রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ দফায় কিছুই পরিষ্কার নয়: ববি হাজ্জাজ

এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বিএনপি কর্তৃক প্রস্তাবিত রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ দফাকে প্রকৃত কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট নয়। দলটি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের সারাংশ প্রকাশ করেছে মাত্র। একটি রাষ্ট্রের “কাঠামোগত” এবং “চরিত্রগত” পরিবর্তন ছাড়া সেই রাষ্ট্রের আমূল সংষ্কার সম্ভব নয়। বিএনপি পরিষ্কার করে নাই তারা কি ধরণের কাঠামোগত সংষ্কার বাস্তবায়ন করতে চায়। তারা কিভাবে স্বাধীন সংবিধান সংষ্কার কমিশন গঠন করবে সেটার রুপরেখা আমরা জানতে চাই। সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ বাতিলের সরাসরি ঘোষণা তাদের থেকে প্রত্যাশিত ছিলো। এটা এড়িয়ে যাওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত এনডিএম কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি কর্তৃক প্রস্তাবিত রাষ্ট্র মেরামতের রুপরেখা নিয়ে এনডিএম এর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সামরিক বাহিনী নিয়ে তাদের বক্তব্য পরোক্ষভাবে আমাদের দেশপ্রেমিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সক্ষমতাকে ছোট করছে বলে আমরা মনে করি। কিভাবে তারা রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনবে সেটাও পরিষ্কার নয়। আমাদের প্রস্তাবিত দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা এবং আনুপাতিক ভোটের হারের ভিত্তিতে সংসদ সদস্য নির্বাচন ব্যবস্থা ছাড়া এটা সম্ভব নয়।

বিএনপির প্রস্তাবিত দফাগুলোকে অষ্পষ্ট দাবি করে ববি হাজ্জাজ বলেন, “প্রতিহিংসামূলক রাজনৈতিক অবস্থানের বিপরীতে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে তাদের প্রস্তাবিত “রঙধনু জাতি” প্রতিষ্ঠার ধারণা পরিষ্কার নয়। কিভাবে তারা কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবে সেটা পরিষ্কার করে নয়। “সবার জন্য স্বাস্থ্য” বাস্তবায়নে যুক্তরাজ্যের “এনএইচএস” এখানে কাজ করবে বলে আমরা মনে করি না। যুব নীতিমালা বা যুব সমাজের কর্মসংস্থান নিয়ে দলটি নীতিনির্ধারণী কোন বক্তব্য বা সৃষ্টিশীল সমাধান দেখাতে পারে নাই”।

বিএনপি কর্তৃক প্রচারিত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের সংজ্ঞার আওতায় “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” কথাটি প্রযোজ্য নয় দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ বিএনপির কাছে কোন পরিধি এবং কার্যক্রমের আওতায় তারা “অর্থনৈতিক সংষ্কার কমিশন” গঠন করবে সেটা জানতে চান। এসময় তিনি বিএনপি আমলে প্রণীত দায়মুক্তি অধ্যাদেশ নিয়ে তাদের প্রস্তাবনায় কোন বক্তব্য না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এনডিএম এর যুগ্ম মহাসচিব মোমিনুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন নুরুজ্জামান হীরা, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদুর রহমান, নির্বাহী সদস্য এডভোকেট নূর উল্লাহ, আদনান সানি প্রমুখ।

এনএইচবি/এএস

Header Ad
Header Ad

দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

এক সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসান এখন দুদকের আসামির তালিকায় আসতে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ‘অনিয়ম এবং দুর্নীতির’ অভিযোগের তদন্ত চলছে, যা এখন অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, "আমাদের আশঙ্কা, সাকিব দুদকের আসামি হতে পারেন, তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। অনুসন্ধানের পর বিস্তারিত জানানো যাবে।"

২০১৮ সালে সাকিব আল হাসানকে দুদক তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ করেছিল। এ ছাড়াও তিনি হটলাইন-১০৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুদকের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। কিন্তু ২০২২ সালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তাকে আর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর না রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

সাকিব আল হাসান ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের টিকেটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন, কিন্তু ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়। এরপর সাকিবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠলে, ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিলহানুর রহমান নাওমী তার বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন করেন।

এ আবেদনে সাকিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে- যেমন শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, নিষিদ্ধ জুয়ার ব্যবসা, স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত থাকা, কাঁকড়া ব্যবসায়ীদের অর্থ আত্মসাৎ, ক্রিকেটে দুর্নীতি এবং নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন করা।

এছাড়া, সাকিবের ব্যাংক হিসাব গত বছর ৮ নভেম্বর জব্দ করার কথা জানিয়েছিল আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ। আরও গুরুতর বিষয় হলো, গত ৫ আগস্ট ঢাকার আদাবরে এক গুলিবিদ্ধ পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় সাকিবকে আসামি করা হয়েছে, এবং জাতীয় দলের বাইরে রাখার জন্য আইনি নোটিশও পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, সাকিবের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত ও অভিযুক্ত নানা কেলেঙ্কারির মধ্যে, তার ভবিষ্যত কী হবে তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি।

Header Ad
Header Ad

গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)

ছবি: সংগৃহীত

গাজা জ্বলছে, গাজা পুড়ছে, নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। একের পর ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে প্রতিনিয়ত ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিন। সম্প্রতি বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে যেখানে দেখা যায়, মিসাইলের আঘাতে মানুষ ১০-১৫ তলারও বেশি উচ্চতায় উঠে আবার নিচে পড়ে যাচ্ছে।

এ যেনো ছাড়িয়ে গেছে আধুনিক বিশ্বের সকল বর্বরতাকে। কোথায় আজ মানবাধিকারের কথা বলে গলা ফাটানো সংস্থাগুলো? কোথায় আজ মানবিকতা? কোথায় আজ বিবেক? ঠিক এই প্রশ্নগুলোই সামাজিক মাধ্যমজুড়ে ছেয়ে যাচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এসব ভিডিও চিত্র দেখে কাঁদছে প্রতিটি মুসলমানের অন্তর। দখলদার ইহুদি ইসরায়েল এর নৃশংসতার শেষ কোথায়? জানা নেই কারোরই। ভাইরাল হওয়া ভিডিও চিত্র দেখে অনেকেই নিশ্চিত করেছে এই ক্ষেপনাস্ত্র গুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া। পশ্চিমা বিশ্ব যেনো এক হয়েছে ফিলিস্তিনকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে। আর মুসলিম দেশগুলো বসে বসে আঙ্গুল চুষছে, ঠিক এমনটিই লিখেছেন প্রীতি রহমান নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী।

গাজার এই ভয়াবহ চিত্র দেখে শুধু যে মুসলিমদের হৃদয় ব্যথিত হচ্ছে তা নয় ভিন্নধর্মীরাও আজ ব্যথিত ইসরায়েলের স্বরণকালের সবচেয়ে বড় এই নৃশংসতায়। কারো কারো মতে ওরা মানুষ নয়, জীবন্ত কোন জন্তু জানোয়ার কিংবা হিংস্র কোন পশু।
ভাইরাল সেই ভিডিও নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

তিনি লিখেছেন, ‘ঝড়ো হাওয়ায় গাছের শুকনো পাতা যেভাবে আকাশে উড়ে যায়, বোমার আঘাতে পবিত্র ভূমির মানুষদেরকে সেভাবে আকাশে উড়তে দেখল বিশ্ববাসী।

পৃথিবীর আটশ কোটি মানুষ, দুইশ কোটি মুসলমান, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরববিশ্ব-কেউই হায়েনার হাত থেকে একটি জনপদকে রক্ষা করতে পারল না। বরং সবাই রোমের কলোসিয়ামের গ্যালারিতে বসে গ্ল্যাডিয়েটরদের মৃত্যু দেখার মতো যেন উপভোগ করছে এই বর্বরতা।’

এদিকে ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ শিশু হতাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। আর গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০ হাজার ৬০৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। পাশাপাশি আরও ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৩ জন আহত হয়েছে। যদিও সরকারি মিডিয়া অফিস মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০-এর বেশি বলে জানিয়েছে ইতিমধ্যে।

এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় প্রায় ১৯ হাজার শিশু শহীদ হয়েছে। মা-বাবা হারিয়ে এতিম হয়েছে ৩৯ হাজার শিশু। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা ও দায়মুক্তির কারণে ইসরায়েলি দখলদারেরা ফিলিস্তিনি শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ করতে আরও উৎসাহী হচ্ছে। ইসরায়েলের অপরাধগুলো তুলে ধরার জন্য মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে আহ্বান জানায় হামাস।

 

Header Ad
Header Ad

মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ

মা কিম ফার্নান্দেজের সঙ্গে অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে মারা গেলেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের মা কিম ফার্নান্দেজ। ২৪ মার্চ মুম্বাইয়ের বান্দ্রার লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে রবিবার (৬ এপ্রিল) সকল আশা ছেড়ে চলে যান কিম ফার্নান্দেজ।

সম্প্রতি কিমের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন জ্যাকুলিন। তবে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে মায়ের মৃত্যুর খবর জানিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি এই অভিনেত্রী, যিনি 'কিক' সিনেমায় তার অভিনয়ের জন্য পরিচিত।

২০২২ সালের শুরুতে জ্যাকুলিনের মা কিম ফার্নান্দেজ স্ট্রোক করেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। কিছুদিন আগে ইন্ডিয়া টিভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জ্যাকুলিন বলেছিলেন, "আমি সবসময়ই মায়ের কাছ থেকে শক্তি পেয়েছি। তিনি প্রতিটি কঠিন সময়ে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সহায়ক ছিলেন।"

মা কিম ফার্নান্দেজের সঙ্গে অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

অন্যদিকে, সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি রুপি মানি লন্ডারিং মামলায় জ্যাকুলিনের নাম জড়ানোর পর তার জীবন বেশ এলোমেলো হয়ে যায় এবং অনেক কাজও হারান।

গত বছর হলিউডের একটি সিনেমায় তাকে দেখা গেলেও, বলিউডে নতুন কোনো কাজ হাতে পাননি। তবে বর্তমানে তার হাতে একাধিক প্রকল্প রয়েছে, যার মধ্যে 'ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল' এবং 'হাউজফুল ফাইভ' সিনেমাগুলোর নাম উল্লেখযোগ্য।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’
মানিকগঞ্জে কার্টনবন্দি নারীর মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে
বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবিতে পিএসসির সামনে চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু বুধবার, কঠিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ
কাল হোয়াইট হাউজে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
এরদোগানের দলে যোগ দিয়ে তুরস্কের রাজনীতিতে ওজিল
টাঙ্গাইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের নাগরিকদের জন্য সৌদি আরবের ভিসা নিষেধাজ্ঞা
ভারতের বিতর্কিত ওয়াকফ বিল নিয়ে মুসলমানদের আপত্তির মূল কারণ কী
আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন আওয়ামীপন্থি ৯৩ আইনজীবী
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত