বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

ইতিহাসের অন্যতম কালো দিন

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১৩ বছর আজ

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কালো দিন। ২০০৯ সালের এই দিনটিতে নারকীয় হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল কিছু বিপথগামী সৈনিক। সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবির (তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস-বিডিআর) সদর দপ্তরে তারা এক ধ্বংসলীলা চালায়। তাদের সেই উন্মত্ততার শিকার হয়ে প্রাণ হারান ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা, নারী ও শিশুসহ আরও ১৭ জন।

এরপর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পরিণত হয় ‘পিলখানা হত্যা দিবসে’। মর্মান্তিক সেই ঘটনার এক যুগ পূর্তি হচ্ছে আজ শুক্রবার। ১৩ বছরে পড়েছে এ কালো দিনটি।

কী ঘটেছিল সেদিন?

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে বিডিআর দরবার হলে চলমান বার্ষিক (দরবার) নির্ধারিত সভায় বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে একদল বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিক তাদের মহাপরিচালকের বুকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মহাপরিচালকসহ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের হত্যা ও তাদের পরিবারকে জিম্মি করেন। পিলখানার চারটি মূল ফটকই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আশেপাশের এলাকায় গুলি ছুঁড়তে থাকেন। জন্ম নেয় ইতিহাসের এক বীভৎস ঘটনা। টানা ৩৬ ঘণ্টা পর এ বিদ্রোহের অবসান ঘটলেও ততক্ষণে বিদ্রোহী সৈনিকরা কেড়ে নেয় ৫৭ জন দক্ষ সেনা কর্মকর্তার জীবন। পিলখানা পরিণত হয় এক রক্তাক্ত প্রান্তরে। ঘটনার পর পিলখানায় আবিষ্কৃত হয় গণকবর। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় সেনা কর্মকর্তাদের লাশ।

নিহতদের তালিকায় ছিলেন তৎকালীন বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল। এছাড়া সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও বিডিআরের গুলিতে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও নিহত হন। সদরদপ্তরের ভেতর এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। তবে বিদ্রোহীরা ভেতরে আটকে পড়া শিশু ও নারীদের বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেন।

২৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে তাৎক্ষণিক এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্রোহীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলে বিডিআর সদস্যদের একাংশ আত্মসমর্পণ করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত বিডিআর ক্যাম্পে পুনরায় উত্তেজনার খবর পাওয়া যায়। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বিডিআরকে আবারও তাদের দাবি দাওয়া মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বিদ্রোহী বিডিআরের সব সদস্য তাদের অস্ত্র জমা দেন এবং পুলিশ বিডিআর সদরদপ্তর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় হতবাক হয়ে যায় সারাদেশের মানুষ। মাত্র ৩৬ ঘণ্টার এ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তা, একজন সৈনিক, দুইজন সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী, ৯ জন বিডিআর সদস্য এবং আরও পাঁচ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন।

মামলা ও বিচারকার্য

পিলখানা ট্র্যাজেডির এই ঘটনায় ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা করেন তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক নবজ্যোতি খিসা। এছাড়া বিজিবির নিজস্ব আইনে ৫৭টি মামলার বিচার শেষে সারাদেশে ৫ হাজার ৯২৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে।

২০১০ সালের ১২ জুলাই পিলখানা হত্যা মামলায় ৮২৪ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে সম্পূরক চার্জশিটে আরও ২৬ জনকে আসামি করা হয়। পিলখানা হত্যা মামলার ২৩৩ কার্যদিবসে ৬৫৪ জন সাক্ষী আদালতে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার ৪ বছর ৮ মাস পর ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লালবাগে অবস্থিত আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে এ হত্যা মামলার রায় দেন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে ৮৫০ জন আসামির মধ্যে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৭১ জনকে খালাস দেওয়া হয়। ২ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় ২৬৬ জনকে।

২০১৭ সালের ২৭শে নভেম্বর হাইকোর্টে আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখা হয়। আট জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও চার জনকে খালাস দেওয়া হয়। নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ পাওয়া ১৬০ জনের মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। হাইকোর্টে আপিল চলার সময়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় দু’জনের মৃত্যু হয়। খালাস পান ১২ আসামি।

এ ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলাটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে এখনো বিচারাধীন। মামলাটির আসামি রয়েছেন ৮৩৪ জন। তার মধ্যে ২৪ জন এরই মধ্যে মারা গেছেন। পলাতক রয়েছেন ২০ জন।

বিডিআর পুনর্গঠন ও বিজিবি গঠন

পিলখানায় এই বিদ্রোহের ঘটনায় বিডিআরের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে যায়। শুরু হয় বিডিআর পুনর্গঠনের কাজ। বিডিআরের নাম, পোশাক, লোগো ও সাংগঠনিক কাঠামো পরিবর্তন করা হয়। বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরিবর্তন করা হয় বিদ্রোহের আইন।

এদিনে দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি পালন করবে বিজিবি

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সরকারিভাবে এ দিনটিকে ‘পিলখানা হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। এ দিবসটির স্মরণে এক দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি পালন করবে বিজিবি। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদদের স্মরণে আগামীকাল শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শাহাদৎবার্ষিকী পালিত হবে।

২০০৯ সালে বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদরদপ্তর পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহিদদের স্মরণে আয়োজন করা হবে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের। বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, এ দিন শহিদ ব্যক্তিবর্গের রুহের মাগফেরাতের উদ্দেশে পিলখানাস্থ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদরদপ্তরসহ সব রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় খতমে কোরআন, বিজিবির সব মসজিদ এবং বিওপি পর্যায়ে শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এদিন সকাল ৯টার দিকে বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতির ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ৩ বাহিনীর প্রধান (সম্মিলিতভাবে), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) শহিদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

এ ছাড়া দিবসটি পালনে বিজিবির সব স্থাপনায় বিজিবি পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিজিবির সব সদস্য কালো ব্যাজ পরিধান করবে। বিজিবির সব সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে।

বিজিবি জানায়, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বিজিবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রিত অতিথিরা, শহিদ ব্যক্তিবর্গের নিকটাত্মীয়, পিলখানায় কর্মরত সব অফিসার, জুনিয়র কর্মকর্তা, অন্যান্য পদবীর সৈনিক ও বেসামরিক কর্মচারীরা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অংশগ্রহণ করবেন।

কেএম/আরএ/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাবি কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সাবেক সমন্বয়কদের নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’। সংগঠনটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু বাকের মজুমদার, আর সদস্য সচিব হয়েছেন জাহিদ আহসান।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের নাম ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ও ঢাবির কমিটি প্রকাশ করা হয়। সংগঠনটি শিক্ষা, ঐক্য, মুক্তি এই তিন মূলনীতিকে ধারণ করে গঠিত হয়েছে। ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আশরেফা খাতুন।

 

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে আহ্বায়ক হয়েছেন আব্দুল কাদের এবং সদস্য সচিব হয়েছেন মহির আলম। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

 

‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ ঢাবি কমিটির নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে, চলতি মাসের ১৭ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার। সংগঠনটির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে— "স্টুডেন্টস ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট"।

Header Ad
Header Ad

নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান

ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলে স্বাধীনভাবে কাজ করার মাত্রা আরও বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থার চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, “সব ধরনের স্বাধীনতারই একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের যতটুকু স্বাধীনতা আছে, তার মধ্যেই যতটা সম্ভব ভালোভাবে এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।”

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পাবনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে দুদকের গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. আবদুল মোমেন বলেন, “দুদকের কাজ হচ্ছে বিচারের জন্য মামলা তৈরি করা। বিচার করেন আদালত। পাবনা সব সময় একটি প্রতিবাদী জেলা। এই প্রতিবাদটা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও বেশি হওয়া উচিত, যাতে দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে পাবনা আগে দুর্নীতিমুক্ত জেলা হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “নিপীড়নমূলক, নির্যাতনমূলক, শোষণমূলক মামলাগুলোর পরিণতি কী হয়, তা সবার জানা। আমরা যদি সেই ধারাটা অব্যাহত রাখি, তাহলে আমাদেরও একই রকম পরিণতি হবে।”

পাবনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই গণশুনানিতে ১৫৭টি অভিযোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে দুদক ৫৭টি তফসিলভুক্ত অভিযোগ আমলে নিয়ে শুনানি করে।

ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন সরকারি দফতরে হয়রানি ও দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ করেন। তাদের বেশির ভাগ অভিযোগ জমিজমা সংক্রান্ত ছিল। বিশেষ করে জোনাল সেটলমেন্ট অফিস ও স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হয়রানির নানা অভিযোগ উঠে আসে।

একজন অভিযোগকারী, ইব্রাহিম হোসেন, বলেন, “ভূমি অফিসে চাকরি করে ৫ হাজার টাকা বেতন পাওয়া কর্মচারীরা কীভাবে ৫ তলা বাড়ি বানায়? অথচ আমি দীর্ঘ বছর ইতালি থেকেও ৫ তলা বাড়ি করতে পারিনি। আমার মায়ের জমি নিয়ে মাসের পর মাস সেটলমেন্ট অফিসে ঘুরতে হচ্ছে।”

আরেক ভুক্তভোগী, চর বোয়ালিয়া গ্রামের মজিবর রহমান, অভিযোগ করেন, “ভূমি অফিসের লোকজন টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না। টাকা দিলে কাজ হয়ে যায়, আর না দিলে মাসের পর মাস ঘোরায়। আমাকে ফোন করে টাকা চাওয়া হয়েছে।”

দুদক চেয়ারম্যান জানান, এসব অভিযোগ তদন্ত করতে ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ টিম পাঠানো হবে।

গণশুনানিতে পাবনার বিআরটিএ, পাসপোর্ট অফিস, জেনারেল হাসপাতাল, নির্বাচন অফিস, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, বিভিন্ন ইনস্যুরেন্স কোম্পানি এবং অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসে।

দুদক কর্মকর্তারা আশ্বাস দেন, পর্যায়ক্রমে সব অভিযোগ তদন্ত করে সমাধান করা হবে।

Header Ad
Header Ad

নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে মো. নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের একদিন পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মাহফুজ আলম।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে মাহফুজ আলমের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। এরপর ২৮ আগস্ট মাহফুজকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন মাহফুজ। তবে সে সময় তাকে নির্দিষ্ট কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন নাহিদ ইসলাম। গতকাল দুপুরে তিনি পদত্যাগ করেন। নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের লক্ষ্যে তিনি পদত্যাগ করেছেন।

জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) আত্মপ্রকাশ করবে। সেদিন বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ হবে। তবে দলের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

জাতীয় নাগরিক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, নতুন রাজনৈতিক দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন নাহিদ ইসলাম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত
‘শুধু রণাঙ্গণের যোদ্ধারাই হবেন মুক্তিযোদ্ধা, বাকিরা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’
স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্মেলন