতন্ত্রের পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ফেনী শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ইনু বলেন, বাঙালি, বাংলা, বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যতদিন রাজনীতির মাঠে থাকবে ততদিন দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘর্ষ, সংঘাত, অশান্তির অবসান হবে না। বাংলা, বাঙালি, বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি, দেশের চিরশত্রুদের রাজনৈতিকভাবে পরাজিত, দমন, ধ্বংস করেই রাজনীতি ও সমাজে স্থায়ী শান্তি অর্জন করতে হবে। এটা শেখ হাসিনার একার ক্ষমতায় থাকার বিষয় না, সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়েই দেশের চিরশত্রু পাকিস্তানপন্থার রাজনীতির ধারক-বাহক বিএনপি-জামায়াতসহ ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক, জঙ্গীবাদী, উগ্রবাদী শক্তিকে বর্জন ও ধ্বংস করার দায়িত্ব নিতে হবে। সমগ্র জাতিকেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বাংলাদেশ আফিগানিস্তান-পাকিস্তানের মতো তালেবানি পথে যাবে, ধর্মের নামে সংঘাত, সংঘর্ষ, অশান্তি, খুনাখুনি, রক্তারক্তির পথে যাবে নাকি শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথে যাবে।

তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে বর্তমান অস্থিরতা, সংঘাত, সংঘর্ষ নতুন নয়। এটা ৫২, ৭১, ৭৫ এর পুরাতন বিরোধেরই বহিঃপ্রকাশ। স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিক্রান্ত হলেও এই বিরোধের সমাধান ও মীমাংসা হয়নি। ৫২ ও ৭১ এর মীমাংসিত বিষয়গুলো অমীমাংসিত করা, ঐতিহাসিক সত্যকে অস্বীকার করার রাজনীতিই এই বিরোধের মূল কারণ।

তিনি আরও বলেন, ৫২ ও ৭১ বিরোধী, বাংলা, বাঙালি, বাংলাদেশ, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী পাকিস্তানপন্থার রাজনীতি রাষ্ট্র, রাজনীতি, সমাজে চাপিয়ে দিয়ে জাতিকে বিভক্ত করে বিরোধের রাজনীতিকে স্থায়ী রূপ দিয়েছে। বিএনপি-জামায়াতসহ ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক, জঙ্গীবাদী, উগ্রবাদী শক্তিগুলো এই বিরোধের রাজনীতির ধারক ও বাহক। এরা বাঙালির আত্মপরিচয়, ভাষা, সংস্কৃতি, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংবিধান মানে না। এরা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা ও রাজাকার, আলবদর, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পক্ষে সাফাই গায়। এরা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক ধারাকে নিশ্চিহ্ন করতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার বলেন, দেশের চিরশত্রু, জাতির চিরশত্রু, নারীর চিরশত্রু ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক, উগ্রবাদী, জঙ্গীবাদী মোকাবিলার ঐক্য ও জোটের রাজনীতির পাশাপাশি জাসদের নিজস্ব রাজনীতি আছে।

তিনি আরও বলেন, জাসদের রাজনীতি হচ্ছে বৈষম্যের অবসান করা, দেশের সম্পদ বিলিবণ্টনে, বাজেটের বিলিবণ্টনে দেশের অর্থ সম্পদ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বঞ্চিত, অসহায়, নিরুপায়, কর্মহীন, আয়হীন নারী পুরুষদের হাতে পৌঁছে দেওয়া। আমাদের জাতীয় অর্থনীতির যে সক্ষমতা আছে, জাতীয় বাজেটের যে আকার তাতে দেশের অর্থসম্পদ সঠিক ও দুর্নীতিমুক্তভাবে বিলিবণ্টন হলে এই বঞ্চিত অবহেলিত মানুষদের মানবিক জীবনে টেনে তোলা সম্ভব। সেটা করার জন্য সমাজতন্ত্রকে সংবিধানের ছাপার অক্ষরও দুই মলাটের মধ্যে বন্দী সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক অর্থনৈতিক সামাজিক পরিকল্পনা নীতি ও বাজেট প্রণয়নের নীতির ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তাই জাসদ রাজপথে ও সংসদে সমাজতন্ত্রের পক্ষে সোচ্চার আছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নুরুল আকতার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদের চৌধুরী, মির্জা মো. আনোয়ারুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুন্নবী ও জসিম উদ্দিন বাবুল প্রমুখ।

এসজি

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো