বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

জিয়াউর রহমানের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী সোমবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নির্মমভাবে নিহত তিনি। তিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা।

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশের বগুড়া জেলার নশিপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জন্ম ও শৈশবে তার ডাক নাম ছিল কমল। তার পিতার নাম ছিল মনসুর রহমান এবং মাতার নাম ছিল জাহানারা খাতুন ওরফে রানী। পাঁচ ভাইদের মধ্যে জিয়াউর রহমান ছিলেন দ্বিতীয়। তার পিতা কলকাতা শহরে এক সরকারি দপ্তরে রসায়নবিদ রূপে কর্মরত ছিলেন। তার শৈশবের কিছুকাল বগুড়ার গ্রামে ও কিছুকাল কলকাতা নগরীতে অতিবাহিত হয়।

জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ২৪টি থানার ৪০টি স্থানে দোয়া ও দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য/বস্ত্র বিতরণ করা হবে।

বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক সদস্য সচিব ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়াও সকাল ১০টা ৩০ মিনিট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করা হবে এবং নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সারাদিন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প চালু থাকবে।

ভারতবর্ষ বিভাগের পর তার পিতা পশ্চিম পাকিস্তানের করাচি নগরীতে চলে যান। তখন জিয়া কলকাতার হেয়ার স্কুল ত্যাগ করেন এবং করাচি একাডেমি স্কুলে ভর্তি হন। ওই বিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৫২ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন এবং তারপর ১৯৫৩ সালে করাচিতে ডি.জে. কলেজে ভর্তি হন। একই বছর তিনি কাকুল মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট রূপে যোগদান করেন।

১৯৫৩ সালে তিনি কাকুল পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট রূপে যোগদান করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট রূপে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন। সামরিক বাহিনীতে তিনি একজন সুদক্ষ ছত্রসেনা ও কমান্ডো হিসেবে সুপরিচিতি লাভ করেন এবং স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স কোর্সে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। করাচিতে দুই বছর কর্মরত থাকার পর ১৯৫৭ সালে তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে স্থানান্তরিত হয়ে আসেন।

জিয়াউর রহমান ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করেন। ওই সময় ১৯৬০ সালে পূর্ব পাকিস্তানের দিনাজপুর শহরের খালেদা খানমের সঙ্গে জিয়াউর রহমান বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে একটি কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে খেমকারান সেক্টরে তিনি অসীম বীরত্বের পরিচয় দেন। যুদ্ধে দুর্ধর্ষ সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য যেসব কোম্পানি সর্বাধিক বীরত্বসূচক পুরস্কার লাভ করে, জিয়াউর রহমানের কোম্পানি ছিল তাদের অন্যতম। এই যুদ্ধে বীরত্বের জন্য পাকিস্তান সরকার জিয়াউর রহমানকে হিলাল-ই-জুরাত খেতাবে ভূষিত করে।

এ ছাড়াও জিয়াউর রহমানের ইউনিট এই যুদ্ধে বীরত্বের জন্য দুটি সিতারা-ই-জুরাত এবং নয়টি তামঘা-ই-জুরাত পদক লাভ করে। ১৯৬৬ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে পেশাদার ইনস্ট্রাক্টর পদে নিয়োগ লাভ করেন। সে বছরই তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কোয়েটার স্টাফ কলেজে কমান্ড কোর্সে যোগ দেন।

১৯৬৯ সালে তিনি মেজর পদে উন্নীত হয়ে জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড পদের দায়িত্ব লাভ করেন। অ্যাডভান্সড মিলিটারি এন্ড কমান্ড ট্রেনিং কোর্সে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য তিনি পশ্চিম জার্মানিতে যান এবং কয়েক মাস ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সাথেও কাজ করেন।

১৯৭০ সালে একজন মেজর হিসেবে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং চট্টগ্রামে নবগঠিত অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড পদের দায়িত্ব লাভ করেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করার পর তিনি তার পাকিস্তানি অধিনায়ককে বন্দি করে বিদ্রোহ করেন এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করে।

তবে মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পর সংবিধান লঙ্ঘন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনিদের দেশত্যাগে সহায়তা এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের অভিযোগে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি চার বছর বাংলাদেশ শাসন করার পর ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে নির্মমভাবে নিহত হন।

এনএইচবি/এমএইচ/এমএসপি

Header Ad
Header Ad

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তিতে সম্মত ইউক্রেন  

ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র্রের সঙ্গে বড় খনিজ চুক্তির শর্তাবলিতে সম্মত হয়েছে ইউক্রেন। কিয়েভের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন।

“আমরা বেশ কয়েকটি ভালো সংশোধনীতে একমত হয়েছি এবং এটিকে একটি ইতিবাচক ফলাফল হিসেবে দেখছি,” আর কোনো বিবরণ না দিয়ে বলেন ওই কর্মকর্তা ।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার থেকে সম্ভাব্য ৫০০ বিলিয়ন ডলার রাজস্বের অধিকারের প্রাথমিক দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনকে দৃঢ় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়নি, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউক্রেনীয় দাবি।

দুই নেতা একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র বাক্য বিনিময়ের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি আশা করছেন, এই সপ্তাহে ওয়াশিংটনে তার ইউক্রেনীয় প্রতিপক্ষ ভলোদিমির জেলেনস্কি চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত না করেই, ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেন, চুক্তির বিনিময়ে ইউক্রেন ‘লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অধিকার’ পাবে।

“তারা খুব সাহসী,” তিনি সাংবাদিকদের বলেন।

“কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ এবং সামরিক সরঞ্জাম ছাড়া এই যুদ্ধ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যেত।” যোগ করেন ট্রাম্প।

ইউক্রেনে মার্কিন সরঞ্জাম ও গোলাবারুদ সরবরাহ অব্যাহত থাকবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “হয়তো রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত... আমাদের একটি চুক্তি করতে হবে, অন্যথায় এটি চলতেই থাকবে।”

ট্রাম্প আরও বলেন, “যেকোনো শান্তি চুক্তির পর ইউক্রেনে “শান্তিরক্ষা’ প্রয়োজন হবে। তবে তা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে।”

গত সপ্তাহেই ট্রাম্প জেলেনস্কিকে ‘একনায়ক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং যুদ্ধ শুরু করার জন্য রাশিয়াকে নয় বরং ইউক্রেনকে দোষারোপ করেছেন বলে মনে হচ্ছে, যখন ইউক্রেনের নেতা ৫০০ বিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদের জন্য মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার তৈরি ‘ভুল তথ্যের জায়গায়’ বাস করছেন।

তিন বছর আগে মস্কো পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করার পর থেকে ট্রাম্প ইউক্রেনের পূর্ববর্তী সামরিক ও অন্যান্য সাহায্যের বিনিময়ে দেশটির খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকারের জন্য চাপ দিচ্ছেন।

জেলেনস্কি যুক্তি দেন যে এত বেশি আমেরিকান সাহায্য এখনো পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, “আমি আমাদের রাষ্ট্র বিক্রি করতে পারি না।”

মঙ্গলবার, ট্রাম্প বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ৩০০ থেকে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে। আমরা সেই টাকা ফেরত পেতে চাই। আমরা দেশকে একটি খুব বড় সমস্যার মধ্য দিয়ে সাহায্য করছি... কিন্তু আমেরিকান করদাতারা এখন তাদের টাকা ফেরত পাবেন।”

ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ওলহা স্টেফানিশিনা মঙ্গলবার খনিজ চুক্তির বিষয়ে প্রথম রিপোর্ট করা ফিনান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, চুক্তিটি ‘ছবির একটি অংশ মাত্র’।

“আমরা মার্কিন প্রশাসনের কাছ থেকে একাধিকবার শুনেছি যে এটি একটি বৃহত্তর ছবির অংশ,” আলোচনার নেতৃত্বদানকারী স্টেফানিশিনা বলেন।

ইউক্রেনীয় সূত্রের মতে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির কাছ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তার আরও কিছু কঠিন দাবি থেকে সরে আসতে হয়েছে এবং এই চুক্তির অনেক বিবরণের জন্য আরও আলোচনার প্রয়োজন হবে।

ইউক্রেনের নিউজ ওয়েবসাইট ইউক্রেনস্কা প্রাভদা জানিয়েছে যে খনিজ চুক্তিটি ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্বাক্ষর করবেন।

নিউজ সাইটের অর্থনীতি ইউনিট ইপি জানিয়েছে যে দুটি দেশ একটি পুনর্গঠন বিনিয়োগ তহবিল গঠনেও সম্মত হয়েছে।

ইউক্রেনে লিথিয়াম এবং টাইটানিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং খনিজ পদার্থের বিশাল মজুদ রয়েছে। পাশাপাশি বিশাল পরিমাণে কয়লা, গ্যাস, তেল এবং ইউরেনিয়াম রয়েছে।

গত বছর জেলেনস্কি ইউক্রেন এবং তার পশ্চিমা অংশীদারদের কাছে একটি ‘বিজয় পরিকল্পনা’ উপস্থাপন করেছিলেন যাতে প্রস্তাব করা হয়েছিল যে যুদ্ধের শেষে বিদেশী সংস্থাগুলি দেশগুলির কিছু খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকার পেতে পারে।

মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন যে তিনি ইউক্রেনের রাশিয়া-অধিকৃত অঞ্চলগুলিসহ বিরল খনিজ পদার্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রবেশাধিকার দেওয়ার জন্য উন্মুক্ত।

Header Ad
Header Ad

ছোট অপরাধ বাড়লেও কমেছে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ  

ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীতে সাম্প্রতিক সময়ে বড় ধরনের অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, তবে ছোটখাটো অপরাধ কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে বিজয় সরণিতে ঢাকা মহানগরের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এখনও পুরোপুরি আগের অবস্থানে ফিরে আসেনি। এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তবে বাহিনীকে পুনর্গঠনের জন্য নতুন নিয়োগ ও প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, দ্রুতই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

সাম্প্রতিক অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর সহযোগিতায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর আওতায় চিহ্নিত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

ছিনতাই ও ছোট অপরাধ বেড়েছে স্বীকার করে আসিফ মাহমুদ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাইসহ ছোটখাটো অপরাধ কিছুটা বেড়েছে। তবে এরই মধ্যে বিশেষ টহল ও চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

'আমরা বিভিন্ন এলাকার মোড়ে মোড়ে পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছি। সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীর সহায়তায় ব্লক রেইড ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। আশা করছি দ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে' বলেন উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, যে কোনও দেশেই অপরাধ থাকে, তবে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব। বড় ধরনের অপরাধ যেমন, খুন, ডাকাতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে, তবে সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাই কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি, এটিও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন অপরাধের ভিডিও নিয়ে তিনি বলেন, একটি ঘটনা ভাইরাল হলে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়, যা বাস্তব পরিস্থিতির চেয়ে বেশি মনে হতে পারে। অপরাধের প্রকৃত চিত্র বুঝতে পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর করা উচিত।

চাঁদাবাজি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেখা গেছে, আগের চাঁদাবাজদের জায়গায় নতুনরা এসেছে। তাদের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধনও রয়েছে। আমরা রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের আহ্বান জানাই, যেন তারা এসব অপরাধকে প্রশ্রয় না দেন।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে চাঁদাবাজির ঘোষণা দিচ্ছে। এটি দুঃখজনক। সরকার চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

জামিনে মুক্ত হয়ে আসা অপরাধীদের বিষয়ে তিনি বলেন, আগে যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারা এখনও তাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের নজরদারিতে রেখেছে এবং প্রয়োজনে আবারও গ্রেফতার করা হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী ও ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

Header Ad
Header Ad

নায়িকার মামলায় জাজের আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  

জাকিয়া জামাল মুন ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ। ছবিঃ সংগৃহীত

ঢালিউডের নবাগত নায়িকা জাকিয়া কামাল মুনের দায়েরকৃত প্রতারণার মামলায় প্রযোজনা সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

গত রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এক লিখিত চুক্তির মাধ্যমে ‘পাপ’ সিনেমা নির্মাণে সহযোগিতার জন্য প্রযোজক আবদুল আজিজকে এককালীন ৬০ লাখ টাকা প্রদান করেন নায়িকা জাকিয়া কামাল মুন। একই বছরের মার্চের মধ্যেই সিনেমার কাজ শেষ করার কথা ছিল।

চুক্তিনামার শর্ত অনুযায়ী বিনিয়োগকৃত টাকা ফেরত দেননি আবদুল আজিজ। এ ব্যাপারে বারবার আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ করা হলেও তা উপেক্ষা করেছেন তিনি। বিপরীতে গত বছরের মে মাসে ‘পাপ’ সিনেমাটি একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এক কোটি ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ।

আরও জানা গেছে, আবদুল আজিজ টাকা ফেরত প্রদানে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এমনকি হুমকি দিয়েছেন যে, বেশি বাড়াবাড়ি করলে বাদীর ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেবেন।

এদিকে এ ব্যাপারে অভিনেত্রী মুন বলেছেন, আমি বারবার টাকা ফেরত চেয়েছি। কিন্তু তিনি দেননি। এমনকি আমার ফোনও ধরছেন না তিনি। বরং আমাকে আরও ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন। এ কারণে বাধ্য হয়েই মামলা করেছি আমি।

অন্যদিকে মামলার ব্যাপারে জানার জন্য সংবাদমাধ্যম থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি আবদুল আজিজের।

২০১২ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রথম সিনেমা ‘ভালোবাসার রঙ’ মুক্তি পায়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যানারে একাধিক সুপারহিট সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। যা দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসিতও।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তিতে সম্মত ইউক্রেন  
ছোট অপরাধ বাড়লেও কমেছে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ  
নায়িকার মামলায় জাজের আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  
মধুর ক্যান্টিনে বিকেলে যাত্রা শুরু করবে সমন্বয়কদের নতুন ছাত্রসংগঠন
১৩ মার্চ ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব  
গোল উৎসবে নিষ্প্রাণ বার্সার রক্ষণ, সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ড্র
ইসরায়েলি কারাগারে কমপক্ষে ৫৯ ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু  
পল্টনের জামান টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে  
ভোরে হঠাৎ পুলিশের টহল কার্যক্রম পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  
কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নারী নিহত
নওগাঁয় যৌথ বাহিনীর টহল সন্দেহ হলেই করা হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ
সরকারের কারও কারও বক্তব্যে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে: তারেক রহমান
বারিন্দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, আটক ৪
জুলাইয়ে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ঢাকায় আসবে পাকিস্তান
টাঙ্গাইল পৌরসভায় দুদকের অভিযান
ডিআইজি-এসপিসহ পুলিশের ৮২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ওএসডি
অনির্দিষ্টকালের জন্য কুয়েট বন্ধ ঘোষণা, হল ছাড়ার নির্দেশ
পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৭ জন অতিরিক্ত সচিব
দেশজুড়ে ডেভিল হান্টে আরও ৬৩৯ জন গ্রেপ্তার
এআই প্ল্যাটফর্ম সালামা: ২০ সেকেন্ডে মিলবে দুবাইয়ের ভিসা