বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

অপরাধীদের অভয়ারণ্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল!

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল। যেখান থেকে প্রায় প্রতিদিনই চুরি যায় রোগী ও তাদের সঙ্গে থাকা স্বজনদের মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। রোগীদের ভাষায় এই হাসপাতালটি এখন চোর, দালাল আর হেরোইনসেবীদের নিরাপদ আবাসস্থল।

রোগীদের অভিযোগ, মোবাইল ফোন বা অন্যান্য জিনিস চুরি হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে গেলে তারা কোনো সহযোগিতা করে না। সিসিটিভির ফুটেজ দেখতে চাইলে বলে, এগুলো দেখে কোনো লাভ নেই।

এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের রীতিমতো হাইকোর্ট দেখান। তারা বলেন, সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ লন্ডন থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশে এই ফুটেজ দেখা যায় না। বলে, থানায় জিডি কিংবা মামলা করেন। যার কারণে কর্তৃপক্ষের উপর বিরক্ত রোগী ও তাদের সঙ্গে থাকা আত্মীয়-স্বজনরা।

রবিবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরেজমিনে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ঘুরে রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে এসব অনিয়মের চিত্র পাওয়া গেছে।

নোয়াখালীর ফিরোজ দুদিন ধরে রোগী নিয়ে আছেন এই হাসপাতালে। সকালের দিকে ক্যানটিনে নাস্তা করতে আসলে ক্যানটিন থেকে তার ছোট বোনের মোবাইল ফোন চুরি হয়। এরপর তিনি পরিচালকের রুমে গেলে পরিচালক বলেন, এখানে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ দেখা যাবে না। আপনি থানায় চলে যান। এরপর ফিরোজ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কাছে গেলেও কোনো প্রতিকার পাননি। পরে বাধ্য হয়ে তিনি থানায় যান।

ফিরোজ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, প্রায় প্রতিদিন এই হাসপাতাল থেকে অসংখ্য মানুষের মোবাইল ফোন ও অন্যান্য জিনিস হারায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। তাদের গাফিলতির জন্য এসব ঘটনা ঘটে। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এখন দালাল, চোর, হেরোইনসেবীদের আখড়া হয়ে গেছে। যা দেখার কেউ নেই।

অবশ্য চোর ও হেরোইনসেবীদের ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তারা বিরক্ত বোধ করেন এবং কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালের দালাল চক্র, চোর, হেরোইনসেবী যদি থেকে থাকে তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা ডাক্তার, চিকিৎসা দিয়ে থাকি। তাদের ধরা আমাদের কাজ না।

হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একাধিক আনসার সদস্যরা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, প্রায় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের মোবাইল ফোন চুরি হয়। চুরির অভিযোগে হেরোইনসেবী ও চোর চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়। গেল ৬ মাসে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন চোরকে আটক করে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়।

আনসার সদস্যদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট থানায় এসব চোরদের হস্তান্তরের পর পুলিশ অনেককে ছেড়ে দেয়। যেসব চোরের মা-বাবা আছে তাদের মূলত মামলা দিয়ে পুলিশ কোর্টে চালান করে। অন্য যারা হেরোইনসেবী বা চুরি করে, যাদের মা-বাবা নেই পুলিশ তাদের নিতে চায় না। রাস্তা বা অন্যান্য জায়গায় পানিশমেন্ট দিয়ে ছেড়ে দেয়।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. খলিলুর রহমান ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, আমাদের হাসপাতালে দালাল আছে, আপনি দালালের কাছে যাবেন কেন? তা ছাড়া চোর বা হেরোইনসেবীদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এসব নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে আনসার সদস্য বা সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।

তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালে দালাল বা অন্যান্য অনিয়ম থাকলে আপনার সেটা জেনে লাভ কী? এসব লেখার দরকার নেই।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা আনসার কমান্ডার মো. দেলোয়ার হোসেনের কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দালাল চক্র, চোর ও হেরোইনসেবীদের ধরতে আমরা প্রতিদিন অভিযান চালাই। তাদের ধরতে আনসার সদস্যরা সিভিল টিমে কাজ করছে।

তিনি বলেন, আজও দুজন চোরকে আমরা আটক করেছি। আর হেরোইনসেবীদের আমরা আটক করে থানায় দিলে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়। এজন্য হেরোইনসেবীদের আটক করে পানিশমেন্ট দিয়ে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দালাল চক্র, চোর বা অন্যান্য বিষয়ে আপনাদের সতর্ক করেছে কি না- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিচালক স্যারের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা কাজ করি। তিনি যেসময় যেটা বলেন সেটা নিয়ে আমাদের পড়ে থাকতে হয়। অনেক সময় অন্যদিকে খেয়াল করার সুযোগ থাকে না। আমরা তার প্রটোকল মেইনটেইন করি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেরে বাংলা থানার এক কর্মকর্তা বলেন, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চলে পরিচালক ডা. মো. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে। তার ওখানে অনিয়ম হলে তিনি পুলিশি সহায়তা চাইবেন। তিনি যদি পুলিশি সহায়তা না চায় তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা করব কীভাবে?

তিনি আরও বলেন, তা ছাড়া সব সময় হাসপাতালের সামনে আমাদের টহল ডিউটি এবং স্পেশাল ফোর্স কাজ করে। চোর, হেরোইনসেবীদের ধরতে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।

কেএম/এনএইচবি/এসজি

Header Ad
Header Ad

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোড়ক মন্ডপ নামাটারী সীমান্তে বাংলাদেশি ভেবে এক ভারতীয় নাগরিককে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার ভোরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম জাহানুর ইসলাম (২০)। তিনি ভারতের নাগরিক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে নামাটারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯২৯-এর কাছ দিয়ে কয়েকজন ভারতীয় চোরাকারবারি বাংলাদেশে মাদকসহ বিভিন্ন মালামাল পাচারের চেষ্টা করছিল। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের বাংলাদেশি সন্দেহ করে গিদালদাহ মরাকুটি ক্যাম্প ও হরদিাস খামারের ধনিটারী বিএসএফ ক্যাম্প থেকে রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে চোরাকারবারিরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জাহানুর ইসলাম। পরে তার মরদেহ বিএসএফ নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় আরও দুই ভারতীয় নাগরিক, হারুন ও হাসান, গুলিবিদ্ধ হয়ে দৌড়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। বর্তমানে তারা গোড়ক মন্ডপ সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ গোড়ক মন্ডপ ক্যাম্পের বিজিবি কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ব্যস্ত থাকায় পরে কথা বলবেন বলে জানান।

সীমান্তে বিএসএফের এ ধরনের গুলিবর্ষণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Header Ad
Header Ad

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

টানা ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালানোর পর এবার গাজার দক্ষিণাঞ্চল দখলের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। দু’জনই পৃথক বার্তায় এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ ও খান ইউনূসের মাঝামাঝি এলাকায় ‘মোরাগ এক্সিস’ নামে একসময় ইহুদি বসতি ছিল, যেখান থেকে পরবর্তীতে ইহুদিদের উচ্ছেদ করা হয়। তিনি জানান, এবার গাজায় সামরিক অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ওই অঞ্চলকে পুনরায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করা।

নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা গাজা উপত্যকাকে ভাগ করছি এবং ধাপে ধাপে হামাসের ওপর চাপ বাড়াচ্ছি, যেন তারা জিম্মিদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, তাদের এই পদক্ষেপের ফলে রাফাহ শহর পার্শ্ববর্তী খান ইউনিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মিসর-গাজা সীমান্তে অবস্থিত এই রাফাহ ক্রসিং এতদিন ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করত, যার মাধ্যমে খাদ্য, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করত গাজায়। তবে ইসরায়েল বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, ওই পথ দিয়ে হামাস অস্ত্র পাচার করে।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার আগে বুধবার সকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, “গাজাকে জঙ্গিমুক্ত করা এবং বিশাল এলাকাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বিরতির পর নতুন অভিযান শুরু হয়েছে।”

দীর্ঘ ২ মাসের যুদ্ধবিরতির পর গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ দিনে ইসরায়েলের হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুধু বুধবারই নিহত হয়েছেন ৬০ জনের বেশি।

ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির জানিয়েছেন, তাদের অভিযানের লক্ষ্য হামাসের কব্জায় থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধার করা। আইডিএফ ধারণা করছে, হামাসের কাছে এখনো অন্তত ৩০ জন জীবিত জিম্মি রয়েছে।

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা গিশা’র তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর দখলের ঘোষণা দেওয়া গাজার ওই অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬২ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো গাজা উপত্যকার প্রায় ১৭ শতাংশ।

সূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

রংপুরের মিঠাপুকুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত কিশোর চুরিসহ নানান অপকর্মে জড়িত বলে জানায় পুলিশ।

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক।

এর আগে মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে মিঠাপুকুর উপজেলার ৯ নম্বর ময়েনপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারে সদস্যরা ও স্থানীয়রা জানান, শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টাকারী অভিযুক্ত কিশোর (১৫) জাকিরুল ইসলাম সম্পর্কে শিশুটির দাদা হন। ঘটনার আগে শিশুটির মা সহ অভিযুক্ত কিশোর এবং এক প্রতিবেশী নারী বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় বসে গল্প করছিল। গল্প শেষে শিশুটির মা বাড়ি ফিরে যান। তবে শিশুটি বাড়ি ফিরে না আসায় মা তাকে খুঁজতে থাকেন।

পরে অভিযুক্ত ওই কিশোরের বাড়ি থেকে শিশুটির চিৎকার শুনতে পাওয়া যায়। এ সময় শিশুটির মা সেখানে গিয়ে দেখেন ওই কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে এবং ছেলেটির পরনে কাপড় নেই। পরে শিশুটির মা স্থানীয়দের জানালে ওই কিশোরকে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে পুলিশ বিকেল ৪টার দিয়ে ওই কিশোরকে মিঠাপুকুর থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ কিশোর জাকিরুল ইসলাম শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘অভিযুক্ত কিশোর জাকিরুল ইসলাম কে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে আইনি ব্যবস্থা শেষে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু