শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সুসাংবাদিকতার প্রত্যয়ে ঢাকাপ্রকাশ-এর আত্মপ্রকাশ

পাঠকের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে ঢাকাপ্রকাশ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে: স্পিকার

পাঠকের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়েই ঢাকাপ্রকাশ তাদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত কোনো পছন্দ-অপছন্দ যেন কোনো ঘটনাকে প্রভাবিত না করে সেভাবে সংবাদ উপস্থাপন করবেন তাহলেই সেটি বস্তুনিষ্ট হবে।

স্পিকার বলেন, ‘আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ দিয়ে তথ্য প্রভাবিত হলে সেটি হয়তো সাবজেকটিভ হয়ে যাবে অথবা একপেশে হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে সেটির অবজেকটিভিটিটা হারিয়ে যাবে। আমি সব সময় মনে করি, যারা সংবাদ পড়বেন, যারা এই অনলাইনে যুক্ত হয়ে ঢাকাপ্রকাশ-এর খবরগুলো দেখবেন তাদের দৃষ্টিভঙ্গি, তাদের চাওয়া-পাওয়া, তাদের প্রত্যাশা পূরণ হওয়া খুব জরুরি। ঢাকাপ্রকাশ সেই বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

বুধবার মাল্টিমিডিয়া নিউজ পোর্টাল ঢাকাপ্রকাশ-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এ কথা বলেন। বক্তৃতা শেষে স্পিকার ঢাকাপ্রকাশ-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক, লেখক, কবি-সাহিত্যিক, অভিনয়শিল্পী, সংগীত শিল্পী ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিগণ।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘আজ একটি বিশেষ সময়ে আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে প্রথম দিনে। ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে আজকের দিনটি।’

তিনি বলেন, ‘সততাই শক্তি সুসাংবাদিকতায় মুক্তি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে ঢাকাপ্রকাশ যাত্রা শুরু করেছে এবং কেনো তারা এই বিশেষ প্রতিপাদ্যকে বেছে নিয়েছেন? সেই বিষয়টি এই পত্রিকার সম্পাদক বলেছেন। সততাই শক্তি এই কথাটি কিন্তু শাশ্বত সত্য সকল ক্ষেত্রে, পাশাপাশি এটিও সত্য যে, কঠিনেরে ভালবাসি। যখনই সততার পক্ষে আপনার অবস্থান তখেই তার সঙ্গে এটিও মনে রাখতে হবে যে, সেই সততা এবং সত্য কঠিনের পথটিই আপনি বেছে নিয়েছেন। সেটি প্রকাশের স্বার্থে যদি কোনো চ্যালেঞ্জ আপনাকে মোকাবেলা করতে হয় বা চ্যালেঞ্জের সন্মুখীন হতে হয় তাহলে তা হতেও আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে।’

স্পিকার আরও বলেন, ‘বর্তমান যে তথ্য প্রবাহের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি এবং বিশ্বায়নের যুগে সেখানে সবার হাতে স্মার্টফোন, সেল ফোন, প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে প্রযুক্তি। তার মানে আমরা সমগ্র বিশ্বে একটা বড় নেটওয়ার্কের বেড়াজালে আবদ্ধ। আমরা চাইলেও সেখান থেকে বের হতে পারি না। সে কারণে প্রতি মুহূর্তের সংবাদ কোথায় কি হচ্ছে, কখন কোথায় কি ঘটছে, মুহূর্তের মধ্যে আমাদের সামনে চলে আসে। সেটি কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান হোক বা কারো মৃত্যু দিবসে দোয়া মাহফিল হোক। আমাদের অফিসের কাজেই থাকি অর্থাৎ সংবাদকে অবজ্ঞা করার আজ আর কোনো সুযোগ নেই। এখন আর কোনো খবর পাড়ার জন্য পরদিন সকাল পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হয় না।’

তিনি বলেন, ‘আগের দিনই আপনি আগামীকালের অনেক খবর জেনে ফেলতে পারছেন। তথ্য-প্রযুক্তির কল্যাণে সংবাদের এই ধারাটি সম্ভব হয়েছে। সে কারণে সংবাদগুলোর যথার্থতা, বস্তুনিষ্টতা এবং সততা গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এখানে বলা হয়েছে, সংবাদ মানে কোনো একটি বিষয়ে তথ্য দেওয়া। এই তথ্যের মাধ্যমে আমরা একটি সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমি সকাল বেলা বের হব কি-না? আবহাওয়া বার্তাটা যদি দেখে বের হই তাহলে সকালে ছাতা নিয়ে বের হব কি-না? বৃষ্টি নামবে কি-না? এই বিষয়টা কিন্তু তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে পারব। এখন আবহাওয়া বার্তাটি ঠিক না হলে আমি যে প্রস্তুতিটি গ্রহণ করছি সেটিও ঠিক হবে না। মানুষকে যে সংবাদপত্রের মাধ্যমে বা অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে আপনি তথ্য পরিবেশন করছেন সেটির যথার্থতা খুবই জরুরি। সেটির সঠিক এবং বস্তুনিষ্টতা খুবই জরুরি।

তিনি আরও বলেন, যাদের জন্য আপনি সংবাদ প্রকাশ করছেন তারা কি বলতে চায়? তারা কি জানতে চায়, তাদের আগ্রহের বিষগুলোর ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। তাহলেই আজকের এই প্রতিযোগিতার যুগে আপনার পত্রিকাতে কেনো একজন পাঠক যুক্ত হবে। অর্থাৎ পাঠকের কাছে চয়েজ আছে। কাজেই কোন অনলাইন পত্রিকায় যুক্ত হবে যেটি পড়ে তার প্রত্যাশার জায়গা পূরণ হবে, তিনি কিন্তু সেটিই পড়ছেন। কাজেই ঢাকাপ্রকাশ মূল জায়গায় স্থান করে নিতে চাইলে বস্তুনিষ্ঠতাটি ঠিক রাখতে হবে। তরুণ প্রজন্ম কি চায়, তারা কি পড়তে চায়, কি দেখতে চায় সেগুলো গুরুত্ব দিতে হবে।

স্পিকার বলেন, ‘সঠিক খবর প্রকাশ, বস্তুনিষ্ঠ খবর পরিবেশন করা, দাঁয়িত্বশীলতার সঙ্গে খবর পরিবেশন করার বিষয়টি মনে রাখবে ঢাকাপ্রকাশ এবং জনকল্যাণের খবর পরিবেশন করবে। যা মানুষের কল্যাণ, সমাজের কল্যাণ এবং জাতীয় জীবনের কল্যাণ বয়ে আনবে।

তিনি বলেন, ‘অনেক জায়গায় নিরপেক্ষতার বিষয়টি আসে। কিন্তু সব বিষয়ে তো আমি নিরপেক্ষ হতে চাই না। আমার জীবনে আপনার জীবনে অনেক মূল্যবোধ আছে, যার পাশে আমরা শক্ত অবস্থানে দাঁড়াতে চাই। আমাদের স্বাধীনতার চেতনা আমাদের অসাম্প্রদায়িকতার চেতনা-এইখানে তো নিরপেক্ষ থাকার সুযোগ নেই। সব সময় এর পক্ষে আমার অবস্থান। কাজেই প্রতিটি মানুষের জীবনে, প্রতিটি জাতির জীবনে এমন কিছু মূল্যবোধ আছে এমন কিছু বিশ্বাসের জায়গা আছে সেখানে নিরপেক্ষ থাকার সুযোগ নেই। সেখানে আমাকে সেই পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকতে হবে এবং এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা প্রকাশের কাছে অনুরোধ আপনারা মানুষের কল্যাণে যে খবর তা পরিবশেন করবেন। আপনাদের অনলাইন পত্রিকা মানুষের কথা বলবে। মানুষের আস্থা এবং ভালবাসা অর্জন করবে এবং মানুষের আস্থা, পাঠাকের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়েই আপনাদের শ্রেষ্টত্ব অর্জিত হবে। আপনাদের পথ চলা শুভ হোক, সফল হোক।’

সততা ও সুসাংবাদিকতা চর্চার ব্রত নিয়ে এগুতে চায় ঢাকা প্রকাশ। এজন্য বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে কর্মরত আছেন একঝাঁক তরুণ ও মেধাবী সাংবাদিক।

গত ১ নভেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকাপ্রকাশের লোগো উন্মোচন করা হয়। সাতজন বিশিষ্ট সম্পাদক ঢাকা প্রকাশের লোগো উন্মোচন করেন। এরপর থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের শতাধিক বিশিষ্টজন ঢাকাপ্রকাশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

সম্পূর্ণ নতুন একটি ধারা নিয়ে এসেছে ঢাকাপ্রকাশ। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ মাল্টিমিডিয়া নিউজ পোর্টাল। টেক্সট নিউজের পাশাপাশি পোর্টালটিতে থাকছে অডিও এবং ভিডিও নিউজ। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে থাকছে টকশো।

এ ছাড়া থাকবে ই-পেপার। প্রতিদিনের সংবাদ দিয়ে দিন শেষে হবে ই-পেপার। পাঠক ছাপা পত্রিকার স্বাদ পাবে ঢাকাপ্রকাশের ই-পেপারে।

এসএম/আরইউ/এএন

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান