শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

জার্মানে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের পর্দা উঠছে আজ

ছবি: সংগৃহীত

জমে উঠেছে টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর। আর এরইমধ্যে বসতে যাচ্ছে ইউরোপের ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ। এবারের আসরটি ইউরোর ১৭তম আসর। জার্মানিতে বসছে এবারের আসর। আজ প্রথম ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে জমজমাট এই লড়াইয়ের। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে জার্মানি ও স্কটল্যান্ড।

আজ শুক্রবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় উদ্বোধনী ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় লড়বে জার্মানি ও স্কটল্যান্ড।

এই ম্যাচে অবশ্যই ফেভারিট জার্মানি। তবে নতুন শুরুর আশা দেখছে স্কটিশরা। গত ইউরো দিয়ে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের পর প্রথমবার কোনো বড় টুর্নামেন্টে ফেরে স্কটল্যান্ড। তবে তিন ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় তারা। এবার নতুন উদ্যমে শুরুর প্রত্যাশা স্কটল্যান্ডের।

জার্মানি ম্যাচের আগের দিন স্কটল্যান্ডের অধিনায়ক অ্যান্ড্রু রবার্টসন বলেন, ‘আমরা যদি কাজটা করতে পারি, আশা করি, ফল পাওয়ার চাবিকাঠি হবে এটি। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা পারব এবং তা নির্ভর করছে আমাদের ওপরই।’

আটবার বিশ্বকাপ ও তিনবার ইউরোতে খেলে প্রতিবার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলটি এবার ভালো কিছু করবে বলেই বিশ্বাস রবার্টসনের, ‘এবার আমরা কোনো অনুশোচনা করতে চাই না। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা এমন একটি দল যারা ইতিহাস তৈরি করতে পারে।’

এদিকে ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা পেলেও স্কটল্যান্ডকে সমীহ করছেন জার্মান কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান, ‘তারকায় ঠাসা দল স্কটল্যান্ড নয়, কিন্তু এটাই তাদেরকে বিপজ্জনক দল তৈরি করেছে। কেননা, তাদের দলে ক্ষিপ্র গতির মানসিকতার খেলোয়াড় আছে, যারা সবটুকু নিংড়ে দেয়।’

তবে এই দলকে হারানোর ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নাগেলসম্যান, ‘যখন আমি নিজের খেলোয়াড়দের চোখে তাকাই…আমি তাদের চোখে দেখি অনেক বিশ্বাস ও আত্মবিশ্বাস, এটাই আমি দেখতে চাই…নিজেদের মাঠে খেলার সুবিধা আমাদের আছে, আমরা জিততে চাই। আমরা চাপকে হারাতে পারি এবং স্কটল্যান্ডকেও হারাতে পারি।’

Header Ad
Header Ad

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে যাচ্ছে মিয়ানমার। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উ থান শিউ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নিবন্ধিত ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।

ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ছয় দফায় রোহিঙ্গাদের মূল তালিকা মিয়ানমারকে সরবরাহ করেছিল। এখনো ৭০ হাজার রোহিঙ্গার চূড়ান্ত যাচাইকরণ বাকি রয়েছে। মূল তালিকায় থাকা বাকি সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আরও মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ

বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ। ছবি: সংগৃহীত

আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে আঞ্চলিক সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত এই জোট বর্তমানে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বৃহত্তর সংহতকরণের চেষ্টা করছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের শেষ ভাগে সভাপতিত্ব হস্তান্তর করা হয়। সাত সদস্যের আঞ্চলিক ব্লক—বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের নেতারা ‘সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক এবং উন্মুক্ত বিমসটেক’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন। আয়োজক দেশ থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশ নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে।

বিমসটেক সনদ অনুসারে, চেয়ারম্যানের পদ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বর্ণানুক্রমিকভাবে আবর্তিত হয়। শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় অংশগ্রহণকারী নেতাদের প্রতীকী গ্রুপ ছবি তোলার মাধ্যমে। এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, বিদায়ী বিমসটেক সভাপতি স্বাগত ভাষণ দেন। মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্যান্য বিমসটেক নেতারা আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। এছাড়া, সকালে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস থাই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের প্রাতঃরাশ বৈঠকে যোগ দেন, যেখানে বিমসটেক কাঠামোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ