শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস, পর্ব: ৮

অঘ্রানের অন্ধকারে

নবীন বকুলগাছটা বিকেলে নরম রোদ পেয়ে ঝলমলিয়ে উঠেছে। পাতায় পাতায় ঝিরঝিরে বাতাস। দুটো দোয়েল খুনসুটি করছে। গভীর আনন্দে মোহিত হয়ে ডাকছে। ঝটপট করছে। টুকটুক করে লাফাচ্ছে। পুরো গাছজুড়ে ওদের আনন্দের নাচন।

বকুলগাছের নিচে শানবাঁধানো পুকুর। প্রশান্ত পুকুরের পানি। ঝকঝকে গাঢ় সবুজে নিস্তরঙ্গ অচপল ভাব। দিন শেষের নরম আলো ছড়িয়ে পড়েছে পুকুরময়।

পুকুরের পানিতে পা ডুবিয়ে বসে আছে শাবিন আর তুরি। শাবিনকে সঙ্গে নিয়ে এসেছে তুরি বকুলতলায় এই পুকুরের পানিতে পা ডুবিয়ে বসে থাকবে বলে। কাল রিকশা নিয়ে ঘুরেছে তুরি শহরের নানান জায়গায় এমন চুপচাপ পুকুরের খোঁজে। মিলেও গেছে ঠিক যেমন খুঁজছিল।

অমনি খেয়ালি বাতাসের টানে তিরতিরে ঢেউ উঠল পুকুরের পানিতে। সেই আকুলিবিকুলি করা ঢেউয়ের দিকে তাকিয়ে স্বপ্নময় হয়ে গেল শাবিনের দুই চোখ। মায়াময় শোনাল তার কণ্ঠ, ‘আমাদের গ্রামটা অদ্ভুত সুন্দর। অবশ্য আমি ছোটোবেলায় গেছি, বাবার সঙ্গে। গ্রাম বলতে যা বোঝায়, ছবির মতো। পথের পাঁচালী’র নিশ্চিন্তি, না নিশ্চিন্দিপুরের মতো গ্রাম।’
গ্রামের নাম ভুল বলে হেসে ফেলল শাবিন।
শাবিনের স্বপ্নময়তা স্পর্শ করেছে তুরিকে। উচ্ছলিত গলায় বলল, ‘সত্যি!’
‘তোমার মনে আছে, অপূর্বকৃষ্ণ যখন কলকাতা থেকে ফিরে নৌকাঘাটায় নামল তখন কাদায় পিছলে পড়েছিল আর আপনি তো ‘পথের পাঁচালী’র সঙ্গে ‘সমাপ্তি’ গুলিয়ে ফেলেছেন।’
লজ্জার ধাক্কা সামলাল শাবিন, ‘ও হ্যা। ‘সমাপ্তি’ গল্পে, স্যরি-’
‘স্যরি কেন?’
‘ওই যে গুলিয়ে ফেললাম।’
তুরির মনে হলো কী ভীষণ পাগল এই মানুষটা। বলল, ‘তো! কী হয়েছে। বলুন সমাপ্তি গল্পে-’
‘সমাপ্তি গল্পে অপূর্ব নৌকাঘাটায় কাদায় পিছলে পড়লে মৃন্ময়ী খিলখিল করে হেসে ফেলেছিল।’
‘হ্যা মনে আছে। গল্পের শুরুতেই। হঠাৎ এটা মনে হলো কেন? আপনি ওরকম কাদায় পিছলে পড়েছিলেন নাকি! আর কোনো একজন মৃন্ময়ী-’
‘না- না- ঠিক তা নয়। আমি বলতে চাইছিলাম-’
‘কী!’
‘আবার গুলিয়ে ফেলেছি। সব কেমন তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে।’
‘ও মা কেন?’
‘জানি না তো।’
এবার মুখ ফুটে বলেই ফেলল তুরি, ‘আসলেই আপনি পাগল। ঠিক করে বলুন তো—কী হচ্ছে এসব?’
‘সত্যি জানি না। শুধু জানি—’
‘কী?’
আশ্চর্য ঘোরলাগা গলায় শাবিন বলল, ‘আগে মনে হতো আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। নিজের ওপর নিজেরই রাগ হতো খুব। কিছু করতে পারতাম না। এখন মনে হয় ইচ্ছে করলে আমি সবকিছু করতে পারি।’
‘অবশ্যই পারেন। আপনি রেগুলার ক্লাস করে, পরীক্ষা দিয়ে চমৎকার রেজাল্টও করতে পারেন।’
‘শুধু একটাই ভয়। ঠিক ভয় না, সংশয়।’
‘কী সেটা?’
‘একলা আমি কিছু করতে পারি কিনা। একলা একজন মানুষ বাঁচে কিনা’—বড্ড অসহায় শোনায় শাবিনের গলা।
স্মৃতি বড়ো অলক্ষুনে মনে হয় তুরির। অসময়ে এসে ভাবনায় কড়া নাড়ে। যত ভাবে অতীত ওসব, মরে গেছে। মরে গেলে পচে যায়। সেই পচাগলা অলক্ষুনে অতীত তাকে আঁচড়ায় কামড়ায় খণ্ডবিখণ্ড করে ফেলে।

ডিপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে লাইব্রেরির কোণায় কদমগাছের নিচে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকত তুরি। দাঁড়িয়ে থাকতে ভালো লাগত। সেই সময়টুকু ছিল ওর একান্তের নিজের সময়। সেটুকুও কেড়ে নিয়েছিল একজন। নাকি ও নিজেই দিয়েছিল তাকে ওর একান্তের নিজের সময়! অস্থিরতা লেগেই থাকত সেই দুরন্ত ছটফটে মানুষটার গলায়। মাটি ফুঁড়ে উদয় হতো যেন লাফিয়ে। হুড়মুড় করে ঝাঁপিয়ে পড়ে ওর সময়ে ভাগ বসাত। মানুষটি এলে ভালো লাগত তুরির। যেন এক ঝলক খোলা হাওয়া সঙ্গে করে নিয়ে আসত রোজ।

স্মৃতিকে বেশিক্ষণ জাপটে থাকতে দেয়নি তুরি। দিশেহারা ভাবটা কাটিয়ে শান্ত গলায় বলল, ‘আমাকে দেখুন, এই আমি তো বেঁচে আছি, একলা একজন মানুষ।’
কথায় পেয়েছে তখন শাবিনকে। কথার সিঁড়ি বেয়ে তরতরিয়ে এগিয়ে গেল আরও কয়েক ধাপ, ‘আমি ওই বিচ্ছিরি সংস্কারটাকে কেমন আঁকড়ে ধরে আছি! এক-শালিক দেখলে এখনো চমকে উঠি। অশুভতার আশঙ্কায় না। আমার মনে হয় ওই একলা পাখিটা বড্ড দুঃখী। ও বড়ো বেশি একা। ওর খুব কষ্ট। ঠিক তোমার মতো।’
থমকে গেল তুরি। তবে কি ধরা পড়ে গেছে সে নিজের অজান্তে। মনে মনে ভাবল হয়তো ধরা দিতে চেয়েছে নিজেই। চেয়েছে অন্তত কেউ একজন গভীরভাবে অনুভব করুক ও খুব একা একজন মানুষ। কিন্তু মুখে তুরি বলল অন্য কথা, ‘কে বলেছে আপনাকে আমি একা! আমার বড়ো দুঃখ।’
‘আমি টের পাই। মানুষের চোখের দিকে তাকালে তাকে বুঝতে পারি। তোমার কষ্ট আমি খুব বেশি করে অনুভব করতে পারি।’

বুকের ভেতর আবার মোচড় দিয়ে উঠল তুরির। চোখ ভরে উঠেছে পানিতে। নাজুক করে দিচ্ছে। ঘোর তৈরি হচ্ছে ওর ভেতর। এই ঘোর কী ভালোলাগার! শুধুই পছন্দের নাকি ভালোবাসার। যদি ভালোবাসার হয়। তবে তার রূপ কী। নিজের মনকে বোঝায় তুরি। পছন্দ নয়, ভালোবাসা নয়। ওই মানুষটাকে একটুখানি সহযোগিতা করা। নিজের ভেতর নির্ভরতা তৈরি করতে সাহায্য করা মাত্র।
মুহূর্তের জন্য চোখ তুলে শাবিনের মুখের দিকে তাকাল, তারপরই চোখ নামিয়ে নিল তুরি।

(চলবে)

 

পর্ব ৭ : অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৬: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৫: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৪: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৩: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ২: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ১: অঘ্রানের অন্ধকারে

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত