মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪ | ১১ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

চা শ্রমিক নারীদের জন্য সিটি গ্রুপের সঙ্গে কাজ করবে ওয়াটার এইড

বাংলাদেশের ৩ কোটি ৭৯ লাখ মানুষ পরিস্কার পানি পাবার সার্বজনীন অধিকার লাভ করেন না। সুপেয় পানির অভাবে ভুগছেন তারা। পরিচ্ছন্ন পায়খানা ব্যবহার করতে পারেন না বা মানসম্পন্ন টয়লেট নেই মোট ৭৫ লাখ ৪০ হাজারের। প্রতি বছর গড়ে ১ হাজার শিশু দেশে খারাপ জল ও ভালো স্যানিটেশন ব্যবস্থার অভাবে ডায়রিয়া রোগে ভুগে মারা যাচ্ছে। এসব অত্যন্ত পিছিয়ে থাকা মানুষের জীবনমান বদলে দিতে কাজ করছে ‘ওয়াটার এইড বাংলাদেশ’, বিশ্বের প্রধান পানি নিয়ে কাজ করা বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার বাংলাদেশ অফিস।

আমাদের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক গ্রুপ ‘সিটি গ্রুপ’। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় চাল কলের মালিক ও ভোজ্য, পণ্যদ্রব্য খাতের অন্যতম কম্পানি। ঢাকার গেন্ডারিয়ায় আজগর আলী হাসপাতাল তাদের মালিকানাধীন। ‘জীবন’ নামের পরিশোধিত ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বোতলের পানি তারা পরিবেশন করেন। ‘তীর’ নামের তেল বিক্রি করেন। আরো ব্যবসা আছে এবারের করোনাভাইরাসের আক্রমণে ‘কভিড ১৯’ রোগের বিপক্ষে টিসিবিতে সরকারীভাবে কম দামে তেল বিক্রি করা শিল্প উদ্যোক্তা ফজলুর রহমানের ব্যবসায়িক গ্রুপটির।

দুটি প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্বারক চুক্তিটি হয়েছে ৩ মার্চ, ২০২২। ফলে সিটি গ্রুপের মালিকাধীন চা বাগানগুলোতে নিরাপদ পানি, ভালো স্যানিটেশন ও হাইজেনিক ব্যবস্থার উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন কাজে পরামর্শ, কারিগরি সাহায্য প্রদান করবে ওয়াটার এইড।

তাদের দেশীয় প্রতিনিধি হাসিন জাহান বলেছেন, ‘চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে পানীয় ব্যবস্থায় আমরা উদ্ভাবনী কৌশলগুলো গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করব। টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা (এসডিজি-ছয়) ‘কাউকে পিছিয়ে রাখব না’র আওতায় চা শ্রমিকদের জীবনের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনে সিটি গ্রুপের সঙ্গে এখন থেকে আমরা কাজ করব।”

ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জানিয়েছেন, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্প গ্রুপটির সঙ্গে তারা অর্ন্তভুক্তিমূলক পদ্ধতিতে নিজেদের ‘টেকসই ওয়াশ কর্মসূচি’ বাস্তবায়ন করবেন। সেই কাজে দীর্ঘমেয়াদের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে ও সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করা হবে, জানিয়েছে সিটি গ্রুপ।

ওয়াটার এইড বাংলাদেশ চা-বাগানের নারী শ্রমিক ও তাদের পরিবারগুলোর সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ও পানীয় জল প্রাপ্তির চরম খারাপ পরিস্থিতির উন্নয়নে সুপেয়, নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ করতে কাজ করবে। তাদের সবার স্যানিটেশনের টেকসই ডিজাইন তৈরিতে সহায়তা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।

চা-বাগানের ওয়াশ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বাগান মালিক সিটি গ্রুপের প্রতিনিধি, পাড়ার পঞ্চায়েত প্রধান, কর্মরত শ্রমিক, তাদের সবার জীবনমান উন্নয়নের জন্য ওয়াটার এইড দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে।

সিটি গ্রুপের কারিগরি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ওয়াটার এইড তার সহযোগী সংস্থাগুলোকে নিয়েও চা শ্রমিকদের সমন্বয়ে ‘চা-বাগান ওয়াশ পরিচালনা কমিটি’ গঠন করবে। তাদের সক্রিয় করতে প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদান করবে সিটি গ্রুপের সাহায্যে।

চা-শ্রমিক প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে, তাদের কমিটিগুলোর সদস্যদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়নে ‘ওয়াশ ম্যানুয়াল নির্দেশিকা’ তৈরি করা হবে। সেটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসিন জাহান।

ঢাকার গুলশান-২’র প্রধান কাযালয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশের সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান নিজে উপস্থিত ছিলেন। তাকে পুরো বিষয়টি ওয়াটার এইডের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হাসিন জাহান জানিয়েছেন।

‘সিটি গ্রুপ টি-এস্টেট অপারেশন’ মহাব্যবস্থাপক সাহ্জাদ সারওয়ার হাসিন জাহানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

এরপর সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘এই চক্তিতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা যদি শ্রমিকদের উন্নত স্বাস্থ্য ও ভালোভাবে জীবনধারণ নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে তারা আরো দক্ষ হবেন। তাদের কর্মদক্ষতা আরো বাড়াতে হবে। ফলে আমাদের শিল্প গ্রুপ ওয়াটার এইডের যৌথ প্রয়াস চা বানানোর প্রাণ নারী শ্রমিকদের নিরাপদ পানি, ভালো স্যানিটেশন ও হাইজিন জীবন প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করবে। তাদের প্রাপ্য অধিকার ও চাহিদা প‚রণ করতে সাহায্য হবে।’

গ্রুপের উপদেষ্টা পবন চৌধুরী এবং ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কর্মসূচী পরিচালক হোসেন ইশরাত আদিব, প্রকল্প পরিচালক ইমামুর রহমান, নীতিকৌশল উপদেষ্টা সফিকুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের স্পেশালিস্ট রঞ্জন ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তির পর হাসিন জাহান বলেন, ‘পানীয় জলের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনে বাংলাদেশের সিটি গ্রুপের মতো বেসরকারি খাতের বৃহৎ শিল্প কম্পানির বিশাল ভূমিকা রয়েছে। কেননা জনাব ফজলুর রহমানের প্রতিষ্ঠানটি মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির সঙ্গে, সঙ্গে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও ইতিবাচক প্রভাব রাখেন।’

তিনি বলেছেন, ‘সিটি গ্রুপের সাথে যৌথভাবে আমরা যে কর্মসূচিগুলো গ্রহণ করেছি, তাতে প্রান্তিক ও অতি দরিদ্র, শিক্ষার আলো না পাওয়া বিদেশের চা শ্রমিকরা একেবারে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসেবে নিরাপদ পানি, ভালো স্যানিটেশন ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যবিধিতে আসবেন। তাদের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে বলে সিটি গ্রুপের মতো ওয়াটার এইড অত্যন্ত আনন্দিত।’

তিনি বলেছেন, তাদের জন্য কাজ করতে এই ব্যবসায়িক গ্রুপের সহায়তা নিশ্চয়ই সম্ভাবনার নতুন মাত্রা তৈরি করবে।

ছবি : ফায়হাম ইবনে শরীফ।

ওএস।

Header Ad

মুরগির বাচ্চায় সিন্ডিকেট, দৈনিক হাতিয়ে নিচ্ছে ৯ কোটি টাকা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দেশের বাজারে মুরগীর বাচ্চার অতিরিক্ত দাম স্থিতিশীল করে সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে এবং প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ঠাকুরগাঁও জেলার সব প্রান্তিক খামার বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে এক গণ বিবৃতি দেয় পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) এর সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার। তিনি বলেন, দেশের বাজারে মুরগির বাচ্চার অতিরিক্ত দাম রেখে ক্রেতার পকেট থেকে প্রতিদিন ৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি মো. সুমন হাওলাদারের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষায় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানাচ্ছি। যদি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিন্ডিকেট ভাঙতে এবং প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয় তাহলে ঠাকুরগাঁও জেলার সব প্রান্তিক খামার বন্ধ করার কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ডিম ও মুরগির দাম বেঁধে দেয় সরকার। তখন একটি মুরগির বাচ্চার দাম ছিল ৩০-৩৫ টাকা। অথচ পরবর্তী সময়ে মুরগির বাচ্চা উৎপাদনকারী কর্পোরেট কোম্পানিগুলো মুরগির বাচ্চার সংকট তৈরি করে ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত ৬০-১১০ টাকায় বিক্রি করছে।

তিনি দাবি মতে, প্রতিদিন সব জাতের মুরগির বাচ্চা ৩০ লাখ উৎপাদন করা হয়। যদি একটি মুরগির বাচ্চায় গড়ে ৩০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয় তাহলে প্রতিদিন ৯ কোটি টাকা প্রান্তিক খামারিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মুনাফা করছে কোম্পানিগুলো। বাংলাদেশের পোল্ট্রি খাত বর্তমানে একটি গভীর সংকটের মধ্যে রয়েছে। দেশের শীর্ষ মুরগির বাচ্চা উৎপাদনকারী কোম্পানিসহ (কাজী ফার্মস, নাহার অ্যাগ্রো, প্যারাগন গ্রুপ, নারিশ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি, সিপি বাংলাদেশ) আরও ১০-১২টি কর্পোরেট কোম্পানি সিন্ডিকেট করে পোল্ট্রি সেক্টরে
একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করেছে। এ সিন্ডিকেটের হাত থেকে প্রান্তিক খামারিদের রক্ষা করে বন্ধ খামারগুলোকে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে হবে।

সুমন হাওলাদার বলেন, সিন্ডিকেটের কারণে ফিড ও মুরগির বাচ্চার দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। যা প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদন খরচ ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় ডিম ও মুরগির বিক্রয় মূল্য অত্যন্ত কম থাকায় প্রান্তিক খামারিরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। এ সংকটের কারণে বহু প্রান্তিক খামারি তাদের ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি।

এ অবস্থায় দেশের পোল্ট্রি শিল্প রক্ষায় বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বেশকিছু দাবিও জানানো হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে–

১. ফিড এবং মুরগির বাচ্চার বাজারে সিন্ডিকেট বন্ধ করে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

২. কর্পোরেট কোম্পানির বাণিজ্যিক ডিম এবং মুরগি উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।

৩. প্রান্তিক খামারিদের জন্য সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা এবং বিশেষ প্রণোদনা চালু করতে হবে।

৪. সরকারকে কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করতে হবে। যাতে ডিম, মুরগি এবং পোল্ট্রি উপকরণের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫. ফিডের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পোল্ট্রি ফিড উৎপাদনে আরও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

Header Ad

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৮৯০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪০ হাজার ৩৭৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন এই দাম আজ (২৬ নভেম্বর) থেকেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন বাজুস। গতকাল (২৫ নভেম্বর) সোমবার রাতে সংগঠনটি এ তথ্য নিশ্চিত করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ১ লাখ ৪০ হাজার ৩৭৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৪ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে, সবশেষ গত ২৩ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ৮২৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪২ হাজার ২৬৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৫ হাজার ৬৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছে গত ২৪ নভেম্বর থেকে। আর চলতি মাসের গত ২২ ও ১৯ নভেম্বরও দেশে বাড়ানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম। এছড়া গত ১৪, ১২, ৭ ও ৪ নভেম্বর দাম কমানো হয়েছিল।

আর চলতি মাসের গত ২২ ও ১৯ নভেম্বরও দেশে বাড়ানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম। এ ছাড়া গত ১৪, ১২, ৭ ও ৪ নভেম্বর দাম কমানো হয়েছিল। এছাড়া, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ৩১ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ২২ বার। আর ২০২৩ সালে দাম সমন্বয় করা হয়েছিল ২৯ বার।

Header Ad

খালেদা জিয়াকে উমরাহ পালনের আমন্ত্রণ সৌদির

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ওমরাহ পালনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আল দুহাইলান।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবনে (ফিরোজা) তার সঙ্গে সাক্ষাতে সৌদি রাষ্ট্রদূত এ আমন্ত্রণ জানান বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলে সাক্ষাৎকার।

সাক্ষাতের সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এনামুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতের পর এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, রাষ্ট্রদূত বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করে কুশল বিনিময় করেছেন, উনার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন। কবে চিকিত্সার জন্য দেশের বাইরে যাবেন, সে বিষয়ে কথা বলেছেন। রাষ্ট্রদূত ম্যাডামকে সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।

আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরদিন নির্বাহী আদেশে মুক্তি পাওয়ার পর গত ৫ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে ফিরোজায় গিয়েছিলেন।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মুরগির বাচ্চায় সিন্ডিকেট, দৈনিক হাতিয়ে নিচ্ছে ৯ কোটি টাকা
দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
খালেদা জিয়াকে উমরাহ পালনের আমন্ত্রণ সৌদির
লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত, চার সমুদ্র বন্দরে সতর্কতা জারি
ইসকন নেতা চিন্ময়ের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ সীমান্তে অবরোধের হুমকি পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির
বিশ্ববাজারে ৩ শতাংশেরও বেশি কমলো স্বর্ণের দাম
সব ছাত্রসংগঠনের সমন্বয়ে ‘জাতীয় ছাত্র সংহতি সপ্তাহ’ পালনের ঘোষণা
গাজায় একদিনে ২৪ জন নিহত
৯ বছর পর খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ইসকন নেতা চিন্ময়কে গ্রেপ্তার নিয়ে যা বললেন প্রেস সচিব
বেনাপোলে টানা ৪ দিন বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার সকল পরিবহন
৮ হাজার শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা
ঋণ দেওয়ার নামে শাহবাগে লোক জড়ো করা মোস্তফা আমীন আটক
সেন্ট মার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি
আইপিএলে দল পেলেন না মুস্তাফিজুর রহমান
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা আজাহার গ্রেফতার
চলতি মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ নওগাঁয়
নির্লজ্জ দলাদলির পরিণতি দেশবাসী দেখেছে: তারেক রহমান
মোল্লা কলেজের সার্টিফিকেট-ল্যাপটপ লুট, ক্ষতি ৭০ কোটি টাকা: অধ্যক্ষ
ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস গ্রেপ্তার