এসএটি কাজ করে ফ্রিলান্সারদের নিয়ে

সিমেক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (এসএটি) ‘প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়’র দক্ষতা উন্নয়ন সেলের অনুমোদন লাভ করেছে। এই স্কিল ডেভলপমেন্ট সেন্টারটি ফ্রিল্যান্সারদের সনদায়নের জন্য এসেসমেন্ট সেন্টার হিসেবে কাজ করে। তারা গবেষণা ও উদ্ভাবনে মাধ্যমে দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরিতে কাজ করেন। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিকমানের গবেষনার সুযোগ তৈরি করতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তারা।
এবারের একুশে ফেব্রুয়ারি তারা ভালোভাবে দিনভর আয়োজনের মাধ্যমে পালন করেছেন। একুশের প্রথম প্রহরেই ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন অস্থায়ী শহিদ মিনারে।
উত্তরার ক্যাম্পাসে মিনারটির নকশা করেছেন প্রবাসী তরুণ স্থপতি তাসনিম নওয়ার ইষানা।
‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)’র প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও (এসএটি)’র সভাপতি ড. মো. মনিরুল ইসলামের অংশগ্রহণে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ উপলক্ষে বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি সভাপতিত্ব করেছেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন ‘এসএটি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সরদার মো. শাহীন, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আফছানা খানম, নির্বাহী পরিচালক ফোয়ারা ইয়াসমিন, পরিচালক প্রকৌশলী আবু মুসা, পরিচালক আবুল হোসেন, সহকারী মহাব্যবস্থাপক জামাল উদ্দিন আহমেদ ও ব্যবস্থাপনা সমন্বয়ক শায়লা জাফরিন প্রমুখ।
উপস্থাপনা করেছেন ‘এসএটি রিসার্চ সেন্টার’র সমন্বয়ক ড. সঞ্জীব রায়।
ড. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘ভাষা শহিদদের রক্তে রাঙানো মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের মধ্যে উদযাপনে যেন সীমাবদ্ধ না থাকে। সবার দায়িত্ব হলো, ১৯৫২ সালের একুশের ফেব্রুয়ারির গুরুত্ব ও তাৎপর্যসহ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসপ্রবাহের সঙ্গে ছাত্র, ছাত্রীদের আরো যুক্ত করা। এই দায়িত্ব সবাইকে পালন করতে হবে।’
এসএটি’র প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী সরদার মো. শাহীন বলেছেন, ‘বিশ্ব দরবারে বাঙালির মহান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, গৌরব তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভাষাগুলোতে বাংলা রচনাবলী অনুবাদের কাজও করতে হবে। তাতে বাংলাদেশ এবং বাংলা ভাষার সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি আরো অনেক বেশি তুলে ধরা সম্ভব হবে। আমাদের ভাষা ও জ্ঞানের পরিধি বাড়বে। ভাষার গুরুত্ব অনেক বেশি তৈরি হবে।’
ইনিস্টিটিউটের ছাত্র, ছাত্রী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে একুশের ভাষা শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কবিতা ও গান হয়েছে।
ওএস।
