বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪ | ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

পদ্মা সেতু নির্মাণ

প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে অসীম সাহসী বলে মন্তব্য চীনা দূতের

চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বৈদেশিক তহবিল বন্ধ সত্ত্বেও দেশী অর্থায়নে পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে অসীম সাহসী বলে মন্তব্য করেছেন। যে কোন দেশের সাধারণ কোন নেতার পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব হতো কিনা তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

ঢাকায় চীনা দূতাবাসে রবিবার নির্বাচিত কিছু সাংবাদিকের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমার সন্দেহ হয়, একটি দেশের সাধারণ কোন নেতার পক্ষে তিনি (শেখ হাসিনা) যা করেছেন এ ধরণের কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হতো কিনা, আমি সন্দেহ করি। সত্যিই আমি সন্দেহ করি।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, বিদেশি কিছু উন্নয়ন অংশীদার বিশ্বাসই করতে পারেনি যে বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এ ধরণের একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে। তবে, তিনি তাদের কারো নাম উল্লেখ করেননি।

তিনি বলেন, তা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী সকল সন্দেহ, চাপ ও অভিযোগের মুখে নিজেকে ইস্পাত কঠিন দৃঢ় রেখে শতভাগ বাংলাদেশের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিলেন।

লি জিমিং বলেন, এ সিদ্ধান্তের জন্যে যে কোন সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে দরকার ছিল অসীম সাহস এবং দৃঢ় রাজনৈতিক দায়িত্ববোধ। এই সেতু সম্পর্কে ভাবতে গেলেই তিনটি শব্দ আমার মনে ভেসে ওঠে। তা হলো, সাহস, সংকল্প এবং সমৃদ্ধি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি স্বপ্ন থেকে সেতুটি আজ দৃঢ় বাস্তবে রূপ নিয়েছে এবং এখন থেকে কেউ সন্দেহ করতে পারবে না যে বাংলাদেশ পারে না।
একটি চীনা কোম্পানি সেতুটি নির্মাণে জড়িত হওয়ায় এ প্রকল্পে তার দেশের অংশগ্রহণে গর্ববোধ করে লি জিমিং বলেন, এখন পর্যন্ত সম্ভবত এটাই সবচেয়ে বড় সেতু যা চীনা কোম্পানিগুলো এ যাবত চীনের বাইরে তৈরি করেছে। তিনি বলেন, সুতরাং আমি মনে করি, চীনের পক্ষেও এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা একটি সাহসি পদক্ষেপ।

বিদেশি অর্থায়ন ছাড়া এই সেতু নির্মাণ করে বাংলাদেশ বিশ্বকে কি বার্তা দিতে পেরেছে এ প্রশ্নের জবাবে লি বলেন, এই শিক্ষাই পাওয়া গেছে যে বাংলাদেশের জনগণের ওপর আস্থা রাখা উচিত।
তিনি আপাতভাবে বিশ্বব্যাংকের রেফারেন্স টেনে বলেন, এই শিক্ষার কারণে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বাজারে তারা আরো ভালো পারফর্ম করতে পারবে।
এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, এই প্রকল্প থেকে ঋণদাতা সংস্থাগুলোর সরে দাঁড়ানোকে তিনি কোন ষড়যন্ত্রের ফল হিসেবে দেখতে চান না। তিনি বলেন, এটি ছিল বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আস্থার অভাব, বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আস্থার অভাব। তবে, পূর্বের আর্থিক কার্যক্রমের আলোকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বেইজিংয়ের পূর্ণ আস্থা ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, আপনারা (বাংলাদেশ) যদি বলেন, আমরা নিজস্ব অর্থে কাজটা করবো, তবে আপনারা তা করতে পারবেন। আমরা এটা বিশ্বাস করেছি এবং আমরা সঠিক আছি। তাই না?’

রাষ্ট্রদূত বলেন, কেউ হয়তো এই সেতুতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অর্জন দেখতে পছন্দ নাও করতে পারে। তিনি বলেন, সকলেই খুশি নয়, কিন্তু, চীনা জনগণ খুশি।
চীনা নেতৃত্বাধীন বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে বলে যে ধারণা করা হচ্ছে সে প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে বহুদেশে বিআরআই সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে ও এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের মিসিং লিংক হিসেবে কাজ করবে।
তিনি আরো বলেন, সেতুটি ব্যবহারের মধ্যদিয়ে আরো সমন্বিত বাংলাদেশ অবশ্যই আরো সমন্বিত ও সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া এবং এর বাইরেও অবদান রাখবে।
লি বলেন, পদ্মা সেতু কেবল দুই খণ্ড ভূমিকেই সংযুক্ত করবে না, বরং এটি আমাদের জনগণের হৃদয়কে সংযুক্ত করে অভিন্ন সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, একটি চীনা কোম্পানি সেতুটি নির্মাণ করেছে সে কারণে নয় বরং চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে থাকবে বলে তিনি বিশেষভাবে গর্বিত। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি যাতায়াতের জন্যে সেতুটি খুলে দেয়ার পর এটি বাংলাদেশের জনগণকে উপকৃত করবে, এটি দক্ষিণ এশিয়ার যোগাযোগের ক্ষেত্রে অবদান রাখবে এবং এটি চীন ও বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বের চিরবন্ধণ হিসেবে কাজ করবে।

দেশের দীর্ঘতম ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের এই পদ্মাসেতু সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি হয়েছে। এর জন্যে কোন ধরণের বিদেশি অনুদান কিংবা ঋণ নেয়া হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্যে ৩০ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করে।

 সূত্র: বাসস

Header Ad

নাটকীয় হারে গ্লোবাল সুপার লিগ শুরু রংপুরের

ছবি: সংগৃহীত

জেতা ম্যাচ প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া বাংলাদেশের জন্য যেমন নতুন কিছু নয়। ঠিক তেমনি রংপুরের ক্ষেত্রেও ঘটল আজ একই ঘটনা। সুপার ওভারে যখন খুশদিল শাহর এক ছক্কায় মোট ১২ রান তুলেছিল রংপুর রাইডার্স। এই রান ডিফেন্ড করতে তখন বিদেশি জ্যাক চ্যাপেলের ওপর আস্থা রেখেছিলেন নুরুল হাসান সোহান। কিন্তু অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি এই পেসার। প্রথম বলেই ছক্কা হজম করেন চ্যাপেল। শেষ ২ বলে যখন ৫ রান দরকার, তখন পঞ্চম বলে এই পেসারকে আরো একটা ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের ইতি টানেন লিয়াম ডসন।

গায়ানায় টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান সংগ্রহ করে হ্যাম্পশায়ার। জবাবে খেলতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রানের বেশি করতে পারেনি রংপুর রাইডার্স। টাই হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

১৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু পেয়েছিল রংপুর। দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও স্টেফেন টেইলর উদ্‌বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৪৬ রান। ১২ বলে ২০ রান করেছেন টেইলর। আরেক ওপেনার সৌম্যের ব্যাট থেকে এসেছে ২০ বলে ২৭ রান।

তবে দুই ওপেনার ফেরার পরই রানের গতি কমে যায়। তিনে নামা উইয়েন মেডসেন ২৬ বলে করেছেন ১৫ রান। তবে নুরুল হাসান সোহান ও খুশদিল শাহ উইকেটে এসে রানের গতি বাড়ান। তাতে সহজ জয়ের পথেই ছিল রংপুর। তবে এই দুজন ফেরার পর সেই সহজ সমীকরণই কঠিন করেছে বাংলাদেশের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য তাদের ৭ রান প্রয়োজন ছিল। ৬ রানের বেশি নিতে পারেনি তারা।

এর আগে শান মাসুদের ধীর গতির ফিফটিতে ১৩২ রানের পুঁজি পায় হ্যাম্পশায়ার। মাসুদের ফিফটি ছাড়াও ৩১ বলে ২৮ রান করেছেন আলি ওর। রংপুরের হয়ে ২৩ রানে ৫ উইকেট পেয়েছেন জ্যাক চ্যাপেল।

Header Ad

বাংলাদেশের নেতৃত্বকে বিভক্তি এড়িয়ে ঐকমত্যে কাজ করার আহ্বান মাহাথিরের

ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার ও কিংবদন্তি নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বিভক্তি এড়িয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ হামিদ আলবারের আত্মজীবনীমূলক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

আজ (বুধবার) কুয়ালালামপুরের রয়াল লেক ক্লাবে মালয়েশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ তানশ্রী সৈয়দ হামিদ আলবারের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক ও বেসরকারি থিংক ট্যাংক আইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলাউদ্দীনের বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মাহাথির বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সাহসিকতার সাথে একজন অজনপ্রিয় ও স্বৈরাচার শাসককে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। এখন তাদের সামনে সুযোগ এসেছে বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করার। বিভক্তি এড়িয়ে ব্যক্তির দিকে না তাকিয়ে দেশের দিকে তাকিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে বাংলাদেশ নতুন করে এগিয়ে যাবে।

একই অনুষ্ঠানে অপর বক্তা মালয়েশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ তানশ্রী হামিদ আলবার বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। দেশটির পরিশ্রমী জনগণের প্রচেষ্টায় সবদিক থেকেই এগিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সামনে পুনর্গঠনের বিরল সুযোগ করে দিয়েছে। টেকসই গণতন্ত্রের জন্য তিনি আয় ও সম্পদের বৈষম্য কমিয়ে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন।

বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ইমেজ পরিবর্তনের জন্যে কঠোর পরিশ্রম করারও আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়েও পূর্ণ সমর্থন আমাদের রয়েছে।

Header Ad

ট্রাম্পের ক্যাবিনেট সদস্যদের বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী কমালা হ্যারিসকে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউসে যাওয়ার আগে আপাতত তিনি নিজের ক্যাবিনেট সাজাচ্ছেন ট্রাম্প। ইতোমধ্যে প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ঘোষণা করে ফেলেছেন তিনি।

এবার ট্রাম্পের টিমে নিয়োগ পাওয়া সদস্যদের অনেককে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্রানজিশন দল থেকে এ নিয়ে এক বিবৃতি জারি করা হয়েছে।

এতে অভিযোগ করা হয়, ২৬ নভেম্বর রাত ও ২৭ নভেম্বর সকালে ট্রাম্পের ক্যাবিনেটে মনোনীত সদস্য এবং প্রশাসনিক অ্যাপয়েন্টিদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

টিম ট্রাম্পের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২৬ নভেম্বর রাত ও ২৭ নভেম্বর সকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্যাবিনেট অ্যাপয়েন্টির অনেককেই হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যক্তিদের কাছের মানুষদেরও এ হুমকি দেওয়া হয়। বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া থেকে পিষে দেওয়ার মতো হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এরপর হুমকি পাওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।

এদিকে এফবিআই বলছে, এই হুমকিগুলো তারা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।

এ নিয়ে এক বিবৃতি প্রকাশ করে তারা বলছে, আগামী প্রশাসনের মনোনীত ও নিয়োগপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্য করে যেসব বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমরা অবগত। আমরা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে তদন্ত চালাচ্ছি। এ নিয়ে কেউ যদি সন্দেহজনক কিছু দেখেন, তাহলে যেন অবিলম্বে সেই বিষয়ে রিপোর্ট করেন।

এর আগে নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর হামলা হয়েছিল। হামলাকারীর ছোড়া গুলি ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন একজন। এছাড়া দুজন আহত হয়েছিলেন।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

নাটকীয় হারে গ্লোবাল সুপার লিগ শুরু রংপুরের
বাংলাদেশের নেতৃত্বকে বিভক্তি এড়িয়ে ঐকমত্যে কাজ করার আহ্বান মাহাথিরের
ট্রাম্পের ক্যাবিনেট সদস্যদের বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করবে সরকার
গাজায় একদিনে আরও ৩৩ জন নিহত
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশি জেলেকে গুলি করল মিয়ানমার নৌবাহিনী
সম্পত্তির জন্য বাবাকে তালাবদ্ধ করে রাখলো মেয়েরা
হাসনাত ও সারজিসকে হত্যাচেষ্টাকারী ড্রাইভার ও হেলপার আটক
বিমান বাহিনীকে পঞ্চম জেনারেশনে উন্নীত করাই প্রধান লক্ষ্য: এয়ার চিফ মার্শাল
দুর্ঘটনার কবলে হাসনাত-সারজিস, দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনজীবী সাইফুলের গায়েবানা জানাজা
দুই দফা কমার পর আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
বিসিএসের প্রশ্নফাঁস: বিজি প্রেসের দুই কর্মচারী গ্রেপ্তার
সাত কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন মির্জা ফখরুল
ফ্যাসিবাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত: রিজভী
জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য, বিচারককে ডিম ছুড়লেন আইনজীবীরা
কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ
নিরবের পরকীয়ার অভিযোগ ফিরিয়ে নিলেন স্ত্রী, চাইলেন ক্ষমা
মিয়ানমারের জান্তা প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন