শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

করোনাকালীন টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন

টিনেজার বলতে সাধারণত বয়:সন্ধিকালের সময়টাকে ধরা হয়ে থাকে। সাধারণত শিশুদের ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়স সময়কালকে টিনএজ বলা হয়। এটা এমন একটা বয়সকাল যেখানে শিশুরা শারীরিক, মানসিক এবং নৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। তাই এই সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেকে বুঝতে পারে না তাদের পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে কিভাবে মানিয়ে নিতে হবে। তাই এই বয়সের বাচ্চারা নানা রকম মানসিক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়ে থাকে।

এই সময়টাতে পরিবারের পাশাপাশি শিশুরা তার সমবয়সী বন্ধুবান্ধব এবং তারা যাদের পছন্দ করে থাকে এমন মানুষদের চিন্তা ও ব্যবহার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। যা শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিকতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শিশুরা যদি এই সময়টাতে পরিবার ও বন্ধুদের কাছে ইতিবাচক ব্যবহারও গ্রহণযোগ্যতা পায় তখন তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।

শিশু বিকাশের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টাতে করোনার মহামারী ও তাদের মানসিক ও শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা তৈরিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। যেহেতু পুরো বিশ্বব্যাপী শিশু-বৃদ্ধ সকলের জীবনযাত্রায় করোনার মহামারীর কারণে নানা পরিবর্তন ঘটেছে।
আমরা লক্ষ্য করলে দেখতে পাই, শিশুরা অবসাদ, উৎকন্ঠা, মৃত্যু ভয়, মা-বাবাকে হারানোর ভয় এবং হসপিটালে একা থাকার ভয়ে ভুগছে, এই সবকিছু শিশুদের মানসিক বিকাশে খারাপ প্রভাব ফেলছে।
করোনার মহামারীর প্রতিরোধ করার জন্য অনাকাঙ্খিত লকডাউন সকলের দৈনন্দিন জীবনের ওপর প্রভাব ফেলেছে। দৈনন্দিন জীবনযাত্রা রুটিন পরিবর্তন করে দিয়েছে, যার সবচেয়ে খারাপ প্রভাব পড়েছে আমাদের শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর । সামাজিক দুরত্ত বজায় রাখার জন্য বেশির ভাগ স্কুল বন্ধ দেয়া হয়েছে, বাসা থেকে অনলাইনে ক্লাস করা হচ্ছে। হঠাৎ শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সামাজিক মেলামেশার এই পরিবর্তন শিশুদের মন মানসিকতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।

স্ট্রেসের কারনে শিশুদের মাঝে অবসাদ,উদ্বেগ,পানিক আটাক,পিটিএসডি, মুড এর সমস্যা, ঘুমের সমস্যাসহ নানা উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।বেশিরভাগ শিশু-কিশোর তাদের বন্ধু হিসেবে ডিভাইস যেমন- মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাব, কম্পিউটার কে বেছে নিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে অনলাইন গেম ও ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেক সময় পার করায় তাদের মধ্যে ডিভাইসের প্রতি আসক্তি দেখা দিয়েছে। যার প্রভাব পড়ছে তাদের ব্যবহার, পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের উপর।
এছাড়া তাদের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা ও হতাশা দেখা দিয়েছে। বর্তমান জীবনের প্রতি গ্রহণযোগ্যতা কমে যাওয়ায়, শিশু-কিশোরদের মাদক দ্রব্যের দিকে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে।
আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। শিশু-কিশোরদের কোন পরিস্থিতি মানসিক অবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন– পরিবারে অর্থনৈতিক সমস্যা, লম্বা সময় বাসায় থাকার কারনে বাবা-মা এর বাসা থেকে কাজ করা, বাবা ও মায়ের সম্পর্কের দ্বন্দ্ব, তাদের চাকুরি হারানোর ভয়, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা ও হতাশা,পরিবারের সদস্যদের অসুস্থ হওয়া, নিজের অসুস্থ হওয়ার ভয়, বাবা- মায়ের সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি ।
শিশু-কিশোরদের সুস্থ মানসিক বিকাশে কিভাবে সহযোগিতা করা যেতে পারে-
মা–বাবা/ অবিভাবকেরা নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিলে ভালভাবে তাদের শিশুদের যত্ন নিতে পারবেন। তারা শিশুদের সঙ্গে কোভিড-১৯ নিয়ে কথা বলবেন, এক সঙ্গে বসে টিভি দেখবেন; তাতে করে কোভিড-১৯ এবং কোয়ারেন্টাইন নিয়ে শিশুদের ভয় অনেক কমে যাবে। শিশুরা বাবা মা/অবিভাবকদের চোখে মুখে উৎকণ্ঠা দেখলে তারাও সেভাবে আচরন করবে।
বাবা-মা/ অবিভাবকগন তাদের বয়ঃসন্ধিকালের শিশুদের ভাল থাকার জন্য নিজেরা হু এর নির্দেশিকা অনুসরণ করতে পারেন -
১) সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা
২) ভাল হাইজিন বজায় রাখা- হাত ধোয়া,মাস্ক পরা
৩) টি ভি,সামাজিক মাধ্যমে বেশি সময় খবর না শোনা বা দেখা- কারন এতে স্ট্রেস অনেক বেড়ে যায়।
৪) নিয়মিত ব্যায়াম ,ইয়োগা, মেডিটেশন করা ,সুশম খাবার খাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো।
৫) অ্যালকোহল বা মাদক দ্রব্য গ্রহন না করা।

বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী টিনএজাররা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নের জন্য যা করতে পারে-
১) উদ্বিগ্ন হওয়াকে স্বাভাবিক ভাবে মেনে নেয়া। মহামারির সময়ে উদ্বিগ্ন হওয়া খুব স্বাভাবিক, এটার হাত থেকে নিজেদের প্রটেক্ট করতে আমরা কিছু বিষয় খেয়াল রাখব যেমন-হাত ধোয়া, ভিড় এড়িয়ে চলা এর মধ্য দিয়ে নিজেকে এবং অন্যকে সুস্থ রাখতে পারি।
গুজবে কান না দেয়া। ভয় পেলে বাবা-মা এর সাথে কথা বলা। কোভিড ১৯ শিশুদের জন্য মারাত্বক নয় চিকিৎসার মধ্য দিয়ে আমরা নিজেকে সুস্থ করতে পারি। এ বিষয়ের উপর খেয়াল রাখলে ও জানলে তা আমাদের উৎকণ্ঠা কমাতে সাহায্য করে।
২) অন্য কাজে মনোনিবেশ করা
যেমন– হোম ওয়ার্ক করা, মুভি দেখা বা গল্পের বই পড়া ইত্যাদি।
৩) বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম যেমন- সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা। অভিভাবকের মতামত নিয়ে সীমিত সময় ব্যবহার করা। কারন অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম অনেক ক্ষতির কারণ হতে পা্রে।
৪) নিজের প্রতি মনযোগ দেয়া। নতুন কিছু করা যেমন- নতুন কোন বই পড়া, নতুন কিছু শিখা।এই পরিবর্তিত সময়ে নতুন কিছু করে নিজের মানসিক সাস্থের যত্ন নেয়া যেতে পারে।
৫) নিজের অনুভুতিকে বোঝা।পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো, শখ মেটানো, খেলাধুলা করতে না পারলে মন খারাপ হওয়া সাভাবিক, এটা মেনে নিলেই ভাল হয়। তখন বিভিন্নভাবে অনুভুতিকে প্রকাশ করা যায়। যেমন–আঁকা ,বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলা ইত্যাদি। মনে রাখতে হবে সবকিছু মনের মত নাও হতে পারে, আমরা সুন্দর চিন্তার মধ্য দিয়ে তা মনের মত করে নিতে পারি।
৬) নিজের এবং অন্যের প্রতি সদয় হওয়া
করোনার ও অন্যান্য সময়ে লক্ষ্য করলে দেখা যায় কিছু টিনএজরা স্কূলে বুলিং এর শিকার হচ্ছে। এবিষয়টিতে তারা তাদের বন্ধুদের বা বড়দের সাহায্য নিতে পারে।পরিবারকে এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
আমাদের সবার সুন্দর মন আছে। সুন্দর মনের অনেক গুণাবলী আছে। সেই জায়গা থেকে আমরা অন্য কাউকে হয়রানি হতে দেখলে তাকে সাহায্য করতে পারি । আমাদের একটি সুন্দর ব্যবহার ও একটি সহানুভুতির কথা অন্য কারো জীবনে অনেক পরিবর্তন আনতে পারে।
এমন কোন কথা বলবো না যা দিয়ে অন্যের মনে আঘাত আনতে পারে। আমরা মনের কথাটি বুঝিয়ে বলতে পারি।
এছাড়া টিন এজ শিশুরা বাবা-মাকে ঘরের কাজে সাহায্য করতে পারে। আবার সামাজিক দুরত্ত বজায় রেখে বয়স্ক প্রতিবেশিদের সাহায্য করতে এগিয়ে যেতে পারে। কারন ভালো কাজ করার মধ্য দিয়ে নিজের মন ভাল রাখতে পারে।

লেখক: বয়স্ক ও শিশু মনরোগ বিশেষজ্ঞ

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো