শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ১১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

মায়ারাণী সবাইকে রুটি আর কলা দেয়। সবাই যে যার মতো খেতে থাকে। খেতে খেতে সূর্যের ছড়িয়ে পড়া দেখে। অজয় মাঝি খেতে খেতে নৌকা চালিয়ে যায়। এভাবে চলতে থাকে নদীপথ। কখনো নদীর তীরে থেমে ভাত-তরকারি রান্না করে খেয়ে পাড়ি দেয়া হয়ে যায় নদীপথ। ইন্ডিয়ার স্বরূপনগর ব্রিজের নিচে একটি চরে নেমে পড়ে সবাই। নৌকা ছেড়ে দেয়। অজয় মাঝি বলে, যাই। আপনারা দেশে আসলে আবার দেখা হবে।

মায়ারাণী দরদী কন্ঠে বলে, বাবারে, যদি যুদ্ধ করার সুযোগ পাও, যুদ্ধে যেও।

–যাবো মাগো যাবো। দেশ স্বাধীন করার মন্ত্র আমার বুকের ভেতর আছে।

বীথিকা চেঁচিয়ে বলে, হুররে, হুররে –জয় বাংলা –জয় বঙ্গবন্ধু।

চরে দাঁড়িয়ে থাকা স্থানীয় লোকেরা বলে, জয় বাংলা। জয় বাংলার সবাই আসুন। আপনাদের জন্য ত্রাণসামগ্রী রেখেছি।

হরেন্দ্রনাথ বলে, কি সুন্দর চর এলাকা। আমাদের দেশেও এমন অনেক চর আছে।

–তাহলে বোঝেন আপনারা নিজের দেশের মতো জায়গায় সময় কাটাবেন।

বীথিকা হাসতে হাসতে বলে, হ্যাঁ, ঠিক। মনে হবে নিজের দেশের মাটির আপনজনের মাটির ওপর দাঁড়িয়ে আছি। নদীর ধার থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যায় সবাই। একটি কুঁড়েঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। ঘর থেকে বেরিয়ে আসে গোপাল সাহা। বলে, এটি আমার ঘর। আপনারা দুদিন এই ঘরে থাকবেন।

–আপনি কোথায় থাকবেন?

–আমার ব্যবস্থা আছে। একটি ঘর খালি রেখেছি আমরা শরণার্থীদের জন্য। এই চরের সবাই মিলে আমরা এই আয়োজন করেছি। এখন আপনাদের খাবার আসবে সুখরঞ্জনের বাড়ি থেকে। আপনারা ঘরে ঢুকে বসুন।

মায়ারাণী সবার আগে ঢুকে পড়ে। হরেন্দ্রনাথ সবার কাছ থেকে বিদায় নেয়। চলে যায় লোকজন। কেউ কেউ বলে, একটুপরই আসছি।

মায়ারাণী দেখতে পায় ঘরের মেঝেতে পাটি পাতা আছে। এক কোণায় চাদর-বালিশ আছে। ঘুমুনোর সময় ব্যবহার করা হবে। ছেলেমেয়েদের নিয়ে পাটির উপর বসে থাকে মায়ারাণী। বুকের ভেতর গভীর প্রশান্তি ছড়ায়। মনে হয় বেঁচে থাকার স্বস্তি পাওয়া হলো। এখন স্বাধীনতার জন্য কাজ করার পথ খুঁজে নিতে হবে। পরক্ষণে ভাবনা থমকে যায়, এজন্য যে গর্ভের সন্তান নড়ে ওঠে। বিব্রত বোধ করে মায়ারাণী। এই সন্তানের জন্মের দুই মাস বাকি আছে। তার আগে কিছু করা যাবে না। বীথিকা কাছে এসে বসে। বলে, মা কি ভাবছো?

–যুদ্ধ করার কথা ভাবছি।

–কেমন করে যুদ্ধ করবে?

–যুদ্ধের পক্ষে নানা কাজ করব। এটা আমার যুদ্ধ হবে। থাক আর কথা বলিস না।

খাবার নিয়ে ঘরে ঢোকে দুই-তিনজন মহিলা। নিজেরাই থালায় ভাত-তরকারি দিয়ে সবার দিকে এগিয়ে দেয়। একজন মায়ারাণীর দিকে তাকিয়ে বলে, আপনার জরুরি কিছু দরকার হলে আমাদেরকে বলবেন। এই ঘরের পেছনে পেসাব-পায়খানার জায়গা আছে। আপনারা কোথা থেকে আসছেন?

–খুলনার শ্রীনগর গ্রাম থেকে।

–কিভাবে এসেছেন?

–নৌকায়।

–কতক্ষণ লেগেছে আসতে?

–চারটা নদী পার হয়ে আসতে তিনদিন তিনরাত লেগেছে।

–ওহ বাবা। অনেক কষ্ট হয়েছে না?

–না, না তেমন কষ্ট হয়নি।

পাশ থেকে হরেন্দ্রনাথ উত্তর দেয়।

–এখান থেকে কোথায় যাবেন?

–আপনারা বলেন শরণার্থী ক্যাম্প কোথায় আছে?

আর একজন নারী সঙ্গে সঙ্গে বলে, আমাদের কেউ কেউ আপনাদেরকে দিয়ে আসবে বশিরহাট ক্যাম্পে।

–আমরা কি কালকে যেতে পারব?

–না, আর একদিন থাকেন। দম ফেলেন। এই ঘরে চাদর বিছিয়ে গড়াগড়ি করে ঘুমাবেন। এই মেয়ে তোমার নাম কি?

–বীথিকা। ওর নাম কৃষ্ণপদ, ও নিরঞ্জন, ও অমল।

–দেখতে পাচ্ছি সামনে আর একজন আসছে।

–হ্যাঁ, আমি একটা বোন চাই। বোন পেলে আমার খুশির সীমা থাকবেনা।

–ভালোই বলেছো মা।

–তিনটি ভাইয়ের সঙ্গে আমার দিন সুন্দর কাটে।

–যুদ্ধের কথা মনে হয় না?

–হ্যাঁ, হয়। আমি এখানে কোথাও সুযোগ পেলে অস্ত্র চালানোর ট্রেনিং নেব। তারপর যুদ্ধ করব।

–সাবাস মেয়ে, সাবাস। জয় হোক তোদের।

বীথিকা চেঁচিয়ে বলে, ‘জয় বাংলা’।

এলাকার মহিলারাও ‘জয় বাংলা’ বলে উঠে দাঁড়ায়।

–আমরা এখন যাচ্ছি। কালকে দেখা হবে।

বেরিয়ে যায় সবাই।

হরেন্দ্রনাথ বিস্মিত কন্ঠে বলে, এই চরেরর লোকেরা কেমন আন্তরিকভাবে আমাদের গ্রহণ করেছে। ওদের ঋণ শোধ হবার নয়।

–ঠিক বলেছ বাবা। একটা কুঁড়েঘর খালি রেখেছে শরণার্থীদের জন্য।

–আমাদের মাথার উপর হাত দিয়ে রেখেছে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তাঁর নির্দেশ না থাকলে এরা আমাদের এমনভাবে গ্রহণ করতে পারতনা।

–না বাবা, এটা শুধু সরকারি নির্দেশ না, নিজেদের চেতনাও আমাদের জন্য কাজ করছে। নইলে আমরা এমন আন্তরিকতা পেতামনা। আমি এখন তিন ভাইকে নিয়ে পুরো চরটা ঘুরে ঘুরে দেখব।

–জলের ধারে বেশি যাবিনা। এরা তিনজনে যেন হুড়মুড়িয়ে জলে না নামে।

–হ্যাঁ মা, সাবধানে ঘুরব। আমরাতো এমন চর কখনো দেখিনি।

–আচ্ছা ঘুরে আয়।

বীথিকা ভাইদের নিয়ে দৌড়াতে শুরু করে। এদিক-ওদিক দৌড়ে ব্রিজের নিচে এসে দাঁড়ায়। দেখতে পায় চরের ওপাশ থেকে এপাশে ব্রিজটা চলে গেছে। বীথিকার মনে হয় কালকে ওরা যখন যাবে তখন এই ব্রিজ পার হয়ে যাবে। পরক্ষণে ভাবে, নাও হতে পারে। দেখতে পায় দূরে বাবা দাঁড়িয়ে আছে। ওরা একদৌড়ে বাবার কাছে গিয়ে দাঁড়ায়।

বীথিকা বলে, বাবা এই চরটা কি সুন্দর!

–হ্যাঁ মা, খুব সুন্দর। আমি এখানে দাঁড়িয়ে চারদিক ঘুরে ঘুরে দেখছি। দেশ স্বাধীন হলে আমরা এখানে বেড়াতে আসব। এখানকার মানুষেরা খুব ভালো। সবাই আমাদেরকে কত মায়া দেখাল।

–ঠিক বলেছো বাবা। আমরা এখানে শুধু বেড়াতে আসব না। একদিন দুপুর বেলা এদের জন্য খাওয়ার আয়োজন করবো। পারবে না?

–পারব। তোর মায়ের কাছে টাকা রাখব। তোর মা জমিয়ে রাখবে। সবাইকে খাওয়াতে অনেক টাকা লাগবে।

–তা লাগবে বাবা। আমরা সবাই মিলে খরচ কমিয়ে ফেলে টাকা জমাব।

–ঠিক বলেছিস মা। দেশ স্বাধীন হলে আমাদের একবার আসতে হবে।

–যাই আমরা চরের ওই দিকটা দৌড়ে আসি। তিন ভাইয়ের হাত ধরে বীথিকা দৌড়াতে থাকে। হরেন্দ্রনাথ ছেলেমেয়েদের আনন্দ দেখে হাসিমুখে ঘরে ফেরে।

(চলবে)

এসএ/

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

 

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত