শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মেলবোর্নে যত ফাইনাল

এক সময় আইসিসির ডালে ছিল একটি মাত্র ফুল। সে ফুলটির নাম ছিল বিশ্বকাপ ক্রিকেট। আর বিশ্বকাপ ক্রিকেট মানেই ছিল ৫০ ওভারের ম্যাচ। এখন আইসিসির ডালে আরও ফুল ফুটেছে। যে কারণে বিশ্বকাপ বললেই এখন আর ৫০ ওভারের ম্যাচ বোঝায় না। আরও দু'টি বৈষয়িক আয়োজন আছে। একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, অপরটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। এখন চলছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। রবিবার (১৩ নেভম্বর) মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এর পর্দা নামবে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের ফাইনাল খেলা দিয়ে।

এক সময় আইসিসির বিশ্বকাপ বলতেই যেমন ৫০ ওভারের ম্যাচকে বোঝানো হতো। ঠিক তেমনি সেই আয়োজন বলতেই ছিল ইংল্যান্ড আর ফাইনাল মানেই লর্ডস। আইসিসি প্রথম তিনটি আসরের ভেন্যু ছিল ইংল্যান্ড এবং লর্ডস। সেই বৃত্ত ভেঙ্গে আইসিসি বের হয়ে এসেছিল ১৯৮৭ সালে উপমহাদেশে বিশ্বকাপের আয়োজন করে। তারপর থেকেই বিশ্বকাপ ঘুরছে চক্রাকারে মহাদেশ থেকে মহাদেশে। সঙ্গে অন্য আসরগুলোও।

লর্ডসে ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রথম তিনটি আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার পরও ১৯৯৯ ও ২০১৯ সালের আসরের ফাইনালেরও ভেন্যু ছিল লর্ডস। এ ছাড়া, ২০০৯ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রথমবার আয়োজন করেও ফাইনালের ভেন্যু লর্ডস রাখা হয়েছিল। ফাইনাল ম্যাচ আয়োজনের দিক দিয়ে অন্য যেকোনো ভেন্যুর চেয়ে লর্ডস তাই এগিয়ে। এর পরই আছে মেলবোর্ন। আগামীকাল এই ভেন্যু অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ফাইনাল। আগের দুটি ছিল ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৯৯২ ও ২০১৫ সালে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া এককভাবে আয়োজন করলেও ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে আর ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু হয়েছিল মেলবোর্ন। ১৯৯২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পাকিস্তান ২০১৫ সালে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। এবার কে পাকিস্তান, না ইংল্যান্ড?

১৯৯২ সালের মতো দুই দল এবার ও মুখোমুখি। সেবার ছিল ওয়ানডে, এবার টি-টোয়েন্টি।‌১৯৯২ সালের ফাইনালে পাকিস্তান ২২ রানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। টস জিতে ইমরান খানের পাকিস্তান ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে করেছিল ২৪৯ রান। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা অধিনায়ক ইমরান খানের ৭২, জাভেদ মিয়ানদাদের ৫৮, ইনজামামুল হকের ৪২ ও ওয়াসিম আকরামের ১৮ বলে ৩৩ রানের ইনিংস পাকিস্তানকে এই রান সংগ্রহ করতে বড় ভূমিকা রেখেছিল। ইংল্যান্ডের ডেরেক প্রিঙ্গল ১০ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন।

৩০ বছর আগে এই রান ছিল অনেক নিরাপদ সেই নিরাপদ সংগ্রহটা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম, আকিব জাভেদ, মোস্তাক আহমেদের মত বোলারদের কারণে। এদের তোপে পড়ে গ্রায়াম গুচ, আয়ন বোথাম,স্টুয়ার্ট, গ্রায়াম হিক, নেইল ফেয়ার ব্রাদার, অ্যালান ল্যাম্বের মতো শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনও টিকে থাকতে পারেনি ৫০ ওভার পর্যন্ত। ৪৯.২ ওভারে ২২৭ রান করে ইংল্যান্ড অল আউট হয়েছিল। নেইল ফেয়ার ব্রাদার সর্বোচ্চ ৬২ রান করেছিলেন। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছিল অতিরিক্ত থেকে রান ২৪। মোস্তাক আহমেদ ৪১ ও ওয়াসিম আকরাম ৪৯ রানে ৩টি করে এবং আকিব জাভদ ২৭ রানে ২টি উইকেট নিয়েছিলেন। ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন ওয়াসিম আকরাম।

১৯৯২ সালে মেলবোর্নে দ্বিতীয় ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। প্রতিপক্ষ ছিল আয়োজক আরেক দেশ নিউজিল্যান্ড। দুই স্বাগতিকদের লড়াইটা যেমন জমে ওঠার কথা ছিল তেমনটি হয়নি। এই না হওয়ার কারণ ছিল অস্ট্রেলিয়ান বোলাররা। টস জিতে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক ব্র্যান্ডন ম্যাককালামের ব্যাটিং করার সিদ্ধান্তটা ভুল প্রমাণ করে দেন অজি বোলাররা মাত্র ১৮৩ রানে অলআউট করে দিয়ে। দলেরপক্ষে সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন গ্রান্ট ইলিয়ট। এ ছাড়া ৪০ রান এসেছিল করস টেলরের ব্যাট থেকে। হ্যাজেলহুড ৩০ ও জেমস ফকনার ৩৬ রানে নেন তিনটি করে উইকেট। মিচেল স্টার্ক ২০ রান খরচ করে নেন দশ ২ উইকেট। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে অস্ট্রেলিয়ানরা মাত্র ৩৩.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে যায় ১৮৬ রান করে। অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক ৭৪, স্টিভেন স্মিথ অপরাজিত ৫৬ ও ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ৪৫ রান করেন। ম্যাট হ্যানরি ৪৬ রানে নেন দুই উইকেট। ম্যাচ সেরা হন জেমস ফকনার।

এমপি/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি শেষে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে ঘরমানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফেরা ও সড়কে ডাকাতিরোধে র‍্যাবের টহল টিম জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে মহাসড়কের এলেঙ্গা ও মির্জাপুরসহ গুরত্বপূর্ণ এলাকায় চেক পোস্ট বসিয়ে যাত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি মহাড়কে চলাচলের সার্বিক খোঁজখবর নিচ্ছে র‍্যাব সদস্যরা।

এছাড়াও ডাকাতিরোধসহ জরুরি প্রয়োজনে যাতে র‍্যাবের যোগাযোগ করতে জরুরি মোবাইল নম্বরও সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে র‍্যাব- ১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার মেজর কাওছার বাঁধন বলেন, ঈদের আনন্দ শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তাদের একাধিক টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

Header Ad
Header Ad

শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ

শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ।ছবি: সংগৃহীত

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুরের জাজিরায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে কমপক্ষে ৮ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের দূর্বাডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বেলা ১২ টার দিকে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছে। প্রায় চার বছর আাগে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন আওয়ামী লীগের এই দুই নেতা। ওই সময় পুরানোর বিরোধ আরও চাঙা হয়। গত ৫ আগস্টের পরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে দূর্বাডাঙ্গা এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকরা আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় অন্তত শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ১৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা যায়, একটি খোলা মাঠে উভয় পক্ষের লোক মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে অনেকের হাতে বালতি ও হেলমেট পরিহিত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বালতি থেকে হাতবোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে। পরে সেগুলো বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে ধোঁয়ার সৃষ্টি করছে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য কুদ্দুস বেপারী ও জলিল মাদবরের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আখন্দ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়

ছবি: সংগৃহীত

গ্রীষ্মের তাপদাহে তৃষ্ণা নিবারণ করা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে গ্রীষ্মের তীব্র তাপমাত্রায়, গরমে হাইড্রেটেড থাকা অনেক বেশি জরুরি, কারণ অতিরিক্ত তাপ আমাদের শরীর থেকে পানি শূন্য করে দেয়। তৃষ্ণা মেটানোর জন্য আমরা সাধারণত কোল্ড ড্রিঙ্ক, কোল্ড কফি বা আইসড টি বেছে নি, কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু পানীয় আমাদের আরও বেশি ডিহাইড্রেটেড করে ফেলতে পারে?

পচলুন জেনে নেওয়া যাক, গ্রীষ্মে কোন পানীয়গুলো আমাদের শরীরের জলশূন্যতা বাড়িয়ে দিতে পারে:

১. কোল্ড কফি/আইসড কফি
গরমে ঠান্ডা কফি বেশ জনপ্রিয় পানীয়। এটা যেমন আমাদের তৃষ্ণা মেটায়, তেমনই আমাদের শক্তিও বৃদ্ধি করে। তবে কফিতে থাকা ক্যাফেইন আমাদের শরীরে জলশূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ ক্যাফেইন একটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক। তাই কোল্ড কফি বেশি পরিমাণে পান করলে তা শরীর থেকে পানি দ্রুত বের করে দিতে পারে, যার ফলে আপনি আরও বেশি ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়তে পারেন।

২. আইসড টি
আইসড টি গ্রীষ্মকালীন এক জনপ্রিয় পানীয়, যা ঠান্ডা থাকার পাশাপাশি স্বাদেও ভালো। কিন্তু এই পানীয়তে কফির মতোই ক্যাফেইন থাকে, যা তৃষ্ণা মেটানোর বদলে শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। গ্রীষ্মকালে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে, আইসড টি পান করার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া উচিত। অতিরিক্ত আইসড টি শরীরের পানির ভারসাম্য বিঘ্নিত করতে পারে।

৩. কোমল পানীয়
কোমল পানীয় বা সোডা, সাধারণত চিনি এবং ক্যাফেইনের বড় উৎস। এই পানীয় শরীরকে ডিহাইড্রেটেড করে ফেলতে পারে। সোডা শরীরে জলশূন্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি, অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন আরও তীব্র হতে পারে। তাই কোমল পানীয় পানের পর সাথে পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। এর পাশাপাশি, কোমল পানীয় শরীরের মেটাবলিজমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

৪. এনার্জি ড্রিংক
এনার্জি ড্রিংক সাধারণত খেলা বা ব্যায়ামের পর শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে এগুলোতে অতিরিক্ত চিনি এবং কৃত্রিম রাসায়নিক থাকে, যা শরীরে পানি শূন্যতা বাড়াতে সহায়তা করে। এগুলি শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে, কিন্তু যদি সঠিকভাবে পানি পান না করা হয়, তবে তা দ্রুত ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি করতে পারে। গ্রীষ্মের সময় এনার্জি ড্রিংক পানের পর পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

৫. অ্যালকোহল
অ্যালকোহল একটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক, যা প্রস্রাবের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় এবং শরীরের পানি শূন্যতা সৃষ্টি করে। গ্রীষ্মকালীন তাপদাহে যখন শরীরের হাইড্রেশন প্রয়োজন, তখন অ্যালকোহল পান করা অতি ক্ষতিকর হতে পারে। অ্যালকোহল শরীরের জলীয় পরিমাণ কমিয়ে দেয়, ফলে আপনার তৃষ্ণা মেটানোর বদলে তা আরও বাড়িয়ে দেয়।

অতিরিক্ত সতর্কতা
গ্রীষ্মকালে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হল পানি। তাছাড়া, খেজুরের রস, ফলের শরবত, স্যালটেড লেবুর পানি বা নারিকেল পানি পান করলে শরীরের জলশূন্যতা প্রতিরোধ করা যায়। তৃষ্ণা মেটানোর জন্য যেগুলো খাওয়া বা পান করা উচিত, সেগুলির মধ্যে বেশি ক্যাফেইন বা চিনি না থাকাই ভালো। গ্রীষ্মকালীন পানীয় সঠিকভাবে বেছে নিন, যাতে শরীর থাকে সজীব এবং সুস্থ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ