বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব-১০

যারা যুদ্ধ করেছিল

‘নবীজীতো কাফের নারীদের দাসী বানাতেন। ওরা কি কাফের? করিম মিয়া আপনার দুসম্পর্কের আত্মীয়। তারা শত্রু হয় কীভাবে? লোকে শুনলে কী বলবে?’
‘লোকের কথা বাদ দেও। রাজাকাররা সাথীকে মিলিটারির হাতে তুইলা দিলে তখন কি হইতো একবার ভাইবা দেখছো? মেয়েটার জীবন ছেড়াব্যাড়া হয়া যাইতো। শোন, ধর্মের কাছে আত্মীয়তা বলে কিছু নাই। অবশ্যই তারা কাফের, মুশরিক। আওয়ামী লীগের লোকজন, মুক্তিবাহিনী এবং হিন্দুরা সব পাকিস্তানের শত্রু। তাদের বাড়িঘর লুট করা মুসলমানদের দায়িত্ব। তাদের সব নারীরা যুদ্ধ বন্দিনী এবং দাসী। তা না হলে ইন্ডিয়ার হিন্দুদের সাথে হাত মিলায়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে?’

আয়েশা বেগম খানিক দম নিয়ে তারপর বললেন, ‘মমিন যদি যুদ্ধ থাইকা ফিরা আইসা আপনার ছেলেকে মাইরা ফেলে? এই ব্যাপারটা কি আপনি ভাবছেন কখনো?’
ফজলুর রহমান উচ্চস্বরে হেসে ওঠে। ‘তুমি কি পাগল হইছো? মমিন কেমনে ফিরা আসবো? সে সুযোগ কি তার আছে? যারা যারা দেশ থাইকা ভাইগা ইন্ডিয়া গেছে তাদের জন্মের মতো দেশে আসার কপালে ঝাটার বাড়ি। তারা পাকিস্তানি মিলিটারিদের চোখে গাদ্দার। বেঈমান। তারা আর কোনোদিন পাকিস্তানে ফিরা আসতে পারবে না। আসলেই গুলি।’

‘আপনি নবী যুগের কথা বাদ দেন। মানুষ শুনলে কি বলবে। আপনি হয় মেয়েটারে ওর বাড়িতে পাঠায়া দেন। না হলে সাকিবের সাথে কবুল পড়ায়া দেন। না হলে ওর হাতের কিছু আমি ছুঁইয়া দেখবো না। ওর হাতের পানিও আমি খামু না।’

ফজলুর রহমান রাগ মুখে উঠে পড়লেন। তারও মন মেজাজ ভালো নেই। আজ মেজর সাহেব সবাইকে খুব উল্টাপাল্টা গালাগাল করেছে। মুক্তিবাহিনী ঘুপছি গাপছিতে প্রায়ই আক্রমণ করছে। শান্তিবাহিনী তাদের কোনো খবর দিতে পারছে না। রাজাকাররাও তাদের ধরতে পারছে না। এই নিয়ে মেজর সাহেব খিস্তি খেউড় করেছে। শালার মাওড়ারা কিছু হলেই বলে, মাদারচোদ। এই গালটা ফজলুর রহমানের সহ্য হয় না।

সেখান থেকে ফিরে বউয়ের এমন ফালতু নসিহত কাহাতক সহ্য হয়? ফজলুর রহমান মাথায় তেল ঘষে পুকুরঘাটে গিয়ে অনেকক্ষণ গোসল করে মাথা ঠাণ্ডা করলেন। তারপর খেতে বসে কাজের মেয়েকে বললেন, ‘রান্নাবান্না কে করেরে?’

কাজের মেয়ে রহিমা বললো, ‘আমি করি খালুজান। সাথীর হাতের রান্না খালাম্মা খাইতে চায় না।’

রাত সন্ধ্যার পরপরই সাকিব সাথীকে নিয়ে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। এই দৃশ্য ফজলুর রহমানের ভালো লাগে না। তারও সাথীর সঙ্গে গল্প করতে ইচ্ছা হয়। মেয়েটির হাসি বড় সুন্দর। চোখ দু’টো টানা টানা। এমন চোখে মেয়েটি হাসলে বুকের মধ্যে কেমন উথাল পাথাল করে। এই গণিমতের মাল তারও ভোগ করার অধিকার আছে। সেও ভোগ করতে চায়। কিন্তু সে কথা ছেলেকে কীভাবে বলবে?
আয়েশা বেগম অসুস্থ হওয়ার পর থেকে শরীরটায় আগুনের মতো সবসময় উঞ্চ থাকে। সাথী মেয়েটিকে দেখলে সেই আগুন আরও উথলে ওঠে।

সাকিব ইদানীং সাথীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। সারাক্ষণ সাথী মন মরা হয়ে থাকে। হাসে না। ঠিকমতো কথার জবাব দেয় না। এমন জড় পদার্থের সঙ্গে রোমাঞ্চ কি ভালো লাগে?

‘তুমি সারাক্ষণ মুখ গোমড়া করে রাখো কেন?’ বিরক্ত মুখে সাকিব জিজ্ঞেস করে। সাথী কোনো জবাব দেয় না। সাকিব আরও বলে, ‘তোমাকে মিলিটারির হাতে তুলে দিলেই ভালো হতো। সেখানে ওরা তোমাকে ছিঁড়েখুঁড়ে খেত সেটাই হতো তোমার জন্য মঙ্গল।’
সাথী বলে, ‘আপনি আমার ভাইয়ের বন্ধু। মমিনভাই ফিরে এলে কী জবাব দেবেন আপনি?’
‘ও সব ভুলে যাও। এ জীবনে আর ভাইয়ের মুখ দেখতে হবে না। তুমি কী ভেবেছ মিলিটারিরা হেরে যাবে আর তোমার ভাইয়েরা লাফাতে লাফাতে জয়বাংলা বলে পতাকা নিয়ে ছুটে আসবে? এ সব আজগুবি খোয়াব দেখে লাভ নাই। বাংলাদেশ কোনোদিন স্বাধীন হবে না। যারা যুদ্ধে গেছে, জীবনে তারা আর দেশে আসতে পারবে না। তুমিও তোমার ভাইয়ের আশা ছাইড়া দেও। বাঁচতে চাইলে তুমি তোমার মতো হাসো, আনন্দ করো। না হলে তোমাকে আমি মিলিটারির হাতে তুলে দেব।’

তবু সাথী স্বাভাবিক ভাবে হাসিখুশি থাকতে পারে না। সুযোগ পেলে সাথী বাড়ি আসে। রমিছা বিবি মেয়েকে দেখে ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরে। বলে, ‘মা-রে মেয়ে হয়ে জন্মেছিস। মস্ত বড় পাপ করেছিস। আমরা তোকে ধরে রাখতে পারলাম না। সাথী বাড়ি এসে ঘরের দরজা বন্ধ করে খাতা কলম নিয়ে কি যেন লেখে। রমিছা বিবি জিজ্ঞেস করে, ‘কি লিখিস ছাইপাস? ওসব লিখে কি হবে?’
‘কিছু হবে না মা। ডায়েরি লিখে রাখছি।
‘কি লিখছিস?’
‘ডায়েরি লিখছি। প্রতিদিন কি কি ঘটছে তাই টুকে রাখছি। আমার লেখা পড়ে মানুষ একদিন মুক্তিযুদ্ধের কথা জানতে পারবে।’

রমিছা বিবি নিজের হাতে সাথীকে খাইয়ে দেয়। কিছু বলতে পারে না। শুধু কাঁদে। মা হয়ে মেয়ের এই নোংরা জীবন কীভাবে মেনে নেবে। শুধু আল্লাহর কাছে দু’হাত তুলে বিচার চায়।

চলবে…

আগের পর্বগুলো পড়ুন>>>

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-৯

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-৮

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-৭

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-৬

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-৫

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-৪

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-৩

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-২

যারা যুদ্ধ করেছিল: পর্ব-১

আরএ/

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী