বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ইবনে সিনা হাসপাতালে রাশিয়ান কিশোরীর শ্লীলতাহানি, ওয়ার্ডবয় গ্রেফতার

ঢাকাপ্রকাশ ফাইল ।

রাজধানীর কল্যাণপুরে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রাশিয়ান কিশোরী শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, ওই রাশিয়ান কিশোরীর রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একজন কর্মকর্তা। তিনি নিজে উপস্থিত হয়ে মিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি এই ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় হাসপাতালের একজন স্টাফ আবুল কাশেমকে আসামি করা হয়েছে। তাকে ফরিদপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির মিরপুর বিভাগের ডিসি জসিম উদ্দিন।

মামলার এজাহারে জানানো হয়, রুশ কিশোরীর ডান হাতের বগলের নিচে একটি ফোঁড়ার অস্ত্রোপচারের জন্য গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১টায় কল্যাণপুরে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওই নারী রুশ কর্মকর্তা।

এজাহারে নারী রুশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সেখানে ডাক্তারের পরামর্শ মতে আমার মেয়েকে ভর্তি করা হয়। ঘটনার দিন রাত ২টার দিকে কর্তব্যরত ডাক্তার আনোয়ার হোসেন আমাদের কাছে এলেন এবং তার সাথে নীল ইউনিফর্ম পরা আবুল কাশেম ছিলেন। ডাক্তার আমার মেয়ে পলিনা কে ফোঁড়া দেখাতে বললেন। ফোঁড়াটি যেহেতু সংবেদনশীল জায়গার কাছাকাছি ছিল তাই আমার মেয়ে বিব্রতবোধ করছিল জায়গাটি উন্মুক্ত করতে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, কর্তব্যরত ডাক্তার বাংলায় তারপাশে থাকা নীল গাউন পরা ব্যক্তিকে (আবুল কাশেম) একজন নার্সকে ডাকতে নির্দেশ দিলেন।’

নার্স আসার পর রুশ কিশোরী তার ক্ষতস্থান দেখায়। এজাহারে বলা হয়েছে, সেই সময় নীল গাউন পরা ব্যক্তিটি (কাশেম) ঘর থেকে বের না হয়ে দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন।

এজাহারে নারী রুশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তখন কর্তব্যরত ডাক্তার কিংবা নার্স কেউই তাকে (কাশেম) রুম থেকে বের হতে নির্দেশ দেয়নি। এরপর ডাক্তার আমাকে বললেন যে তিনি অ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে যাচ্ছেন এবং তখন উপস্থিত সবাই রুম থেকে বেরিয়ে গেল। প্রায় ১০ মিনিট পর ওই নীল গাউন পরিহিত ব্যক্তিটি (কাশেম) একা ফিরে আসেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, ডাক্তার জিজ্ঞাসা করেছেন পলিনার আগে ফোঁড়া ছিল কি না। আমি উত্তর দিলাম যে 'হ্যাঁ', এবং তখন তিনি সেটা ঠিক কোথায় সেটা দেখাতে বললেন। পলিনাকে আবার তখন কাপড় খুলতে হয়েছিল এবং স্বভাবতই তার প্রাইভেট পার্ট সামান্য উন্মুক্ত ছিল।’

এজাহারে বলা হয়, পরে আবারও কাশেম ফিরে আসেন এবং ফোঁড়ার স্থানে মলম লাগানোর কথা বলেন। পরে রাত প্রায় ৩টায় তিনি আবারও ফিরে আসেন। এ সময় জানান, ফোঁড়ার স্থান মুছে দেন। এ সময় কাশেম কিশোরীর শরীরের স্পর্শকাতর অংশে স্পর্শ করেন বলেও অভিযোগ করা হয় এজাহারে। সেই সময় চলে গেলেও আবারও ভোরে ফিরে আসেন কাশেম।

এজাহারে বলা হয়েছে, ‘যেহেতু তিনি অস্ত্রোপচারের অনুরূপ ইউনিফর্মে ছিলেন, একজন ডাক্তারের সাথে এসেছিলেন এবং পরে রোগ নির্ণয়ের সাথে সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আমরা সেই মুহুর্তে অনুমান করতে পারিনি যে তিনি আসলে একজন চিকিৎসা কর্মী নন। এরপর রাত সাড়ে তিনটার দিকে তিনি আবার মশার স্প্রে নিয়ে আসেন এবং তিনি আমাদের পানি লাগবে কিনা জিজ্ঞেস করেন। তাকে আমার সন্দেহ হচ্ছিলো কারণ মেডিকেল স্টাফরা এই জাতীয় কাজ করে না। আমি তাকে চলে যেতে বললাম, আমরা তার ক্রমাগত উপস্থিতিতে অত্যন্ত ক্লান্ত এবং বিরক্ত ছিলাম।’

রুশ নারী কর্মকর্তা এজাহারে আরও বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৬টায়, ঐ ব্যক্তি (কাশেম) আমাদের ঘুম থেকে তুলে বললেন যে আমাদের ফোঁড়ার চিকিৎসা করা দরকার। তার হাতে শুধু অ্যালকোহল প্যাড ছিল। গুগল ট্রান্সলেট ব্যবহার করে, তিনি আমাকে বারান্দায় যেতে বললেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, আমি থাকলে তার চিকিৎসা কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। তাকে অদ্ভুত ও নার্ভাস লাগছিল এবং তারপর আমি সবকিছু বুঝতে পেরেছিলাম। তখন আমি জোরে জোরে বললাম তাকে বের হয়ে যেতে এবং এখানে যাতে সে না আসে। আমি তাকে জোরে চিৎকার করে ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দিতে চাইলে তিনি আমার হাত ধরতে শুরু করলেন, "দুঃখিত এবং "না, না, না" বলে চিৎকার করলেন। তিনি আমার হাত এত জোরে চেপে ধরলেন যে এটি একটি ক্ষত রেখে গেছে। আমি তাকে রুম থেকে বের করে দিয়ে জোরে জোরে ইংরেজিতে বলেছিলাম আর কখনো এখানে আসবেন না।’

এ ঘটনার পরে ইবনে সিনা মেডিকেলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা রুশ নারী কর্মকর্তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন বলে জানানো হয়েছে এজাহারে। পরে তিনি তার মেয়েকে নিয়ে অন্য আরেকটি হাসপাতালে চলে যান।

Header Ad
Header Ad

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

টানা ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালানোর পর এবার গাজার দক্ষিণাঞ্চল দখলের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। দু’জনই পৃথক বার্তায় এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ ও খান ইউনূসের মাঝামাঝি এলাকায় ‘মোরাগ এক্সিস’ নামে একসময় ইহুদি বসতি ছিল, যেখান থেকে পরবর্তীতে ইহুদিদের উচ্ছেদ করা হয়। তিনি জানান, এবার গাজায় সামরিক অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ওই অঞ্চলকে পুনরায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করা।

নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা গাজা উপত্যকাকে ভাগ করছি এবং ধাপে ধাপে হামাসের ওপর চাপ বাড়াচ্ছি, যেন তারা জিম্মিদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, তাদের এই পদক্ষেপের ফলে রাফাহ শহর পার্শ্ববর্তী খান ইউনিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মিসর-গাজা সীমান্তে অবস্থিত এই রাফাহ ক্রসিং এতদিন ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করত, যার মাধ্যমে খাদ্য, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করত গাজায়। তবে ইসরায়েল বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, ওই পথ দিয়ে হামাস অস্ত্র পাচার করে।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার আগে বুধবার সকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, “গাজাকে জঙ্গিমুক্ত করা এবং বিশাল এলাকাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বিরতির পর নতুন অভিযান শুরু হয়েছে।”

দীর্ঘ ২ মাসের যুদ্ধবিরতির পর গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ দিনে ইসরায়েলের হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুধু বুধবারই নিহত হয়েছেন ৬০ জনের বেশি।

ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির জানিয়েছেন, তাদের অভিযানের লক্ষ্য হামাসের কব্জায় থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধার করা। আইডিএফ ধারণা করছে, হামাসের কাছে এখনো অন্তত ৩০ জন জীবিত জিম্মি রয়েছে।

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা গিশা’র তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর দখলের ঘোষণা দেওয়া গাজার ওই অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬২ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো গাজা উপত্যকার প্রায় ১৭ শতাংশ।

সূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

রংপুরের মিঠাপুকুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত কিশোর চুরিসহ নানান অপকর্মে জড়িত বলে জানায় পুলিশ।

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক।

এর আগে মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে মিঠাপুকুর উপজেলার ৯ নম্বর ময়েনপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারে সদস্যরা ও স্থানীয়রা জানান, শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টাকারী অভিযুক্ত কিশোর (১৫) জাকিরুল ইসলাম সম্পর্কে শিশুটির দাদা হন। ঘটনার আগে শিশুটির মা সহ অভিযুক্ত কিশোর এবং এক প্রতিবেশী নারী বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় বসে গল্প করছিল। গল্প শেষে শিশুটির মা বাড়ি ফিরে যান। তবে শিশুটি বাড়ি ফিরে না আসায় মা তাকে খুঁজতে থাকেন।

পরে অভিযুক্ত ওই কিশোরের বাড়ি থেকে শিশুটির চিৎকার শুনতে পাওয়া যায়। এ সময় শিশুটির মা সেখানে গিয়ে দেখেন ওই কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে এবং ছেলেটির পরনে কাপড় নেই। পরে শিশুটির মা স্থানীয়দের জানালে ওই কিশোরকে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে পুলিশ বিকেল ৪টার দিয়ে ওই কিশোরকে মিঠাপুকুর থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ কিশোর জাকিরুল ইসলাম শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘অভিযুক্ত কিশোর জাকিরুল ইসলাম কে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে আইনি ব্যবস্থা শেষে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

Header Ad
Header Ad

এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এক মাস পেছানোসহ দুই দফা দাবিতে সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে জাতীয় শহীদ মিনারের সামনে শুরু হয়ে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড পর্যন্ত এলাকায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই আন্দোলন। অন্য জেলার শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষাবোর্ড কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনে অংশ নেবেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থীরা জানায়, তাদের দাবি না মানা হলে তারা পরীক্ষায় অংশ নেবে না।

শিক্ষার্থীদের দুই দফা দাবি:

১. এসএসসি পরীক্ষা এক মাস পেছানো
২. প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে ৩-৪ দিন বিরতি দেওয়া

পরীক্ষার্থীদের মতে, রমজান মাসে রোজা রেখে ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগও কম ছিল। তাই এক মাস সময় পেলে তারা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।

এছাড়া, প্রচণ্ড গরমে একটানা পরীক্ষা দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, অনেক পরীক্ষাকেন্দ্র শিক্ষার্থীদের বাসা থেকে দূরে অবস্থিত। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রামের জন্য প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে অন্তত তিন থেকে চার দিনের বিরতি প্রয়োজন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু
ঈদের আনন্দে যমুনার দুর্গম চরে গ্রাম-বাংলার ঘুড়ি উৎসব, আনন্দে মেতে উঠে বিনোদনপ্রেমীরা!