ভাষাশহিদদের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজিমপুরে শায়িত ভাষাশহিদদের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
এ ছাড়াও শ্রদ্ধা জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, রায়হান স্কুল এন্ড কলেজ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (কুষ্টিয়া)। এর বাইরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হলেও তাদের ব্যানারের ফুলের তোড়া চোখে পড়েনি।
সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে বেলা বারোটা পর্যন্ত এ ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
আজিমপুর কবরস্থানে ভাষাশহিদদের মধ্যে আবুল বরকত, আব্দুল জব্বার, শফিউর রহমান ও শহিদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারের আপনজনদের কবর জিয়ারত করতে দেখা গেছে।
ভাষা শহিদদের কবরস্থান জিয়ারত করতে আসা নিয়াজ মাহমুদ ও শুভ্র নামে দুই স্কুল শিক্ষার্থী ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘আজিমপুর কবরস্থানে প্রায়ই আসি, কবরস্থানের পাশ দিয়ে স্কুলে আসা যাওয়া করি, আজ একটি বিশেষ দিন তাই শুধুমাত্র ভাষা শহিদদের কবর জিয়ারত করার জন্য এসেছি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা বাংলা ভাষা কথা বলতে পারছি তাদের কবর জিয়ারত করার মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে ধন্য মনে করছি। আমরা তাদের রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করেছি মহান আল্লাহ যেন তাদের বেহেশত নসিব করেন।’
আজিমপুর কবরস্থানের (নিরাপত্তা প্রহরী) আব্দুল্লাহ ঢাকাপ্রকাশ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহিদ দিবস উপলক্ষে আজ ভোর পাঁচটা থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করি, ছয়টার দিকে কবরস্থানের মূল গেট খুলে দেওয়া হয়, এরপর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং যাদের আত্মীয়-স্বজন কবরস্থানে সমাহিত রয়েছেন তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে কবর জিয়ারত করতে আসেন তারা।’
আজিমপুর কবরস্থানে কমপ্লেক্সের মুহাররান মো. হাফিজুর ইসলাম ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘অন্যান্য দিন ভাষা শহিদদের পরিবারের সদস্যরা কবরস্থান জিয়ারতে আসলে আমরা জানতে পারি আমাদের সঙ্গে প্রায়ই তারা দেখা সাক্ষাৎ করেন; কিন্তু আজ বিশেষ দিন উপলক্ষে লোক সংখ্যা বেশি থাকায় পরিবারের সদস্যরা কে কখন আসছেন, সেটা জানি না, আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি আমরা সাক্ষাৎ করিনি।’
এমএইচ/এসএ/
