শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ভালোবাসার কথা বলা হলো না

নীরস শীতকালটা কিছুতেই যাচ্ছে না, অথচ বসন্ত প্রহর গুনছে চারপাশটা রাঙিয়ে দিবে বলে। পাখিদের কোলাহলমুক্ত নিস্তব্ধতায় গাছের পাতাগুলোও যেন অলসতা ভেঙ্গে দোল খেতে প্রস্তুত নয়। সূর্যের আলো তেজহীন। ক্লান্ত এই বিকেলে মোটা হুডির দুই পকেটে হাত বুজে অ্যাডওয়ার্ড পার্কের মূল ফটকের সম্মুখ বেঞ্জে পায়ের ওপর পা রেখে বসে আছে আবির। মাঝে মাঝে সাদা হুডির পকেট থেকে বাম হাতটি বের করে সে তার ঘড়ির কাঁটায় নজর দিচ্ছে। মেঘাচ্ছন্ন আকাশে চারপাশটা অন্ধকার হলেও সানগ্লাসে ঢাকা পড়ে আছে চোখ দুটো। বেঞ্চের এক কোনে নব যৌবনা পাপড়ি পুলকিত গোলাপ-রজনীগন্ধার স্তবক অপেক্ষা করে আছে নারী হাতের স্পর্শ পাওয়ার জন্য। ৩টা বাজতে এখনো ১ ঘণ্টা বাকি। নিজের মনের মধ্যে শব্দের পর শব্দ রঙ তুলির মতো সাজিয়ে রেখেছে আবির। মাঝে মাঝে বাতাসের তালে সেগুলো ঠোঁটের শীর্ষে এনে বিরবির করে চর্চাও করছে। আজ বসন্তকে যে ভাবেই হোক ভালোবাসার কথা বলতে হবে। বদ্ধ দরজায় দীর্ঘদিনের লালিত অনুভূতিকে অবমুক্ত করতে হবে। এ কথা ভাবতেই আবিরের শরীরে বিদ্যুৎ তরঙ্গ খেলে যাচ্ছে। ঠান্ডা শৈত্যের ভিতরেও তা গুমোট করে তুলছে দেহ। হৃদস্পন্দন বেড়ে হাত-পা গুলো তার কাঁপছে।


আবির এবং বসন্ত দুজন একই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ে, রোজ দেখাও হয় দুজনার। কিন্তু আজকে যে অনুভূতি আবিরের সমস্ত শরীরকে আন্দোলিত করে তুলেছে, সে অনুভব তার আগে কখনো হয়নি। বন্ধুত্বের জায়গাটিকেই আবির সবসময় গুরুত্ব দিয়েছে। এখন তা ভালোবাসার আম্রকাননে রূপ নিয়েছে। মনের ভিতর ভালোবাসার কথা চেপে রাখার সর্বাপেক্ষা কঠিন কাজটিই পাথর মনে বেয়ে বেড়াচ্ছে আবির। অপেক্ষা এই ভালোবাসাকে অনন্ত গভীর করে তুলছে। বসন্ত এখন তার কাছে কোন সাধারণ মেয়ে নয়, সেতো আবিরের মন সওগাতের রাণী।

দুই

দূর রাস্তায় রিকসায় সাদা শাড়ি পড়ে একটা মেয়েকে দেখা যাচ্ছে। ফর্সা গোলগাল মুখখানা মেঘযুক্ত আকাশের নির্বিশ আলোতেও চক্কর দিচ্ছে। রিকসায় যত কাছে আসছে সেই চেহারাও যেন চাঁদের ন্যায় পূর্ণতা পেয়ে পূর্নিমার রূপ ধারণ করছে। অন্ধকার মেঘাচ্ছন্ন দিনে তার দ্যুতি চারিদিকে শোভা ছড়িয়ে আলোকিত করছে আবিরের মনকে।

রিকসা থেমে বসন্ত নামতেই আবির টাকা দিয়ে রিকসাওয়ালাকে বিদায় দিলো। বসন্ত তার নরম ঢেউ আঁকা ঠোঁট দু'টিতে মুচকি হেসে দুুুষ্টুমির সুরে বলে উঠলো, আজ সকাল থেকে বুঝতে পাচ্ছি না সূর্য কোন দিকে উঠেছে!

ডাগর আঁখি দুইটির মাঝখানে ছোট্ট টিপটি যেন বসন্তের মুচকি হাসিকে কাশবনের নির্মল শুভ্রতাকেও হার মানায়, তাতে নিবিষ্ট আবিরের চোখ দুটি কিছুতেই ফেরানো দায়। সুন্দর এই নারী অবয়বে এক দৃষ্টে বেলা পার নিরর্থক নয়। আবিরের মুখে কোন ভাষা নেই। বুলি না ফোটা নবজাতক শিশুর মতোই প্রতিদিনের চঞ্চল ছেলেটির চোখে আজ যেন মায়া ঝরে পড়ছে। তার ঠোঁটগুলো এক পবিত্র বাক্য বলার জন্য নিরব প্রহর গুনছে।

আবিরের মায়া মলিন চেহেরা দেখে বিস্মিত সুরে বসন্ত বলে উঠলো, আবির, কিছু হয়েছে তোর?
—কই নাতো
—তাহলে এভাবে ডিগডিগ করে তাকিয়ে আছিস যে!

আবির ইতস্তত হয়ে উত্তর দিল, দেখছিলাম।
—কি?
—তোকে
—রোজই তো দেখিস। আচ্ছা, তুই কি কোন বিষয়ে চিন্তিত?
প্রশ্ন করতেই বসন্তের দৃষ্টি বেঞ্জের এক কোনায় গিয়ে পড়লো। সেখানে তাজা সতেজ ফুলগুলোর ওপর তার দৃষ্টি নিবিষ্ট হলো।
'এইগুলো তোর?'
'না'
'তাহলে এখানে কেন?'
'কেউ হয়তো ফেলে গেছে'
বসন্ত ফুলগুলো হাতে নিল। গোলাপগুলো মুখের কাছে এনে দীর্ঘ নিশ্বাস তুলে ঘ্রাণযুক্ত স্বরে বললো, আহারে বেচারা, ভালোবাসার দিনে ফুলগুলো এভাবে অযত্নে ফেলে যায় কেউ?
—হয়তো গার্লফ্রেন্ডের সাথে কেউ ঝগড়া করে ফেলে গেছে
—কিন্তু ঝগড়া করলে তো ফুলগুলো এমন অক্ষত থাকতো না। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী একটা অবস্থা বোঝা যেত।
বলেই বসন্ত হেসে উঠলো।
'সে যাই হোক বসন্তর এতো ভাবার সময় নেই, বসন্ত যখন এসে গেছেই, তখন সে ফুলের শোভায় শোভিত হবেই'
বসন্তের কথাগুলো শুনে আবিরের পা গুলো যথারীতি কাঁপতে শুরু করেছে। সমুদ্রের জলচ্ছ্বাসের মতো বড় বড় তরঙ্গ এসে আছড়ে পড়ছে তার মনে। এতো প্লাবনেও সে নিজেকে অনড় রাখলো। মৃদু স্বরে বলে উঠলো, বসন্ত, সামনে যাবি? চল না এগোয়?
বসন্ত মৃদু বাতাসে ছড়িয়ে যাওয়া শাড়ির আঁচল এক হাতে বুজে নিল, অন্যহাতে ফুলগুলো শক্ত করে ধরে পা বাড়িয়েই বললো, চল।

তিন

শীতের রুক্ষতা কাটিয়ে বসন্ত প্রকৃতিকে নবরূপে সাজাতে এসেছে। আবিরের পাশে সমকদমে হেঁটে চলা মেয়েটিও মৃদু শীতল হাওয়ায় তার রূপটাকে উজার করে দিয়েছে। হিমেল হাওয়ায় তার সামনের বাধাহীন দু চারটি চুল মুখ বেয়ে ঠোঁটের ওপর, আশেপাশে এলোমেলো উড়ছে, বসন্ত আঙুল দিয়ে ব্যস্ত হাতে তা বারবার মাথায় গুজে দিচ্ছে। আবিরকে দেখে তার খুব চিন্তা হচ্ছে একইসঙ্গে সন্দেহও। হাঁটার ফাঁকে ফাঁকে বসন্ত আবিরের দিকে তাকিয়ে এক নতুন মানুষকে আবিষ্কার করছে। এই আবির বসন্তের চেনা কেউ না। কোনো অপরাধ করে অনুশোচনাকারী অনুতপ্ত এক ছেলে। যে কিনা প্রতিটা কদমে নির্দোষ হবার অংক কষছে।
—কিরে কিছু বলছিস না যে!
—বলছি তো
—কই, তুই তো চুপ করে আছিস
আবির রাস্তা থেকে দৃষ্টি উঠিয়ে বসন্তের দিকে তাকালো। মুচকি হেসে আবার সামনের দিকে দৃষ্টি ফেরালো।
—তোর হাঁটতে সমস্যা হচ্ছে?
—আমি যে হাঁটতে পটু সেইটা তুই ভালোভাবেই জানিস।
—না, আজ শাড়ি পড়েছিস তাই বললাম। শাড়ি পড়ে হাঁটতে তো মেয়েদের সমস্যা হয়।
—বাহ, মেয়েদের সমস্যার বিষয়ে দেখছি ভালোই খোঁজ রাখিস।
আবির কিছুটা লজ্জায় পড়ে গেল। এসব কথায় তার কখনোই সংকোচ হতো না। কিন্তু আজ সবকিছুতেই সে যেন এক অন্য মানুষ। চলতে চলতে তাদের অনেক পরিচিতদের সঙ্গে দেখা হয়। কেউ তাদের নিয়ে সন্দেহ করেনি। কারণ সবাই জানে আবির প্রেম করার মতো ছেলে না। বসন্তও আবিরকে কেবল বন্ধুর চোখেই দেখে।

চার

সন্ধ্যা নেমে আধার হলো। বসন্তের বাতাস যেন আরও সুঘ্রাণ নিয়ে আবিরের নাসিকা রন্ধ্রে প্রবেশ করছে। মনের মধ্যে জমিয়ে রাখা কথাগুলো তার এখনো বলা হয়নি। মাগরিবের আজানের ধ্বনিতে মখোরিত হলো দিকবিদিক। কানে বেজে ওঠার সাথে সাথে বসন্ত তার শাড়ির আঁচল বাঙালি মুসলমান নারীর মতো মাথায় তুলে নিল।
'আবির আমাকে একটু গাড়িতে উঠিয়ে দিতে পারবি, বাসায় ফিরতে হবে।'

আরেকটু সময় থাকার কথা আবির বলতে পারে না। কারণ আবিরের মন না পাওয়ার ভয়ে ভীত। বসন্তকে সে সর্বাঙ্গে চায়। বসন্ত যদি তার ভালোবাসা প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তার জীবন নির্জীবতায় ফিকে হয়ে যাবে। সে কখনোই তা চায় না। প্রকৃতির মতো আবিরও তার জীবনে বসন্তের ছোঁয়া চায়। বসন্তের সাথে কথা না বলে, বসন্তকে না দেখে আবিরের দিনে রাতের আধার নামবে না। তার চেয়ে বরং বসন্ত থাকুক, নিজের হয়েই না হয় থাকুক, আবিরের বন্ধু হয়ে থাকুক। বসন্তের রঙে রঙিন হওয়ার অপেক্ষা আরেকটু বাড়ুক। পাথর চাপা দিয়ে প্রত্যহ না পাওয়ার মাঝেই একটু করে পাওয়ার দু:খ তাকে বেয়ে বেড়াতে হবে এটা সে জানে।
বসন্তকে গাড়িতে তুলে দিয়ে এক দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে সে হুডির পকেটে দুই হাত বুজে। পাওয়া না পাওয়ার হিসেব মেলতেই চোখের কোণে জমে একবিন্দু অভিমান। দুচোখ মুছে নিজেই নিজেকে আড়াল করে বাসার পথে রওনা হয় আবির।

বাড়িতে পৌঁছে বসন্ত নিজেকে যেন কিছুতেই সামলাতে পারছে না। প্রকৃতিকে রাঙানোর বদলে বসন্ত আজ ঘরবন্দী। বর্ষার আকাশ নিপাতিত জল কণার মতোই বসন্তের চোখে মেঘ জন্মেছে। বসন্ত জানে যে ফুল সে হাতে করে এনেছে তা আবির তার জন্যই এনেছিল। কিন্তু ফুলগুলো যেভাবে তার পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল, সেভাবে সে পায়নি। বসন্ত আজ আবিরের রঙে রঙিন হতে চেয়েছিল। কিন্তু সে একজন মেয়ে, একজন নারী। তার মনের কথা সে মুখ খুলে বলতে পারে না, বলতে পারেনি। অশ্রুসিক্ত চোখে ডাইরিটা খুলে তাই বসন্ত লিখে রাখলো, আজ তোমার পছন্দের রঙের সাদা শাড়িটা পড়েছিলাম। আমি তোমার হতেই গিয়েছিলাম, বসন্ত এসেছিল, তোমার ভালবাসার দিনে, কিন্তু আজও তুমি আমার হলে না।

 

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত