শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

পাকিস্তানের রাজনীতিতে মাথাচাড়া দিচ্ছে উগ্র ডানপন্থীরা

ছবি : সংগৃহীত

তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি) একটি উগ্র ডানপন্থী দল। এ সংগঠনকে রাজনীতির মাঠে ফেরার সুযোগ দিল পাকিস্তান। এতে নতুন ভয় কাজ করছে অনেক বিশ্লেষকের মনে। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত শুধু পাকিস্তান নয় পুরো বিশ্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

যে বা যারা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যা দেবে, তারা শত্রু হিসেবে গণ্য হবে। এভাবেই আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখল করার পর তারা দেশটির সাংবাদিকদের শাসিয়েছিল। বলেছিল, এই টিটিপির সঙ্গে অস্ত্রবিরতি করেছে পাকিস্তান সরকার। ফলে আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্টের ঝুঁকির বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ কম।

গত অক্টোবরের শেষ দিকে টিএলপির দাবির মুখে তাদের প্রায় সাড়ে তিন শ নেতা-কর্মীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতেও তাদের আন্দোলন বন্ধ হয়নি। সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনে গ্রেফতার হওয়া সংগঠনটির নেতা সাদ রিজভির মুক্তির দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে যান। এই নেতার মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের ওয়াজিরাবাদ থেকে রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে লংমার্চ করেছিলেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।

তার মুক্তি ছাড়াও ফ্রান্সের দূতাবাসের কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করার দাবিও ছিল তাদের। কারণ, দেশটির ব্যঙ্গাত্মক সাপ্তাহিক শার্লি এবদো মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আবার ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করেছে। তবে লংমার্চ করে টিএলপির নেতা-কর্মীরা ইসলামাবাদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় নৃশংস ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ জানিয়েছিল, টিএলপির সমর্থকেরা ১০ জন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছে। আর নির্যাতন করেছে ১ হাজার ৩০০ জনকে।

২০১৫ সালে টিএলপি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা খাদিম হুসাইন রিজভি। এই সংগঠনটি পাকিস্তানে ব্লাসফেমি আইনের সমর্থক। এই সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর খাদিম ঘোষণা দিয়েছিলেন, পৃথিবীর বুক থেকে নেদারল্যান্ডসকে মুছে দেওয়া হবে। কারণ, মহানবীকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র আঁকার প্রতিযোগিতা আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিল নেদারল্যান্ডসের এক রাজনীতিক।

খাদিম মারা যান ২০২০ সালে। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিক্ষোভও তার হাত ধরেই শুরু। তিনি মারা যাওয়ার পর সাদ রিজভির হাতে সংগঠনের দায়িত্ব। সাদ রিজভি নেতা হওয়ার পর আবারও ফ্রান্সের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি তোলেন। এরপর চলতি বছরের এপ্রিলে এই দাবিতে বড় বিক্ষোভ হয়। এই বিক্ষোভের সময় সাদকে গ্রেফতার করা হয়, সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

পাকিস্তান সরকার সেই সময় কঠোর অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু সাত মাসের ব্যবধানে সরকার তার অবস্থান একেবারে উল্টে ফেলল। সাদসহ সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের ছেড়ে দেওয়া হলো। টিএলপির বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা-ও প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো। এই সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সরকারের এই অবস্থান বদলের পেছনে জেনারেল কামার জাবেদ বাজওয়ার কী ভূমিকা, তা-ও জানা যায়নি। সরকারও এই বিষয়ে মুখ খোলেনি। সরকার বলছে, মহানবী ইস্যুতে তারা কোনো সংঘর্ষে জড়াতে চায় না। কিন্তু বিশ্লেষকেরা বলছেন, মহানবী বা ইসলাম ধর্ম ইস্যুতে টিএলপি যে অবস্থান নিয়ে তার বিরুদ্ধে শক্তিপ্রয়োগের ঘটনার রাজনৈতিক মূল্য দিতে হতে পারে।

টিএলপির নেতা সাদ রিজভির মুক্তির দাবিতে গত ২২ অক্টোবর রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেন তার সমর্থকেরা।

পাকিস্তানের সরকারের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরীও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি পাকিস্তানে যা ঘটছে তা ভারতের জন্য হুমকি নয়। এটা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ উগ্রবাদ। যেভাবে সরকার টিএলপির বিষয়টি সমঝোতা করেছে তা একটা টাইম বোমার মতো। উগ্রবাদের এই বোমা যেকোনো সময় ফুটতে পারে।

টিএলপি যে অবস্থান নিয়েছে তাতে করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে তারা সমর্থন পাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে তাদের জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। তারা দাবি করছে, যুক্তরাজ্য, ইউরোপেই তারা ছড়িয়ে পড়ছে। এ প্রসঙ্গে টিএলপির গণমাধ্যমবিষয়ক সমন্বয়ক সাদ্দাম বুখারি দাবি করেছেন, তাদের প্রতিষ্ঠাতা যখন মারা যায়, তখন ইউরোপ থেকে অনেকে তাকে দেখতে এসেছিলেন।

এ প্রসঙ্গে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব পিস স্টাডিসের নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমির রানা বলেন, যেভাবে সরকার টিএলপি ইস্যুতে সমঝোতা করল তা ইতিমধ্যে ইউরোপের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের সাম্যাবস্থার ওপর প্রভাব ফেলেছে। আর টিএলপিকে রাজনীতিক করতে দেওয়ার যে সুযোগ দেওয়া হলো তার প্রভাবও বড় আকারে পড়বে বলে মনে করেন তিনি।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ বিষয়ে আমির রানার বক্তব্য জানা যায়। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ভেতরে কী হচ্ছে, তার ধার ধারে না আন্তর্জাতিক মহল। তাদের উদ্বেগের কারণ হলো, তারা মনে করে, টিএলপি পাকিস্তানের বাইরে থাকা দেশটির নাগরিকদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এটা নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করতে পারে বলেও মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

টিএলপি ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সফল হয়েছে। তারা এ সফলতাকে রাজনীতির মাঠে কাজে লাগাবে কি না, এ প্রসঙ্গে পাঞ্জাবের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হাসান আসকারি রিজভি বলেন, পাকিস্তানের রাজনীতি দিনকে দিন ডানপন্থার দিকে এগোচ্ছে। এই অবস্থায় টিএলপির উত্থান নির্বাচনী রাজনীতিতে বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন না তিনি।

পাকিস্তানের পাশের দেশ আফগানিস্তানের তালেবান ক্ষমতায় এসেছে। পাকিস্তানের তালেবানরাও হুমকি দিচ্ছে নতুন করে। এই পরিস্থিতিতে টিএলপির উত্থান আন্তর্জাতিক মহলকে উদ্বিগ্ন করবে এটাই স্বাভাবিক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া টিএলপির উত্থানের জন্য সরাসরি পাকিস্তানি সরকারি বাহিনীকে দায়ী করে মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানদাতাদের পর্যবেক্ষক সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সের (এফএটিএফ) নজরদারিতে দীর্ঘদিন পাকিস্তান। বিভিন্ন সময় পাকিস্তানে সন্ত্রাস দমনে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের অভ্যন্তরে অনেক হামলার জন্য দেশটির সরকার পাকিস্তানি সন্ত্রাসীদের দায়ী করে থাকে। এই পরিস্থিতিতে টিএলপি দেশটির সরকার আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মুখে ফেলছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

টিটি/

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান