শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

শাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অধ্যাপক, ছাত্র-ছাত্রী খুব কম

লেখা ও ছবি : নুরুল ইসলাম রুদ্র, শাবিপ্রবি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিক্ষার উচ্চতর বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসের গোলচত্বর ও ডি-বিল্ডিংয়ের মাঝে সুসজ্জিত, চোখ জুড়ানো এই চারতলা ভবন। ১৯৯০ সালে মোটে চারটি ঘরে, সামান্য বই নিয়ে অ্যাকাডেমিক ভবন ‘এ’তে চালু হয়েছে গ্রন্থাগারটি। এখন নিজেদের ভবনটি আছে। তার তৃতীয় ও চতুর্থ তলা জুড়ে লাইব্রেরি কার্যক্রম চলছে।

অনলাইনে আছে, মোট ৭৫ হাজার বই আছে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে। ছয় হাজার কপি জার্নাল ও সাময়িকী রয়েছে। প্রতিদিন ২৩টি সংবাদপত্র ব্যবহারকারীদের জন্য রাখা হয়। অনলাইন সেবা আছে গ্রন্থাগারটির। ২৫ হাজারের বেশি ই-জার্নাল ও ই-বুক এবং ই-গবেষণাপত্র আছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে চুক্তিতে তাদের ই-লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারেন তারা। ইউজিসি ডিজিটাল লাইব্রেরির ৩৭ হাজার ৫শ ই-বইগুলো ব্যবহার করতে পারেন। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব আইপিএস ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সেবাগুলো প্রদান করে। বিরাট এই গ্রন্থাগারের জন্য মোট আছেন ৩৮ জন অফিসার ও কর্মচার্রীর বিরাট দল। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কম্পিউটারাইজ সার্ভিস সেবা চালু করেছেন। এই গ্রন্থাগারের ই-লিংক হলো http://library.sust.edu. তাদের সিসিটিভি ব্যবস্থায় চালু থাকে সর্বক্ষণ। মোট ৩২টি ক্যামেরা আছে। মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার রয়েছে। তাতে মুক্তিযুদ্ধের বই, পোস্টারগুলো, মানচিত্রগুলো, ভিডিও, প্রমাণাদি আছে। ২০ হাজারের বেশি বই আছে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলোতে মোট নয় হাজার ছাত্র, ছাত্রী পড়ালেখা করেন। তাদের জন্য হাজারের বেশি অধ্যাপক আছেন। সবার বই পড়ার সবচেয়ে ভালো জায়গা হলো কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারটি। তাদের জন্য ১শর বেশি আসন আছে। পড়ালেখা ও গবেষণা কাজে ব্যবহারের জন্য শুক্র এবং শনিবার ছুটির দিন বাদে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মদিবসে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। সর্বক্ষণ সেবা প্রদান করা হয়। ছাত্র, ছাত্রীরা গ্রন্থাগার সেবার সময় বাড়ানোর জন্য আন্দোলন করেছেন। ফলে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে আটটার সময় বেড়ে হয়েছে রাত ১০টা। এই লেখাটির জন্য একটি সপ্তাহ টানা গ্রন্থাগার ভবন পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, বেশিরভাগ দিন রাত ৮টার পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ছাত্র, ছাত্রীরা থাকেন না। কোনো, কোনোদিন মোটে ৪ থেকে ৫ জন ছাত্র, ছাত্রী পড়ালেখা করছেন। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জনের বেশি ছাত্র, ছাত্রী এই গ্রন্থাগার ব্যবহার করছেন না। দিনে এই প্রতিবেদকের উপস্থিতির সময় বেশিরভাগ ছাত্র, ছাত্রীর সামনে বই নেই। তারা পড়ালেখা করছেন না। অধ্যাপকদের দেওয়া ক্লাস শিট, নোট ও স্লাইড নিয়ে ক্লাসের পড়াই পড়ছেন। অনেকে মোবাইলে ব্যস্ত, ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছেন। বই পড়ছেন না কেন-এই প্রশ্নের জবাবে ছাত্র, ছাত্রীরা বলেছেন, আমাদের কোনো কোর্স কোনো নিদিষ্ট বই ধরে পড়ানো হয় না। অধ্যাপকরা একাধিক পাঠ্য বই মিলিয়ে পড়ান ও সেগুলো কিনে পড়তে পরামর্শ দেন। লাইব্রেরি থেকে সংগ্রহ করতে বলেন। তবে এই বিদেশী বইগুলোর অনেক দাম বলে কেনার সামর্থ্য বেশিরভাগেরই হয় না। আপডেট এই বইগুলো কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিও কোর্স এবং বিষয় ধরে রাখে না। ফলে কোনো বই কেনা হয় না। অধ্যাপকদের দেওয়া ক্লাস শিট ও তৈরি নোটই ভরসা থাকে। এজন্য সেগুলো এখানে পড়ালেখার জন্য নিয়ে আসেন তারা।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, ছাত্রীদের আরেকটি অভিযোগ হলো, বই ও খাতা-কলম বাদে ব্যক্তিগত আর কোনোকিছু গ্রন্থাগারে নিয়ে আসতে দেওয়া হয় না। তাতে তারা আর কিছু দরকার হলেও আনতে পারেন না। অবশ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারসহ তাদের সব বিভাগের গ্রন্থাগারেই এই ব্যবস্থা চালু আছে।
গ্রন্থাগার ব্যবহার করা ছাত্র, ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, আমাদের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের বেশিরভাগ বই হলো ইংরেজি ভাষার। বইগুলো পুরোনো। আমাদের ইংরেজি মাতৃভাষা নয় ও বইগুলো হাল আমলের নয় বলে পড়তে কষ্ট হয়। তারা জানিয়েছেন, ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের টানা ২৫ বছরের কর্মস্থল এই গ্রন্থাগারে বাংলা ভাষার বই খুব আছে। যেগুলো রয়েছে, বেশিরভাগ সময় খুঁজে এনে দিতে পারেন না লাইব্রেরির স্টাফরা। তাতে পড়ার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না তাদের পক্ষে। এই আলাপে বিশ্ববিদ্যালয়টির সমাজকমের ছাত্র রুবিয়ান শান বলেছেন, ‘অনেক খুঁজেও আমাকে পড়ার মতো কোনো মানসম্পন্ন বাংলা বই একবার তারা এনে দিতে পারেননি। ফলে গ্রন্থাগারে আসতে ভালো লাগে না।’ তিনি জানিয়েছেন, ‘সময়ের হাত ধরে ভালো মানের ইংরেজি ও বাংলা বইগুলো থাকলে আমাদের আসতে ইচ্ছে করবে, গ্রন্থাগারে পড়তে ভালো লাগবে।’ চাহিদার বইয়ের অভাব এবং বাইরের ভালো বই না নেবার নিয়মেও তাদের অনেকে গ্রন্থাগারে আসতে চান না।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের খুব ভালো একটি নিয়ম হলো-এখানে চাকরির গাইড বা এমন কোনো বই নিয়ে আসা যায় না। সেখানে অ্যাকাডেমিক বইও নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কেবল ক্লাস নোট গ্রন্থাগারে বসে কেন পড়ছেন-এই প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের ছাত্র হাসিবুল কবীর শিমুল বলেছেন, ‘আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না, এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে গভীর জ্ঞানের চেয়ে পরীক্ষার ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশের সবখানে। আমরা জানি, ক্লাসে শিক্ষকদের দেওয়া লেকচারের নোট নিয়ে, অ্যাসাইনমেন্ট করে মোটামুটি ভালো ফলাফল করা সম্ভব হয়। তাই জ্ঞানের খোঁজে বই না পড়ে অল্পতে ভালো ফল করতে, সময় কম দিয়ে শিট পড়ার দিকে ঝুঁকে পড়েছি সবাই।’ তবে এই ছাত্রটি জানালেন, ‘ভালো মানের গবেষক হতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বলেছেন, ‘যারা বিদেশে গবেষণায় যেতে চান, তাদের অনেকে বই পড়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সেভাবে ক্যারিয়ার গড়েন।’
কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সবচেয়ে বড় সুবিধাটির কথা জানালেন সমাজকমের ছাত্রী সানজিদা নওরিন সুবর্ণা, ‘আমাদের গ্রন্থাগারটি বাদে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ভবনের কোথাও রিডিং রুম নেই। তবে এখানে কোর্সের, প্রচলিত ও আমাদের উপযোগী আধুনিক বইগুলো না থাকায় আমরা কেউ ভালোভাবে পড়ালেখা করতে পারি না।’
ছাত্র, ছাত্রীদের এই সমস্যাগুলোর সমাধান এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার নিয়ে বলতে গিয়ে প্রশাসক ও পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিজুল বাতেন ঢাকা প্রকাশের বিশ্ববিদ্যালয়র প্রতিনিধি ও তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নুরুল ইসলাম রুদ্রকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কেন্দ্রীয় নীতিমালা হলো-কোনো ছাত্র, ছাত্রী, অধ্যাপক সঙ্গে করে কোনো বই নিয়ে গ্রন্থাগারে প্রবেশ করতে পারবেন না। সাধারণ কিছু সমস্যা হয় বলে আগে থেকে নিয়মটি চালু আছে। কেন্দ্রীয়ভাবে পরিবর্তন করা না হলে প্রশাসক হিসেবে আমার পক্ষে সিদ্ধান্তটি পরিবতন করা সম্ভব নয়।’
অধ্যাপক ড. আজিজুল বাতেন ছাত্র, ছাত্রীদের চাহিদানুসারে বই অপ্রাপ্তির বিষয়ে বলেছেন, ‘প্রতি বছর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে যেসব বই অর্ন্তভুক্ত করা হয়, সেগুলো বিভাগগুলোর মাধ্যমে আসে। গ্রন্থাগারের নিয়মে, প্রতিটি বিভাগকে তাদের ছাত্র, ছাত্রী ও শিক্ষকদের প্রতি বছরের চাহিদার বইগুলোর তালিকা দিতে অনুরোধ করা হয়। তাদের সেই বইগুলো আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচে সবার জন্য কিনে রাখি। ফলে শিক্ষার্থীদের চাহিদাগুলো তাদের বিভাগগুলোতে বলতে হবে।’

ওএস।

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো