শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

এক মহামানবের অভ্যুদয়

কে জানত, যে পাকিস্তানি অত্যাচারী গোষ্ঠীর মরণের দূত জন্মাবে বাংলাদেশেরই গোপালগঞ্জ জেলায়? আহা! কি সুন্দর! কি সুন্দর তার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, প্রতিবাদী মনোভাব, বদান্যতাপূর্ণ দেহপিঞ্জর। যেন জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় বাঙালি জাতিকে রূপান্তরিত করল বীরের জাতিতে।

ইরা বিস্ময় ভরা চোখে আপাদমস্তক ঘুরে ঘুরে দেখছে গাছটা। অজস্র ডালপালা নিয়ে ৪৫ ডিগ্রি কোণে বাঘিয়ার খালের উপর ঝুঁকে আছে নিবিড় মমতায়।

“দাদু এটাই কি সেই গাছটা?” দাদুর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল ইরা।

“হ্যাঁ, এটাই সেই হিজলগাছ। এর শাখায় উঠে বঙ্গবন্ধু ঝাঁপিয়ে পড়তেন বাঘিয়ার খালের পানিতে। এর গায়ে লেগে আছে সেই মহামানবের স্পর্শ।”

ইরা গাছটা ছুঁয়ে চোখ বন্ধ করল, মুহূর্তে সে চলে গেল কয়েক যুগ অতীতে। দাদুর মুখে শোনা খোকার (বঙ্গবন্ধুর) জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত তার স্বচ্ছ মানসপটে ছবির মতো সজীব হয়ে উঠতে লাগল।

খোকা গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। বেলা পড়ে আসছে। মা রোজকার মতো খাকার প্রিয় বালিকা আমগাছের নিচে দাঁড়িয়ে আছেন। তার প্রতীক্ষায়। খোকা কখন ফিরবে। বাড়ি থেকে পায়ে হাঁটা দুই মাইল দূরত্বের স্কুল। কিছুক্ষণ পরই মার চোখে পড়ল খোকা দীর পায়ে বাড়ির দিকে হেঁটে আসছে।

খোকা কাছে আসতেই মা কিছুটা হচকেগেলেন। তাঁর পাঞ্জাবি-পাজামা নেই। শুধুমাত্র চাদরটা শরীরে জড়িয়ে আছে।

খোকা বলল, “পথে একটা ছেলেকে দেখলাম তার জামা ছিঁড়ে গেছে। তাই আমার কাপড় তাকে দিয়ে এসেছে।”

এটাই প্রথম নয়, ইতিপূর্বে সে কাউকে নিজের ছাতাটা দিয়েও ভিজে ভিজে বাড়ি ফিরেছে।

মা খোকাকে পরম স্নেহে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। এত ছোট বয়স প্রশস্ত হৃদয়ের খোকাকে তিনি মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করলেন।

১৯৩৫ সালের গোড়ার দিকে খোকা বেরিবেরিতে আক্রান্ত হলো এবং এর থেকে পরবর্তীতে চোখে ‘গ্লোফুমা’ নামক এক জটিল রোগ ধরা পড়ে। বাবা লুৎফর রহমান ছেলেকে কলিকাতার চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. টি আহমেদ-এর মাধ্যমে সার্জারি করালেন। খোকা সুস্থ হলো। কিন্তু মাঝখানে মরা গাছের শুকনো পাতার মতো ঝড়ে গেল শিক্ষাজীবনের মূল্যবান ৪টি বছর। ততদিনে তাঁর সহপাঠীরা অনেকটা এগিয়ে গেছে। তাই তাকে ভর্তি করানো হলো গোপালগঞ্জ মথুরানাথ মিশন স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে। এ সময় তার জন্য একজন গৃহশিক্ষক রাখা হয়। তার নাম জাকি আবদুল হামিদ। তিনি ছলেন একজন দক্ষ সংগঠক। তিনি ‘মুসলিম সেবা সমিতি নামে একটি সংগঠন পরিচালনা করতেন।

তার কাছেই শুরু হয় মুজিবের প্রথম রাজনীতি পাঠ। সে সময় তার মধ্যে (বঙ্গবন্ধুর) নেতৃত্বের বিকাশ ঘটতে থাকে।

সময়টা ১৯৩৮ সাল। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তার স্কুল পরিদর্শনে আসছেন শুনে কিশোর মুজিব কয়েকজনের সমন্বয়ে একটি সংগঠিত দল নিয়ে তার পথ রোধ করে এবং হোস্টেলের ছাদ সংস্কারের জন্য ১২০০ টাকার অনুদান নিশ্চিত করে। এরপর থেকেই ক্রমে মুজিব সোহরাওয়ার্দীর রাজনৈতিক প্রিয়পাত্রে পরিণত হতে শুরু করে। শুরু হয় মুজিবের গভীরভাবে রাজনীতিতে পথ চলা।

এর মধ্যে ১৮ বছর বয়সে তিনি পরিণয় সূত্রে বিয়ে করলেন ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে। বেগম ফজিলাতুন্নেসার সংস্পর্শে তিনি রাজনৈতিক পরশ পাথরে পরিণত হন। ১৯৪৩ সালে তিনি বঙ্গীয় মুসলিম লীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন। কলকাতায় তিনি ইসলামিয়া কলেজ হতে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৪৯ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার পর তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে তিনি ‘কৃষি ও বন’ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ১৯৬৬ সালে তিনি লাহোরে ৬ দফা দাবি পেশ করেন। এর অল্প কিছুদিনের মধ্যে তিনি পাকিস্তানি সেনা সদস্য কর্তৃক গ্রেপ্তার হন এবং প্রায় ২ বছর পর তিনিসহ মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে এই মামলা প্রত্যাহার করা হয়। একই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাাধি দেওয়া হয়।

এরপর ৭০ এর নির্বাচনে তার দল আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে। কিন্তু কচক্রী পাস্তিান সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে গরিমসি করতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর বোঝা হয়ে গেছে যে পাকিস্তানি হায়েনারা বাঙালিদের স্বাধীনভাবে বাঁচতে দেবে না। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তিনি এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। যে ভাষণে বঙ্গবন্ধুর বলা প্রতিটি কথা বাঙালিদের মনে গেঁথে যায়। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের ইশারা দেন। পরবর্তীতে ইতিহাসে যুক্ত হয় ২৫ মার্চ কালরাত্রির অধ্যায় এবং বঙ্গবন্ধু ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ডাক দেন। এরপর ৯ মাসব্যাপী তুমুল লড়াইয়ের পর জন্ম নেয় বঙ্গবন্ধুর, কোটি বাঙালির স্বপ্নের বাংলাদেশ। এই পুরো সময় তিনি পাকিস্তানের বারাগারে অন্তরীন থাকেন। অতপর ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি যুক্ত হয়ে তিনি ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালে, মাত্র ৪ বছরের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ যখন বিশ্বের মানচিত্রে একটি রূপরেখা তৈরি করতে যাচ্ছে তখন ইতিহাসেযোগ হয় একটি কলঙ্ক গাঁথা অধ্যায়।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কিছু পথভ্রষ্ট সেনা সদস্যের হাতে বাংলাদেশের রূপকার বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে শাহাদাতবরণ করেন। একই সাথে মৃত্যু হয় একরাশ স্বপ্ন ও একটি উন্নত চেতনার।

ইরা হিজল গাছ ছুঁয়ে থরথর করে কাঁপছে। তার দুচোখ বেয়ে টপটপ করে ঝড়ে পড়ছে স্বচ্ছ সাদা জল। দাদু পিছন থেকে তার কাধে হাত রাখলেন। আলতো স্বরে ডাকলেন, ‘ইরা... ইরা...।’

ইরা টলটলে জলভরা চোখে পিছন ফিরে তাকালো। তার স্ফটিকের মতো মসৃণ চোখে চিকচিক করছে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশের আগামী স্বপ্ন।

 

ঠিকানা: পূর্ব মনিপুর, যভহভ নসমযা- ৯২২/১
মিরপুর-২, ঢাকা।

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত