শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

মাহমুদউল্লাহ বিশ্রামে না বলি!

হঠাৎ কী এমন হয়ে গেল যে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের উপর দিয়ে এমন ঝড় বয়ে গেল? যেখানে তিনি টি-টোয়েন্টি দলেও নেই, নেতৃত্বেও নেই! টেস্ট ক্রিকেটের মতো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ কখনোই ভালো দল ছিল না। টেস্টে যেমন মাঝে মাঝ জয় আসে, তেমনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও। ২০০৬ সালে যদিও নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ খুলনা শেষ আবু নাসের স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়েকে ৪৩ রানে হারিয়ে সূচনা করেছিল। দলটিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শাহরিয়ার নাফিস। তিনি এ একটি ম্যাচেই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু শুরুর এ যাত্রা বাংলাদেশ পরবর্তী সময় ধরে রাখতে পারেনি। শুধুই হারের সাগরে নিমজ্জিত হয়েছে।

বাংলাদেশ একইভাবে প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটেও উইন্ডিজকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে হারিয়ে শুরু করেছিল। কিন্তু এই শেষ। এরপর এ আসরের মূল পর্বে বাংলাদেশ আর কোনো ম্যাচই জিততে পারেনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ১২৮টি ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে ৪৪টিতে। যার অধিকাংশই ছোট দলগুলোর বিপক্ষে। যেখানে আইসিসিরি সহযোগী দেশও আছে বেশ কয়েকটি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সেরা সাফল্য বলতে ঘরের মাঠে কন্ডিশনের সুবিধা কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়। পরিসংখ্যানগুলো তুলে ধরা হয়েছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের দৈন্যদশা বুঝতে। এ দলকে আশরাফুল, সাকিব, মুশফিক, মাশরাফি নেতৃত্ব দিয়েও অবস্থার হেরফের করতে পারেনি, মাহমুদউল্লাহও পারেননি। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের যখন চরম ভরাডুবি হয়েছিল, তখনো মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্ব বা ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেনি। পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য তখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে বিসিবি। সেই বিশ্বকাপ শুরু হতে যখন তিন মাস বাকি, তখনই সরিয়ে দেওয়া হলো মাহমুদউল্লাহকে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যর্থতা অব্যাহত ছিল উইন্ডিজ সফরেও। দল হেরেছে। ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। তার নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু এত দ্রুতই যে তার নেতৃত্ব হাওয়া হয়ে যাবে, তাকে বিশ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হবে, তা হয়তো তিনি নিজেও ভাবেননি। মাহমুদউল্লাহর মতো টেস্ট ক্রিকেটে মুমিনুলও ছিলেন একইভাবে সব দিক দিয়ে ব্যর্থ। এটি নিয়ে অনেকদিন বলাবলির পর মুমিনুলকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তাকে ব্যাট হাতে ফর্মে ফিরতে তাকে উইন্ডিজ সফরে দলে রাখা হয়। সেখানে প্রথম টেস্ট খেলেনও। যদিও ব্যাট তার হাসেনি। ফলে পরের টেস্টে সেরা একাদশ থেকে বাদ পড়েন। কিন্তু মাহমুদউল্লাহকে সেরকম কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। একসঙ্গে জবাই করা হয়েছে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দল থেকে বাদ দিয়ে বিশ্রামে পাঠিয়ে। এর পেছনে মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্ব ও রান খরার পাশাপাশি অনেকেই আরেকটি বিষয় নিয়েও সন্দেহ করছেন। আর তা হলো উইন্ডিজ সফরে সেন্ট লুসিয়া থেকে ডোমিনিকায় সমুদ্র যাত্রায় কয়েকজন ক্রিকেটার মারাত্মক রকমের অসুস্থ হয়ে পড়লে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

ফেইসবুকে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায় তিনি বলছেন, ‘আপনারা প্লেয়ারদের অবস্থা দেখেন। এর লায়াবিলিটি কে নেবে? এখনো আপনার টু অ্যান্ড হাফ আওয়ার বাকি (মার্টিনেক থেকে ডোমিনিকা) আছে। ওইটার অবস্থা আরও খারাপ।’ তিনি আরও বলেন, ‘চার/পাঁচজন ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। বাকিরা সব ফ্লাট। কেউ ভয়ে দাঁড়ানো অবস্থা নেই।’ ক্রিকেটারদের এ দুরাবস্থা তখন সর্বত্র তুমুল সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিসিবিক এক হাত নেওয়া হয়েছিল।

একটি সূত্রে জানা গেছে, অধিনায়ক হিসেবে মিডিয়ার সামনে মাহমুদউল্লাহর এ ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া বিসিবির অনেকেই ভালোভাবে নেননি। একদিকে সমালোচনা আরেক দিকে অধিনায়ক হিসেবে মাহমুদউল্লাহর এমন আচরণ আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছিল। তারা এ সময় মাহমুদউল্লাহর কাছে আরও সংযত আচরণ আশা করেছিলেন। পরিস্থিতি মোকাবিলা আশা করেছিলেন। এরপর থেকেই বিসিবির নীতি নির্ধারকদের বেশ কয়েকজন মাহমুদউল্লাহর উপর অসন্তুষ্ট ছিলেন বলে জানা যায়। এ অসন্তুষ্টির সঙ্গে যোগ হয় উইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলের হার, তার ব্যর্থতা, সঙ্গে দুর্বল নেতৃত্ব। ফলে মাহমুদউল্লাহকে সরানোর কারণ সামনে চলে আসে। তাই নেওয়া হয় দ্রুত সিন্ধান্ত? যদি তাই না হবে, তা হলে টি-টোয়েন্টিতে বিশ্রামে পাঠানোর কথা বলে আবার ওয়ানডেতে রাখা হয়েছে?

এমপি/এসএন

 

 

Header Ad
Header Ad

বর্তমান সংবিধান ফেলে দিয়ে নতুন সংবিধান গ্রহণযোগ্য নয়: ড. কামাল হোসেন

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ড. কামাল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এত দিন এই সংবিধানের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হয়েছে। জনগণ মেনে নিয়েছে। এখন সেটা ফেলে দিয়ে নতুন একটা সংবিধান করা কোনোভাবেই যুক্তিসংগত নয়, গ্রহণযোগ্য নয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি আয়োজিত ‘৭২-এর সংবিধান ও প্রস্তাবিত সংস্কার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধানকে ফেলে দিয়ে নতুন সংবিধান করা—এটা সংস্কার নয়, এটা সংবিধানকে ধ্বংস করার একটা পথ।

সংবিধান পুনর্লিখন একটা ভুল ধারণা মন্তব্য করে এ সময় তিনি আরও বলেন, সংস্কারের প্রয়োজন আছে, সংস্কার বিবেচনাযোগ্য। বিস্তর আলোচনার পর যদি ঐকমত্য হয়, তখন সংবিধান সংশোধন করা যায়।

আলোচনা সভায় ড. কামাল হোসেনের বক্তব্য দেওয়ার আগে তার একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত চৌধুরী।

সেই লিখিত বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান জাতির সংগ্রামের ফসল। এটি কেবল আইনের একটি দলিল নয়, বরং আমাদের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। গত ৫ আগস্টের অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দিয়েছে যে, জনগণের আকাঙ্ক্ষা কখনোই উপেক্ষা করা যায় না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে সংবিধানের যেকোনো পরিবর্তন ও সংশোধনে যেন দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঠিক প্রতিফলন হয় এবং নিশ্চিত করতে হবে যেন সংবিধানকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করার সুযোগ না থাকে।

সংবিধানের অন্যতম এই প্রণেতা বলেন, ব্যাপক পরামর্শ ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি এগিয়ে নিতে হবে। তা না হলে সংবিধানের কোনো পরিবর্তন ও সংশোধন জাতীয় কল্যাণ বয়ে আনবে না।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, মহিলা পরিষদের সভাপতি ফাওজিয়া মোসলেম, সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব হাসান, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, আইনজীবী এস এম এ সবুর, আইনজীবী আবু ইয়াহিয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Header Ad
Header Ad

জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ ১০টি পদ চূড়ান্ত, থাকছেন যারা

জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ পদে মনোনীত নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

আত্মপ্রকাশ হওয়ার অপেক্ষায় তরুণদের রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট বড় দলে দলে আসছেন ছাত্র-জনতা। এরই মধ্যে জানা গেছে, দলটির শীর্ষ ১০টি পদ চূড়ান্ত হয়েছে। সেখানে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে থাকছেন দুজন করে।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির ঘোষণা দেয়া হবে। প্রকাশ করা হতে পারে দলের লোগো-মনোগ্রাম-পতাকাও।

দলটির শীর্ষ দশ পদে রয়েছেন- আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারওয়ার নিবা, মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ (দক্ষিণাঞ্চল), মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম (উত্তরাঞ্চল), মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।

নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও উপদেষ্টাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে সরকারপ্রধানের হাতে আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন নতুন দলের উদ্যোক্তারা। নতুন এই রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যরাও।

এদিকে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের শরিক ৩৬ রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি ঢাকায় নিযুক্ত ৫১ দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অনুষ্ঠানে।

Header Ad
Header Ad

জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ

দলে দলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আসছেন ছাত্র-জনতা

দলে দলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আসছেন ছাত্র-জনতা। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অধীনে নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আজ (২৮ ফেব্রুয়ারি) আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির ঘোষণা দেওয়া হবে। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজিত এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক ছাত্র-জনতা সমবেত হয়েছেন।

সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খন্ড মিছিল নিয়ে ছাত্র-জনতা আসতে শুরু করেছে। সমাবেশে যোগ দিতে তরুণ সমাজের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষও উপস্থিত হচ্ছেন। বক্তৃতার সময় তাদের মধ্যে কিছু স্লোগানও শোনা যাচ্ছে, যা তাদের উচ্ছ্বাস এবং নতুন দলটির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে। বিশেষ করে, ছাত্রসমাজের মধ্যে উজ্জীবিত আবেগ এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের চাহিদা অত্যন্ত দৃশ্যমান।

বিগত দিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে, দেশজুড়ে তরুণদের নেতৃত্বে নতুন কিছু করার জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করছে। এমনকি, প্রান্তিক এলাকার প্রবীণরা সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন। তারা বলছেন, পূর্ববর্তী রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতার মসনদে বসে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে, কিন্তু এখন সময় এসেছে তরুণদের হাতে দেশের শাসনভার সোপর্দ করার।

সমাবেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিস সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রও স্থাপন করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

সূত্র বলছে, জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ ১০ পদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। তারা হলেন: আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা ও নাহিদা সারওয়ার নিবা, মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ (দক্ষিণাঞ্চল) ও সারজিস আলম (উত্তরাঞ্চল), মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বর্তমান সংবিধান ফেলে দিয়ে নতুন সংবিধান গ্রহণযোগ্য নয়: ড. কামাল হোসেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ ১০টি পদ চূড়ান্ত, থাকছেন যারা
দলে দলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আসছেন ছাত্র-জনতা
সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ, ভারত-পাকিস্তানের গ্রুপে থাকবে না বাংলাদেশ
বাংলাদেশ থেকে ইলিশ নিতে চায় চীন
ভারতে পাচারকালে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে আড়াই কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ
ভাঙ্গা থানার ওসি শফিকুল ইসলামসহ ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেফতার
নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও জাপা বাদে সব দল আমন্ত্রিত
চুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি সাগরময় আচার্য আটক
গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ থেকে পদত্যাগ করলেন জেদনী
বিধ্বস্ত গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ১৭ লাশ উদ্ধার
মধ্যরাতে শেওড়াপাড়া কাঁচাবাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই সব দোকান
‘জাতীয় নাগরিক পার্টির’ আত্মপ্রকাশ আজ, ৩ লাখ মানুষের সমাগমের প্রত্যাশা
মিয়ানমারে আটক ২৯ জেলেকে ফেরত আনলো বিজিবি
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য তারুণ্য উৎসবের আয়োজন
নতুন ছাত্রসংগঠন থেকে ২ নেতার পদত্যাগ
রাত পোহালেই বিএনপির নওগাঁ সদর ও পৌরসভা ভোট
দেশের বাজারে ফের কমলো সোনার দাম
চুয়াডাঙ্গায় গুণগতমানসম্পন্ন বীজ আখ উৎপাদন কৌশল ও ব্যবহারবিষয়ক দুদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি-লুটপাট, গ্রেফতার ৪